আজ ১০/০৮/২০২০ আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট দেখে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম ! ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে । কিন্তু অনেক দাম হওয়ার কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে।

তবে যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতে ব্যবসায়িক মন্দার কারণে বিত্তশালীরা পুঁজি হিসিবে অধিক স্বর্ণ মজুত রাখায় স্বর্ণের দাম চূড়ায় উঠে গেছে।দেখে নিন বিভিন্ন দেশের সর্বশেষ স্বর্ণের দাম :

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম , বাংলাদেশ: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) = 5556.17 টাকা এবং (22 ক্যারাট) = 5450.22

দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 246.00 দেরহাম, ; (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 231.50 দেরহাম ,

সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 247.20 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 232.80 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 238.75 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 89.54 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 273.54 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 50.05 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 24.70 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 25.15 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 91.28 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 19.97 দিনার ।

কানাডা : প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 87.48 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 65.55 আমেরিকান ডলার ।
যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমাদের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

যে কারণে দেশে ইন্টারনেটের সমস্যা !

রোববার (০৯ আগস্ট) সকাল থেকেই সারা দেশে ইন্টারনেটের গতি অত্যন্ত ধীর বলে জানিয়েছেন সময় সংবাদের অগণিত পাঠক। সময় সংবাদকে ফোন করে তারা জানতে চেয়েছেন কেন এই ধীরগতি আর কখন স্বাভাবিক হবে?

জানা গেছে বালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান জানান,

স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীর গতির সমস্যার সমাধান হবে।

এই দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে দেশে ব্যবহৃত অর্ধেক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হয়। এ কারণে এই সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানেই দেশের জন্য বিপদের কারণ। মশিউর রহমান জানান আরও জানান, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়।

এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।

হঠাৎ করে বেশ‌ অ’সুস্থ সঞ্জয় দত্ত, নেয়া হয়েছে আইসিইউতে !

হঠাৎ‌ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় (৮ আগস্ট) মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে তিনি ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুকে অস্বস্তি নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় সঞ্জয় দত্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা ওঠানামা করছে। তিনি কোভিড সংক্রামিত কি না, নিশ্চিত হতে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়েছিল। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর RT-PCR টেস্টের জন্য অভিনেতার সোয়াবের নমুনা সংগ্রহকরা হয়েছে।

হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার (৯ আগস্ট) সকালের মধ্যেই রিপোর্ট জানা যাবে।সদ্য ৬১ বছরে পা দিয়েছেন অভিনেতা।সম্প্রতি সঞ্জয় দত্তের জন্মদিন গিয়েছে। ২৯ জুলাই ঘরোয়া ভাবেই অভিনেতার জন্মদিন পালিত হয়। শনিবার সন্ধ্যায়হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট অনুভব করায়, তাঁকে তড়িঘড়ি মুম্বইয়ের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, তাঁকে লীলাবতী হাসপাতালের নন-কোভিড আইসিইউ বেডে রাখা হয়েছে। কী থেকে অভিনেতার বুকে অস্বস্তি হচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে রাতেই আরও কিছু টেস্ট করতে দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয়ের এই অসুস্থতা বলিউডের জন্য নিঃসন্দেহে আর এক দুঃসংবাদ।

দিন কয়েক আগেই জয়া বচ্চন ছাড়া বিগ-বি পরিবারের সকলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
সঞ্জয় দত্তকে যেখানে ভর্তি করা হয়েছে, সেই লীলাবতী হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন করোনা আক্রান্ত অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য এমনকী নাতনি আরাধ্যাও। সম্প্রতি করোনা জয় করে বাড়ি ফেরেন অমিতাভ বচ্চন।

তার দিন কয়েক আগেই সুস্থ বাড়িতে ফেরেন ঐশ্বর্য-আরাধ্যা। শনিবার বিকেলে করোনা জয় করে বাড়িতে ফিরেছেন অমিতাভপুত্র অভিষেকও।অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ১১ জুলাই নানাবতী

হাসপাতালে ভর্তি হন অমিতাভ ও অভিষেক। কয়েক দিন পরে ঐশ্বর্য ও আরাধ্যাকেও হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তাঁরা অবশ্য ২৭ জুলাই ছাড়া পেয়ে যান। অমিতাভ ছাড়া পান ২ অগস্ট। কিন্তু, অভিষেকের সুস্থ হতে সময় লাগে।অভিষেক ঘরে ফেরায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেল‌েছিল বি-টাউন। কিন্তু, দিনশেষে ফের আর এক তারকা অসুস্থ হওয়া

আরব আমিরাতে টিকিটের দাম ও করোনা সনদ নিয়ে দিশেহারা বিদেশগামী যাত্রীরা !

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। আর ক’রোনার কারনে সেই বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের ওয়ানওয়ে টিকিট কিনতেই বিদেশগামীদের গুনতে হচ্ছে দ্বি’গুণেরও বেশি টাকা।চাকরি বাঁচাতে নির্ধারিত দিনের টিকিট কেনার জন্য তারা বিমানের বলাকা ভবনে গেলে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশে

প্রবেশের অনুমোদন নেয়ার সার্টিফিকেটের পাশাপাশি ক’রোনা ভা’ইরাস নে’গেটিভ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার জন্য পাঠানো হচ্ছে পৃথক দুটি ল্যা’বে।

অবশ্য দুবাইগামী ফ্লা’ইট যাত্রীদের ক্ষেত্রে অ্যাপ্রুভাল বাধ্যতামূলক থাকার পাশাপাশি ক’রোনা ভা’ইরাস পরীক্ষার সার্টিফিকেট শুধু লাগছে একবারই।

হ’তাশাগ্রস্ত এসব বিদেশগামী যা’ত্রীরা বলছেন, এমনিতেই তারা দীর্ঘদিন দেশে থেকেই বেকার হয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটে রয়েছেন। তার ওপর বিদেশে যেতে অ’তিরিক্ত টাকা খরচ করে তাদের টিকিট ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিষয়টি সরকারকে বিবেচনা করার অনুরোধ জানান তারা। মতিঝিলের বিমানের বলাকা ভবন কার্যালয়ে খোঁজ নিতে গেলে গতকাল শনিবার দুপুরে হ’তাশাগ্রস্ত বিদেশগামীদের সাথে কথা বলে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

আমেরিকাকে কাতারে হা’মলার আহবান জানায় সৌদি !

আমেরিকার প’ররাষ্ট্রনী’তি সম্পর্কিত একটি ম্যাগাজিনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের দিকে কাতার উপর অ’বরোধের সময় সৌদি আরবের বাদশা সালমান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কাতারে হা’ম;লার আহবান জানায়। কিন্তু সৌদির সেই আহবান সা’ড়া দে’ননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এখবর প্রকাশিত হওয়ার পর তী’ব্র প্র’তিক্রিয়া জানিয়েছে কাতার। দোহা বলছে, রিয়াদের পক্ষ থেকে কোনো প্র’তিক্রিয়া না জানানোই প্রমাণ করে কাতারে হা;মলার আহ্বানের খবর সত্য। ২০১৭ সালের জুন থেকে সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যে উ’ত্তেজনা চলে আসছে। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত,

ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হচ্ছে পারস্য উপসাগরীয় স’হযোগিতা প’রিষদ বা পিজিসিসি’র সদস্য।সৌদি আরব নিজেকে এ পরিষদের মো’ড়ল মনে করে এবং আশা করে এ পরিষদের সদস্য সব দেশ প’ররাষ্ট্র নী’তির ক্ষেত্রে রিয়াদের সঙ্গে শ’লাপরামর্শ বা স’মন্বয় করে চলবে।

কিন্তু কাতার সৌদি আরবের এ মনোভাবের সরাসরি বি’রোধিতা করেছে এবং কুয়েত ও ওমানও কাতারের সঙ্গে যু’ক্ত হয়।
সৌদি আরবের ইরান বি’রোধী ক’র্মকাণ্ড ও পশ্চিম এশিয়ায় হ’স্তক্ষেপে কাতার স’হযোগীতা না করায় সম্পর্কের অ;বনতি ঘ’টা শুরু হয়।

বি’শেষ করে ২০১৭ সালের মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে আরব ও বেশ কিছু মুসলিম দেশের স’ম্মেলনের পর ইরান বি’রোধিতার মা’ত্রা অতীতের সকল রে’কর্ড ছাড়িয়ে যায়।

এর কিছুদিন পর ইরান বি’রোধী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে সৌদি সরকার। এর প্র’তিক্রিয়ায় কাতারের আ’মির শেইখ তামিম বিন হামদ আলে সানি ইরানকে আঞ্চলিক বৃহৎ শ’ক্তি হিসেবে অভিহিত করে বলেন ইরানের সঙ্গে তাদের ঘ’নিষ্ঠ ও ভালো সম্পর্ক ব’জায় রয়েছে।

খ্যাতনামা বি’শ্লেষক সাইমন হ্যান্ডারসন এক নিবন্ধে বলেছেন, সৌদি ও কাতারের ম’ধ্যকার উ’ত্তেজনার একটি বড় কারণ হচ্ছে ইরানের সঙ্গে কাতারের ঘ’নিষ্ঠতা এবং এ দু’দেশই সৌদি নী’তির তী’ব্র বি’রোধী। তিনি বলেন, ইরানের ব্যাপারে কাতারের ই’তিবাচক দৃ’ষ্টিভঙ্গির কারণে আরব দেশগুলোর জো’টের মাধ্যমে ইরানভী’তি ছ’ড়ানোর সৌদি চেষ্টা কার্যত ব্য’র্থ হয়ে গেছে।

প’র্যবেক্ষকরা বলছেন, কাতারের সৌদি বি’রোধী অবস্থান রিয়াদের কাছে এতোটাই অ’স’হ্যকর হয়ে দাঁড়ায় যে তারা কাতারে হা’মলা চা’লানোর জন্য আমেরিকাকে অ’নুরোধ করেছিল। গত ৬ আগস্ট মার্কিন সাময়িকী ফরেন প’লিসির নি’বন্ধে এ কথা ফাঁ’স করে দেয়া হয় যে রিয়াদ, মানামা,

কায়রো ও আবুধাবি ২০১৭ সালে কাতারের বি’রুদ্ধে অ’বরোধ আ’রোপ করার পর সৌদি রাজা সেসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টেলিফোন করে কাতারের ওপর সা’মরিক হা’মলা চালানোর অ’নুরোধ করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প সে প্র’স্তাবে রাজি হ’ননি।

ইরানভী’তি ছ’ড়িয়ে দেয়া এবং কাতারকে নি’য়ন্ত্রণে আনতে ব্য’র্থ হওয়ার পর যু’দ্ধবাজ সৌদি যুবরাজ সালমান কেন সা’মরিক প’ন্থায় অ’গ্রসর হওয়ার চি’ন্তা করেছিলেন সেটাই এখন প্রশ্ন।

প্রকৃতপক্ষে যু’বরাজ সালমান রা’জার পদে অ’ধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য অ’স্থির হয়ে পড়েছেন। এ কারণে যু’দ্ধের মাধ্যমে তিনি সৌদি জনগণ ও প্র’শাসনে নিজের ক্ষ’মতা প্রদর্শন এবং সৌদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রে’ষ্ঠ সা’মরিক শ’ক্তি হিসেবে পরিচিত করার চে’ষ্টা করেছেন।

ঠিক একই উদ্দেশ্যে তিনি ২০১৫ সালে ইয়েমেনের বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ শুরু করেন। এরপর ২০১৭ সালে কাতারের বি’রুদ্ধে অ’বরোধ আ’রোপের পর যু’দ্ধ বা’ধাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেননি। সূত্রঃ সময় টিভি

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা, একই ফ্লাইটে ফিরল ২৩ কর্মীর লা; ‘ শ !

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। আর ক’রোনার কারনে সেই বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

ক’রোনা ভা’ইরাসের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চাকরি হা’রিয়ে দেশে ফিরে আসছে প্রবাসী কর্মীরা। এদের মাঝে অনেকে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চড়া সু’দে ঋণ নিয়ে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে গিয়েও অভিবাসনের টাকা তুলে আনতে পারেননি অনেকে।

প্রবাস ফেরৎ এসব কর্মীর অভিভাবকদের কেউ-কেউ ঋ’ণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পা’লিয়ে বেড়াচ্ছেন। এদের মাঝে অনেকে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে গিয়েও অভিবাসনের টাকা তুলে আনতে পারেননি অনেকে।

এসকল তথ্য জানিয়েছেন গতকাল দুবাই থেকে ফিরে আসা একাধিক কর্মী। এছাড়া আরো ৯৬ জন কর্মী গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে মালয়েশিয়া থেকে (এম এইচ-১৯৬) ফ্লাইট যোগে কাজ না থাকায় দেশে ফিরেছেন।

এদিকে দেশটি থেকে বিভিন্ন কারণে মৃ’ত ২৩ জন প্রবাসী কর্মীর লা’শ ওই একই ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমান বন্দরে পৌঁছেছে। যথাযথ উদ্যোগের অভাবে সাত থেকে আট মাস বিলম্বিত হয়েছে এসব লা’শ দেশে পাঠাতে।

বিমানবন্দরের এসব লা’শের কফিন দেখে অপেক্ষমান স্বজনদের মাঝে কা’ন্নার রোল পড়ে যায়। এছাড়াও এখনো বিপুল সংখ্যক প্র’বাসী কর্মীর লা’শ পড়ে রয়েছে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হা’সপাতালের ম’র্গে।

অপরদিকে অভিযোগ উঠেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যথাযথ সহযোগিতার অভাবে প্রবাসী নেতাকর্মীদের লা’শ দেশে পাঠাতে অহেতুক বিলম্ব হচ্ছে বলে। এছাড়াও জর্ডান থেকে আজ সকালে মহিলা গৃহকর্মী নওগাঁ জেলার রোকেয়ার লা’শ দেশে পৌঁছেছে।

এসব লা’শ দাফনের জন্য বিমানবন্দর কল্যাণ ব্যাংক ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে জনপ্রতি ৩৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান করেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কল্যাণ ডেস্কের এডি ফখরুল আলম।

দুবাই থেকে কেরালার বিমান দু’র্ঘ’টনায় অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল ৫জনের এক মুসলিম পরিবার !

দুবাই থেকে কেরালা ফেরার পথে বিমান দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়েছেন দুবাই এর একজন ব্যবসায়ী ও তার পরিবার।
তবে অবিশ্বাস্য হলেও তাদের সবাই বেঁচে আছেন এবং আ’হত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

৪০ বছর ব’য়সী সাইফুদ্দিন দুবাইয়ের একজন ব্যবসায়ী। ছেলেমে’য়েদের স্কুল বন্ধ খাকায় তার স্ত্রী স’ন্তানদের নিয়ে স্বা’মীর সাথে দেখা করতে দুবাই গিয়েছিলেন।পরে লকডাউনে দীর্ঘ সময় আ’টকা পড়েন। শুক্রবার তারা সকলেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে কেরালার কোজিকোড়ে ফিরে আসছিলেন।

পরিবারের পাঁচজনের সবাই আ’হত হয়েছেন। মে’য়ে সানা ছাড়া সবাই ভর্তি হয়েছেন বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।
সানা ভর্তি আছেন আল শিফা হাসপাতালে। সাইফুদ্দিনের ভাইয়ের ছেলে মুহাম্ম’দ সালিহ জানান, সাইফুদ্দিন আমার চাচা,
তিনি এবং তার পরিবার দুবাই থেকে দেশে ফিরছিলেন তখনই দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়। আমরা রাত ৮ টা নাগাদ জানতে পারি।

এয়ার ইন্ডিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আইএক্স ১৩৪৪ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ক’রোনা ম’হামা’রিতে আ’টকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে ফিরছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কোঝিকোড় বিমানবন্দরে অবতরণের সময় চাকা

পিছলে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে সেটি। এখন পর্যন্ত বিমান দু’র্ঘ’টনায় ১৮ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

কুয়েত প্রবাসীদের ফে’রত আনা হবে ৩ ধাপে !

প্রবাসীদের ৩ ধাপে ফেরত আনা হবেঃপ্রথম ধাপে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসবে – ডাক্তার, নার্স প্র’সিকিউটর, এবং শিক্ষক!
দ্বিতীয় ধাপে অ’গ্রাধিকার পাবে যাদের ফ্যামিলি কুয়েতে আছে … আর সর্বশেষ ধাপে আসবে কুয়েতের অন্যান্য আকামাধারী প্রবাসীরা …

বিঃদ্রঃ যে সকল প্রবাসীদের দেশে থাকাকালীন আকামা শেষ হয়ে গেছে তাদের আকামা পুনরায় রিনিউ করার এবং কুয়েতে প্রবেশে ব্যাপারে প’ররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে স্ব’রাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে অ’নুরোধ ইতিবাচক কিছু আসতে পারে ইনশাআল্লাহ -?
ইয়া আল্লাহ তুমি সকল প্রবাসীদের কে ভালো রিজিকের ব্যবস্থা করে দাও।

সূত্রঃ আল-কাবাস পত্রিকা

স্ব’রা’ষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রতিক্রিয়া অনুসারে প্র’বেশের প্রক্রিয়াটি অবশ্যই তিনটি পর্যায়ে হওয়া উচিত, যেখানে অ’গ্রাধিকার দেওয়া হয় দেশের প্রথম যে পর্যায়ে চাকরী, নার্স, বি’চারক, প্র’সিকিউটর এবং শিক্ষকের প্রয়োজনের দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে তাদের দ্বিতীয় পরিবারে যারা কুয়েতে বসবাস করছেন পরিবার এবং 22 টি অনুচ্ছেদে (নির্ভরশীল ভিসা) বা পরিবারের প্রধানদের আবাসনের অনুমতি রয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

যারা নিবন্ধের অনুচ্ছেদ অনুসারে আবাসের অ’নুমতি নিয়েছেন এবং তাদের স্ত্রী ও শিশুরা কুয়েতে রয়েছেন, তৃতীয় স্তর এবং শেষ পর্যায়টি যারা কুয়েতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের জন্য। স্ব’রা’ষ্ট্র মন্ত্রনালয় তার সু’পারিশগুলি বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছিল এই বিষয়ে, তবে এই সু’পারিশগুলি উন্নয়ন অনুসারে প’র্যালোচনা ও সং’শোধন সা’পেক্ষে হবে।

যারা বিদেশে আ’টকা পড়েছে তাদের বিদেশের বাসস্থান পুনর্নবীকরণ স্ব’রা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয়ের বিদেশ মন্ত্রনালয়ের চিঠিতে একটি রেক যাদের নতুন ভিসা দেওয়া হয়েছিল এবং যাদের নতুন কাজের চু’ক্তি ছিল তাদের জন্য একটি ব্যবস্থা স্থাপন করার জন্য ইউস্ট। এছাড়াও মোফা তাদের মেয়াদোত্তীর্ণ রেসিডেন্সিগুলি পুনর্নবীকরণের জন্য একটি ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অনুরোধ করেছে, যাদের মালিকরা তাদের পু’নর্নবীকরণ এবং কুয়েতে ফিরিয়ে আনতে চান।সূত্রঃ আরব টাইমস

কুয়েতে ক’রোনা ভা’ইরাসের প্র’কোপ ঠে’কেতে বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের উপর প্রবেশের কুয়েত প্রবেশে নি’শেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তবে ঐ সিদ্ধান্ত আবার রিভিউ কথা বলেছে কুয়েত সরকার। বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ঐ দেশগুলিতে সং’ক্রমণ বৃ’দ্ধি ও হ্রা’সের ভিত্তিতে ৩১ টি দেশ থেকে প্রবাসীদের কুয়েতে প্রবেশের বিষয়ে সি’দ্ধান্ত পূর্ণ বিবেচনা করা হবে।

প্রতি ১০ দিন পর পর প্রবেষের বিষয়টি সি’দ্ধান্তটি পর্যালোচনা করা হবে, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রি’পোর্টের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আগস্ট মাসের ১ তারিখ থেকে প্রবাসীদের কুয়েতে প্র’বেশ করতে দেওয়া হবে ঘোষণা দিয়ে, ক’রোনা প’রিস্থিতির কারণে পুনরায় প্রবেশ নি’ষিদ্ধ করে কুয়েত সরকার।

কুয়েত কতৃপক্ষ সুত্রে প্রকাশ,এই সিদ্ধান্তের মধ্যে বিচারপতি, চিকিৎসক, নার্স, শিক্ষকদের মতো নির্দিষ্ট প্রবাসীদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রথমে দেশে ফিরে যাওয়ার অ’নুমতি দেওয়া হবে এমন অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কো’ভিড-১৯ এর কারণে যখন কুয়েতের নাগরিকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্র’বেশে বা’ধা দেওয়া হয়েছিল, সরকার এই সিদ্ধান্তটি বুঝতে পেরেছিল এবং কোনও প্র’তিবাদ জানায়নি।দেশটির সা’র্বভৌম বিষয় এবং ক’রোনা রো’ধে সিদ্ধান্ত হওয়ায় সব দেশই এই সিদ্ধান্তকে বুঝা উচিৎ, দেশের সু’র’ক্ষা’কে সামনে রেখে স্বা’স্থ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

এদিকে কুয়েতে ৩১ দেশের প্রবাসীদের প্রবেশ নি’ষিদ্ধ হওয়ায় মিশরসহ বেশ কয়েকটি দেশ কু’টনৈতিক তৎ’পরতা চা’লায়।

অন্যদিকে, ১৩ ই মার্চের আগে ই’স্যু করা সমস্ত ধরণের ভিসা বা’তিল বলে বিবেচিত হবে, যারা আবারও আসতে চান তাদের খুব দ্রুত শিগগির ঘো’ষিত শ’র্তাবলী মেনে আবেদন করতে হবে নিশ্চিত করেন স্ব’রা’ষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আমিরাত,সৌদি,কাতার কুয়েতে,ওমান,বাহরাইনে যেসব প্রবাসীদের কাজ হা’রানোর ঝুঁ’কি বেশি !

আমিরাত,সৌদি,কাতার কুয়েতে,ওমান,বাহরাইনে কাজ হা’রানোর বেশি ঝুঁ’কিতে ‘ফ্রি ভিসায়’ যাওয়া প্রবাসীরাঃ
প্রবাসে কাজ না থাকা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশ আমিরাত,সৌদি,কাতার, কুয়েতে, ওমান,বাহরাইনে যান বাংলাদেশিরা আর সেই ভিসার নাম হলো ‘ফ্রি ভিসা’।

এই ভিসায় প্রবাসে গিয়ে শুধু স্থানীয় নাগরিকের অ’নাপত্তিপত্র নিয়েই শুরু করা যেত ব্যবসা কিংবা অন্য কোনো কাজ। কিন্তু কো’ভিড-১৯ সেই পথ সম্পুর্ন ব’ন্ধ হয়ে গেছে। সৌদিতে এই ফ্রি ভিসায় অবস্থান করছেন কমপক্ষে ২ থেকে আড়াই লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি। কো’ভিড-১৯ এর প্র’ভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি কাজ হা’রানোর আ’শঙ্কায় আছেন বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।

কো’ভিড-১৯ প’রিস্থিতিতে কী পরিমাণ শ্রমিক শ্রমবাজারের দেশগুলোতে কাজ হা’রাবেন কিংবা ফে’রত আসবেন তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে।

তবে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় লাখ খানেক কর্মী বিদেশ যেতে পা’রেননি বলে জানিয়েছে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা। তারা এও আ’শঙ্কা করছে, যারা কাজ ছাড়া শুধু অন্য ভিসায় গেছেন তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী যায় সৌদি আরবে। মোট অভিবাসনের প্রায় ৭৫ ভাগই এই দেশটিতে। ফে’রত আসলে এই দেশ থেকেই আসার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা। তবে যারা নির্দিষ্ট কোম্পানির কাজ করেন তাদের ফে’রত পাঠানোর সম্ভাবনা কমই দেখছেন তারা।

সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ঢাকায় পাঠানো এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৩ ক্যাটাগরির কর্মী ফে’রত পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যাদের আকামার মেয়াদ শে’ষ, যারা তথাকথিত ফ্রি ভিসায় বিভিন্ন পেশায় জড়িত এবং যাদের আকামার মেয়াদ আছে। তবে আকামার মেয়াদ যাদের আছে তাদের সংখ্যা খুব অ’ল্প বলে মনে করছে দূতাবাস।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সূত্রে জানা যায়,

এককভাবে শুধু সৌদি আরবেই আছেন ২০ লাখ বাংলাদেশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছেন অন্তত ১৫ লাখ। এছাড়া কাতার, কুয়েত, ওমান, বাহরাইনে গড়ে তিন থেকে চার লাখ বাংলাদেশি আছেন। ক’রোনা স’মস্যার পাশাপাশি জ্বা’লানি তেলের দাম একেবারেই ক’মে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নানা সং’কট তৈরি হয়েছে। এছাড়া ক’রোনার কারণে সং’কটে আছেন মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে থাকা কর্মীরাও।

করোনা পরবর্তী আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত আসা কর্মীদের পুনরায় বিদেশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। তিনি বলেন, ‘বি’রূপ প’রিস্থিতিতে ঝুঁ’কি ক’মানোর জন্য ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

এছাড়াও তিনি মনে করেন, বি’দেশফেরত কর্মীরা অভিজ্ঞতার বিবেচনায় দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।<এই প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরবের অর্থনীতি আগের মতো নাও থাকতে পারে। আমরা কর্মীদের বিকল্প বাজারে কর্মসংস্থানের কথা ভাবছি। এ নিয়ে কাজ করছি। এছাড়া যেসব দেশে কর্মীরা কাজ হা’রানোর আ’শঙ্কায় আছেন সেসব দেশের সঙ্গে কূ’টনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অ’ব্যাহত আছে।’

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, তথাকথিত ফ্রি ভিসায় যারা এসেছেন তাদের বেশির ভাগেরই কাজ নেই। ক’রোনা আসার আগে তারা মু’ক্তভাবে এখানে-সেখানে কাজ করতেন। এসব কাজের মধ্যে আছে গাড়ি ধোঁ’য়াসহ অন্যান্য ‘অড জব’। কিন্তু তারা কোনও কোম্পানি, কফিল বা নি’য়োগকর্তার অধীনে ছিলেন না। যেমনটি নিয়মিত শ্রমিকদের বেলায় রয়েছে।

অ;’বৈধ শ্রমিকরা যে কোম্পানিতে বা ক’ফিলের অধীনে কাজ করেন তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানেই। অনিয়মিতদের সেই সুবিধা নে’ই। ফলে তারা এখন অর্থ এবং খা’দ্যকষ্টে রয়েছেন। করোনা উত্তরণের পরপরই অ’নিয়মিত বা অবৈধ বাংলাদেশিদের বড় অংশকে নিজে থেকেই হয়তো দেশে ফি’রতে হবে।

বায়রার মহাসচিব শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, ‘কী পরিমাণ লোক ফে’রত আসবে বা কাজ হা’রাবে এটার পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই। লাখ লাখ কর্মী ফেরত আসবে, এটা সময় নির্ভর করে বলা হচ্ছে। বিদেশে কর্মরত অসংখ্য কর্মী আছেন, তারা কতজন ফেরত আসবেন এটা তো অনুমান করা যায় না। আমাদের দেশে যারা কাজে যেতে পা’রেনি সেটার পরিসংখ্যান আছে।টিতে যারা এসেছেন কিন্তু ফেরত যেতে পারেনি তাদের সংখ্যা জানতে মন্ত্রণালয় একটি রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে। এটা হলে একটা ধারণা পাওয়া যাবে।

আমাদের এক লাখ কর্মী বিদেশ যেতে পা’রেনি, তাদের ভিসা আমরা প্রক্রিয়াধীন করছি। কতজন লোক ফেরত আসবে সেটা বলা বেশ কঠিন।’নোমান বলেন, ‘যারা ভা’সমান কাজ করতেন, আকামা হয়নি, কাগজপত্র কিছুই হয়নি, এ ধরনের ভাসমান কাজ এখন ব’ন্ধ হয়ে যাবে ক’রোনার কারণে। সেখানে বড় সংখ্যক একটি অংশের কাজ হা’রানোর একটা শ’ঙ্কা আছে। সেই সংখ্যাটা দুই থেকে আড়াই লাখ লোকের।

যারা কর্মরত আছেন, যাদের বৈ’ধ কাগজপত্র সবই আছে, তাদের সংখ্যা খুব একটা বেশি হবে না। কারণ আমাদের গন্তব্য দেশগুলোতে যতদ্রুত সময়ে ক’রোনা সং’কট কেটে যাবে, তত কর্মীদের ফেরত আসার সংখ্যা এবং শ’ঙ্কা দুই-ই কমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু হলে আমাদের কর্মীরা যেসব সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে ছাঁ’টাই করার আ’শঙ্কা একেবারেই কম। কারণ প্রতিদিনের জীবনে যা যা প্রয়োজন ওইসব সেক্টরে তারা কর্মরত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলে ওই কর্মী ছাড়া দেশ চলবে না। সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি, যে পরিমাণ কর্মী বাইরে কর্মরত আছেন ওই পরিমাণে ফেরত আসার সম্ভাবনা কম।

অনেকেই বলে লাখ লাখ লোক ফেরত আসবে– এগুলো সবই ধারণার কথা। তবে এটা নির্ভর করে আমাদের গন্তব্য দেশগুলো কত দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যাচ্ছে। যদি এই সময়টা আরও বাড়ে তাহলে অর্থনীতির ওপর আ’ঘাত আরও বেড়ে যাবে। সেখানে আমাদের আরও বেশি কর্মীর চাকরি হা’রানোর সম্ভাবনা দেখা দেবে। এজন্য যত তাড়াতাড়ি গন্তব্য দেশগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে পারে ততই আমাদের মঙ্গল।’

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি রিসার্চ মুভমেন্ট ইউনিটের (রামরু) প্রোগ্রাম পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে কোম্পানিতে যারা কর্মরত আছেন তাদের কাজ হা’রানোর ঝুঁ’কি কম। তবে যারা ফ্রি ভিসায় গিয়ে কাজ করছিলেন কিন্তু ভিসার মেয়াদ ক’মে আসছে, এরকম কেস আমরা পাচ্ছি যাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সেই জায়গা থেকে একটা ঝুঁ’কি থাকে যে, যারা এতদিন ফ্রি ভিসা কিংবা নানাভাবে অ’নিয়মিত হয়ে কাজ করছেন, এই করোনা প’রিস্থিতিতে তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি কাজ আছে কিন্তু ভিসার মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে এরকম কর্মীদেরও কিন্তু পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ক’রোনার মধ্যে।

সুতরাং সেই রি’স্কও থাকছে। এছাড়া কোনও কোনও দেশ ক্ষ’মা ঘো’ষণা করছে, যাতে কর্মীরা একটি সিস্টেমে আবারও কাজে ফিরতে পারে। যাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা কিন্তু শূ’ন্য হাতে ফেরত আসছে।’তিনি আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক কিংবা অন্য কোনও দু’র্যোগ অথবা রা’জনৈতিক প’রিস্থিতির কারণে হোক, যেকোনও প’রিস্থিতিতে প্রথম ভি’ক্টিম হয় অভিবাসী কর্মী। মূল কাজ না থাকায় অন্য একটি কাজ পেয়ে সে কিন্তু কাজটি করছে।

এ‌ক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের ব্যবহার করে মজুরি চু’রির ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে গন্তব্য দেশগুলো। এভাবে ক’রোনার প্রথম প্র’ভাব এসে পড়েছে আমাদের অভিবাসী কর্মীর উপর। আমরা কয়েক বছর ধরে জানি যে, মধ্যপ্রাচ্যে জাতীয়করণ করবে, ছাঁ’টাই করবে।

কিন্তু যখন খাওয়া-পরা নিয়ে অ’নিশ্চয়তায় শ্রমিকরা, এই রকম দু’র্বল প’রিস্থিতিতে কীভাবে অভিবাসীদের ভি’ক্টিম হিসেবে ধরে নেয়। দেশে ফেরত পাঠানোর তো একটি নি’য়ম আছে। তারা কাজ নিয়ে গেছে, তারা কিন্তু পা’চারের শি’কার না। তারা যে কাজ করছিল সেটাই একটা সিস্টেমে করুক, সবাইকে ধরে যাতে দেশে না পাঠায়। এর সঙ্গে আমাদের দ’রকষাকষিটাও সেভাবে থাকা দরকার। এখানে মানবিক একটা দৃষ্টিকোণ রাখতেই হবে।’ সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

সংযুক্ত আরব আমিরাত বিদ্ধস্ত বিমান যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে !

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় গোষ্ঠীর কাছে ভারতীয় মিশন এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমান ix ১৩৪৪ বিদ্ধস্ত বিমানের পরিবার ও যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে।

দুবাইতে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল যাত্রীদের জন্য সাহায্যের নম্বর খুলেছে। কনস্যুলেট টুইট করেছে, “দুবাই থেকে ইন্ডিয়াগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেস ফ্লাইট নং ix1344 রানওয়ে দুর্ঘটনা হয় । আমরা যাত্রীদের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করি । ”

দুবাইতে ভারতের কনসাল জেনারেল ডাঃ আমান পুরি বলেছিলেন, “আমি নিশ্চিত করতে পারি যে আমরা দুর্দশাগ্রস্থ লোকদের কাছে উপস্থিত রয়েছি। যাত্রীদের সম্পর্কে আমরা যত তাড়াতাড়ি তথ্য পেয়েছি, আমরা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করব। প্রয়োজনে আমরা যাব 24/7 হেল্প ডেস্কে কনস্যুলেটকে সক্রিয় করুন !

আমরা তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়ায় থাকবে “”তিনি এও নিশ্চিত করেছেন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি নয়াদিল্লিতে সক্রিয় হয়েছে, এবং কেরালার সরকার এবং ডিজিসিএ পুরোপুরি উদ্ধার কাজে জড়িত ছিল।

একইভাবে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্প্রদায় গোষ্ঠীগুলি 24/7 হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছে। শারজায় ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইপি জনসন বলেছেন, “যাদের প্রয়োজন তারা আমাদের কল করতে পারে 24 আমরা আছি ।” কেরালা মুসলিম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (কেএমসিসি) অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল বলেছেন,

“কেরালায় আমাদের স্বেচ্ছাসেবক এবং নেতারা তত্সহীন এবং উদ্ধার কাজে পুরোপুরি জড়িত রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে, আমরা তালিকাভুক্ত সমস্ত যাত্রী এবং তাদের পরিবারকে পৌঁছে দিচ্ছি তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সমর্থন। ”
কেরালায় যাতায়াত করতে বা বিমান দুর্ঘটনার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যে কোনও তথ্য চাইলে,

তাদের সকলের পক্ষে শনিবার 8 আগস্ট কনস্যুলেট খোলা । আমরা আহত ও নি ;’ হত সকল পরিবারের সাথে রয়েছি এবং তাদের সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। এখানে 24/7 হেল্পলাইন নম্বর রয়েছে:

দুবাইতে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল মো : + 971-565463903 , + 971-543090575 , + 971-543090571 , + 971-543090572

এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, আবুধাবি : +97126313789
কোজিকোড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ : +918330052468
, +914832719493

এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, দুবাই +9714207 9444।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : +911800 118 797 , +91 11 23012113 , +91 11 23014104 , +91 11 23017905
এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, শারজাহ : +971 6 5970303

ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন, শারজাহ : +971503675770 ,
+971504828472 , +971506266546

KMCC : +971558703836 , +971558591080 , +971506502115
, +971 504548359 , +971504550967
সমস্ত কেরালা কলেজ প্রাক্তন ছাত্র ফেডারেশন টাস্কফোর্স দল : +971503568606 , +971504941923 , +971507591967 , +971565457661