৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসছে করোনার ভ্যাকসিন

মহামারি করোনাভাইরাসে ইতোমধ্যে সাত লক্ষাধিক মানুষ প্রা,ণ হারি,য়েছেন। আ,ক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দুই কোটি। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে দুনিয়ার তাবৎ বিজ্ঞানীরা দিনরাত

পরিশ্রম করে চলেছেন। কয়েকডজন প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে করো,নার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অনেক দূর এগিয়েছে।

তবে সবার আগেই করোনার সফল ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসছে রাশিয়া। আগামী ১২ আগস্ট রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি এ ভ্যাকসিন বাজারজাত শুরু করবে।

শনিবার (০৮ আগস্ট) রুশ সংবাদমাধ্যম দ্য মস্কো টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী ১২ আগস্ট বাজারে চলে আসবে বিশ্বের প্রথম করোনার ভ্যাকসিন। ইতোমধ্যেই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল পর্ব শেষ করে ফেলেছে রাশিয়া।

মস্কো টাইমস ছাড়াও ইকোনোমিক টাইমস, এক্সপ্রেস ফার্মা, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও বিজনেস টুডেসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১,৬০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে। ট্রায়ালে দেখা গেছে, এই টিকা করোনার বি,রুদ্ধে প্রতি,রোধ গড়তে সক্ষম হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের শরীরেও এই টিকার প্রয়োগে কোনও রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা সমস্যা দেখা দেয়নি।

রাশিয়ার শিল্পমন্ত্রী ডেনিস মন্তুরভ জানান, সেপ্টেম্বর থেকেই এই টিকার উৎপাদনের গতি আরও বাড়ানো হবে।

গত সপ্তাহে রুশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরশকো জানান, সামনের মাসেই বাজারে টিকা ছাড়ার আদেশ ইতোমধ্যে জারি হয়ে গেছে। দ্রত গতিতে চলছে টিকা উৎপাদনের কাজ।

এ বছরের মধ্যেই সাড়ে ৪ কোটিরও বেশি পরিমাণ প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি করতে পারবে রাশিয়া। তবে প্রতিষেধক উৎপাদনের পাশাপাশি চলবে এটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালও।

গত মঙ্গলবারই WHO-এর মুখপাত্র খ্রিশ্চিয়ান লিন্ডমিয়ার বৃহ,ত্তর ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে রাশিয়াকে টিকা তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি, প্রতিষ্ঠিত সুরক্ষা বিষয়ক সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলার অনুরোধ জানান। মার্কিন অ্যালার্জি এবং সংক্রামক রোগ

বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফৌসি রাশিয়ার তৈরি করোনা প্রতিষেধকের সুরক্ষা, কার্য,কারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তবে সমস্ত জল্পনা, বিতর্ক উড়িয়ে গামালেই ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা আগামী ১২ অ,গাস্টই বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্তে অনড় রাশিয়া।

করোনা’মুক্ত ১০০ দিনের মাইলফলকে নিউজিল্যান্ড

মহামারি মোকাবিলায় সফল নিউজিল্যান্ডে গত ১০০ দিনে কমিউনিটি পর্যায়ে করোনাভাইরাসের নতুন কোনও

সংক্র’মণ শনা’ক্ত হয়নি। তারপরও দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এ নিয়ে আত্ম’তুষ্টির সুযোগ নেই।

ফরাসী বার্তা’সংস্থা এএফপি বলছে, নিউজিল্যান্ডে এখন পর্যন্ত করো’নার সক্রিয় রো’গী রোগী আছেন মোট ২৩ জন। দেশ’টিতে প্রবে’শের পর তাদের করোনা সং’ক্রমণ শনা’ক্ত হয়েছে।

বিদে’শফে’রত এই সংক্র’মিত’দের সর’কারি আই’সো’লেশন স্থাপ’নায় নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।দেশটির স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের মহাপ’রিচালক অ্যা’শলে

ব্লুম’ফিল্ড বলেছেন, কমিউনিটিতে করো’নার সংক্র’মণ ছা’ড়াই শ’ততম দিনে পৌঁছা’নো একটি গুরু’ত্বপূর্ণ মাইল’ফলক। তবে আমরা সবাই জানি, এটি নিয়ে আমরা আ’ত্ম’তৃপ্ত হতে পারি না।

তিনি বলেন, আগে যেসব স্থানে নিয়’ন্ত্র’ণে ছিল সেসব জায়’গায় ভাই’রাস’টি কত’দ্রুত পুন’রায় উ’ত্থান ও বি’স্তার ঘটা’তে পারে তা আম’রা বাই’রের দেশ’গুলোতে দেখেছি। নিউ’জি’ল্যান্ডে ভবি’ষ্যতে যে কোনও একটি ঘট’নাও দ্রু’ত মোকা’বিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

প্রথম রোগী পাওয়ার কিছুদিন পর ১৭ মার্চ সীমান্ত বন্ধ করে করো’নাভাই’রাস কার্যক’রভাবে মোকা’বিলা করায় বিশ্ব’জুড়ে প্রশং’সিত হয় ৫০ লাখ মানুষের দেশ নিউ’জিল্যান্ড। কমিউনিটিতে করোনা’ভাই’রাসের সংক্র’মণ সফলভাবে মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য নিউজি’ল্যান্ড অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রশংসা করে।

দেশটিতে করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত প্র’থম রো’গী পাওয়া যায় গত ফে’ব্রুয়া’রিতে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে মাত্র এক হাজার ২১৯ জনের দেহে

এই ভাই’রাস শনা’ক্ত হয়েছে। দেশটিতে সর্বশেষ কমিউনিটি ট্রান্স’মিশন রেকর্ড করা হয়েছিল গত ১ মে।

এর ফলে নিউজিল্যান্ডের বা’সিন্দা’রা সামা’জিক দূরত্ব ছাড়াই মহা’মারি পূর্ব প্রায়-স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।

দেশটিতে বর্তমানে ক্রী’ড়া ও সাং’স্কৃতিক অনু’ষ্ঠানে দর্শকরা অংশ নিতে পারেন। তবে সীমা’ন্তের কড়াকড়ি

এখনও কার্য’কর আছে; বিদেশ ফেরত সকলকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়া’রে’ন্টাইনে যেতে হয়।

দেশটির সরকার করো’নাভাই’রাসের দ্বি’তীয় ঢেউ’য়ের শ’ঙ্কায় সব ধরনের প্র’স্তুতি নিয়ে রাখতে বলছে নাগ’রি’কদের।

এ জন্য প্রত্যেকের বাড়িতে জ’রুরি কিটস, মা’স্কসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহে রাখার পরা’মর্শ দিচ্ছে সরকা’র।

চীনের সঙ্গে উ’ত্তেজনা, ভারতীয় সেনাদের ‘যু’দ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ

চীন-ভারতের মধ্যকার উত্তেজনা যেন থামছেই না। মনে হচ্ছে ভারতীয় সেনাদের ধৈ,র্য্যের

পরীক্ষা নিচ্ছে চীন। প্যাংগং লেকের ফি,ঙ্গার পয়েন্ট এবং দেপসাং উপত্যকা থেকে সেনা সরাতে রাজি নয় চীন। সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে দফায় দফায় বৈঠকেও দু’দেশের মধ্যে বরফ গলেনি।

ভারতের দাবি, তাদের ভূখণ্ডে ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে চীনের সেনারা। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির এই আচরণে ক্ষুব্ধ ভারত। সে কারণেই এবার ভারতীয় সেনা কমান্ডারদের ‘যু,,দ্ধের প্রস্তুতি’ নিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রায় তিন মাস ধরে ভারত-চীনের মধ্যে উ,ত্তে,জনা চলছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতীয় ভূখ,ণ্ডে ঘাঁ,টি গে,ড়েছে চীন। বার বার তাদের সঙ্গে আলোচনা করেও এ বিষয়ে এখনও কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

গালওয়ান, হটস্প্রিং, ফিঙ্গার পয়েন্ট ফোর থেকে সেনা সরালেও ভারতীয় ভূ,খণ্ডের প্যাংগং, দেপসাংয়ে এখনও ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে চীনা সেনারা। সে কারণেই ভারতীয় সেনাদেরকে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে।

সংবাদসংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে গত কয়েকদিনে সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে লাদাখ থেকে আ,সাম পর্যন্ত প্রতিটি এলাকায় গেছেন।

সেখানে কর্তব্যরত সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছেন। সিকিম, অরুণাচলে চীনের সঙ্গে সী,মান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পাকিস্তানে ফের চালু হচ্ছে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ কমে আসায় আবারও সবধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। রোববার থেকেই দেশটির সব বিমানবন্দর থেকে পুরোদমে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের বিমান চলাচল করবে।

গত মাসেই আংশিকভাবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল

পাকিস্তান। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেশটিতে সবগুলো অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেয়া হয়। এবার সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও চালু হচ্ছে সেখানে।

গত মার্চে করোনাভাইরাস মহা,মা,রির কারণে দেশব্যাপী লকডাউনের সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানে সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। জুন মাসের দিকে সংক্রমণ কমতে থাকায় সেখানে ধীরে ধীরে এসব নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

শনিবার পাকিস্তানে করোনায় মাত্র ১৪ জন মা,,রা গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃ,,তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬৮ জন।সূত্র: সৌদি গ্যাজেট

পাখির ধাক্কায় বিপদে ভারতীয় বিমান

ভারতে কেরা’লায় এয়া’র ইন্ডিয়ার বি’মান দুর্ঘ’টনার শো’ক কাটি’য়ে ওঠার আগে আরে’কটি দু’র্ঘট’নার হাত থেকে বাঁচ’লো এয়া’র এশি’য়ার I5-632 বিমান। বিমানটি রাঁচি থেকে মুম্বাই যা’চ্ছিল। শনিবার (০৮ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য জানি’য়েছে এএনআই।

টেক অফের আগেই রান’ওয়েতে বিমা’নের সামনে পাখি চলে আসে। কোনো রকম ঝুঁ’কি না নিয়ে পা’ইলট টেক অ’ফের সি’দ্ধান্ত বাতিল করেন। রাঁচি এয়ার’পপোর্ট সূত্রে খবর যাত্রীরা সকলেই সুর’ক্ষিত রয়েছেন।এদিকে কো’ঝিকো’ড়ের দুর্ঘ’টনায় মৃ’ত্যুর মিছিল বেড়ে’ই চলেছে। উঠে আস’ছে একা’ধিক দু’র্ঘট’না ত’ত্ত্ব।বহু এয়ার সেফটি বি’শেষজ্ঞ’ই বলছেন বহু’বার রি’পোর্ট দিয়ে জানানো হয়েছে এই বিমা’নবন্দরের রান’ওয়ে ছোট, ওঠানা’মও ঝুঁকি’পূর্ণ, তবু কেউ বিষয়টি কানে নে’য়নি।

উল্লে’খ্য, শুক্র’বার এয়া’রপোর্টে নামা’র কথা ছিল এয়ার ইন্ডি’য়ার আইএক্স ১৩৪৪ বিমানটির। কিন্তু ক্র’মাগত বৃষ্টির মধ্যে অব’তরণ করতে পারছিলেন না পাইলট। দু’বার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।তৃতীয় তথা শেষ চেষ্টা’টির পরিণতি এই ভ’য়াবহ দুর্ঘ’টনা। ৩৫ ফুট নীচে খাদে পড়ে যায় বিমা’নটি।

গতদি’নের এই অবত’রণের সিসি’টিভি ফুটে’জ উ’দ্ধার সম্ভব হয়নি। তবে এদিন বিমান’টির ব্ল্যাক’বক্স উ’দ্ধার করা গিয়েছে ধ্বং’সস্তূ’পের মধ্যে থেকেই।

ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘ’টনা ঘটল, ফাঁক’টাই বা কোথায় ছিল, সবটাই সামনে আসবে এই ব্ল্যা’কবক্স দিয়ে তথ্য পাওয়া তথ্য যাবে।

সন্তা’নের মুখ দেখা হলো না বিমানের কো-পাইলট অখিলেশের!

পাইলট যা নির্দেশ দেবেন তা অক্ষ’রে অক্ষরে পাল’ন করতে হবে কো-পাইলটকে, এমন’টাই নিয়ম। তাই ভারতীয় বিমা’নবাহি’নীর পোড় খাওয়া পাই’লট অবসর’প্রাপ্ত উইং কমান্ডার দীপক বস’ন্ত সাঠে যখন দু’বার ব্যর্থ

হয়েও শেষমেশ অব’তরণের সি’দ্ধান্ত জানান, তখনো নি’জের দায়ি’ত্ব পা’লন করে গেছেন কো-পাই’লট অখি’লেশ কুমার।

তার পরের ঘ’টনা তো এখন সবার জানা। কোজি’কড় বিমান দুর্ঘ’টনা কেড়ে নিয়েছে ২০টি তাজা প্রা’ণ।তার মধ্যে রয়েছেন বিমানের পা’ইলট দীপক বসন্ত সাঠে ও কো-পাইলট অখি’লেশও। অখি’লে’শের স্ত্রী ছিলেন সন্তা’নস’ম্ভাবনা। শুক্র’বার সন্ধ্যার ঘটনায় চোখের পলকে তাঁর সব স্ব’প্ন শেষ।

এদিন সংবা’দমা’ধ্যমের সা’মনে আসেন অখি’লে’শের ভাই বা’সুদেব। তিনিই জানান, ‘আমার বউদি স’ন্তান’সাম্ভবা,

আ’গামী ১৫-১৭ দিনের ম’ধ্যেই তিনি প্রথম সন্তান প্রসব করবেন। আমা’দের যে কত বড় ক্ষ’তি হলো তা বোঝাতে পারব না।’

কা’ন্নায় ভে’ঙে পড়েন অখি’লে’শের ভাই, গ’লার স্বর বুজে আসে, তবু বলে চলেন, ‘দাদা খুব নম্র স্বভা’বের ছিলেন।বছর তিনেক আগে তিনি এয়ার ইন্ডি’য়ায় যোগ দেন। শেষবার বাড়ি এসে’ছিলেন লক’ডাউন শু’রু হওয়ার আগে। তারপর টানা ‘ব’ন্দে ভারত’ মিশনের কাজ করে গেছেন।’কোজি’কড় দুর্ঘ’টনা সামনে আসতেই একা’ধিক ত’ত্ত্ব সামনে আসছে। কেউ বলছেন টেব’লটপ ত’ত্ত্বের কথা, কেউ আ’বার পাই’লটের ঘাড়ে দো’ষ চাপা’চ্ছেন।

কিন্তু এন’ডিআরএফ- এর ডি’জি এস এন প্রধানের কথায় পরি’ষ্কার, নিজে মরেও বহু মানুষকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেছেন পাই’লট এবং কো-পাই’লট।

এনডি’আরএফ-এর ডিজি বলেছেন, দু’র্ঘট’নার আগ মু’হূর্ত পর্য’ন্ত বিমানের গতি কমানোর একাধিক চেষ্টা করেন পাই’লট দী’পক বসন্ত সাঠে৷ শেষ পর্য’ন্ত দু’র্ঘটনা এড়ানো না গেলেও বিমা’নের গতি কমে যাওয়ায় আরো বেশি ক্ষয়’ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে৷ একই স’ঙ্গে তিনি বলছেন, ই’ঞ্জিন ব’ন্ধ করায় বিমা’নটিতে আ’গুন ধরে যায়নি।

এখনো পর্যন্ত এই দুর্ঘ’টনা’য় ২০ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। ১২৭ জন আ’হত হয়েছেন বটে, তবে বি’মানে আগুন লেগে গেলে কা’উকেই বাঁচা’নে স’ম্ভব হত না বলেই মনে করছেন তিনি।

সূত্র : নিউজ ১৮।

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কয়েকশ কোটি ডলারের তথ্য ফাঁ’স!

কয়েকশ কোটি ডলারের অর্থ কেলে’ঙ্কারিতে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বারো বছরের কারা’দণ্ড হয়েছে।মি. রাজাকের বিরু’দ্ধে এ পর্যন্ত আনা দুর্নীতির সাতটি অভিযোগেই তিনি দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। এই দুর্নীতি বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলে’ঙ্কারি’গুলোর অন্যতম, যার জাল জড়িয়ে পড়েছিল এশি’য়া থেকে হলি’উড পর্যন্ত ।

ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেলপ’মেন্ট বেরহাদ বা ওয়ানএমডিবি একটি রাষ্ট্রীয় তহবিল, যা গঠন করা হয় ২০০৯ সালে যখন নাজিব রাজাক দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অর্থ হাওয়া হয়ে যায়, বিশ্ব অর্থনীতির কালো গহ্বরে কোথায় হারিয়ে যায় সেই বিপুল পরিমাণ অর্থ।

আমেরিকান এবং মাল’য়েশীয় কৌঁ’সুলিরা বলেছেন, এই অর্থ কিছু ক্ষম’তাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে। এছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয়েছে বিলা’সবহুল ভবন,
ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ এবং মনে-র মত বিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্ম এবং নির্মাণ করা হয়েছে হলিউডের ব্লক’বাস্টার হিট ছবি।কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, তহবিল থেকে সরানো হয়েছে সাড়ে চারশো কোটি ডলার, যা গেছে বিভিন্ন ব্যক্তির পকেটে।এই ওয়ানএমডিবি কেলে’ঙ্কারির স’ঙ্গে জড়িয়ে আছে অন্তত ছয়টি দেশ। বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেনের সন্ধানে তদন্ত চালানো হয়েছে সুইস ব্যাংক থেকে শুরু করে যেসব বিভিন্ন দ্বী’প রা’ষ্ট্র কর

মওকু’ফের স্বর্গ’রাজ্য সেসব দ্বীপের ব্যাংক’গুলোতে এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মূল কেন্দ্রে।এই কেলে’ঙ্কারিতে জড়িয়ে থাকা চরিত্র এবং গল্পের প্লট ধারাবাহিক রোমহর্ষক কাহিনির মত মুখরোচক।আন্তর্জাতিক পরিসরে যেসব ক্ষম’তাশালী এই অর্থে লাভবান হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাদের কাছে কীভাবে এই অর্থ পৌঁছল তার ওপর ধৈর্য্য ধরে নজর রেখেছিলেন যেসব সাংবাদিক – তাদের রিপোর্টে উঠে এসেছে এই রোমাঞ্চকর গল্প।

ভারতে বি’ধ্বস্ত বিমানের দুই পাইলটও মা’রা গেছেন

দুবাই থেকে একশ ৯০ জন যাত্রী নিয়ে এসে ভারতের কেরালার কোঝি’কোড় বিমানবন্দরের রানওয়েতে ছি’টকে পড়ে দুই টু’করো হয়ে গেছে

এয়ার ইন্ডিয়া এক্স’প্রেসের একটি বিমান। এ ঘট’নায় অ’ন্তত ১৭ নিহ’তের খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, নিহ’তদের মধ্যে দু’জন পাই’লট রয়েছেন। তাদের একজন হলেন ক্যা’প্টেন ডি. ভি. শেঠি এবং তার সহকারী পাই’লট অখিলেশ কুমার।

দুর্ঘ’টনায় শতা’ধিক যাত্রী আ’হত হয়েছেন। আহ’তদের মধ্যে অনেকের অব’স্থা গুরু’তর। সে ক্ষে’ত্রে নিহ’তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

গত’কাল শুক্র’বার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ কেরা’লার কোঝি’কোড় বিমা’নবন্দরে রান’ওয়েতে অবত’রণের সময় এ দু’র্ঘটনা ঘটে।

ওই বিমানে ১০ জন শিশু’সহ ১৮৪ জন যাত্রী ছি’লেন। এছা’ড়া দু’জন পাই’লট এবং চারজন কেবিন ক্রু ছি’লেন বিমা’নটিতে।

জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোঝি’কোড় এলা’কায় ভা’রী বৃষ্টি’পাতের মধ্যেই বি’মান দু’র্ঘট’নার ঘটনা ঘট’ল। তবে দু’র্ঘট’নার পর বিমা’নটিতে অগ্নি’কা’ণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।

এয়ার ইন্ডি’য়ার এএ’ক্সিবি ১৩৪৪ ফ্লা’ইটে করে করো’নাভা’ইরা’সের জেরে দুবা’ইয়ে আ’টকা পড়া ব্য’ক্তি’দের ভারত সরকা’রের ‘বন্দে ভা’রত মি’শনের’ আওতায় ফিরি’য়ে নিয়ে আসা হচ্ছিল।

ভারতের বেসা’মরিক বিমান পরিবহন সংস্থা’র মহা’পরিচা’লক এ ব্যা’পারে বলেন, অব’তর’ণের সময় একটি উপ’ত্যকায় আছ’ড়ে পড়ে বিমা’নটি। বিমা’নটি ভে’ঙে দুই টুক’রো হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র : জিনিউজ

বিশ্বজুড়ে ক,রো,না থেকে সুস্থ ১ কোটি ২৫ লাখের বেশি মানুষ

বৈশ্বিক মহামা,রি করো,নাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বে। করো,নায় এখন পর্যন্ত মৃ,ত্যু হয়েছে ৭ লাখ ২৩ হাজারের মতো।

আ,ক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৯৫ লাখের বেশি। এর মাঝে ইতিবাচক খবর হচ্ছে ইতোমধ্যে ১ কোটি ২৫ লাখের বেশি মানুষ করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে প্রাণহানি ও অসুস্থদের পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, শনিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মা,রা গেছেন ৭ লাখ ২২ হাজার ৯৩২ জন। এ ভাইরাসে আ,ক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ১ কোটি ৯৫ লাখ ২২ হাজার ৯০৬ জন মানুষ। তাদের মধ্যে বর্তমানে ৬২ লাখ ১ হাজার ৬৭৩ জন চিকিৎসাধীন এবং ৬৫ হাজার ৮১ জন (১ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।

তবে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন অনেক মানুষ। এ পর্যন্ত ক,,আ,ক্রান্তের মধ্যে ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৩ হাজার ২১৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎ,পত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনা,ভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১১ মার্চ ,,নাভাইরাস সং,কটকে মহা,মারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভারতে বি,ধ্ব,স্ত বিমানের ককপিটে ছিলেন স্বর্ণ পদক পাওয়া পাইলট

শুক্রবার রাতে এক ভয়াবহ দু,র্ঘট,নার সাক্ষী রয়ে গেল ভারত। আমিরাত থেকে ভারতীয়দের ফি,রিয়ে আনার মিশনেই এমন দুর্ঘটনা। দুবাই থেকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল ভারতীয়দের।

কোঝিকোড়ে রানওয়েতে অবতরণের সময় ভেঙে দু’টুকরো হয়ে যায় সেই বিমান। মা,রা যায় পাইলট, কো-পাইলটসহ বিমানের ২০ যাত্রী।

জানা গেছে, ওই বিমানের ককপিটে পাইলট ও কো-পাইলট হিসেবে ছিলেন উইং কমান্ডার দীপক বসন্ত সাথে ও ক্যাপ্টেন অখিলেশ কুমার। ক্যাপ্টেন দীপক সাথে ছিলেন ভারতীয় বিমানের একজন ফাইটার পাইলট। পরে বাণিজ্যিক বিমান ওড়ানো শুরু করেন তিনি। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক ছাত্র এই দীপক সাথে। বোয়িং ৭৩৭ বিমান ওড়ানোয় দক্ষ তিনি।

এক অফিসার জানিয়েছে, এই দীপকের সঙ্গে ভারতীয় বিমানের একজন দক্ষ পাইলট ছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্ট স্বর্ণ পদকও পেয়েছিলেন। হায়দারাবাদে তিনি ‘সোর্ড অব অনার’ পান। বাণিজ্যিক বিমান চালানোর আগে একাধিক যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, ক্যাপ্টেন অখিলেশ কুমার গত বছরেই বিয়ে করেছেন। করোনার জন্য আটকেপড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন তারা। ৩৫ ফুট উঁচু থেকে পড়ে যায় বিমানটি। আর তার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ভারত মিশনের অধীনেই এই বিমান দুবাই থেকে আসছিল। সেখান থেকে আটকেপড়া যাত্রীদের নিয়ে আসা হচ্ছিল। কোঝিকোড়ের কারিপুর এয়ারপোর্টের রানওয়ে পেরিয়ে পড়ে যায় বিমানটি।

ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, বৃষ্টির জন্যই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। খারাপ আবহাওয়ার জন্য ৩৫ ফুট গভীরে পড়ে যায় বিমানটি। আর তাতেই দু’ভাগে ভেঙে যায় ওই বিমান।

তিনি জানিয়েছেন, এটি একটি টেবিল টপ এয়ারপোর্ট, তাই এখানে অবতরণ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। টেবিল টপ এয়ারপোর্ট অর্থাৎ যেখানে রানওয়ের দু’পারে রয়েছে খাদ। আর সেখানেই ৩৫ ফুট খাদে পড়ে গেছে বিমানটি। যদিও ইঞ্জিনে আ,গুন না লাগায় প্রা,ণে বেঁ,চে গেছেন অনেকেই।

ডিজিসিএ-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুবাই-কোঝিকোড় এয়ারক্রাফটটি ছিল ফুল স্পিডে। প্রথন চেষ্টায় নামতে পারেনি ওই বিমান। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় সেটি নামে।

এই ঘটনার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারতীয় দূতাবাস জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু করে। এবং তারা শোক প্রকাশ করে জানায়, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস ফ্লাইট নম্বর এIX 1344, দুবাই থেকে কারিপুর যাত্রা পথ ছিল। রানওয়েতে অবতরণের পর পিঁছলে যায় এবং ভয়াবহ দুর্ঘ,টনা ঘটে। আমরা সব যাত্রীদের সুস্থতা কামনা করি।

এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসে জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে আরব আমিরাতের শারজাতে। পাওয়া যাবে জরুরি তথ্য। (00971 6 5970303) ০০৯৭১৬৫৯৭০৩০৩ তাদের নম্বর। তবে এখনও আহতদের পুরো তথ্য পাওয়া যায়নি, বাড়তে পারে আহত এবং নি,হতে,র সংখ্যা।