আবার কমলো স্বর্ণের দাম !আরব আমিরাত ও বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট দেখুন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম !বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ৭ বছরে সর্বোচ্চ বেড়েছিল। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ বিক্রি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে। লকডাউন থাকায় স্বর্ণের দাম অনেক বেড়েছিল।

কয়েক দিন আগে ও ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২৪৭.৫০ দিরহাম। লকডাউন খুলে দেওয়ার পর বাজার স্বাভাবিক বাজার হয়ে কমতে শুরু করে, আজ ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম ২৩৬ .৫০ দিরহাম এ নেমে এসেছে। ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে ।

কিন্তু অনেক দাম হওয়ার কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে। যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম ,  বাংলাদেশ:  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) = 5,316.15 টাকা এবং (22 ক্যারাট) = 4,872.01

দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 236.50 দেরহাম, ; (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 221.75 দেরহাম ,

সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 237.25 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =222.50 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 228.15 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 85.250 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 257.89 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 48.05 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 23.40 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 24.20 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া:  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 85.95 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 19.25 দিনার ।

কানাডা : প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 72.68 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 62.15 আমেরিকান ডলার ।

যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমাদের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

কার্গো বিমান চলাচল ব’ন্ধ থাকায় বি’পাকে সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা

ম;হামারি কো;ভিড-১৯ এর কারণে সৃ;ষ্ট ম;ন্দা কা;টিয়ে ওঠার চেষ্টা শুরু করেছে সৌদি আরবের কার্গো ব্যবসায়ীরা।ফলে

ঠিক সময়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাতে পারছে না তারা।তাই ঠিকমত পণ্য পাঠাতে না পেরে গ্রাহকদের সঙ্গে তি;ক্ততা বাড়ছে ব্যবসায়ীদের।

সৌদি আরবে অবস্থানরত সাধারণ প্রবাসীদের অ;ভিযোগ, সৌদিতে পণ্য বু;কিং দিয়ে, দীর্ঘদিন অপেক্ষা করলেও স্বজনরা তা পাচ্ছেন না।ভু;ক্তভোগী এক প্রবাসী জানান, ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে বুকিং দেওয়া মা;ল পৌঁছোনোর কথা।

কিন্তু তিন চার মাস পার হয়ে গেছে। কবে পাবে; এ বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।

তবে এই খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত মার্চ থেকে তারা কোনো শিপমেন্টের ডেলিভারি দিতে পারেননি।ফলে প্রবাসীদের ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং পরিবারের জন্য পাঠানো মালামাল জমেছে কয়েকশ টন।

এদিকে ঢাকায় সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সৌদি কতৃর্পক্ষ বাংলাদেশ বিমানকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি না দেয়ায় বেবিচক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় পুনরায় ফ্লাইট চালু করবে বলে জানায় সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দু’টি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পায় সংস্থাটি।

চাচার হাত ধরে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী

লক্ষীপুরের রামগঞ্জে চাচা আজাদ হোসেনের হাত ধরে ৪ বছরের শিশু সন্তান আলিফা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়েছেন

ফাতেমা আক্তার নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী। রোববার রাতে উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউপির বিশনোপুর গ্রামের মুকছুদী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে ফাতেমা আক্তারের মা সানু আক্তার সোমবার রামগঞ্জ থানায় চাচা আজাদ হোসেনের বি;রুদ্ধে একটি অভি;যোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউপির বিশনোপুর গ্রামের মুকছুদী বাড়ির আ. রশিদের মেয়ে ফাতেমা আক্তার মুন্নীর সঙ্গে চাটখিল উপজেলার পরকোটের আলা উদ্দিনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। এর পর তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান আসে।

একপর্যায়ে মুন্নী তার বাড়ির আজাদ হোসেন নামে এক বখাটে চাচার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এরই সূত্র ধরে রোববার গভীর রাতে ফাতেমা আক্তার তার একমাত্র কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বখাটে চাচা আজাদ হোসেনের সঙ্গে পালিয়ে যায়।

রামগঞ্জ থানার এএসআই মো. মামুন জানান, অভি;যোগের আলোকে পু;লিশ চাচা আজাদ হোসেন ও প্রবাসীর স্ত্রী মুন্নীকে উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সৌদিতে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ধান চাষ

ধান চাষের কথা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাদা-মাটিতে মাখামাখি ক্ষেতের ছবি। কৃষকরা নিপুন হাতে ধানের
চারা রোপন করেন। তবে এই কাজটি যদি সৌদি আরবের মতো মরুভূমির দেশে হয় তাহলে একটু অবাক হতেই হয়।

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল আল আহসা হাসাভি নামের লাল চালের জন্য পরিচিত। এই ধান চাষ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল। আল আহসার কৃষকরা প্রতি বছর গ্রীষ্মের পরে বিশেষ করে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ধানের চারা রোপন করেন। এর আগে তারা মাটি প্রস্তুত শুরু করেন। সৌদিতে ধান চাষের ছবিসহ ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

বিশ্বের বিরল এই লাল চালের ধানের জাত পানির অভাবের কারণে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। পুরোপুরি পানিতে এই ধানের চারা রোপন করতে হয়। সপ্তাহে পাঁচদিনে হাসাভি ধানের গাছে পানি দিতে হয়।

এটি রোপণ করার সময় প্রচুর পরিমাণ পানির প্রয়োজন হয়। যদিও এর শেকড় দীর্ঘ সময় পানি ধরে রাখতে পারে। ধানের ক্ষেতে সৌদি শিশুরা : শর্করা, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই লাল চাল পুষ্টিগুণে ভরা। বাত এবং হাড়ের অসুস্থতা নিরাময়ে এটি কার্যকরী হাসাভী ধান এমন

একটি ফসল যা গরম অঞ্চলে জন্মে। কারণ এটি চাষে সর্বোচ্চ ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। তাপমাত্রা কম হলে এটি বৃদ্ধিতে বাধা পায় এবং সম্পূর্ণ বেড়ে উঠতে পারে না।

সৌদি কৃষক আব্দুল হাদি আল সালমান বলেন, আমরা এই চাল উৎপাদন করি। নিজেরা খাই এবং অন্যদের খাওয়াই। কিছু বিক্রিও করি। এগুলো আমাদের কাছে স্বর্ণের মতো।

ওমানের মাস্কাট এয়ারপোর্টের নতুন ঘোষণা

মহামারী করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধের পর আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে শিথিল করা হচ্ছে ওমানের সাথে বিমান

চলাচল। খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশটির সকল এয়ারপোর্ট। তবে আপাতত প্রতিটি এয়ারলাইন্স স্বাস্থ্যবিধি মেনে সপ্তাহে দুইটি ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে বলে জানিয়েছে ওমান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

করোনা পরিস্থিতি বিস্তার রোধে বিশ্বের সকল বিমানবন্দর সবচেয়ে বেশি নজর দিচ্ছে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপর। সেই হিসেবে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল এয়ারলাইন্স কোম্পানিকে ফ্লাইট পরিচালনা করতে হবে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোটা অংকের জরিমানা সহ বেশকিছু নতুন নিয়ম আসবে চলতি মাসে এমন খবর পাওয়া

গেছে বিশ্বস্ত সূত্রে। আগামী মাস থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ওমান থেকে সালাম এয়ার এবং ওমান এয়ারের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে ইতিমধ্যেই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বিমানবন্দরে যাত্রীদের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে সীমাবদ্ধ করা ও সংক্রমণের বিস্তার রোধ করার লক্ষে আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে সপ্তাহে মাত্র ২ টা ফ্লাইটের

অনুমোদন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে কয়েক ধাপে এয়ারপোর্ট পুরোপুরি চালু করার

পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সালাম এয়ারের প্রধান নির্বাহী ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আহমেদ। তিনি বলেন, আমি মনে করি দুই সপ্তাহ ধরে এভাবেই থাকবে

এর পরে তিনটি বিমান পরিচালনার অনুমতি দিবে এবং নভেম্বরের প্রথম থেকে পুরোপুরি পুনরায় খোলার সম্ভাবনা রয়েছে।

ওমানের বিমানবন্দরগুলি পুনরায় খোলার ব্যাপারে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রয়েছে, সার্বক্ষণিক তারা বিমানবন্দরগুলি তদারকি করছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। ওমানের বিমানবন্দরে করোনা রোধে

স্বাস্থ্য, সুরক্ষা এবং বিমান চলাচল প্রোটোকলগুলির প্রয়োগে আজ একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে মাস্কাট আন্তর্জাতিক

বিমানবন্দর আংশিক খুলে দেওয়ায় ওমান সুপ্রিম কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সালাম এয়ারের প্রধান নির্বাহী।

ওমানের শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন

ওমানের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও কাজের ক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্যে সম্প্রতি নতুন আইন জারি করেছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়। পুরাতন আইন সংশোধন করে আইন ও কর্মপরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কার্যক্রম শুরু করেছে বলে এক বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে।

জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এখন থেকে ওমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য ওমানি শ্রমিকদের অনলাইনে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে নতুন আইন জারি করেছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশটিতে সদ্য নির্বাচিত কর্মচারীদের চুক্তিটি অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে। সেই সঙ্গে পরবর্তীতে চুক্তি প্রত্যাখ্যান করার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই বিজ্ঞপ্তি পাঠাতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, কর্মচারীদের পারিশ্রমিক ও বোনাসসহ চুক্তির সকল শর্তাদি মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ ছাড়াই দুই পক্ষ নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীর মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। তবে ওমানি শ্রম আইনে যে ন্যূনতম মজুরির বিধান রাখা হয়েছে তা প্রদানে দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হতে হবে।

সৌদি প্রবাসীদের দেশে ফিরতে পাসপোর্ট ও ইকামার কপি আপলোড বা’ধ্যতামূলক

উপসাগরীয় দেশ সৌদি প্রবাসীদের দেশে ফিরতে করতে নতুন প’দ্ধতি চালু করলো দেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। রিয়াদ থেকে বিমানের বি’শেষ ফ্লাইট ২৪ সেপ্টেম্বর।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে ঢাকায় বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে বাংলাদেশ বিমান।

১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বাংলাদেশ বিমানের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ্য, কো;ভিড-১৯ এর কারণে গত মার্চ থেকে সৌদি আরবে সঙ্গে নিয়মিত বিমান চলাচল ব;ন্ধ থাকায় প্রবাসীদের দেশে ফিরতে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করছে বাংলাদেশ বিমান।

দেশে ফিরতে আগ্রহী প্রবাসী যাত্রীদের বিমানের ওয়েবসাইটে নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে নাম নি’বন্ধন করতে বলা হয়েছে।

বিমান রিয়াদ অফিস থেকে রেজিস্ট্রারকৃত যাত্রীরা অ;রিজিনাল পাসপোর্ট, ভিসা-ইকামা দেখিয়ে টিকিট ক্রয় করতে পারবেন বলেও জানানো হয়।

ভ্রমণ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিমানের ওয়েবসাইট www.biman-airlines.com থেকে জানা যাবে।

পাঠকদের স্বার্থে বিমানের বিজ্ঞপ্তিটি হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ

আটকে পড়া প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বিমান রিয়াদ থেকে ঢাকা বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

আগ্রহী যাত্রীদের নিচের লিংকে নাম রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

অবশ্যই পাসপোর্ট ও ইকামার কপি রেজিস্ট্রেশন লিংকে আপলোড করতে হবে। ডুপ্লিকেট রেজিস্ট্রেশন করা হলে দুইটি রেজিট্রেশনই বা;তিল বলে গ;ণ্য হবে ।

ভাড়া:

ইকোনমি ক্লাস:

এডাল্ট – ২১৫০ সউদী রিয়াল।

চাইল্ড – (১২ বছরের নিচে ) মূল ভাড়ার ৭৫% + ট্যাক্স

ইনফ্যান্ট – (২ বছরের নিচে ) মূল ভাড়ার ২৫% + ট্যাক্স

ফ্রী ব্যাগেজ – ২ পিস সর্বমোট ৪৫ কিলো, হাত ব্যাগ ১ পিস ৭ কিলো

বিশেষ এক্সেস ব্যাগেজ – ০১ পিস্ মাত্র / ২৩ কিলো – ৪০০ সৌদি রিয়াল নেট।

উল্লেখ্য যে এই ফ্লাইটে কোনো বিজনেস ক্লাস সার্ভিস থাকবে না, তবে অ;তিরিক্ত সৌদি রিয়াল ৩০০ দিয়ে সামনের কেবিনে সিট্ বুক করা যাবে |

শুধুমাত্র বিমান রিয়াদ অফিস থেকে রেজিস্ট্রারকৃত যাত্রীগণ অ;রিজিনাল পাসপোর্ট, ভিসা-ইকামা দেখিয়ে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন ।

যোগাযোগ – ফোন / মোবাইল:

Sales Supervisor / Ticketing Staff

Mobile: 056 752 7322,056 564 4671,054 924 4183

Land phone: 4623537, 4623376 EXT-103/102/103

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের সকল স্বাস্থ্য বি;ধি অ’নুসরণ করতে হবে।

হতাশায় ডুবে থাকা শামস এখন লোক হাসিয়েই মাসে ৫০ হাজার টাকার বেশি আয় করেন

অনেকেই নানা ঘাত-প্রতিঘাত মাড়িয়ে সফলতার সোনার হরিণটি অর্জন করেন। আবার ঘাত-প্রতিঘাতে পড়ে হতাশায় ডুবে যান অনেকে। হতাশায় ডুবে থাকা ব্যক্তিদের সফলতা পাওয়ার নজির খুবই কম।

কিন্তু হতাশা থেকে সফলতার নজির গড়েছেন কুমিল্লার মেয়ে শামস আফরোজ চৌধুরী। হতাশাকে পুঁজি করেই লোক হাসিয়েই তিনি এখন পুরোধমে স্বাবলম্বী। এখন প্রতিমাসে শামস আয় করেন মোটা অঙ্কের টাকা। সেই টাকা আবার যেকোনো চাকরিজীবীর আয়ের থেকে কয়েক গুণ বেশি।

শামসের জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে বিভিন্ন ব্র্যান্ড তার ভিডিওতে স্পন্সরও করছে।শামসের লক্ষ্য, আগামী পাঁচ বছরে তার এই প্ল্যাটফর্মকে তরুণ্যের ভিন্নধর্মী অনুপ্রেরণা হিসেবে দেশের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে দেয়া।

জানা যায়, চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে একটি ভিডিও করেন শামস আফরোজ। সেই ভিডিওটি ফেসবুক পেজ ‘থটস অব শামস’-এ আপলোড করেন।

ওই ভিডিওতে শামস বলেন, আমার সিভি না চেহারায় সমস্যা আমি জানি না। তারা আমাকে পরীক্ষাই দিতে দিব না। পরীক্ষা দেয়ার আগেই বাতিল করে দিচ্ছে এরা।

চাকরি না পাওয়ার হতাশার জেরে করা ভিডিওটি তাকে সবার কাছে পরিচিতি এনে দেয়। এতে কপাল খুলে যায় শামস আফরোজ চৌধুরীর। এখন বিনোদনের ভিডিও ‘থটস অব শামস’ নামক ফেসবুক পেজে নিয়মিত আপলোড করেন তিনি।

শামস নিজেকে প্রতিটি ভিডিওতে নানা চরিত্রে উপস্থাপন করেন। কখনো শামসু ভাই, কখনো কুলসুম, আবার কখনো নানি কিংবা আম্মাজান সাজেন তিনি। সব চরিত্রেই অভিনয় করে দর্শকদের হাসাতে পারেন শামস। আর সেই বিনোদনের ভিডিওই তার প্রধান আয়ের উৎস।

শামস তার ফেসবুক পেজ বা ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করার পরই হাজার হাজার শেয়ার হয়। এসব ভিডিও বিভিন্ন পেজেও ঘুরতে থাকে। এতে ধীরে ধীরে পুরোধমে কনটেন্ট ক্রেইটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তিনি।

শামস আফরোজ চৌধুরী বলেন, আমার প্রথম চিন্তায় থাকে আমি যে ভিডিও বানাবো তা যেন সবার সঙ্গে রিলেট (সম্পর্কিত) হয়। কয়েকটি কেরেক্টারে মুভি নিয়ে প্রথমে একটি ভিডিও করি। ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়ে।

তিনি আরো বলেন, যদি কেউ মাসে তিন চারটা ভিডিও দিতে পারে, তবে মাসে পঞ্চাশ হাজারের অধিক টাকা আয় করা সম্ভব।
এদিকে নিজের জেলা বলেই কুমিল্লার ভাষায় তিনি ভিডিও বানান।

এতে কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষা শুনে মজা পান নেটিজেনরা। এতে তার ফলোয়ারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এরইমধ্যে ‘থটস অব শামস’ নামের ফেসবুক পেজের ফলোয়ার সংখ্যা সাড়ে আট লাখে দাঁড়িয়েছে। একই নামের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবের সংখ্যা এক লাখেরও বেশি।

আরব আমিরাতে শারজায় ২০০কি.মি বেগে গাড়ি চালক গ্রেফতার !ওভার স্পীডের জন্য জানালেন কঠোর আইন !

আরব আমিরাতের শারজাহ হাইওয়েতে 200 কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালানো এক গাড়ি চালককে গ্রে; প্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে । সন্দেহজনক বেপরোয়া কৃতিত্বের একটি ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে।

খোর ফক্কানের হাইওয়েতে সন্দেহভাজনকে দ্রুত গতিতে দেখানো ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। পুলিশ ভিডিওটি যাচাই করার পরে, তারা সন্দেহভাজনকে সনাক্ত করে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ ড্রাইভারদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার এবং রাস্তাগুলির গতির সীমাটি সম্মানের আহ্বান জানিয়েছে। শারজাহ পুলিশ জানিয়েছে যে এই বছর রাডার এ ২৭৮ কিলোমিটার বেগে চলমান একটি গাড়ি ধরেছিল। এটি ছিল ২০২০ সালের প্রথম আট মাসে 200 কিলোমিটার গতি ছাড়িয়ে আসা গাড়িচালকের মধ্যে সর্বোচ্চু 274 কিলোমিটার ।

শারজাহ পুলিশ ট্র্যাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মেজর মিশাল বিন খাদিম হুঁ; শিয়ারি দিয়েছিলেন যে গাড়ীর সর্বোচ্চ স্পিড সর্বোচ্চ গতির সীমা ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করলে ৩ হাজার দিরহাম জরিমানা,

২৩ টি ব্ল্যাক পয়েন্ট এবং ৬০দিনের জন্য যানবাহন বাজেয়াপ্তকরণ করা হবে। সর্বোচ্চ গতি সীমা ৬০ কিলোমিটার অতিক্রম করার জন্য, 30 দিনের জন্য গাড়ি বাজেয়াপ্তকরণ সহ 2,000 দিরহাম জরিমানা এবং 12 কালো পয়েন্ট দেওয়া হবে ।

মালয়েশিয়ায় পু’লিশকে ১ হাজার টাকা ঘু’ষ দেওয়ায় বাংলাদেশির ২ লক্ষ টাকা জ’রিমানা

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় পু;লিশের হাত থেকে নিজেকে র;ক্ষা করতে ১ হাজার টাকা ঘু;ষ দিয়ে ২ লক্ষ টাকা জ;রিমানাসহ ৩ মাসের জে;ল-হা;জত হয়েছে এক প্রবাসী বাংলাদেশির।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার মালয়েশিয়ার ইপোর একটি আ;দালতে ঘু;ষ দেওয়ার অ;ভিযোগ প্র;মাণিত হওয়ায় স্থানীয় আ;দালত আরিফুলকে (৪১) উভয় দ;ণ্ডে দ;ণ্ডিত করে রা;য় ঘো;ষণা করেন।

দেশটির আ;দালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ইপোর সিলিম রিভারের জালান ইস্টিসন কামপুং মাংগিস এলাকায় পু;লিশের অ;ভিযানে বিক্রি নি;ষিদ্ধ ১৩ কার্টুন সি;গারেটসহ প্রবাসী বাংলাদেশি আরিফুলকে আ;টক করা হয়।

ঐ তিনি সময় নিজেকে রক্ষা করতে পু;লিশকে ৫০ মালয় রিংগিত বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ হাজার টাকা ঘু;ষ দেওয়ার অ;ভিযোগ ও নি;ষিদ্ধ সি;গারেট রাখার অ;পরাধে কা;স্টম আ;ইনে এবং ঘু;ষ দেওয়ার অ;পরাধে আ;টক করা হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ইপোর আ;দালতে নিজের দো;ষ স্বী;কার করায় আ;দালত তাকে ১০ হাজার মালয় রিংগিত বাংলাদেশি টাকায় ২ লক্ষ টাকা ও ৩

মাসের জে;ল জ;রিমানা করে রা;য় ঘো;ষণা করেন।এছাড়াও চলতি বছরে আরও কয়েক জন বাংলাদেশিকে দেশটির পু;লিশকে ঘু;ষ দেওয়ার অ;পরাধে জে;ল জ;রিমানা করা হয়।