হঠাৎ করে বেশ‌ অ’সুস্থ সঞ্জয় দত্ত, নেয়া হয়েছে আইসিইউতে !

হঠাৎ‌ করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় (৮ আগস্ট) মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে তিনি ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুকে অস্বস্তি নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় সঞ্জয় দত্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা ওঠানামা করছে। তিনি কোভিড সংক্রামিত কি না, নিশ্চিত হতে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়েছিল। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর RT-PCR টেস্টের জন্য অভিনেতার সোয়াবের নমুনা সংগ্রহকরা হয়েছে।

হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার (৯ আগস্ট) সকালের মধ্যেই রিপোর্ট জানা যাবে।সদ্য ৬১ বছরে পা দিয়েছেন অভিনেতা।সম্প্রতি সঞ্জয় দত্তের জন্মদিন গিয়েছে। ২৯ জুলাই ঘরোয়া ভাবেই অভিনেতার জন্মদিন পালিত হয়। শনিবার সন্ধ্যায়হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট অনুভব করায়, তাঁকে তড়িঘড়ি মুম্বইয়ের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

জানা গিয়েছে, তাঁকে লীলাবতী হাসপাতালের নন-কোভিড আইসিইউ বেডে রাখা হয়েছে। কী থেকে অভিনেতার বুকে অস্বস্তি হচ্ছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে রাতেই আরও কিছু টেস্ট করতে দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয়ের এই অসুস্থতা বলিউডের জন্য নিঃসন্দেহে আর এক দুঃসংবাদ।

দিন কয়েক আগেই জয়া বচ্চন ছাড়া বিগ-বি পরিবারের সকলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
সঞ্জয় দত্তকে যেখানে ভর্তি করা হয়েছে, সেই লীলাবতী হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন করোনা আক্রান্ত অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য এমনকী নাতনি আরাধ্যাও। সম্প্রতি করোনা জয় করে বাড়ি ফেরেন অমিতাভ বচ্চন।

তার দিন কয়েক আগেই সুস্থ বাড়িতে ফেরেন ঐশ্বর্য-আরাধ্যা। শনিবার বিকেলে করোনা জয় করে বাড়িতে ফিরেছেন অমিতাভপুত্র অভিষেকও।অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ১১ জুলাই নানাবতী

হাসপাতালে ভর্তি হন অমিতাভ ও অভিষেক। কয়েক দিন পরে ঐশ্বর্য ও আরাধ্যাকেও হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তাঁরা অবশ্য ২৭ জুলাই ছাড়া পেয়ে যান। অমিতাভ ছাড়া পান ২ অগস্ট। কিন্তু, অভিষেকের সুস্থ হতে সময় লাগে।অভিষেক ঘরে ফেরায় কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেল‌েছিল বি-টাউন। কিন্তু, দিনশেষে ফের আর এক তারকা অসুস্থ হওয়া

গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই

দেশবরেণ্য গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আ,,’র নেই (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃ’শ্বাস ত্যাগ করেন।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অনেক দিন ধরেই নানা অসুখে ভুগছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ২০১৫ সালের ৩ জুলাই তাকে ব্যাংকক নেওয়া হলে সেখানে পরীক্ষার পর জানা যায়, তার ফু’সফুসে একটি

টিউ’মার রয়েছে। এরপর তার অন্যান্য শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি ক্যান্সারের চিকিৎসাও চলছিল। এর আগে বেশ কয়েক দফায় তাকে আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে খানি’কটা সুস্থ ছিলেন আলাউদ্দিন আলী। ফিরেছিলেন গানেও। তবে শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর পৌনে ৫টায় হঠাৎ করে তার শারীরিক অব’স্থার অব’নতি ঘটে। পরে তাকে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শ্বা’সক’ষ্টের স’মস্যা দেখে লাইফ সাপোর্টে রাখার পরামর্শ দেন।

আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায় ঝুঁ’কি কাটেনি কিংবদন্তি এই সুরকারের। বরং প্রস্রাব আ’টকে যাওয়াসহ বেশকিছু নতুন জ’টিলতা দেখা দিয়েছে।

সব রোগ আর জটি’লতাকে কা’টিয়ে এবার না ফে’রার দেশে পাড়ি জ’মালেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই গীতিকার ও সুরকার।

তার মৃ’ত্যুতে শো,কের ’ছায়া নেমে এসেছে সংগীত-চলচ্চিত্রসহ বাংলাদেশের শোবিজে।

সিনহার নি’হতের ঘটনায় জামিন পেল শিপ্রা

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হ’ত্যার পর আ’টক তার প্রোডা’কশন টিমের সদস্য স্টাম’ফোর্ড ইউনিভার্সিটির ‘ফি’ল্ম এন্ড মিডিয়া স্ট্যাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিপ্রা রানী দেব’নাথ জা’মিন পেয়েছেন।ঘট’নার সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় ব’র্ষের শি’ক্ষার্থী শিপ্রা রানী দেব’নাথ এবং ফাই’নাল

ইয়া’রের শি’ক্ষার্থী তাহ’সিন রিফাত নূর হিম’ছড়ির একটি রি’সোর্টে ছিলেন। সেই রি’সোর্টে অভি’যান চা’লিয়ে পুলি’শ তাদের দুজ’নকে আ’টক করে।
পরে রামু থা’নায় শি’প্রার বিরু’দ্ধে ম’দের বো’তল রা’খার অভি’যোগে মা’দক আ’ইনে একটি মা’মলা দেয়া হয়। তাহ’সিন রি’ফাত নূর’কে মুচ’লেকা রেখে এক আত্মী’য়ের জি’ম্মায় ছে’ড়ে দে’য়া হয়।

গরিব মানুষের অনেক শখ পূরণ হয় না।…

বাংলা চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে ‘জীবন্ত কিংবদন্তি’ বলা হয় তাকে। গ্রামের মন্দ মোড়লের চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় আজও বহু দর্শকের চোখে ভাসে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।হয়েছেন প্রশংসীত। পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। খল চরিত্রে কমেডি অভিনয়ের মাধ্যমে তৈরি করেছেন নতুন এক ধারা।টেলিভিশনের পর্দাতেও তিনি সফল। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও এটিএম শামসুজ্জামান আজও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত এক নাম। প্রবীণ এই অভিনেতার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রাহাত সাইফুল।

রাহাত সাইফুল : আপনার ছেলেবেলার ঈদের কথা মনে পড়ে? কেমন কেটেছে সেই দিনগুলো?এটিএম শামসুজ্জামান : ছোটবেলা আব্বা ঈদের সালামি দিতেন। তখন একআনা পেলেই মহাখুশি! আব্বার সঙ্গে গরুর হাটে যেতাম। গরু নিয়ে অনেক মজার ঘটনা আছে। একবার হাটের সবচেয়ে বড় গরু কিনে বাড়ি ফিরছি,লোকজন দাম জিজ্ঞেস করছে। পুরোটা পথ এভাবেই দাম বলতে বলতে আসছি। হঠাৎ একটা ছাগল লাফ দিয়ে আমার উপর এসে পড়ল! তাৎক্ষণিক কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। পরে বুঝলাম, গরু দেখে হয়তো ভয় পেয়ে লাফ দিয়েছে। সেদিন আমিও কিন্তু কম ভয় পাইনি।

যাইহোক, আব্বার সঙ্গে হাটে যাওয়ার সেই আনন্দ আর কোনো দিন পাইনি। এরপর অসংখ্যবার গরুর হাটে গিয়েছি।দেখেশুনে গরু কিনেছি। কিন্তু সেই আনন্দ আর পাইনি। আর এখন তো হাটে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। বাসায় সারাক্ষণ বসে থাকি। আত্নীয়-স্বজন বাসায় এসে আমার সঙ্গে দেখা করে যায়। এভাবেই ঈদ কাটে।রাহাত সাইফুল : একটু ভিন্ন প্রসঙ্গে যাই। আপনি সিনিয়র অভিনেতা। সবাই আপনাকে ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে। চলচ্চিত্রে আপনার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। ইতিহাসনির্ভর সিনেমা আমাদের কম কেন?

এটিএম শামসুজ্জামান : একটাই উত্তর- বাংলায় থেকে, বাংলাদেশে থেকে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার পতাকার নিচে থেকে আমরা না পতাকাকে ভালোবাসতে পারলাম, না শেখ মুজিবকে ভালোবাসতে পারলাম।যদি এই দুটো জিনিসকে আমরা মনেপ্রাণে ভালোবাসতাম তাহলে সিনেমা হতো। আমার তো মনে হয়, এক সময় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস মানুষ ভুলে যাবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ আমি যদি কোনো জিনিস লালন না করি,চর্চা না করি তাহলে সেটি কারো মনে থাকবে না। এগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হয়। চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও কাজটি করা যায়।

রাহাত সাইফুল : আপনি নিজেও পরিচালনা করেছেন…।এটিএম শামসুজ্জামান : আমি মাত্র একটি সিনেমা পরিচালনা করেছি। তাছাড়া সিনেমা বানাতে পয়সা লাগে। আমি এমন একজন মানুষ যাকে ঈশ্বর সব দিয়েছে, শুধু পয়সা দেয়নি।আমি এমন সিনেমা বানাতে চেয়েছিলাম যা দর্শককে উদ্দীপ্ত করবে। শেখ মুজিবকে চিত্রনাট্যে তুলে ধরার পরিকল্পনাও ছিল। আমার এই স্বপ্নটা এখনও আছে। কিন্তু প্রধান সংকট টাকা।জীবনের এই শেষ মুহূর্তে একটাই চাওয়া- শেখ মুজিবকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই। যে সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলার সংস্কৃতি সমানভাবে উঠে আসবে। যদি সুযোগটা পাই সেটা হবে অনেক আনন্দের। না পেলেও দুঃখ নাই। কারণ গরিব মানুষের অনেক শখ পূরণ হয় না।রাহাত সাইফুল : চলচ্চিত্র এবং নাটক দুই পর্দায় আপনি কাজ করেছেন?

কোন জায়গায় কাজ করতে ভালো লেগেছে?এটিএম শামসুজ্জামান : কোনো জায়গাতেই ভালো লাগেনি। সবগুলো ক অক্ষর গোমাংস। জীবন ধারণের জন্য পয়সা প্রয়োজন, তাই কাজ করেছি। দুদিন পরে মারা যাব।কিন্তু আমার কথাগুলো থেকে যাবে। আবারও বলছি- সবগুলো ক অক্ষর গোমাংস। পেটে বোমা মারলেও একটা ‘ক’ শব্দ বের হবে না, এমন মানুষ যদি নাটক, সিনেমা বানায় তাহলে আমার কিছু করার নেই। তবে সে তুলনায় নাটক এগিয়ে গেছে।
আমার ঘনিষ্ঠজনেরা বলতো, নাটকে আরো বেশি মনোযোগ দিতে। কিন্তু চলচ্চিত্রের কথা ভেবে আমি আগে নাটকে সময় দেইনি। আমি যদি তাদের কথা মতো নাটকে আরো আগেই চলে যেতাম, তাহলে আজ আমার এই দশা হতো না।রাহাত সাইফুল : বর্তমানে যারা সিনেমা নির্মাণ করছেন তাদের সর্ম্পকে আপনার মূল্যায়ন কী?এটিএম শামসুজ্জামান : এখন যারা সিনেমা নির্মাণ করছেন তারা একদিকে ঝুঁকে আছেন। সেটা হচ্ছে- টাকা। যে শিল্পীর অর্থের ঝোঁক চলে যাবে তাকে শিল্প থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।যে মদ্যপান করে তাকে হয়তো আটকে রাখলে কিছুদিন পরে নেশাটা কমে যায়। কিন্তু সংস্কৃতিকে যারা অন্য ধারায়, অন্য স্টাইলে নিয়ে যায় তাদের ফেরানো সহজ নয়।এখন সবাই এই অন্য ধারার নেশায় আচ্ছন্ন। সমস্যা হলো এই ধারার বিষয়ে তাদের কোনো স্বচ্ছ ধারণা নেই! তারা শুধু টাকার পেছনে ছুটছে।রাহাত সাইফুল : চলচ্চিত্রের এই বেহাল দশার কারণ কী হতে পারে বলে মনে করেন?এটিএম শামসুজ্জামান : বলতে পারি, কিন্তু ওরা কষ্ট পাবে। কাউকে কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছে নেই। চলচ্চিত্র বানাচ্ছেন কার জন্য? একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে- বাংলার মানুষের জন্য চলচ্চিত্র বানাচ্ছ তাদের জীবন, তাদের সংস্কৃতি, তাদের আচার-আচরণ সব কিছু নিয়েই চলচ্চিত্র। অন্তত এটুকুও যদি তাদের মাথায় থাকে তাহলে আর কিছু না হোক একেবারে না-দেখার মতো কিছু হবে না। আমার ধারণা যারা সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন তারা সংস্কৃতি কী জানেন না।
রাহাত সাইফুল : আমাদের চলচ্চিত্রে নতুন খল-অভিনেতা, কমেডিয়ান তৈরি হচ্ছে না কেন? আপনার ব্যাখ্যা কী?এটিএম শামসুজ্জামান : এর অন্যতম কারণ ভালো স্ক্রিপ্টের অভাব। আমরা না কমেডি বুঝি, না কমেডি কীভাবে লিখতে হয় সেটা বুঝি। এখনকার স্ক্রিপ্ট রাইটাররা চেষ্টা করছেন না। ‘তারা পারছেন না’ বললে কষ্ট পাবেন।এবার আসুন অভিনেতা সম্পর্কে। অভিনেতা প্রতি মুহূর্তে তার চরিত্রের সঙ্গে কথা বলবে। এভাবে সে চরিত্র আত্মস্থ করবে। আমি এখনও চরিত্র ফুটি তোলার আগে নিজের সঙ্গে কথা বলি।সবসময় দেখি কোথায় কোন ভুল করলাম। কোথায় উচ্চারণ ভুল হলো। প্রতিনিয়ত ভুল করে যাচ্ছি। ভুল করতে করতেই শিখছি।অভিনেতার ভুল থেকে শেখার মানসিকতা থাকতে হবে। জীবন অনেক দ্রুত গতিতে চলছে। কিন্তু এই গতি অভিনেতার জন্য নয়। তার আলাদা সময় প্রয়োজন। যে সময়টুকু সে তার চরিত্রকে দেবে।রাহাত সাইফুল : আপনি চলচ্চিত্রের সোনালি দিনের স্বনামখ্যাত অভিনেতা। তখন বাঘা বাঘা অভিনেতা ছিলেন। সেই সময় নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা কী ছিল? মানে, আপনার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী?এটিএম শামসুজ্জামান : খলিল ভাই, মুস্তাফা (গোলাম মুস্তাফা) ভাইকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে হতো। কারণ তারা জেনেশুনে অভিনয় করতেন। আমি চেষ্টা করতাম, মুস্তাফা ভাইয়ের কাছে যেন হেরে যেতে না হয়।মুস্তাফা ভাই চেষ্টা করতেন আমাকে হারাতে। আর এখন প্রতিযোগিতা হয় টাকার। অভিনয় শেষ হলেই টাকা; কে কতো টাকা পাবে সেই প্রতিযোগিতা। আমরা এভাবে ভাবতাম না। অভিনয়টাই ছিল গুরত্বপূর্ণ। কী পাবো তার চেয়ে বড় ছিল কী করতে পারবো এটা নিয়ে।রাহাত সাইফুল : অনেকেই খল চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু দেশে আপনিই প্রথম খল চরিত্রের সঙ্গে কমেডি যুক্ত করেছেন।এটিএম শামসুজ্জামান : নষ্ট মানুষের চরিত্র আমি কমেডি দিয়ে করেছি। আমি অতি বাজে কথা বলবো, অতি নিষ্ঠুর কাজ করবো, যাতে মানুষ বুঝতে পারে ‘খুবই বাজে লোক’।বুঝতে পেরে তারা একটু হাসবে। তবে আমি যাদের জন্য অভিনয় করি, তারা কীভাবে হাসে, কীভাবে কাঁদে এগুলো আমার শিখতে হয়েছে। আমি অধিকাংশ সিনেমায় বদমাইশ, ইতর চরিত্রে অভিনয় করেছি।রাহাত সাইফুল : অনেক নায়কের সঙ্গে আপনি কাজ করেছেন? কার সঙ্গে কাজ করতে ভালো লেগেছে?এটিএম শামসুজ্জামান : নিঃসন্দেহে রাজ্জাক সাহেব। তার সংলাপ ডেলিভারি খুব ভালো ছিল। পরিষ্কার-পরিছন্ন। আমার ভালো লাগতো। সহশিল্পী যদি ভালো খেলোয়াড় না হয় তার সঙ্গে খেলা জমে রাজ্জাক সাহেবের সবচেয়ে বড় গুণ বাংলা খুব সুন্দর করে বলতেন। শুনতে ইচ্ছে করতো। ফেরদৌসকেও আমার মোটামুটি ভালো লেগেছে। তার ডেলিভারি খুব স্বাভাবিক।রাহাত সাইফুল : হুমায়ূন ফরীদি?এটিএম শামসুজ্জামান : ফরীদির মতো শিল্পী বাংলার মাটিতে আর আসবে না। আমাকে এতো শ্রদ্ধা করতো যে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। অথচ আমার মতো একশ এটিএম সমান একটা ফরীদি।আমাকে দেখলে চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে থাকতো। অথচ আমি খুব বুঝতাম, এর সঙ্গে অভিনয় করে পারা যাবে না। বাংলার মাটিতে অনেক শিল্পী আসবে ফরীদি আর আসবে না।রাহাত সাইফুল : শুটিং করতে গিয়ে মজার কোনো ঘটনা কী মনে পড়ে?এটিএম শামসুজ্জামান : অসংখ্য ঘটনা আছে। আমি গারো পাহারে শুটিং করতে গিয়েছিলাম।পরিচালক ছিলেন এহতেশাম। আমি জুম্মার দিনে গোসল করে পাজামা পাঞ্জাবি পরে যখন মসজিদে যাচ্ছি তখন একজন লোক আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- কোথায় যাচ্ছেন? আমি বললাম, মসজিদে যাচ্ছি।লোকটি বললো, জুম্মার নামাজ পরে আপনার লাভ কী? আমি বললাম, কেন ভাই? তিনি বললেন, জীবনে এতো আকাম করেছেন বুঝতে পারছেন না? আপনি একটা বাজে লোক!রাহাত সাইফুল : দর্শকের এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার দুঃখ হয়?এটিএম শামসুজ্জামান : না। কখনো না। সিনেমায় দেখে তারা খারাপ ভেবেছে। এতেই আমার আনন্দ।রাহাত সাইফুল : আপনার ক্যারিয়ারে স্মরণীয় চরিত্র কোনটি?
এটিএম শামসুজ্জামান : আপনি প্রতিদিন ভাত খান। বলতে পারবেন, কোন দিন বেশি ভালো লেগেছে? পারবেন না। আমিও বলতে পারবো না।

এবার করোনামুক্ত হলেন অভিষেক বচ্চন

করো,নামুক্ত হলেন অভিষেক বচ্চন। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে টুইট একাউন্টে এ খবর জানিয়েছেন অভিষেক নিজেই।

তিনি টুইটে লেখেন, ‘আজ দুপুরে আমার করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। আমি বলেছিলাম তোমাদের আমি ক,রোনাকে হারিয়ে দেব।

আমি পেরেছি। তোমাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ প্রার্থনার জন্য। আমার এবং আমার পুরো পরিবারের জন্য তোমরা ভালোবাসা দিয়েছ।’হাসপাতালের চিকিৎসক এবং নার্সদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অভিনেতা।এর আগে গত ১১ জুলাই করোনা আ,ক্রান্ত হয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই ক,রোনা নিয়ে হাসপাতালে যান অভিষেক। পরদিন করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে ঐশ্বরিয়া রাই ও তার

মেয়ে আরাধ্যারও। প্রথমে বাড়িতে বসে চিকিৎসা নিলেও শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের দুজনকেও হাসপাতালে আনা হয়।এরই মধ্যে করোনা জয় করে ঘরে ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া, আরাধ্যা ও অমিতাভ। এবার করোনা থেকে মুক্ত হয়ে বাড়ি যাচ্ছেন অভিষেকও।

ছবিতে জেনে নিন বলিউডের সেরা ধনী নায়িকার মধ্যে কে কে আছেন-

নায়ক-নায়িকাদের ভক্ত অনুসারীদের ধারণা তারকা অনেক টাকার মালিক। কেমন তাদের জীবনযাপন তা জানতেও আগ্রহী তারা। এবার জেনে নিন বলিউডের সেরা ধনী নায়িকার মধ্যে কে কে আছেন?

বলিউড

আলিয়া ভাট গত বছর সবচেয়ে বেশি আয় করে এই তালিকায় প্রথম স্থানে আলিয়া ভাট। ফোর্বসের ২০১৯ সালের তালিকা অনুসারে, আলিয়ার গত বছরের আয় ছিল ৫৯.২১ কোটি টাকা।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া- গ্লোবাল আইকন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস গত বছর সবচেয়ে বেশি আয়ের তালিকায় ১০০ সেলিব্রিটির মধ্যে ৪৯ তম স্থান থেকে ১৪ তম স্থানে উঠে এসেছেন।

গত বছর প্রিয়াঙ্কার মোট আয় ২৩.৪ কোটি ছিল বলে জানানো হয়। শুধু তাই নয়, ইনস্টাগ্রাম রিচ লিস্ট ২০১৯ সালে সবচেয়ে ধনী ভারতীয় সেলিব্রিটি হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছিল।

খবর অনুসারে, গত বছর প্রিয়াঙ্কা ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে একটি পোস্টের জন্য ১.৯২ কোটি টাকা চার্জ করেছিলেন।

দীপিকা পাড়ুকোন: সবচেয়ে ধনী সেলিব্রিটিদের তালিকায় দীপিকা পাড়–কোনের নাম ২০১৮ সালে ৪৮ কোটি

আয় সহ ১০ নম্বরে ছিল। কিন্তু এখন এক্ষেত্রে চার নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি। গত বছর তার আয় ১১২.৮ কোটি টাকা ছিল বলে জানানো হয়েছে।

অনুশকা শর্মা: অভিনেত্রী-প্রযোজক অনুশকা শর্মার ২০১৯ সালে আয় ছিল ২৮.৬৭ কোটি টাকা।

অনুশকা ও তার স্বামী বিরাট কোহলি মিন্ত্রার মতো বেশ কিছু বড় ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসাডরও। ফোর্বস তালিকায় অনুসারে সবচেয়ে বেশি আয়ের সেলিব্রিটিদের তালিকায় ২১ নম্বরে অনুশকা।

ক্যাটরিনা কাইফ: বলিউডের ‘চিকনি চামেলি’ খ্যাত ক্যাটরিনা কাইফের গত বছরের আয় ছিল ২৩.৬৩ কোটি টাকা। এর ভিত্তিতে তালিকায় তার স্থান ২৩ তম। সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসাডরও তিনি।

দীর্ঘদিনের প্রেম শেষে কুমিল্লার নুসরাত ফারিয়া যেভাবে হলেন চট্টগ্রামের বউ

চিত্রনা’য়িকা নুস’রাত ফারি’য়ার বাড়ি কুমিল্লা। আর যার সঙ্গে জীব’নের গাঁ’টছ’ড়া বাঁধলেন সেই হবু বর রনি রি’য়াদ রশী’দের বাড়ি চট্ট’গ্রামে। আরও খোলা’সা করে বললে চট্ট’গ্রামের হাট’হাজা’রী

উপজে’লার কাটি’রহাট গ্রামে। র’নির বাবা সা’বেক সে’নাপ্র’ধান এম হা’রুন-অর-রশীদ বী’রপ্রতী’ক।

গত প’য়লা মার্চ দী’র্ঘদি’নের এই প্রে’মি’কের সঙ্গে আংটি বদ’ল করে’ছেন নুসরাত ফারিয়া।

তবে খবরটি প্রকাশ করেছেন সোমবার (৮ জুন)। ইন’স্টাগ্রামে পোস্ট করে ফারি’য়া জানান, বাগ’দা’নের মধ্য দিয়ে তাদের সাত বছ’রের প্রে’মের সম্প’র্ক পূর্ণতা পাচ্ছে।

চট্টগ্রা’মের ছেলে’র হাত থে’কেই কি’ভাবে আংটি প’রলেন— এ নিয়ে গণ’মাধ্য’মে বি’স্তারিত বললেন ‘আশি’কী’কন্যা নু’সরা’ত ফা’রিয়া। বললেন, ‘রনি আ’র্মি পরি’বা’রের সন্তান।আমিও। তার বাবা সা’বেক সেনা’প্রধা’ন বী’রপ্রতী’ক এম হারুন-অর-রশীদ। আমাদের দুজ’নের বেড়ে ওঠা ক্যা’ন্টনমে’ন্ট এলা’কায়।’তবে রনি রি’য়াদ রশী’দের প্রথম প’রিচ’য়টা হয়েছিল ২০১৪ সালের ২১ মার্চ। নুস’রাত ফারিয়া বল’লেন, ‘তখন তিনি অ’স্ট্রে’লিয়া থেকে দেশে এসেছেন।

আমা’দে’র দু’জনের কমন এক ব’ন্ধুর মা’ধ্যমে তার সঙ্গে পরি’চয়। প্রথম দে’খায় আ’মরা পড়া’শো’না, কাজ, লাই’ফস্টাইল— এগুলো নিয়ে’ই কথা বলেছি। উনি হার্ভা’র্ড ইউ’নিভার্সি’টি থেকে পড়া’শোনা শে’ষ ক’রেছেন তখন।

সেই বিষয়’গুলোও আ’মাদে’র আ’লাপচা’রিতায় উঠে আসে। এরপর আর তেম’নভাবে আমা’দে’র দেখা হয়নি।একদি’ন আমার সেই বন্ধু বললো, উনি আ’মার স’ম্প’র্কে ওকে জি’জ্ঞেস করেছি’ল! আমি বল’লাম, ও আ’চ্ছা, ঠিক আছে। কো’নও অসু’বি’ধে নেই। এর অ’নেক’দিন পর আবা’রও উনার সঙ্গে আ’মার দেখা ও ক’থা হয়।’

সেই পরি’চয়ের দু এক মাস পর রনিই প্রথম ফা’রিয়া’কে বন্ধু হও’য়ার প্র’স্তাব দেন। এরপর থেকে দুজ’নের নিয়মিত যোগা’যোগ হতে থাকে।

তবে দুজনেই তখন নিজে’দের ক্যা’রিয়ার নি’য়েও ভী’ষ’ণ ব্যস্ত। ব্য’স্ততা য’তোই থাকুক, রনি সব’সম’য়েই সচেতন ছি’লেন ফা’রিয়া’র না’নান বিষ’য়ে।

নুসরাত ফারি’য়া বলেন, ‘এমনও হয়ে’ছে তিনি কোনও মন্ত্রী’র সঙ্গে বৈ’ঠক করছেন, আমি ফোন দি’য়েছি, তিনি তা রি’সিভ করতেন। উল্টো’দি’কে আমি সেটা করতে পা’রিনি।

তার সঙ্গে যখন আমার পরিচয় তখন আমি উপ’স্থা’পনা করি। আমার নায়ি”কা হয়ে ওঠার পেছনে তার অনে’ক ভূমি’কা ও অ’নুপ্রের’ণা আছে। হয়তো তার কার’ণেই আমি নায়ি’কা হতে পেরেছি। এভা’বেই তার প্রতি আ’মার ভা’লো’লাগা বা’ড়তে থাকে।

তবে পরি’চয়ের এক বছর পর ভালো’বা’সার প্র’স্তা’বটা তার পক্ষ থেকে’ই আসে। কথা বলার সু’বাদে আ’মরা ভালো ব’ন্ধু বনে যাই, এরপর ভালোবাসা। আমা’র হাতে একটা ডা’য়’মন্ডে’র আংটি আ’ছে, যা আমি অ’নেক আগে থেকেই পরি।

উনি ডায়’মন্ডে’র আংটি দিয়ে আমা’কে প্রপো’জ করেন। উনার প্র’পোজে’র ভাষা’গু’লো আমার মনে ধ’রে’ছিল। সেটা আ’জ আর না বলি। আমা’র প্রতি তার ভা’লো লা’গা’টা অনেক বেশি।

সে আমা’কে অ’নেক বো’ঝে। শত ব্য’স্ততা’র মাঝেও উনি আ’মা’কে সময় দেন। আমা’র যে কোনও সম’স্যা বা পরা’মর্শে, সবার আ’গে আমি উ’নার সা’পোর্ট পাই।

বাবা-মা তো আছেই, পা’শা’পা’শি উ’নিও অভি’ভাবক হি’সেবে পাশে থে’কে’ছেন গে’ল ছটি বছ’র।’

তিনি বলেন, ‘আ’মা’র বয়স যখন ১৯ ছিল, তখন থেকে এখন পর্যন্ত রনি’র যে সা’পো’র্ট আমি পে’য়েছি বা পাচ্ছি, তা বলার নয়। সি’নে’মাতে আসার পেছনে যে দুজন’ মানুষ বড় ভূমিকা রেখে’ছে তা’দের মধ্যে অ’ন্যত’ম হ’লেন রনি।’

চট্ট’গ্রা’মের ছেলে রনি রিয়াদ রশীদ, তবে তার জন্ম ঢাকায়। বাবা হারুন-অর-রশীদ যখন সৌদি আরবের রাষ্ট্র’দূত ছিলেন, রনির শৈশ’বের সেই কয়েক বছর ‘কেটেছে সৌ’দি আর’বের রি’য়াদে।

পরে যুক্তরা’ষ্ট্রের লুই’জি’য়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউ’টার ইনফর’মেশন সিস্টেম বি’ষয়ে স্নাতক ও হার্ভার্ড বি’জনেস স্কুল থেকে স্না’তকোত্ত’র স’ম্পন্ন করেন।

পড়া’শোনা শেষ করে ২০০৮ সালে দেশে ফিরে তিনি এক্সন’মবিল করপোরে’শ’নের অর্থ ব্যব’স্থাপক হিসে’বে চাক’রি জী’বন শুরু করেন। পরে গ্রামীণফো’ন আই’টির প্র’ধান বাণি’জ্যিক কর্মকর্তা ও

সামিট কমিউ’নিকে’শন লিমি’টেডের প্রধান বিপ’ণন কর্মকর্তা হিসে’বে দা’য়িত্ব পাল’ন করে’ছেন।

এখন তিনি একটি আন্ত’র্জা’তিক প্রতি’ষ্ঠা’নের পরামর্শক। পাশা’পাশি অস্ট্রে’লিয়াতে স’রকা’রি চা’করি ক’রছেন। এছাড়া পারি’বারিক’ ব্যবসাও দেখাশো’না করেন।

রনি রিয়াদ রশী’দ যেহে’তু অস্ট্রে’লিয়া’তে সরকা’রি চাক’রি করছেন, নুস’রাত ফারিয়াও কি অস্ট্রে’লিয়ায় পাড়ি জমা’বেন— এমন প্রশ্নে উত্তরও তৈরি। বললেন, ‘দেশ ও অস্ট্রেলিয়া দুই জায়গাতেই থাকবো। তবে আমি চ’লচ্চিত্র নি’য়মি’তই করব। সাধা’রণত আমি বছ’রে তিন’টি ছবি করি। সেটাই ধ’রে রাখব।’

নন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান করোনায় আক্রান্ত !

নন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) তিনি আক্রান্ত হাওয়া বিষয়টি জানতে পেরেছেন। বর্তমানে নিজ বাসা থেকেই ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ খ্যাত এই নির্মাতা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহানুর রহমান সোহান সময় সংবাদকে বলেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে থেকে আমি অসুস্থ। করোনার লক্ষণ ছিল। তবে পরীক্ষা করিয়েছি কয়েকদিন আগে। শুক্রবার করোনার রিপোর্ট পেয়েছি, পজিটিভ এসেছে। তবে এখন শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। ইনশাআল্লাহ আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবো। ’

চিকিৎসার বিষয়ে গুণী এই নির্মাতা জানান, বাসা থেকেই তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার পরিবারের অন্যান্যরা সুস্থ আছেন। তবে তার স্ত্রীর করোনার উপসর্গ দেখা দিলেও তিনি সেরে উঠেছেন বলে জানান এই নির্মাতা। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই প্রবীণ পরিচালক।

উল্লেখ্য, সোহানুর রহমান সোহান ১৯৭৭ সালে পরিচালক শিবলি সাদিকের সহকারী হিসেবে তার চলচ্চিত্র কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি শহীদুল হক খানের ‘কলমিলতা’, এজে মিন্টুর ‘অশান্তি’ ও শিবলি সাদিকের ‘ভেজা চোখ’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।

১৯৮৮ সালে একক ও প্রধান পরিচালক হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র মুক্তি পায় ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’। তবে সফল নির্মাতা হিসেবে নাম ছড়িয়ে পড়ে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মধ্য দিয়ে। এই নির্মাতার হাত ধরে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’

চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢালিউডের ক্ষণজন্মা চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। এটি চিত্রনায়িকা মৌসুমীরও প্রথম চলচ্চিত্র। এছাড়াও তিনি শাকিব খান, শাকিল খানকে চলচ্চিত্রে নিয়ে আসেন।

ফেসবুক লাইভ করে, সুইসাইড নোট লিখে অভিনেত্রীর আ’ত্মহ’ত্যা

সু,শান্তের মৃ,,ত্যু থামা,তে পারেনি কাউকে। শোবিজ পাড়ায় চলছে একের পর এক আ,ত্ম,হ,ত্যা। সম্প্রতি আ,ত্মহ,ত্যা করেছেন আরেক ভারতীয় অভিনেত্রী।

ভারতের ভোজপুরী সিনেমার অভিনেত্রী অনুপমা পাঠক মুম্বাইয়ের দহিসারে নিজের বাড়িতেই গলায় ফাঁ,স লা,গিয়ে আ,ত্মহ,ত্যা করেন।

মৃ,ত্যুর আগে তিনি সু,ই,সাইড নোট রেখে গেছেন, যেখানে তিনি তার ,দুটি কারণ বলে গেছেন। সুই,সাইড নোটটি পুলিশ তার ঘর থেকে উদ্ধার করেছে।

তবে মৃ,ত্যুর আগেরদিন তিনি ফেসবুকে প্রায় ১০ মিনিট ধরে লাইভ করেন। লাইভে নিজের মনের কথা বলেছেন অনুপমা। জীবনে কাউকে কোনোদিন বিশ্বাস না করা এবং মৃ,ত্যুর পর মৃ,,ত মানুষকে নিয়ে অনেক কিছু বললেও প্রয়োজনে কাজে আসে না বলে অ,ভিযোগ করেছেন তিনি।

অনুপমার ঘর থেকে উদ্ধা,র করা সুই,সাইড নোটে আ,ত্মহ,ত্যার দুটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘মনীশ ঝা নামে এক ব্যক্তি আমার দু’চাকার গাড়ি নিয়েছিলেন

গত মে মাসে লকডাউনের সময়। আমি তখন নিজের বাড়িতে ছিলাম। তবে যখন ফিরে আসি মনীশ সেটা ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করেন।’

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে অনুপমা পাঠক লিখেছেন, ‘উইসডন প্রোডাকশন কোম্পানিতে আমি আমার বন্ধুর কথায় ২০১৯ সালে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। সেটা ফেরত পাইনি।’

প্রেমিকাকে খুশি করতে গিয়ে গোটা বাড়ি জ্বা’লিয়ে ফেলল প্রেমিক

প্রেমিকাকে খুশি করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে গোটা বাড়ি জ্বালিয়ে ফেললেন প্রেমিক। ইংল্যান্ডের শেফিল্ডের ঘটনা। শেফিল্ডের অ্যাবেডাল এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটের সব কিছু পুড়িয়ে ফেলেছেন অ্যালবার্ট নদ্রে নামের এক যুবক।

নিজের ফ্ল্যাটে ১০০টি মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘর সাজিয়েছিলেন তিনি। তার পর গিয়েছিলেন প্রেমিকাকে অফিস থেকে আনতে। ভেবেছিলেন, ঘরে ঢুকেই তাঁর আয়োজন দেখে চমকে যাবে প্রেমিকা।

কিন্তু ফিরে আসার পর প্রেমিকার সঙ্গে তিনি নিজেও চমকে যান। গোটা ফ্ল্যাট জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। প্রেমিকাও তাঁর কাণ্ডে অবাকই বটে!দমকলের তিনটি ইউনিট ফ্ল্যাটের আগুন নিভিয়েছে। হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায় নাই। তবে তাঁর এই কাণ্ডে ভয়ানক বিপদ হতে পারত। আপাতত প্রেমিকাকে খুশি করতে গিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে বসে আছেন প্রেমিক অ্যালবার্ট।

তবে তাতে তাঁর আফসোস নেই। তাঁর পুড়ে যাওয়া ফ্ল্যাটের একাধিক ছবি শেয়ার করেছে শেফিল্ডের দমকল বাহিনী। তারা সতর্কবার্তাও দিয়েছে।ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলা হয়েছে, বাড়িতে জ্বলন্ত কিছু রেখে কেউ যেন বাইরে না যান! তা হলে বড় বিপদ হতে পারে। দমকল বাহিনী লিখেছে, ”আপনারা কী দেখছেন এখানে! এই জায়গায় একশোটি মোমবাতি থাকার কথা ছিল।এখানে রোম্যান্টিক বাতাবরণ তৈরির কথা ছিল। কিন্তু সেসব কিছুই হয়নি। ফ্ল্যাটের সব কিছু পুড়ে ছাই হয়েছে। এই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দিয়ে গেল। কীভাবে মোমবাতি ব্যবহার করা উচিত সেই শিক্ষা।”

নেটিজেনরা অ্যালবার্টকে বোকা প্রেমিক আখ্যা দিয়েছে। তবে অ্যালবার্টের সেসবে ভ্রুক্ষেপ নেই। কারণ তাঁর প্রেমিকা তাঁকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। অ্যালবার্ট আয়োজন করেছিলেন সব কিছু।

ভেবেছিলেন, রোম্যান্টিক আবহ তৈরি করে প্রেমিকাকে তাক লাগিয়ে দেবেন। তার পর তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু সেসব কিছুই হয়নি। তবে প্রেমিকা তাঁর আয়োজনের কদর দিয়েছে।