সুখবর- করোনার টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশও, ডোজ মাত্র ২৫৪ টাকা !

মহামারী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্স—এ দু’টির কোনো একটি সফল হলেই টিকার ডোজ পাবে বাংলাদেশও।

বিশ্বের নিম্ন ও নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে টিকার ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গ্যাভি) বাংলাদেশসহ ৯২টি দেশের জন্য সুখবর দিয়েছে।

গত শুক্রবার রাতে গ্যাভি এক বিবৃতিতে বলেছে, ২০২১ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও কার্যকর টিকার ১০ কোটি ডোজ

উৎপাদন ও বিতরণ ত্বরান্বিত করতে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এসআইআই), গ্যাভি ও বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস একটি চুক্তি করেছে।

চুক্তির আওতায় অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্সের করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়ার পর ১০ কোটি ডোজ তৈরি করে বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হবে। আর এই সরবরাহের দায়িত্বে থাকবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট।

এ জন্য ওই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ কোটি ডলার তহবিল দেবে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। ‘কোভ্যাক্স অ্যাডভান্স মার্কেট কমিটমেন্ট (এএমসি)’

কাঠামোর আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম পড়বে সর্বোচ্চ তিন ডলার (প্রায় ২৫৪ টাকা)।

উল্লেখ্য, করোনার টিকা উদ্ভাবনে যেসব প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গে আগাম ক্রয় চুক্তি করে সম্ভাব্য টিকা পাওয়া নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

টিকার কার্যকারিতা প্রমাণ হলে ওই দেশ দুটির শুরুতেই টিকা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য টিকা উদ্ভাবনে এগিয়ে থাকা অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে।অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সবার জন্য ন্যায্যভাবে টিকা পাওয়ার কথা বললেও তা কার্যকরে এত দিন দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা ছিল না।গত শুক্রবার টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ও সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার উদ্যোগের ফলে বিশ্বের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছেও টিকা পৌঁছার সুযোগ সৃষ্টি হলো।

গ্যাভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সেথ বার্কেল বলেন, ‘অনেকবার আমরা দেখেছি, ঝুঁ’কিপূর্ণ দেশগুলো নতুন চিকিৎসা, রো’গ পরীক্ষা ও নতুন টিকা পাওয়ার দৌড়ে পেছনে পড়ে থাকে। করোনার টিকার ক্ষেত্রে আমরা এমনটি চাই না।’

তিনি বলেন, ‘যদি ধনী দেশগুলোই শুধু সুরক্ষিত হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্প ও সমাজ মহামারিতে বি’পর্য’স্ত হতে থাকবে।

এমনটি যাতে না ঘটে সে জন্য আমাদের এই নতুন সহযোগিতা চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শুধু কয়েকটি ধনী দেশ নয়,

সব দেশের জন্য টিকা উৎপাদনের জন্য সামর্থ্য তৈরির উদ্যোগ। আমরা চাই সিরামের অন্যান্য ভ্যাকসিন উৎপাদকরাও এভাবে এগিয়ে আসবে।’

গত সপ্তাহে গ্যাভির পরিচালনা বোর্ড এএমসির আওতায় সহযোগিতা দেওয়া হবে এমন ৯২টি দেশের তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুসারে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কার্যকরী প্রমাণ হলে গ্যাভির সহযোগিতার লাভের তালিকায় থাকা ৫৭টি দেশ তা পাবে।

আর যদি নোভাভ্যাক্সের টিকা তৈরির উদ্যোগ সফল হয় তাহলে এএমসির আওতায় থাকা ৯২টি (গ্যাভির তালিকায় থাকা ৫৭ দেশসহ) দেশই তা পাবে। বাংলাদেশ গ্যাভির সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য ৫৭টি দেশের তালিকায় আছে।

যে কারণে দেশে ইন্টারনেটের সমস্যা !

রোববার (০৯ আগস্ট) সকাল থেকেই সারা দেশে ইন্টারনেটের গতি অত্যন্ত ধীর বলে জানিয়েছেন সময় সংবাদের অগণিত পাঠক। সময় সংবাদকে ফোন করে তারা জানতে চেয়েছেন কেন এই ধীরগতি আর কখন স্বাভাবিক হবে?

জানা গেছে বালু তুলতে গিয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল লাইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে পটুয়াখালীতে এ ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান জানান,

স্থানীয় লোকজন এক্সকাভেটর দিয়ে বালু তুলতে গিয়ে সাবমেরিন কেবলের (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) পাওয়ার সাপ্লাই ও অপটিক্যাল ফাইবার ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরপর বলা যাবে কখন ইন্টারনেটের ধীর গতির সমস্যার সমাধান হবে।

এই দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে দেশে ব্যবহৃত অর্ধেক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হয়। এ কারণে এই সাবমেরিন কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া মানেই দেশের জন্য বিপদের কারণ। মশিউর রহমান জানান আরও জানান, সাবমেরিন কেবল মাটির অনেক গভীরে। যারা কাজটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন কেবল ‘সি-মি-উই-৪’ এ যুক্ত হয়। এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের মাধ্যমে সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হয়।

এর মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইট (জিবি) গতির ব্যান্ডউইথ পায় বাংলাদেশ।

সিনহার মৃ,ত্যুর দিন এসআই লিয়াকতের সঙ্গে কথা হয়েছিল কোবরার

গু,লি,তে মৃ,ত্যুর আগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা বেশ কয়েক ঘণ্টা ছিলেন অভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সঙ্গে। এ বিষয়ে সময় সংবাদকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

অভিনেতা ইলিয়াস কোবরা বলেন, আমার এলাকায় ইয়াবার কোন ব্যবসায়ী নেই। যারা আছে তারা লেবার হিসেবে কাজ করে। আমার এলাকায় একটা ভাল বা,ড়িও নেই। ইয়া,বার কো,ন গড,ফাদার তো দূরের কথা।এসময় এসআই লিয়াকতের সঙ্গে তার কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লিয়াকতের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। তার সঙ্গে সাবেক মেজরের মৃ,,ত্যুর দিনও কথা হয়েছে। আমাদের এখানে

একটা বস্তা পাওয়া গিয়েছিল, তখন আমি টেলিফোনে জানানোর পর লিয়াকত সাহেব আসেন। তিনি এসে বস্তা,টা নিয়ে যান, আমাদের সদস্যকে নিয়ে গেছেন।তখন আমি তাকে বললাম, যে দেখে জানিয়েছে তাকেই যদি নিয়ে যান, তাহলে খবর দেবে কে? এসময় তিনি বলেছিলেন, তাদের স্যার কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

তখন তার সঙ্গে বার বার কথা হচ্ছিল, তিনি মানতে চাচ্ছিলেন না। পরে ছেলেটাকে নিয়ে চালানে দিয়ে দেয়। ৩-৪দিন পর জামি,ন পায়।

এভাবেই তারা করে।তিনি আরো বলেন, সিনহার সঙ্গে যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে আমার কোন সম্পত্তি নেই, এখানেও নেই, ঢাকাতেও কিছু নেই।

খাওয়া-দাওয়া শেষে পালালেন বর, হলো না বিয়ে

পু’লিশ ও ইউএনওকে দেখে বিয়ের আসর থেকে পালিয়েছেন বর ও অ’তিথিরা। ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজে’লার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের দেউলডাংরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গত শুক্রবার দেউলডাংরা গ্রামের জামাল উদ্দিনের মে’য়ের (১৫) সঙ্গে একই ইউনিয়নের হাড়িয়াকান্দি গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছে’লে আমিনুল ইস’লামের (২২) বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল।

ভু’য়া জন্মনিবন্ধন বানিয়ে মে’য়ের বয়স বাড়িয়ে দুপুরে বিয়ের আয়োজন করা হয়। খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বরপক্ষের লোকজন।

এ সময় হাজির হন ইউএনও ও পু’লিশ। তাদের দেখে দৌড় দেন বর ও অ’তিথিরা। এ সময় ধ’রা পড়েন কনের বাবা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দেউলডাংরা গ্রামের ভ্যানচালক জামাল উদ্দিনের মে’য়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ে।

তার সঙ্গে হাড়িয়াকান্দি গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছে’লে আমিনুল ইস’লামের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার বিয়ের দিন যথারীতি সকাল থেকে আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে হাজির হন ইউএনও। এতে বিয়ে পণ্ড হয়ে যায়।

নান্দাইল উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) এরশাদ উদ্দিন বলেন, জো’র করে মাদরাসাছা’ত্রীকে বাল্যবিয়ে দিচ্ছিল পরিবারের লোকজন। স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে খবর পেয়ে কনের বাবাকে বিয়ে বন্ধের জন্য বলা হয়।

কিন্তু বিয়ে বন্ধ না করায় পু’লিশ নিয়ে অ’ভিযান চালানো হয়। এ সময় বর ও তার পক্ষের লোকজন পালিয়ে যান।

কনের জন্মনিবন্ধন যাচাই করে দেখা যায়, কনে নবম শ্রেণিতে পড়লেও ভু’য়া জন্মনিবন্ধনে তার বয়স ১৯ বছর দেয়া আছে।

তবে জন্মনিবন্ধনে নেই স্থানীয় চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর। পরে কনের বাবাকে আ’ট’ক করা হয়।

ইউএনও এরশাদ উদ্দিন বলেন, অ’প’রাধ স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আ’দালত বসিয়ে কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা

জ’রিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে তাকে সতর্ক করা হয়েছে। কোনোভাবে বাল্যবিয়ে দেয়া চলবে না।

রাজ’স্থানে ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘মোদী জি’ন্দা’বাদ’ না বলায় এক ব্যক্তিকে বেধ’ড়ক মা’র’ধর

ভার’তের রাজ’স্থানের সিকার জেলায় ‘জয় শ্রী রাম’ ও ‘মোদী জি’ন্দাবাদ’ না বলায় গফ’ফর আহমেদ কাছ’ওয়া নামের ৫২ বছর বয়সী এক অ’টো’চাল’ককে বেধ’ড়ক মার’ধর ক’রেছে দুর্বৃ’ত্তরা। খবর দি ইন্ডি’য়ান এক্স’প্রেস’র।

এ ঘট’নায় দুই ব্যক্তি’কে গ্রে’ফ’তার করেছে রাজ’স্থান পু’লিশ।

পুলি’শ জা’নায়, গ’ফ্ফ’র আহ’মেদ কাছ’ওয়া নামে এক ব্য’ক্তির দা’য়ের করা অভি’যো’গের ভি’ত্তিতে দুই অ’ভিযু’ক্তকে গ্রে’ফ’তার করা হয়েছে।

অ’ভিযু’ক্তরা মার’ধ’রের পা’শা’পাশি তার থেকে নগদ ৭০০ টাকা ও হাত’ঘড়ি ছিন’তাই করেছে।অভি’যোগ’পত্রে গফ্ফ’র জানান, আমাকে এক ব্য’ক্তি ‘মো’দী জি’ন্দা’বাদ’ স্লো’গান দিতে বললে আমি তা দিতে অস্বী’কার করি তার’পর সে আমা’কে জো’ড়ে চড় মারে। তারপর আমি

তাদে’র হা’ত থেকে বা’চতে আ’র গাড়ি নিয়ে সিকা’রের দিকে পালা’নোর সম’য় তারা আমার গাড়ি অনুস’রণ

করে জগ’মাল’পুরার কাছে আ’মায় আ’ট’কায়। এস’ময় তারা আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে ‘মোদী জি’ন্দা’বাদ’ ও ‘জয় শ্রী রাম’

বলতে বলে’ই বে’ধড়ক মা’র’ধর করে। তারপর তারা আ’মা’কে পাকি’স্তানে চলে যেতেও হুমকি দেয়।

সিকার সদর থা’নার স্টে’শন হাউস অফি’সার পু’ষ্পে’ন্দ্র সিং জানি’য়েছেন, অভিযো’গের ভি’ত্তিতে আ’মরা শম্ভু’দ’য়াল জাট(৩৫)

ও ধৃত রা’জেন্দ্র জাট (৩০) নামে দুই ব্য’ক্তি’কে গ্রে’ফ’তার করেছি। প্রাথ’মিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, ওই দুই ব্য’ক্তি মদ্য’পান করে তা’রপর গফ’ফরকে মা’র’র করেছে।

অক্সিজেন চাইলে আরো দুই গুলি করা হয় সিনহাকে!

চেক’পো’স্টে তল্লা’শির সময় হাত উচু করা অব’স্থা’তেই সেনা’বা’হিনীর অবস’রপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহা’ম্মদ রা’শেদ

খা’নকে গু’লি করেছিলেন পুলি’শ কর্ম’কর্তা লি’য়াকত। এর’পর ওই অব’স্থায় তাকে পিক’আপ ভ্যা’নে করে হাস’পা’তালে নেয়ার সময় পু’লি’শের কাছে অক্সি’জেন চান।

কি’ন্তু অক্সি’জেন না দিয়ে লিয়া’কত মে’জর সিন’হাকে পিক’আপে বসেই আ’রো দুটি গু’লি করেন।

আজ শনিবার দে’শীয় একটি গণ’মা’ধ্যমে দেওয়া সা’ক্ষাৎ’কারে এই বর্ণ’না দিয়ে’ছেন ওই পি’কআ’পের চা’লক আ’বুই’য়ার এ’ক’ বন্ধু। ঘট’নার পর নি’জে’র ব’ন্ধু’দের কাছে এসব বলে’ছিলেন আ’বুইয়া।

পে’শায় সিএ’নজি চালিত অটো’রিক’শা চা’লক ওই ব’ন্ধু বলেন, ঘ’ট’নার পর সেই মিনি পি’ক’আপ চা’লক বে’লাল ওর’ফে আ’বুইয়া তাকে বলেছেন, হাস’পা’তালে নে’বার পথে সি’ন’হাকে আ’রো দুই রা’উ’ন্ড গু’লি করে পু’লি’শ।

হাস’পা’তালে নেয়ার সময় গু’লি’বি’দ্ধ লোক’টি অ’ক্সি’জেন চেয়ে’ছিল। কি’ন্তু অক্সি’জেন না দিয়ে তাকে আবার গু’লি করা হয়।

ঘট’নার পর থেকেই আবু’ইয়া নি’রা’পত্তা হেফা’জতে আছেন বলে জানা গেছে। যদিও পরি’চিত’জনরা বল’ছেন, ক্র’সফা’য়ারে’র ভ’য় দেখি’য়ে তাকে এক পুলি’শ

কর্ম’কর্তা নিয়ে গেছেন। ওই’দিন হাস’পাতাল থেকে আ’সার পর ভী’তস’ন্ত্রস্ত ছিলেন আবু’ইয়া। লা’শ দেখে ভ’য় পেয়ে গিয়ে’ছিলেন তিনি। তার জা’মার ম’ধ্যে র’ক্ত লেগেছিল।

অন্য’দিকে, পুলি’শের করা মা’ম’লার এজা’হারে ঘট’না’স্থলে ইন্স’পে’ক্টর লিয়া’কত আ’ত্ম’রক্ষা’র্থে ৪ রা’উ’ন্ড গু’লি করেছে বলে উ’ল্লে’খ করা হয়।

যদিও পু’লি’শের করা সু’রত’হালে সিন’হার গায়ে ৬টি গু’লির গভী’র ক্ষ’তের কথা উ’ল্লেখ আছে।

‘তাকিয়ে দেখলাম বাবা আর ভাইকে ভা,সিয়ে নিয়ে যাচ্ছে’

নেত্রকোনার ম’দন উপজে’লার পর্যটন কেন্দ্র মিনি কক্সবাজার খ্যাত উচিতপুরের হাওরে ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে গত বুধবার (৫ আগস্ট) প্রা’ণ হারান শফিকুল ইস’লাম ও তার বড় ছে’লে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র মু’সায়েব সামান আম্মা’র।

নৌকায় সবাই যখন আনন্দ-উল্লাস করছিল, তখনই ঝড়োবাতাসে উল্টে যায় নৌকাটি। আম’রা সবাই পানিতে ভাসছি।

বাবা আমাকে পানি থেকে তুলে নৌকার ছইয়ের মাঝে রেখে যান বড় ভাই মু’সায়েব সামান আম্মা’রকে আনতে। ভাইকে ধরে বারবার নিয়ে আসার চেষ্টা করছিলেন।

বড় ভাইকে শেষপর্যন্ত নিয়ে নৌকায় আর উঠতে পারলেন না বাবা। তাকিয়ে দেখলাম বাবা আর ভাইকে স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে- এভাবেই বাবা আর বড় ভাইয়ের মৃ’ত্যুর হৃদয়বিদারক ঘটনার বর্ণনা দেয় মো. জিল জাওয়ান জিবাবী।

বাবা আর ভাইকে এখনও খুঁজছে জাওয়ান। চোখ খুললেই বলে, বড় ভাই সামান কই? ছোট ছে’লেকে বাঁ’চাতে পারলেও, বড় ছে’লেকে বাঁ’চাতে গিয়ে নিজেই মৃ’ত্যুকে বরণ করে নিলেন বাবা হাফেজ মা’ওলানা মো. শফিকুল ইস’লাম।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ধোপাজাঙ্গালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পিতা-পুত্রের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। দেশবরেণ্য আলেম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ হাজারও মু’সল্লি জানাজায় অংশ নেন।

পিতা-পুত্রের মৃ’ত্যুর খবরে আসা স্বজনরা যেন বাকরুদ্ধ; জাওয়ানের কথায় কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারছেন না। জাওয়ানও বারবার খুঁজছে তার বড় ভাই আর বাবাকে।

ওকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষাও যেন কেউ খুঁজে পাচ্ছেন না! শফিকুল ইস’লাম ছিলেন ইস’লামের প্রচারক, ধ’র্মীয় শিক্ষার জন্য নিজ এলাকায় ২টি ও কেন্দুয়ায় আরও ২টি মাদরাসা স্থাপন করেন। স্বপ্ন ছিল নিজগ্রামে ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বিশাল মাদরাসা করবেন। যেখানে হাজারও আবাসিক শিক্ষার্থী একসঙ্গে ধ’র্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করবে।

সেই স্বপ্ন পূরণ হল না। কথা বলতে বলতেই কা’ন্নায় ভেঙে পড়ে তার প্রিয় শিক্ষার্থী মো. তাসাদুল আহাম্মেদ। সে আরও বলে- হুজুর চেয়েছিলেন শুধু এলাকার লোকজন নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থী এসে ধোপাজাঙ্গালিয়া গ্রামে শিক্ষা নেবেন। শফিকুল ইস’লাম এ গ্রামের আবুল কালাম আজাদের বড় ছে’লে।

৫ আগস্ট (বুধবার) সকাল ৬টায় ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র মু’সায়েব সামান আম্মা’র ও ৩য় শ্রেণির ছাত্র মো. জিল জাওয়ান জিবাবীকে নিয়ে শফিক উচিতপুরের উদ্দেশে রওনা হন। ময়মনসিংহ থেকে আসা ওস্তাদ মা’ওলানা মো. মাহফুজুর রহমানের নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এ আনন্দভ্রমণে বের হন তিনি।

নেত্রকোনার ম’দন উপজে’লায় পর্যটন কেন্দ্র মিনি কক্সবাজার খ্যাত উচিতপুরের হাওরে ঘুরতে গিয়ে নৌকাডুবিতে ১৮ জনের প্রা’ণহানি ঘটে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উচিতপুরের সামনে হাওর গোবিন্দশ্রী রাজালীকান্দা নামক স্থানে এ দুর্ঘ’টনার শিকার হন তারা। সেখানেই বড় ছে’লেকে বাঁ’চাতে গিয়ে মৃ’ত্যুকে বরণ করে নেন শফিকুল ইস’লাম।

মোটরসাইকেলে বো,মাসদৃশ বস্তু পাওয়া সেই সার্জেন্ট ব,রখাস্ত

সিলেট নগরের চৌহাট্টা মোড় এলাকায় পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট চয়ন নাইডুর মোটরসাইকেলে বো,

মাসদৃশ বস্তু পাওয়ার ঘটনায় গাড়ির মালিক ওই সার্জেন্টকে সাময়িক ব,রখাস্ত করা হয়েছে। সার্জেন্ট চয়নের মোটরসাইকেলে ওই বস্তুটি পাওয়ার ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করে সেনাবাহিনী জানায় এটি আসলে বোমা নয়, একটি টাইলস কাটার যন্ত্র (গ্রাইন্ডিং মেশিন)।

গত বুধবার মোটরসাইকেলে শনাক্ত হওয়ার পর ওই এলাকা প্রায় ২২ ঘণ্টা ঘিরে রাখে র‌্যাব-পুলিশ। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করে জানানো হয়, আলোচিত বস্তুটি কোনো বিস্ফোরক নয়। টাইলস কাটার একটি যন্ত্র (গ্রাইন্ডিং মেশিন)।

এরপরই প্রশ্ন ওঠে পুলিশের একজন সার্জেন্টের মোটসাইকেলে ওই বস্তুটি রাখলো কে? এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই শনিবার চয়ন নাইডুকে সাময়িক বরখাস্ত করে সিলেট মহানগর পুলিশ।

শনিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ বলেন, ঘটনার সময় চয়ন নাইডু নিজের দায়িত্বরত এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এছাড়া তার মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ বস্তু রাখা হলেও তিনি কেন টের পেলেন না এজন্য তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেলে ‘গ্রাইন্ডিং মেশিন’ রাখার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কোনো দায়িত্বে অবহেলা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে শাস্তি দেয়া হবে।

গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সিলেট নগরের ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট চয়ন নাইডুর মোটরসাইকেলে বো,মাসদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। এরপর বোমা সন্দেহে রাতভর ওই এলাকা ঘিরে রাখে পুলিশ। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ও ধ্বংসকরণ দুটি দল বোমাসদৃশ বস্তুটি অপসারণ করে।

অভিযান শেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের বো,মা ও বি,স্ফো,রক বিশেষজ্ঞ লে. কর্নেল রাহাত বলেন, ভুলবশত কিংবা কেউ আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেলে যন্ত্রটি রেখে যেতে পারেন।

পুলিশ জানায়, সিলেট নগর ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট চয়ন নাইডু বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চৌহাট্টা মোড়ে মোটরসাইকেল রেখে একটি চশমার দোকানে যান। ফিরে এসে তিনি মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ বস্তু দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। পরে এলাকাটি

ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার রাতে ওই এলাকায় কিছু দোকানপাট বন্ধ থাকলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই এলাকার রাস্তা ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় আম্বরখানা-চৌহাট্টা, মিরবক্সটুলা-রিকাবীবাজার সড়ক। বুধবার রাতে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযান চালায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে আসে। আড়াইটার দিকে দলটি মোটরসাইকেল থেকে ‘বোমাসদৃশ বস্তুটি’ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযান শেষে বিকেল চারটার দিকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রেস ব্রিফিং করা হয়।

হঠাৎ‌ অ,সুস্থ হয়ে আইসিইউতে সঞ্জয় দত্ত

হঠাৎ‌ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় (৮ আগস্ট) মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে তিনি ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুকে অস্বস্তি নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় সঞ্জয় দত্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা ওঠানামা করছে। তিনি কোভিড সংক্রামিত কি

না, নিশ্চিত হতে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়েছিল। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর RT-PCR টেস্টের জন্য অভিনেতার সোয়াবের নমুনা সংগ্রহ

করা হয়েছে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার (৯ আগস্ট) সকালের মধ্যেই রিপোর্ট জানা যাবে।সদ্য ৬১ বছরে পা দিয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি সঞ্জয় দত্তের জন্মদিন গিয়েছে। ২৯ জুলাই ঘরোয়া ভাবেই অভিনেতার জন্মদিন পালিত হয়। শনিবার সন্ধ্যায়

হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট অনুভব করায়, তাঁকে তড়িঘড়ি মুম্বইয়ের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, তাঁকে লীলাবতী হাসপাতালের নন-কোভিড আইসিইউ বেডে রাখা হয়েছে। কী থেকে অভিনেতার বুকে অস্বস্তি হচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে রাতেই আরও কিছু টেস্ট করতে দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয়ের এই অসুস্থতা বলিউডের জন্য নিঃসন্দেহে আর এক দুঃসংবাদ।

দিন কয়েক আগেই জয়া বচ্চন ছাড়া বিগ-বি পরিবারের সকলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সঞ্জয় দত্তকে যেখানে ভর্তি করা হয়েছে, সেই লীলাবতী হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন করোনা আক্রান্ত অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য এমনকী নাতনি আরাধ্যাও। সম্প্রতি করোনা জয় করে বাড়ি ফেরেন অমিতাভ বচ্চন। তার দিন কয়েক আগেই সুস্থ বাড়িতে ফেরেন ঐশ্বর্য-আরাধ্যা। শনিবার বিকেলে করোনা জয় করে বাড়িতে ফিরেছেন অমিতাভপুত্র অভিষেকও।অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ১১ জুলাই নানাবতী

হাসপাতালে ভর্তি হন অমিতাভ ও অভিষেক। কয়েক দিন পরে ঐশ্বর্য ও আরাধ্যাকেও হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তাঁরা অবশ্য ২৭ জুলাই ছাড়া পেয়ে যান। অমিতাভ ছাড়া পান ২ অগস্ট। কিন্তু, অভিষেকের সুস্থ হতে সময় লাগে।অভিষেক ঘরে ফেরায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেল‌েছিল বি-টাউন। কিন্তু, দিনশেষে ফের আর এক তারকা অসুস্থ হওয়ায় মন ভালো নেই বলিউডের। তবে, সঞ্জয়কে নন কোভিড ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত স্বস্তির এটুকুই।

মা হলেন বন্যায় বাড়ি হারানো সেই সুরাইয়া

নাটরের নলডাঙ্গায় জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে বারনই নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে ঘরবাড়ি ডুবে যায় বাঁশিলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম পারভেজের।

এরপর গর্ভবতী মেয়ে সুরাইয়াসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নিয়ে আশ্রয় নেন পার্শ্ববর্তী শ্যামনগরের মো. বিনছের আলীর বাড়িতে।খবর পেয়ে সুরাইয়ার পাশে দাঁড়িয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন ইউএনও আবদুল্লাহ আল মামুন।সেই সুরাইয়া মা হয়েছেন। শুক্রবার রাতে নলডাঙ্গার বিসমিল্লাহ ক্লিনিকে একটি ফুটফুটে মেয়ের জন্ম দিয়েছেন তিনি।ক্লিনিকের পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, মা-মেয়ে দুজনই সুস্থ আছে। ইউএনও আবদুল্লাহ আল মামুন তাদের

চিকিৎসার সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।এদিকে শনিবার বিকেলে সুরাইয়া ও তার মেয়েকে দেখতে ক্লিনিকে গেছেন ইউএনও মামুন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আলীমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা। তারা মা-মেয়ের সার্বিক খোঁজ নিয়েছেন।ইউএনও আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল সুরাইয়া।

আমি মানুষ হিসেবে শুধু তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। সুরাইয়ার ফুটফুটে মেয়েটি বানভাসি পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।