সৌদির সালমানের উত্থান ও দেশে-বিদেশে গোপন মিশন

কয়েকশ কোটি ডলারের অর্থ কেলে’ঙ্কারিতে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বারো বছরের কা’রাদণ্ড হয়েছে।মি. রাজাকের বি’রুদ্ধে এ পর্যন্ত আনা দুর্নীতির সাতটি অভিযোগেই তিনি দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। এই দুর্নীতি বলা

হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলে’ঙ্কারিগু’লোর অন্যতম, যার জাল জড়িয়ে পড়েছিল এশিয়া থেকে হলিউড পর্যন্ত ।

ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেল’পমেন্ট বেরহাদ বা ওয়ানএমডিবি একটি রাষ্ট্রীয় তহবিল, যা গঠন করা হয় ২০০৯ সালে যখন নাজিব রাজাক

দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তহবিল সংগ্র’হের লক্ষ্যে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার

জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে ক’য়েকশ কোটি ডলার অর্থ হাওয়া হয়ে যায়, বিশ্ব অর্থ’নীতির কালো গহ্বরে কোথায় হারিয়ে যায় সেই বিপুল পরিমাণ অর্থ।

আমেরিকান এবং মালয়েশীয় কৌঁসু’লিরা বলেছেন, এই অর্থ কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে।

এছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয়েছে বিলাসবহুল ভবন, ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ এবং মনে-র মত বিখ্যাত চিত্র’শিল্পীদের চিত্রকর্ম এবং নির্মাণ করা হয়েছে হলিউডের ব্লক’বাস্টার হিট ছবি।

কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, তহবিল থেকে সরানো হয়েছে সাড়ে চারশো কোটি ডলার, যা গেছে বিভিন্ন ব্যক্তির পকেটে।

এই ওয়ানএমডিবি কেলে’ঙ্কা’রির সঙ্গে জড়িয়ে আছে অন্ত’ত ছয়টি দেশ। বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেনের সন্ধা’নে তদন্ত চালানো

হয়েছে সুই’স ব্যাংক থেকে শুরু করে যেসব বিভিন্ন দ্বীপ রাষ্ট্র কর মও’কুফের স্বর্গরাজ্য সেসব দ্বী’পের ব্যাং’কগুলো’তে এবং দক্ষি’ণপূর্ব এশিয়ার মূল কেন্দ্রে।

এই কেলে’ঙ্কা’রিতে জ’ড়িয়ে থাকা চরিত্র এবং গল্পে’র প্লট ধারা’বাহিক রোম’হর্ষক কাহিনির মত মুখরো’চক।

আন্তর্জাতিক পরিসরে যেসব ক্ষ’মতা’শালী এই অর্থে লাভ’বান হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাদের কাছে কীভাবে

এই অ’র্থ পৌঁছল তার ওপর ধৈ’র্য্য ধরে নজর রেখেছিলেন যেসব সাংবাদিক – তাদের রিপো’র্টে উঠে এসেছে এই রোমাঞ্চকর গল্প।

স্পেশাল পাস নিয়েও মালয়েশিয়া বিপদে প্রবাসীরা, ফিরতে পারছে না দেশে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুমূর্ষু রোগী বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের বানিজুর রহমান মালেশিয়ায় ভুগছে চরম ভোগান্তিতে। প্রবাসী দুই জন বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস ও

ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিমানের টিকিট কেটেও জরুরী ভিত্তিতে দেশে ফিরতে পারলেন না।

শনিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টায় এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে যথাসময়ে পৌছালে এয়ার এশিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় অর্জিনাল পাসপোর্ট ছাড়া তাদের ট্রাভেল করতে দেওয়া হবে না।

এই দূজনের পাসপোর্ট না থাকায় এর আগে তারা যথারীতি বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পারমিট এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ ভাইরাস টেস্ট ও করেন।

তারপরও এয়ার এশিয়ার টিকিট কেটে গতকাল বিমানবন্দরে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে অসুস্থ ২ জনের মধ্যে একজনের হার্ট ব্লক এবং অপরজনের কিডনি ড্যামেজ ও লিভার সমস্যায় ভুগছেন।

ইতিমধ্যে তাদের চিকিৎসা বাবদ অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়ে গেছে এমতাবস্থায় তাদের বাঁচাতে হলে দেশে নিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন।

এবিষয় ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাহাত উজ্জামান বলেন, আমরা যথারীতি সব নিয়ম মেনে রোগীদের দেশে ফেরত পাঠানোর

চেষ্টা করছি এবং তাদের প্রত্যাকের জন্য দেশে ফেরত পাঠাতে ৫ হাজার রিংগিত এখন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে এর দায়ভার কার?

তিনি এসময় আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সভাপতি গত এক মাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করে রোগীদের জন্য আর্থিক কালেকশন করছেন।

প্রবাসীরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করছেন যাতে করে অসুস্থ ২ জন দেশে গিয়ে চিকিৎসা করে বেঁচে উঠতে পারেন।

এবিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা গতকাল রাত থেকে সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হচ্ছে। এবিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুয়েতে প্রবাসীদের নিয়ে যে পরিকল্পনা কুয়েত সরকারের

কুয়েত প্রবাসীদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাঃ

* খুব সী’মিত সময়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফে’রত পাঠানো!

* ৬০ বছর ও এর অ’ধিক ব’য়স্কদের ফেরত পাঠানো এবং যাদের ক্রনিক ( দীর্ঘমেয়াদী, দীর্ঘকাল ভো’গে এমন রো’গ) ডি’জিজ ( রো’গ) আছে, এমন

প্রবাসীদের রেসিডেন্সি বা’তিল করা।

* ১ লাখ ২০ হাজার আকামা ও অন্যান্য আ’ইন ভং’গকারী প্রবাসীদেরকে দেশে ফে’রত পাঠানো।

সুত্র : আল কাবাসের টুইটার ভেরিফায়েড পেইজ!

কুয়েতে জনসংখ্যার স’মস্যা সমাধানের জন্য সরকার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছিল সরকার, যাতে অনেকগুলি আইটেম আছে, যা এটি একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছিল।

তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করে নি। গত জুলাইয়ে জা’রি করা প্র’তিবেদনটি, এবং আল-কাবাস এর একটি অনুলিপি পেয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল

শ্রমবাজারে ভা’রসাম্যহীনতা এবং জনসংখ্যার সংস্থার উপর তাদের প্র’ভাব সম্বোধন করে এটি বার্ষিক তথ্য এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গঠিত, যার থেকে সিদ্ধান্তগুলি টানা হয়েছিল এবং এই ভা’রসাম্যকে মো’কাবেলায় সু’পারিশগুলি আঁকানো হয়েছিল।

সমাধানগুলিতে দুটি মূল আইটেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। , স্বল্প-মেয়াদী এবং মাঝারি-মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।

স্বল্পমেয়াদী সমাধানগুলিতে, সুপারিশগুলি উপসংহারে আসে: আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে শ্রমিকদের নি’র্বাসন, যা 120,000 ল’ঙ্ঘনকারী।

চাকরি হ্রা’স করা বা যারা 60 বছরের বেশি বয়সী 150,000 পরিবারে প্রবেশ করছেন বা দীর্ঘস্থায়ী রো’গে ভু’গছেন।

নি’রক্ষর বা নি’ম্ন-শিক্ষার কর্মীদের হ্রা’স করা, তাদের কাজের স্তর নির্বিশেষে, যা 90,000।

মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী স’মাধানগুলির জন্য এগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল: প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়োগের (সুবিধাগুলি পরিচালনার সক্রিয়করণ / সহায়তা কর্মীদের হ্রা’স করা)।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য স্মার্ট নিয়োগ (আন্তর্জাতিক নিয়োগ সংস্থা / পেশাদার যোগ্যতা সিস্টেমের সাথে আচরণ)। সরকারী ও বেসরকারী খাতকে স্থানীয়করণ করুন (টাউটিন পোর্টালের মাধ্যমে নিয়োগের একটি সংহত পদ্ধতি অনুসারে)।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাঝারি ও দীর্ঘ সমাধানের লক্ষ্য নিম্নলিখিত: সরকারী ও বেসরকারী খাতকে ধী’রে ধী’রে 160০,০০০ কর্ম প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এবং সরকারী খাতে প্র’বাহ হ্রা’স করে

৩0০,০০০ কর্মী জাতীয় অর্থনীতিতে নে’তিবাচক প্র’ত্যাবর্তনের সাথে বা আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে স্বল্পমেয়াদী স’রঞ্জাম দ্বারা এটি হ্রা’স করা হয়েছে।

প্রান্তিক কর্মসংস্থান হ্রাস এবং স্মার্ট নিয়োগ পদ্ধতি দ্বারা কর্মসংস্থানের মান বাড়ানো, এবং এই ধা’রা অনুযায়ী 25% হ্রাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল রূপান্তরকরণের ফলে সরকারী খাতে অ’স্থা’য়ী কাজের চুক্তিতে 30% হ্রা’স আসে এবং সুবিধা

ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা ব্যবহার করে এটি হ্রা’স পায় কমপক্ষে 25% কর্মসংস্থান এবং এর মান বাড়ানো।

সুত্র : আল কাবাস

সুখবর- করোনার টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশও, ডোজ মাত্র ২৫৪ টাকা !

মহামারী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স—এ দু’টির কোনো একটি সফল হলেই টিকার ডোজ পাবে বাংলাদেশও।

বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে টিকার ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সুখবর দিয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে গ্যাভি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর টিকার ১০ কোটি ডোজ

উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।

চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।

এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ‘কোভ্যাক্স অ্যাডভান্স মার্কেট কমিটমেন্ট (এএমসি)’

কাঠামোর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার (প্রায় ২৫৪ টাকা)।

উল্লেখ্য, করোনার টিকা উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হলে ওই দেশ দুটির শুরুতেই টিকা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য ন্যায্যভাবে টিকা পাওয়ার কথা বললেও তা কার্যকরে এত দিন দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা ছিল না।গত শুক্রবার টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও টিকা পৌঁছার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁ’কিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রো’গ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। করোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’

তিনি বলেন, ‘যদি ধনী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ মহামারিতে বি’পর্য’স্ত হতে থাকবে।

এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধনী দেশ নয়,

সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’

গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে।

আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে এএমসির আওতায় থাকা ৯২টি (গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭ দেশসহ) দেশই তা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।

কম টাকায় সৌদিতে কৃষিকাজে ইকামা নবায়ন করছে বাংলাদেশী প্রবাসীরা

কৃষিপ্রধান অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ ছেড়ে সৌদি এসেও শত প্র’তিকূলতার মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশী প্রবাসীরা।

প্রায় জনশূন্য বিশাল ধু-ধু মরুর বুকে কৃষকরা মনের আনন্দে চাষাবাদ করছেন মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি ও আবাদি ফসল।

বাংলাদেশি শ্রমিকেরা জানান, আমরা এখানে বাংলাদেশের মতো সবকিছুই চাষবাদ করি। মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন ফলফলালিও চাষ করি।

সৌদি আরবে কৃষিখামার একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এর জন্য পরিশ্রমও করতে হয় অনেক। লাভ যেমন ঝুঁকিও রয়েছে তেমন।

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৮ থেকে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকে। এসময় জমিনের ফসল গরমে ন’ষ্ট হয়ে যায়।

সৌদি নাগরিকরা শহরের পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক সময় প্রশান্তির খোঁজে ছুটে আসেন এই গ্রামাঞ্চলে।কৃষিখাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করে সৌদি সরকার।

কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিকের ইকামা অর্থাৎ রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন করতে নামমাত্র মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফসলের উৎপাদন খরচ কমে আসে, লাভের পরিমাণও থাকে বেশি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দেওয়া আজ রোববারের করোনা বার্তা ও দেশের পরিস্থিতি !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় আজ রবিবার কোভিড -১৯ করোনভাইরাসে আক্রান্ত ২২৫ টি নতুন মামলার পাশাপাশি ৩২৩ জন
পুনরুদ্ধারের খবর পেয়েছে। একটি নতুন মৃ’ত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ৬১,০০০ এরও বেশি নতুন কোভিড -১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,আবারও করোনভাইরাস মামলার প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পরীক্ষার পরিধি বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্য নিশ্চিত করেছে এবং এখনও অবধি প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত কোভিড

-১৯ এর ভ্যাকসিনের প্রথম পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাগুলি একটি বড় মাইলফলকে পৌঁছেছে কারণ এখন ৫ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক তাদের প্রথম টিকা পেয়েছেন। আবু ধাবি জাতীয় প্রদর্শনী কেন্দ্র, অ্যাডনেকের সদ্য নির্মিত ওয়াক-ইন রেজিস্ট্রেশন, স্ক্রিনিং এবং টেস্টিং সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি ড. জামাল আল কাবীর উপস্থিতিতে 5000 তম টিকা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন…

সৌদিতে জো’র করে কাউকে কাজ অথবা ভি’ক্ষাবৃত্তি করালে যে কঠিন শাস্তির ঘোষনা দিলেন সৌদি সরকার-

মানবপাচারের বিরুদ্ধে অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব। সেখানে মানব’পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে নতুন আইন আরও কঠোর করা হচ্ছে।

সৌদিতে জোর করে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অথবা ভিক্ষাবৃত্তি করালে ১০ বছরের হাজত অথবা ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।

এদিকে এই ল’ক্ষ্যেই নতুন শ্র’ম আ’ইন কঠোর করছে দেশটির সরকার। নতুন আ’ইনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করালে কঠোর শা’স্তি হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন জানিয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য করলে কিংবা মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে ক’ঠোর শা’স্তি হবে।

নতুন আ’ইনে স’র্বোচ্চ ১০ বছরের কা’রাদণ্ড বা সর্বাধিক ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা উভয়ই দ’ণ্ডে দ’ন্ডিত করা হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, শা’স্তি শরিয়াহ আ’ইনের মূল নীতিমালা অনুসারে হবে। এতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলি মানবাধিকার র’ক্ষার জন্য করা হয়েছে।ঐ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “সৌদি আরব মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সৌদির উদ্দেশ্য মহৎ, তারা মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর”।সৌদি আরবের এই আইন কর্তৃক গৃহীত ব্য’বস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার ও ক’র্তব্য নিশ্চিত করা।

প্রবাসী শ্রমিকদের দিয়ে জো’রপূর্বক কাজ করানো কিংবা শ্রম আইন ল’ঙ্খন করা যাবে না। এছাড়াও মানব পাচারের সাথে সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা ক’ঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইনের মতোই সৌদির আইনও কঠোর।

সৌদিতে জো’র করে কাউকে কাজ অথবা ভি’ক্ষাবৃত্তি করালে যে কঠিন শাস্তির ঘোষনা দিলেন সৌদি সরকার

মানবপাচারের বিরুদ্ধে অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব। সেখানে মানব’পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে নতুন আইন আরও কঠোর করা হচ্ছে।

সৌদিতে জোর করে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অথবা ভিক্ষাবৃত্তি করালে ১০ বছরের হাজত অথবা ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।

এদিকে এই ল’ক্ষ্যেই নতুন শ্র’ম আ’ইন কঠোর করছে দেশটির সরকার। নতুন আ’ইনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করালে কঠোর শা’স্তি হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন জানিয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য করলে কিংবা মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে ক’ঠোর শা’স্তি হবে।

নতুন আ’ইনে স’র্বোচ্চ ১০ বছরের কা’রাদণ্ড বা সর্বাধিক ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা উভয়ই দ’ণ্ডে দ’ন্ডিত করা হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, শা’স্তি শরিয়াহ আ’ইনের মূল নীতিমালা অনুসারে হবে। এতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলি মানবাধিকার র’ক্ষার জন্য করা হয়েছে।ঐ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “সৌদি আরব মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সৌদির উদ্দেশ্য মহৎ, তারা মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর”।

সৌদি আরবের এই আইন কর্তৃক গৃহীত ব্য’বস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার ও ক’র্তব্য নিশ্চিত করা।

প্রবাসী শ্রমিকদের দিয়ে জো’রপূর্বক কাজ করানো কিংবা শ্রম আইন ল’ঙ্খন করা যাবে না। এছাড়াও মানব পাচারের সাথে সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা ক’ঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইনের মতোই সৌদির আইনও কঠোর।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসছে করোনার ভ্যাকসিন

মহামারি করোনাভাইরাসে ইতোমধ্যে সাত লক্ষাধিক মানুষ প্রা,ণ হারি,য়েছেন। আ,ক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দুই কোটি। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে দুনিয়ার তাবৎ বিজ্ঞানীরা দিনরাত

পরিশ্রম করে চলেছেন। কয়েকডজন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে করো,নার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অনেক দূর এগিয়েছে।

তবে সবার আগেই করোনার সফল ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসছে রাশিয়া। আগামী ১২ আগস্ট রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি এ ভ্যাকসিন বাজারজাত শুরু করবে।

শনিবার (০৮ আগস্ট) রুশ সংবাদমাধ্যম দ্য মস্কো টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১২ আগস্ট বাজারে চলে আসবে বিশ্বের প্রথম করোনার ভ্যাকসিন। ইতোমধ্যেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল পর্ব শেষ করে ফেলেছে রাশিয়া।

মস্কো টাইমস ছাড়াও ইকোনোমিক টাইমস, এক্সপ্রেস ফার্মা, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও বিজনেস টুডেসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১,৬০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। ট্রায়ালে দেখা গেছে, এই টিকা করোনার বি,রুদ্ধে প্রতি,রোধ গড়তে সক্ষম হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের শরীরেও এই টিকার প্রয়োগে কোনও রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা সমস্যা দেখা দেয়নি।

রাশিয়ার শিল্পমন্ত্রী ডেনিস মন্তুরভ জানান, সেপ্টেম্বর থেকেই এই টিকার উৎপাদনের গতি আরও বাড়ানো হবে।

গত সপ্তাহে রুশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরশকো জানান, সামনের মাসেই বাজারে টিকা ছাড়ার আদেশ ইতোমধ্যে জারি হয়ে গেছে। দ্রত গতিতে চলছে টিকা উৎপাদনের কাজ।

এ বছরের মধ্যেই সাড়ে ৪ কোটিরও বেশি পরিমাণ প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি করতে পারবে রাশিয়া। তবে প্রতিষেধক উৎপাদনের পাশাপাশি চলবে এটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালও।

গত মঙ্গলবারই WHO-এর মুখপাত্র খ্রিশ্চিয়ান লিন্ডমিয়ার বৃহ,ত্তর ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে রাশিয়াকে টিকা তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি, প্রতিষ্ঠিত সুরক্ষা বিষয়ক সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলার অনুরোধ জানান। মার্কিন অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগ

বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফৌসি রাশিয়ার তৈরি করোনা প্রতিষেধকের সুরক্ষা, কার্য,কারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে সমস্ত জল্পনা, বিতর্ক উড়িয়ে গামালেই ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা আগামী ১২ অ,গাস্টই বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্তে অনড় রাশিয়া।

যে তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফ্লাইটে ইতালির নি’ষেধা’জ্ঞা

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে বাংলাদেশসহ ১৬ টি দেশের সাথে ইতালির ফ্লাইট ১০ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নতুন এ সিদ্ধান্তে আলজেরিয়াকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশসহ ১৬ টি দেশের সাথে ফ্লাইট নি’ষে’ধাজ্ঞার সময়সীমা ১০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।তবে জরুরি অবস্থার মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্তই বহাল রয়েছে।

রবিবার ইতালির স্বনামধন্য পত্রিকা ‘ইল সোলে’ এমন খবর প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সাথে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দেয় ইতালি।

তবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে একটি দেশ কমিয়ে বাংলাদেশসহ মোট ১৬ টি দেশের সাথে ফ্লাইট বন্ধের এ সময়সীমা ১০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

এ নিষে’ধাজ্ঞাটি ইউরোপিয়ান সময় অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বহাল থাকবে।তবে পরবর্তীতে এ সিদ্ধান্ত আবারো বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই

দেশবরেণ্য গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আ,,’র নেই (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃ’শ্বাস ত্যাগ করেন।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অনেক দিন ধরেই নানা অসুখে ভুগছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই তাকে ব্যাংকক নেওয়া হলে সেখানে পরীক্ষার পর জানা যায়, তার ফু’সফুসে একটি

টিউ’মার রয়েছে। এরপর তার অন্যান্য শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ক্যান্সারের চিকিৎসাও চলছিল। এর আগে বেশ কয়েক দফায় তাকে আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে খানি’কটা সুস্থ ছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ফিরেছিলেন গানেও। তবে শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর পৌনে ৫টায় হঠাৎ করে তার শারীরিক অব’স্থার অব’নতি ঘটে। পরে তাকে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শ্বা’সক’ষ্টের স’মস্যা দেখে লাইফ সাপোর্টে রাখার পরামর্শ দেন।

আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায় ঝুঁ’কি কাটেনি কিংবদন্তি এই সুরকারের। বরং প্রস্রাব আ’টকে যাওয়াসহ বেশকিছু নতুন জ’টিলতা দেখা দিয়েছে।

সব রোগ আর জটি’লতাকে কা’টিয়ে এবার না ফে’রার দেশে পাড়ি জ’মালেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই গীতিকার ও সুরকার।

তার মৃ’ত্যুতে শো,কের ’ছায়া নেমে এসেছে সংগীত-চলচ্চিত্রসহ বাংলাদেশের শোবিজে।