বখশিশ দিতে দেরি হওয়ায় অক্সিজেন খুলে দিলেন নার্স, মা’রা গেল শিশু

বখ’শিশের টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় শ্বা’সক’ষ্ট নিয়ে হাসপাতা’লে ভর্তি হওয়া এক মাস বয়সী শি’শু আব্দুর রহমান নামে এক শি’শুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত নার্স রিমা আকতারের বি’রুদ্ধে।

অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলার কয়েক মিনিট পরেই শি’শুটি মা’রা যায়। শি’শু আব্দুর রহমান গাইবান্ধা সদর উপজে’লার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছে’লে।

গতকাল শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে গাইবান্ধা জে’লা হাসপাতা’লে এ ঘটনা ঘটে।স্বজনরা জানান, শ্বা’সক’ষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে রোববার দুপুরে সদর হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয় শি’শু আব্দুর রহমানকে।

ভর্তি করার পর পরই অক্সিজেন মাস্ক পরিয়ে দেন কর্তব্যরত নার্স রিমা আকতার। কিছুক্ষণ পর নার্স রিমা আকতার শি’শুটির স্বজনদের কাছে অক্সিজেন বাবদ বখশিশ দাবি করেন।

বখশিশের টাকা আনতে বিলম্ব হওয়ায় ওই নার্স অক্সিজেন মাস্কটি খুলে ফেলেন। এরপর শি’শুটি কিছুক্ষণের মধ্যেই মা’রা যায়।

গাইবান্ধা জে’লা হাসপাতা’লের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফারুক হোসেন জানান, অক্সিজেন দেয়ার জন্য কাউকে বখশিশ দেয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

তবে রোগীর স্বজনরা বখশিশের জন্য অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেয়ার বিষয়ে অ’ভিযোগ করেছে। এ বিষয়ে লিখিত অ’ভিযোগ করলে ত’দন্ত করা হবে।

১৫ মিনিটের চার্জে যাবে ৪৭০ কিমি, বাজারে এল নতুন বৈদ্যুতিক বাইক

দিন দিন বাড়ছে ইলেকট্রিক মোটর সাইকেলের চাহিদা। একারণেই বিভিন্ন কোম্পানি বাজারে তাদের নতুন বৈদ্যুতিক বাইক আনছে। এবার এভোকে মোটরসাইকেল ও তাদের নতুন বৈদ্যুতিক বাইক লঞ্চ করলো।

কোম্পানির এই বাইকের নাম ৬০৬১। যদিও এই বাইক এখনও ভারতে আসেনি। এও জানা যায়নি কবে বাইকটি ভারতে আসবে।

তবে Evoke 6061 সেরা বৈদ্যুতিক বাইকগুলির মধ্যে একটি হওয়ায় আমরা আজ আপনাদেরকে এর সম্পর্কে জানাবো।বৈদ্যুতিক বাইকের কথা বললে আমাদের প্রথমেই মনে আসে এর রেঞ্জ। আর এখানেই বিশেষ হয়ে উঠেছে এভোকে ৬০৬১। কারণ এটি একবার চার্জে শহরে ৪৭০ কিমি চলতে পারে।

যদিও হাইওয়ে তে বাইকটি ২৬৫ কিমি যেতে পারে। এই রেঞ্জ বিশ্বের দামি বৈদ্যুতিক গাড়ি Harley-Davidson Livewire এর সমান বললেই চলে।

শুধু তাই নয়, Evoke 6061, H D Livewire কে স্পিডের ক্ষেত্রেও পরাজিত করেছে। এতে আছে ১২০ কিলোওয়াট মোটর, যেটি সর্বোচ্চ ২৩০ কিমি প্রতি ঘন্টা যেতে পারে।

এই বাইকে আছে ২৪.৮ কিলোওয়াটআওয়ার ব্যাটারি। এবার আপনি নিশ্চই ভাবছেন যে বাইকটি নিশ্চই চার্জ করতে অনেক্ষন লাগবে।

মোটেই নয়, আপনি এই বৈদ্যুতিক বাইকটি DC ১২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জার দিয়ে মাত্র ১৫ মিনিটেই ০-৮০ শতাংশ চার্জ করতে পারবেন।এভোকে ৬০৬১ আপাতত আমেরিকায় উপলব্ধ। এর দাম প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। এখন দেখার এই প্রিমিয়াম বৈদ্যুতিক বাইকটি ভারতে আসে কিনা।

এএসআইয়ের গালে চড় মারা সেই ওসি প্রত্যাহার

টেক’নাফে পুলি’শের গু’লিতে অবসর প্রা’প্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নি’হতের পর গ্রে’ফ’তার শাহে’দুল ইসলাম সিফা’তের মু’ক্তির দাবি’তে সহ’পাঠীদের আয়ো’জিত মান’বব’ন্ধনে

লাঠি’চার্জ করেছে পুলি’শ। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সিফা’তের নিজ এলাকা বর’গুনার বাম’নায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে শিক্ষা’র্থী’দের ওপর লাঠি’চার্জ না করার কার’ণে বর’গুনার বাম’না থা’নার ও’সি ইলি’য়াস আলী তালু’কদার এক’ই থা’নার এএস’আই পদমর্যা’দার এক পু’লিশ সদ’স্যকে অনেক মানু’ষের সামনে প্রকা’শ্যে থা’প্প’ড় দিয়েছেন। এ ঘট’নার ভিডিওটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেস’বুকে ভাই’রাল হয়ে গিয়েছে।

সর্ব’শেষ পাও’য়া সং’বাদ অনু’যায়ী, বামনা থানার ওসি ইলিয়াস আলী তালুক’দারকে প্রত্যা’হার করা হ’য়েছে।

এএসআ’ইকে লা’ঞ্ছি’তের ঘট’নায় তাকে প্র’ত্যা’হার করে বরগুনা জেলা পুলি’শ লাই’ন্সে সং’যুক্ত করা হয়েছে। লাঠি’পেটা ও চড় মা’রার ঘট’নায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলি’শ।

পুলি’শ সুপা’রের নির্দে’শে অতি’রিক্ত পুলি’শ সুপার মো. মফিজুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্য’বিশিষ্ট এই কমি’টি গঠন করা হয়েছে। কমি’টির সদ’স্যরা রবি’বার ঘট’নাস্থল পরি’দর্শন করেছেন।

অবশেষে জামিন পেলেন মেজর সিনহার সহযোগী সিফাত

কক্স’বাজারে পুলিশের চেকপো’স্টে গু’লিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ

খান হ’’ত্যার’ঘট’নায় গ্রে’প্তার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত জামিন পেয়েছেন। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তার জামিন হয়।

সিফাতের জামিন আবেদনের শুনানি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (টেকনাফ-৩) এর বিচারক তামান্ন ফারাহর আদালতে রোববার অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার

আদেশের দিন ধার্য করা হয়। রোববার সিফাতের আইনজীবী মাহবুবুল আলম টিপু জানান, পুলিশের কাজে বাধা প্রদান ও মাদকের দুটি মা’ম’লায় সিফাতের জামিন আবেদন করা হয়েছিল।

এর আগে রবিবার বেলা ১২টায় শুনানি শেষে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম দেলোয়ার হোসেন স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। গতকাল মু’ক্তি পান সি’প্রা।

সিনহার অপর সঙ্গী শাহেদুল ইসলাম সিফাতের জামিন আ’বেদনের শুনানি হলেও আদালত তাঁকে আজ সোমবার জামিনের আদেশ দেন।

কাতারে সাগরতীরে অপরিচ্ছন্ন করায় ৬৪ জনকে জরিমানা

উপসাগরীয় দেশ কাতারে এই মৌসুমে কাতারের সাধারণ মানুষ ও প্রবাসীরা সাগরতীরে ছুটির দিন কা’টাতে পছন্দ করেন।

তাই সবাই বন্ধুবান্ধব মিলে অথবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছুটে যান কাতারের বিভিন্ন বীচে। উপভোগ করেন প্রাকৃতিক দৃশ্য ও নির্মল বাতাস।

বর্তমান সময়ে অনেকে সাগরতীরে গিয়ে তার পরিবেশ ন’ষ্ট করছেন। ফলে এ বিষয়ে দিন দিন ক’ঠোর হচ্ছে কাতারের পৌরসভা এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয় ক’র্তৃপক্ষ(বালাদিয়া)।গত কয়েকদিনে কাতারের শিমাল বিচে তাই পরিচ্ছন্নতা এবং স’চেতনতা অ’ভিযান চা’লিয়েছে শিমাল বালাদিয়া।

শিমাল বিচে ঘুরতে গিয়ে যারা য’ত্রতত্র ম’য়লা আ’বর্জনা ফে’লছেন বা সরাসরি বালুতে কয়লা জ্বা’লিয়েছেন, তাদেরকে স’তর্ক করে দিয়েছে বালাদিয়া।

ঐ অ’ভিযানের সময় মোট ৬৪ জনকে পরিবেশ আ’ইন ল’ঙ্ঘনের দা’য়ে জ’রিমানা করা হয়। পাশাপাশি স’তর্ক করা হয় প্রায় ৫৪০ জনকে।

সৌদির সালমানের উত্থান ও দেশে-বিদেশে গোপন মিশন

কয়েকশ কোটি ডলারের অর্থ কেলে’ঙ্কারিতে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বারো বছরের কা’রাদণ্ড হয়েছে।মি. রাজাকের বি’রুদ্ধে এ পর্যন্ত আনা দুর্নীতির সাতটি অভিযোগেই তিনি দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। এই দুর্নীতি বলা

হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলে’ঙ্কারিগু’লোর অন্যতম, যার জাল জড়িয়ে পড়েছিল এশিয়া থেকে হলিউড পর্যন্ত ।

ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেল’পমেন্ট বেরহাদ বা ওয়ানএমডিবি একটি রাষ্ট্রীয় তহবিল, যা গঠন করা হয় ২০০৯ সালে যখন নাজিব রাজাক

দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তহবিল সংগ্র’হের লক্ষ্যে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার

জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে ক’য়েকশ কোটি ডলার অর্থ হাওয়া হয়ে যায়, বিশ্ব অর্থ’নীতির কালো গহ্বরে কোথায় হারিয়ে যায় সেই বিপুল পরিমাণ অর্থ।

আমেরিকান এবং মালয়েশীয় কৌঁসু’লিরা বলেছেন, এই অর্থ কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে।

এছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয়েছে বিলাসবহুল ভবন, ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ এবং মনে-র মত বিখ্যাত চিত্র’শিল্পীদের চিত্রকর্ম এবং নির্মাণ করা হয়েছে হলিউডের ব্লক’বাস্টার হিট ছবি।

কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, তহবিল থেকে সরানো হয়েছে সাড়ে চারশো কোটি ডলার, যা গেছে বিভিন্ন ব্যক্তির পকেটে।

এই ওয়ানএমডিবি কেলে’ঙ্কা’রির সঙ্গে জড়িয়ে আছে অন্ত’ত ছয়টি দেশ। বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেনের সন্ধা’নে তদন্ত চালানো

হয়েছে সুই’স ব্যাংক থেকে শুরু করে যেসব বিভিন্ন দ্বীপ রাষ্ট্র কর মও’কুফের স্বর্গরাজ্য সেসব দ্বী’পের ব্যাং’কগুলো’তে এবং দক্ষি’ণপূর্ব এশিয়ার মূল কেন্দ্রে।

এই কেলে’ঙ্কা’রিতে জ’ড়িয়ে থাকা চরিত্র এবং গল্পে’র প্লট ধারা’বাহিক রোম’হর্ষক কাহিনির মত মুখরো’চক।

আন্তর্জাতিক পরিসরে যেসব ক্ষ’মতা’শালী এই অর্থে লাভ’বান হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাদের কাছে কীভাবে

এই অ’র্থ পৌঁছল তার ওপর ধৈ’র্য্য ধরে নজর রেখেছিলেন যেসব সাংবাদিক – তাদের রিপো’র্টে উঠে এসেছে এই রোমাঞ্চকর গল্প।

স্পেশাল পাস নিয়েও মালয়েশিয়া বিপদে প্রবাসীরা, ফিরতে পারছে না দেশে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুমূর্ষু রোগী বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের বানিজুর রহমান মালেশিয়ায় ভুগছে চরম ভোগান্তিতে। প্রবাসী দুই জন বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস ও

ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিমানের টিকিট কেটেও জরুরী ভিত্তিতে দেশে ফিরতে পারলেন না।

শনিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টায় এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে যথাসময়ে পৌছালে এয়ার এশিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় অর্জিনাল পাসপোর্ট ছাড়া তাদের ট্রাভেল করতে দেওয়া হবে না।

এই দূজনের পাসপোর্ট না থাকায় এর আগে তারা যথারীতি বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পারমিট এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ ভাইরাস টেস্ট ও করেন।

তারপরও এয়ার এশিয়ার টিকিট কেটে গতকাল বিমানবন্দরে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে অসুস্থ ২ জনের মধ্যে একজনের হার্ট ব্লক এবং অপরজনের কিডনি ড্যামেজ ও লিভার সমস্যায় ভুগছেন।

ইতিমধ্যে তাদের চিকিৎসা বাবদ অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়ে গেছে এমতাবস্থায় তাদের বাঁচাতে হলে দেশে নিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন।

এবিষয় ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাহাত উজ্জামান বলেন, আমরা যথারীতি সব নিয়ম মেনে রোগীদের দেশে ফেরত পাঠানোর

চেষ্টা করছি এবং তাদের প্রত্যাকের জন্য দেশে ফেরত পাঠাতে ৫ হাজার রিংগিত এখন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে এর দায়ভার কার?

তিনি এসময় আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সভাপতি গত এক মাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করে রোগীদের জন্য আর্থিক কালেকশন করছেন।

প্রবাসীরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করছেন যাতে করে অসুস্থ ২ জন দেশে গিয়ে চিকিৎসা করে বেঁচে উঠতে পারেন।

এবিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা গতকাল রাত থেকে সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হচ্ছে। এবিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুয়েতে প্রবাসীদের নিয়ে যে পরিকল্পনা কুয়েত সরকারের

কুয়েত প্রবাসীদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাঃ

* খুব সী’মিত সময়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফে’রত পাঠানো!

* ৬০ বছর ও এর অ’ধিক ব’য়স্কদের ফেরত পাঠানো এবং যাদের ক্রনিক ( দীর্ঘমেয়াদী, দীর্ঘকাল ভো’গে এমন রো’গ) ডি’জিজ ( রো’গ) আছে, এমন

প্রবাসীদের রেসিডেন্সি বা’তিল করা।

* ১ লাখ ২০ হাজার আকামা ও অন্যান্য আ’ইন ভং’গকারী প্রবাসীদেরকে দেশে ফে’রত পাঠানো।

সুত্র : আল কাবাসের টুইটার ভেরিফায়েড পেইজ!

কুয়েতে জনসংখ্যার স’মস্যা সমাধানের জন্য সরকার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছিল সরকার, যাতে অনেকগুলি আইটেম আছে, যা এটি একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছিল।

তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করে নি। গত জুলাইয়ে জা’রি করা প্র’তিবেদনটি, এবং আল-কাবাস এর একটি অনুলিপি পেয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল

শ্রমবাজারে ভা’রসাম্যহীনতা এবং জনসংখ্যার সংস্থার উপর তাদের প্র’ভাব সম্বোধন করে এটি বার্ষিক তথ্য এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গঠিত, যার থেকে সিদ্ধান্তগুলি টানা হয়েছিল এবং এই ভা’রসাম্যকে মো’কাবেলায় সু’পারিশগুলি আঁকানো হয়েছিল।

সমাধানগুলিতে দুটি মূল আইটেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। , স্বল্প-মেয়াদী এবং মাঝারি-মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।

স্বল্পমেয়াদী সমাধানগুলিতে, সুপারিশগুলি উপসংহারে আসে: আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে শ্রমিকদের নি’র্বাসন, যা 120,000 ল’ঙ্ঘনকারী।

চাকরি হ্রা’স করা বা যারা 60 বছরের বেশি বয়সী 150,000 পরিবারে প্রবেশ করছেন বা দীর্ঘস্থায়ী রো’গে ভু’গছেন।

নি’রক্ষর বা নি’ম্ন-শিক্ষার কর্মীদের হ্রা’স করা, তাদের কাজের স্তর নির্বিশেষে, যা 90,000।

মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী স’মাধানগুলির জন্য এগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল: প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়োগের (সুবিধাগুলি পরিচালনার সক্রিয়করণ / সহায়তা কর্মীদের হ্রা’স করা)।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য স্মার্ট নিয়োগ (আন্তর্জাতিক নিয়োগ সংস্থা / পেশাদার যোগ্যতা সিস্টেমের সাথে আচরণ)। সরকারী ও বেসরকারী খাতকে স্থানীয়করণ করুন (টাউটিন পোর্টালের মাধ্যমে নিয়োগের একটি সংহত পদ্ধতি অনুসারে)।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাঝারি ও দীর্ঘ সমাধানের লক্ষ্য নিম্নলিখিত: সরকারী ও বেসরকারী খাতকে ধী’রে ধী’রে 160০,০০০ কর্ম প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এবং সরকারী খাতে প্র’বাহ হ্রা’স করে

৩0০,০০০ কর্মী জাতীয় অর্থনীতিতে নে’তিবাচক প্র’ত্যাবর্তনের সাথে বা আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে স্বল্পমেয়াদী স’রঞ্জাম দ্বারা এটি হ্রা’স করা হয়েছে।

প্রান্তিক কর্মসংস্থান হ্রাস এবং স্মার্ট নিয়োগ পদ্ধতি দ্বারা কর্মসংস্থানের মান বাড়ানো, এবং এই ধা’রা অনুযায়ী 25% হ্রাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল রূপান্তরকরণের ফলে সরকারী খাতে অ’স্থা’য়ী কাজের চুক্তিতে 30% হ্রা’স আসে এবং সুবিধা

ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা ব্যবহার করে এটি হ্রা’স পায় কমপক্ষে 25% কর্মসংস্থান এবং এর মান বাড়ানো।

সুত্র : আল কাবাস

সুখবর- করোনার টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশও, ডোজ মাত্র ২৫৪ টাকা !

মহামারী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স—এ দু’টির কোনো একটি সফল হলেই টিকার ডোজ পাবে বাংলাদেশও।

বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে টিকার ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সুখবর দিয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে গ্যাভি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর টিকার ১০ কোটি ডোজ

উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।

চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।

এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ‘কোভ্যাক্স অ্যাডভান্স মার্কেট কমিটমেন্ট (এএমসি)’

কাঠামোর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার (প্রায় ২৫৪ টাকা)।

উল্লেখ্য, করোনার টিকা উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হলে ওই দেশ দুটির শুরুতেই টিকা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য ন্যায্যভাবে টিকা পাওয়ার কথা বললেও তা কার্যকরে এত দিন দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা ছিল না।গত শুক্রবার টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও টিকা পৌঁছার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁ’কিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রো’গ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। করোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’

তিনি বলেন, ‘যদি ধনী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ মহামারিতে বি’পর্য’স্ত হতে থাকবে।

এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধনী দেশ নয়,

সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’

গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে।

আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে এএমসির আওতায় থাকা ৯২টি (গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭ দেশসহ) দেশই তা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।

কম টাকায় সৌদিতে কৃষিকাজে ইকামা নবায়ন করছে বাংলাদেশী প্রবাসীরা

কৃষিপ্রধান অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ ছেড়ে সৌদি এসেও শত প্র’তিকূলতার মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশী প্রবাসীরা।

প্রায় জনশূন্য বিশাল ধু-ধু মরুর বুকে কৃষকরা মনের আনন্দে চাষাবাদ করছেন মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি ও আবাদি ফসল।

বাংলাদেশি শ্রমিকেরা জানান, আমরা এখানে বাংলাদেশের মতো সবকিছুই চাষবাদ করি। মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন ফলফলালিও চাষ করি।

সৌদি আরবে কৃষিখামার একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এর জন্য পরিশ্রমও করতে হয় অনেক। লাভ যেমন ঝুঁকিও রয়েছে তেমন।

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৮ থেকে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকে। এসময় জমিনের ফসল গরমে ন’ষ্ট হয়ে যায়।

সৌদি নাগরিকরা শহরের পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক সময় প্রশান্তির খোঁজে ছুটে আসেন এই গ্রামাঞ্চলে।কৃষিখাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করে সৌদি সরকার।

কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিকের ইকামা অর্থাৎ রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন করতে নামমাত্র মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফসলের উৎপাদন খরচ কমে আসে, লাভের পরিমাণও থাকে বেশি।