স্পেশাল পাস নিয়েও মালয়েশিয়া বিপদে প্রবাসীরা, ফিরতে পারছে না দেশে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুমূর্ষু রোগী বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের বানিজুর রহমান মালেশিয়ায় ভুগছে চরম ভোগান্তিতে। প্রবাসী দুই জন বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস ও

ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বিমানের টিকিট কেটেও জরুরী ভিত্তিতে দেশে ফিরতে পারলেন না।

শনিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টায় এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে যথাসময়ে পৌছালে এয়ার এশিয়ার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় অর্জিনাল পাসপোর্ট ছাড়া তাদের ট্রাভেল করতে দেওয়া হবে না।

এই দূজনের পাসপোর্ট না থাকায় এর আগে তারা যথারীতি বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পারমিট এবং মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ ভাইরাস টেস্ট ও করেন।

তারপরও এয়ার এশিয়ার টিকিট কেটে গতকাল বিমানবন্দরে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে অসুস্থ ২ জনের মধ্যে একজনের হার্ট ব্লক এবং অপরজনের কিডনি ড্যামেজ ও লিভার সমস্যায় ভুগছেন।

ইতিমধ্যে তাদের চিকিৎসা বাবদ অনেক টাকা পয়সা খরচ হয়ে গেছে এমতাবস্থায় তাদের বাঁচাতে হলে দেশে নিয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন।

এবিষয় ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রাহাত উজ্জামান বলেন, আমরা যথারীতি সব নিয়ম মেনে রোগীদের দেশে ফেরত পাঠানোর

চেষ্টা করছি এবং তাদের প্রত্যাকের জন্য দেশে ফেরত পাঠাতে ৫ হাজার রিংগিত এখন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে এর দায়ভার কার?

তিনি এসময় আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা এসোসিয়েশন এর সভাপতি গত এক মাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করে রোগীদের জন্য আর্থিক কালেকশন করছেন।

প্রবাসীরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করছেন যাতে করে অসুস্থ ২ জন দেশে গিয়ে চিকিৎসা করে বেঁচে উঠতে পারেন।

এবিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আমরা গতকাল রাত থেকে সংশ্লিষ্টদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হচ্ছে। এবিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কুয়েতে প্রবাসীদের নিয়ে যে পরিকল্পনা কুয়েত সরকারের

কুয়েত প্রবাসীদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাঃ

* খুব সী’মিত সময়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফে’রত পাঠানো!

* ৬০ বছর ও এর অ’ধিক ব’য়স্কদের ফেরত পাঠানো এবং যাদের ক্রনিক ( দীর্ঘমেয়াদী, দীর্ঘকাল ভো’গে এমন রো’গ) ডি’জিজ ( রো’গ) আছে, এমন

প্রবাসীদের রেসিডেন্সি বা’তিল করা।

* ১ লাখ ২০ হাজার আকামা ও অন্যান্য আ’ইন ভং’গকারী প্রবাসীদেরকে দেশে ফে’রত পাঠানো।

সুত্র : আল কাবাসের টুইটার ভেরিফায়েড পেইজ!

কুয়েতে জনসংখ্যার স’মস্যা সমাধানের জন্য সরকার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছিল সরকার, যাতে অনেকগুলি আইটেম আছে, যা এটি একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছিল।

তবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য সময়সূচি নির্ধারণ করে নি। গত জুলাইয়ে জা’রি করা প্র’তিবেদনটি, এবং আল-কাবাস এর একটি অনুলিপি পেয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল

শ্রমবাজারে ভা’রসাম্যহীনতা এবং জনসংখ্যার সংস্থার উপর তাদের প্র’ভাব সম্বোধন করে এটি বার্ষিক তথ্য এবং পরিসংখ্যান নিয়ে গঠিত, যার থেকে সিদ্ধান্তগুলি টানা হয়েছিল এবং এই ভা’রসাম্যকে মো’কাবেলায় সু’পারিশগুলি আঁকানো হয়েছিল।

সমাধানগুলিতে দুটি মূল আইটেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। , স্বল্প-মেয়াদী এবং মাঝারি-মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধান।

স্বল্পমেয়াদী সমাধানগুলিতে, সুপারিশগুলি উপসংহারে আসে: আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে শ্রমিকদের নি’র্বাসন, যা 120,000 ল’ঙ্ঘনকারী।

চাকরি হ্রা’স করা বা যারা 60 বছরের বেশি বয়সী 150,000 পরিবারে প্রবেশ করছেন বা দীর্ঘস্থায়ী রো’গে ভু’গছেন।

নি’রক্ষর বা নি’ম্ন-শিক্ষার কর্মীদের হ্রা’স করা, তাদের কাজের স্তর নির্বিশেষে, যা 90,000।

মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী স’মাধানগুলির জন্য এগুলি অন্তর্ভুক্ত ছিল: প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়োগের (সুবিধাগুলি পরিচালনার সক্রিয়করণ / সহায়তা কর্মীদের হ্রা’স করা)।

প্রবাসী কর্মীদের জন্য স্মার্ট নিয়োগ (আন্তর্জাতিক নিয়োগ সংস্থা / পেশাদার যোগ্যতা সিস্টেমের সাথে আচরণ)। সরকারী ও বেসরকারী খাতকে স্থানীয়করণ করুন (টাউটিন পোর্টালের মাধ্যমে নিয়োগের একটি সংহত পদ্ধতি অনুসারে)।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাঝারি ও দীর্ঘ সমাধানের লক্ষ্য নিম্নলিখিত: সরকারী ও বেসরকারী খাতকে ধী’রে ধী’রে 160০,০০০ কর্ম প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এবং সরকারী খাতে প্র’বাহ হ্রা’স করে

৩0০,০০০ কর্মী জাতীয় অর্থনীতিতে নে’তিবাচক প্র’ত্যাবর্তনের সাথে বা আ’ইন ল’ঙ্ঘন করে স্বল্পমেয়াদী স’রঞ্জাম দ্বারা এটি হ্রা’স করা হয়েছে।

প্রান্তিক কর্মসংস্থান হ্রাস এবং স্মার্ট নিয়োগ পদ্ধতি দ্বারা কর্মসংস্থানের মান বাড়ানো, এবং এই ধা’রা অনুযায়ী 25% হ্রাস হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডিজিটাল রূপান্তরকরণের ফলে সরকারী খাতে অ’স্থা’য়ী কাজের চুক্তিতে 30% হ্রা’স আসে এবং সুবিধা

ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা ব্যবহার করে এটি হ্রা’স পায় কমপক্ষে 25% কর্মসংস্থান এবং এর মান বাড়ানো।

সুত্র : আল কাবাস

যে তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফ্লাইটে ইতালির নি’ষেধা’জ্ঞা

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে বাংলাদেশসহ ১৬ টি দেশের সাথে ইতালির ফ্লাইট ১০ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

নতুন এ সিদ্ধান্তে আলজেরিয়াকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশসহ ১৬ টি দেশের সাথে ফ্লাইট নি’ষে’ধাজ্ঞার সময়সীমা ১০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।তবে জরুরি অবস্থার মেয়াদ ১৫ অক্টোবর পর্যন্তই বহাল রয়েছে।

রবিবার ইতালির স্বনামধন্য পত্রিকা ‘ইল সোলে’ এমন খবর প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সাথে ১০ আগস্ট পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দেয় ইতালি।

তবে বর্তমান পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে একটি দেশ কমিয়ে বাংলাদেশসহ মোট ১৬ টি দেশের সাথে ফ্লাইট বন্ধের এ সময়সীমা ১০ আগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

এ নিষে’ধাজ্ঞাটি ইউরোপিয়ান সময় অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত বহাল থাকবে।তবে পরবর্তীতে এ সিদ্ধান্ত আবারো বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য কাতার এয়ারের নতুন বিজ্ঞপ্তি

যে সকল যাত্রীর কাছে ক’রোনা নে’গেটিভ স’নদ বা ওই ফর্ম থাকবে না, তাদেরকে ফ্লাইটে নেওয়া হবে না।তবে সপরিবারে ভ্রমণ করা ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এই সনদ প্র’যোজ্য নয়।

বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কিছু দেশের যাত্রীদের বেলায় এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে, ব্রাজিল, ইরান, ইরাক, পাকিস্তান, ফিলিপাইন এবং শ্রীলঙ্কা।বাংলাদেশে কাতার এয়ারওয়েজের অনুমোদিত হা’সপাতালগুলোর তালিকা নিম্নরূপঃ

Sher E Bangla Medical College Barisal

Bangladesh Institute of Tropical & Infectious Disease

Sylhet MAG Osmani Medical College

Cox’s Bazar Medical College

Cumilla Medical College

National Institute of Preventive & Social Medicine

Institute of Public Health

National Institute of Laboratory Medicine & Ref. Centre

Narayanganj 300 Bed Hospital

Kustia Medical College

Rangpur Medical College

Mymensingh Medical College

Shahis Ziaur Rahman Medical College

Rahshahi Medical College

Khulna Medical College

বাংলাদেশসহ কালো তালিকাভুক্ত ১৬ দেশ থেকে ইতালি প্রবেশে নিষে’ধাজ্ঞার সময় বাড়লো

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। আর ক’রোনার কারনে সেই বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

বাংলাদেশসহ ইতালি প্রবেশে কা’লো তালিকাভুক্ত ১৬টি দেশ থেকে ইতালিতে প্রবেশের নি’ষেধাজ্ঞা ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে স্বাক্ষরিত নতুন অধ্যাদেশে তা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত কয়েক দিন যাবৎ ইতালিতে ক’রোনা ভা’ইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃ’দ্ধিতে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হয়।

নি’ষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হবার কথা ছিলো ১০ আগস্ট। বর্তমান প’রিস্থিতি বিবেচনায় সরকার প্রধান (০৯ আগস্ট) এই আগাম ডিগ্রিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।এদিকে, ইতালিতে ১৫ আগস্ট থেকে চালু হচ্ছে ক্রুজ শিপ।

দেশের পর্যটন খাতে কিছুটা স্বস্তি ফেরাতে নেয়া হচ্ছে এ উদ্যোগ। এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে।

তিনি জানান, ক্রুজ শিপের পাশাপাশি বাণিজ্য মেলাও স্বল্প পরিসরে চালু করা হবে। সেপ্টেম্বর থেকে বড় পরিসরে বা’ণিজ্য মেলা শুরু হবে। নতুন এ উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিতে ১০ হাজার কোটি ইউরো যোগ করবে।

কর্মসংস্থান আর ব্যবসা নিরাপদ রাখতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

ম’হামারীতে অনেক ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। দেশের রেস্টুরেন্ট আর ফার্মগুলো যেন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে, সেজন্য ৭২ কোটি ডলারের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের নাগরিক আর ব্যবসার সুবিধার্থে কর পরিশোধের সময়সীমাও বাড়বে।

লেবানন বি’স্ফোরণের পর চারিদিকে অ’ন্ধকার দেখছেন বাংলাদেশ প্রবাসীরা

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়।

লেবাননের বৈরুতে ভ’য়াবহ বি’স্ফোরণে ওই অঞ্চলে কর্মরত কয়েক হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক এখন বেকার হয়ে পড়েছেন। কর্মক্ষেত্র বি’ধ্বস্ত, নেই কাজ ও অর্থ। অ’র্থনৈতিক ম’ন্দায় আগে থেকেই যারা কর্মহীন, তারা চোখে মুখে দেখছেন অ’ন্ধকার।

এ অবস্থায় দেশে না ফিরতে পারলে, জীবন বাঁ’চানো কষ্টকর হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেন তারা। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দ্রুতই অ’সহায় প্রবাসীদের দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

যে বৈরুতে গিয়েছিলেন স্বপ্ন বুনতে সে শহর আজ অমানিশায় ঢাকা। মঙ্গলবারের বি’স্ফোরণ আর আগে থেকে চলা অর্থনৈতিক মন্দা লেবাননকে করেছে দু’র্বল, এতে পায়ের নিচের মাটি সরেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের।

একজন প্রবাসী বাংলাদেশি বলেন, ‘আশেপাশে অনেক বাঙালি কাজ করতো। বি’স্ফোরণের পরে অনেকের কাজ নেই। এরজন্য কেউ খেতে পারছে না কেউ বাসা ভাড়া দিতে পারছে না।’

দেশটিতে কাজ করেন, দেড় লাখের বেশি বাংলাদেশি। যার মধ্যে ৪০ হাজারের বেশি শ্রমিকের ইকামার মে’য়াদ নেই, কাগজে কলমে তারা অ’বৈধ। বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈধরাই কাজ হারিয়েছেন, আর অ’বৈধদের অবস্থা আরও করুণ।

একজন বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়েছে এতে করে বাংলাদেশের প্রায় ৪-৫ হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে।’তার্কিশ ও কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইট সীমিত আকারে বর্তমানে চলাচল করছে। এছাড়া সবরকম উড়োজাহাজ চলাচল ব’ন্ধ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলছেন, একটু সময় লাগলেও, ঠিকই ফিরিয়ে আনা হবে দু’র্দশাগ্রস্ত বাংলাদেশিদের।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো ডাইরেক্ট ফ্লাইট নেই। তাই সমস্যা আছে। অনেকদিন ধরে লেবানন থেকে অনেক মানুষ দেশে ফিরতে চেষ্টা করছে।’

লেবাননে নি’যুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ইতোমধ্যে কয়েক হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চেয়ে আবেদন করেছেন।

শিগগিরই লেবানন থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ সরকার

লেবাননে ১ লাখ ৬০ হাজারের মতো বাংলাদেশি কর্মী রয়েছেন।যার মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কর্মীই নানা কারণে অ,বৈধ হয়ে পড়েছেন।

এসব অবৈধসহ দেশে ফিরতে আগ্রহীদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ২০২১ সাল নাগাদ দেশে আসতে আগ্রহী সবাইকেই ফেরানো সম্ভব হবে।চলতি বছরের শুরুতেই লেবানন থেকে ফিরতে আগ্রহীদের নাম নিবন্ধনের সুযোগ দেয় দূতাবাস।

তখন কাজের কোনো সুযোগ না থাকায় সেখান থেকে বৈধ-অবৈধ মিলে ৭ হাজার ৬৭৪ জন বাংলাদেশে ফিরতে দূতাবাসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেন।

করোনাভাইরাসের কারণে মার্চের মাঝামাঝিতে নিবন্ধন বন্ধ হয়ে যায়। তবে নিবন্ধিতদের দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম চলমান থাকে।বিমানের টিকিট পাওয়ার ওপর নির্ভর করে এসব কর্মীকে দেশে পাঠানো হবে বলে দূতাবাস সূত্র জানায়।

নিউইয়র্কে তিন বাংলাদেশি তরু’ণের মৃ’ত্যু

যুক্তরা’ষ্ট্রের নিউ’ইয়র্কে একদিনে তিন বাংলাদেশি তরু’ণের মৃ’ত্যু হয়েছে। দুজন সাঁতা’র কাটতে গিয়ে মা’রা গেছেন, একজনের লা’শ উ’দ্ধার করা হয়েছে একটি পার্ক থেকে।

খোঁ’জ নিয়ে জানা গেছে, ব্র’ঙ্কসে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশো’দ্ভূ’ত তরু’ণ তানভীর বন্ধু’দের স’ঙ্গে লেক জ’র্জে সাঁ’তার কাটতে গিয়ে ডু’বে যান। পরে তার নি’থর দে’হ উ’দ্ধার করা হয়।

তার দা’ফন-কা’ফ’নের জন্য ‘গো ফা’ন্ড’ নামে একটি তহ’বিলে ৩৮ হাজার ড’লারের বেশি সং’গ্রহ করা হয়েছে।

একই দিন রাত ১০টার দিকে কুইন্স এলা’কার একটি সুই’মিং পু’ল থেকে উদ্ধা’র হয় সাংবা’দিক ও লেখক রহ’মান মাহ’বুবের দ্বি’তীয় ছেলে মা’রজান রহ’মানের।

জরু’রি বিভা’গের কর্মী’রা মার’জা’নকে জ্যা’মাইকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্ত’ব্যরত চি’কিৎসক মৃ’ত ঘো’ষণা করেন।

ধার’ণা করা হচ্ছে, কা’র্ডি’য়াক অ্যা’রে’স্টের কা’রণে মার’জান রহমানের মৃ’ত্যু’ হয়েছে। তবে ময়’না’তদ’ন্তের ফলা’ফল না আসা প’র্যন্ত তার মৃ’ত্যুর প্র’কৃত কারণ জানা যাচ্ছে না।

এদিকে নি’উই’য়র্কের ই’মাম এবং বায়তু’ল গাফ’ফার মসজিদের প্রতি’ষ্ঠাতার (বর্তমান উডহেভেন জামে মসজিদের ইমাম) ছেলে মহসিন আহমেদের মৃ’তদেহ উ’দ্ধার করা হয় ওজন’পার্ক থেকে।

কমিউ’নিটি নেতা খাই’রুল খোকন এ তথ্য নি’শ্চিত করে বলেন, ‘মহ’সিনের লা’শ তার গাড়ি থেকে উ’দ্ধার করা হয়। তবে কীভাবে তার এই মৃ’ত্যু হলো এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

দুবাই থেকে কেরালার বিমান দু’র্ঘ’টনায় অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল ৫জনের এক মুসলিম পরিবার !

দুবাই থেকে কেরালা ফেরার পথে বিমান দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়েছেন দুবাই এর একজন ব্যবসায়ী ও তার পরিবার।
তবে অবিশ্বাস্য হলেও তাদের সবাই বেঁচে আছেন এবং আ’হত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

৪০ বছর ব’য়সী সাইফুদ্দিন দুবাইয়ের একজন ব্যবসায়ী। ছেলেমে’য়েদের স্কুল বন্ধ খাকায় তার স্ত্রী স’ন্তানদের নিয়ে স্বা’মীর সাথে দেখা করতে দুবাই গিয়েছিলেন।পরে লকডাউনে দীর্ঘ সময় আ’টকা পড়েন। শুক্রবার তারা সকলেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে কেরালার কোজিকোড়ে ফিরে আসছিলেন।

পরিবারের পাঁচজনের সবাই আ’হত হয়েছেন। মে’য়ে সানা ছাড়া সবাই ভর্তি হয়েছেন বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।
সানা ভর্তি আছেন আল শিফা হাসপাতালে। সাইফুদ্দিনের ভাইয়ের ছেলে মুহাম্ম’দ সালিহ জানান, সাইফুদ্দিন আমার চাচা,
তিনি এবং তার পরিবার দুবাই থেকে দেশে ফিরছিলেন তখনই দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়। আমরা রাত ৮ টা নাগাদ জানতে পারি।

এয়ার ইন্ডিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আইএক্স ১৩৪৪ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ক’রোনা ম’হামা’রিতে আ’টকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে ফিরছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কোঝিকোড় বিমানবন্দরে অবতরণের সময় চাকা

পিছলে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে সেটি। এখন পর্যন্ত বিমান দু’র্ঘ’টনায় ১৮ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

করোনা কালেও যে কারণে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের তাণ্ডবের মধ্যে জুলাই মাসে দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ইতিহাসে একক মাসে আগে কখনো এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

রেকর্ড রেমিট্যান্সের কারণে ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে তিন হাজার ৭২৯ কোটি ডলার হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ তিন লাখ ১৬ হাজার ২০৪ কোটি টাকা।

সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে প্রবাসীরা করোনাকালে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স কেন পাঠাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, ‘দুই কারণে করোনাকালে প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

একটি হলো—মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে যারা বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, তারা মূলত দেশে ফিরে আসার জন্য দিন গুনছেন। এই দিন গোনা প্রবাসীরা সেখানে যে টাকা সঞ্চয় করেছিলেন তার সবই দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। ফলে রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে রেকর্ড হয়েছে।’

তারা আরও জানান দ্বিতীয় আরেকটি কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে রেকর্ড হয়েছে, তা হলো—এই করোনাকালে ইউরোপ ও আমেরিকা থেকেও আগের চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এটা দীর্ঘমেয়াদের জন্য ভালো লক্ষণ।

ইউরোপ-আমেরিকা থেকে রেমিট্যান্স বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, দেশগুলোর প্রবাসীরা ওইসব দেশে টাকা রেখে এখন কোনও মুনাফা পাচ্ছেন না। অথচ বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে এই করোনাকালেও ৬ শতাংশ মুনাফা দিচ্ছে।

আবার জাতীয় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে ১১ শতাংশের বেশি মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে ইউরোপ আমেরিকার অনেকেই লাভের আশায় বাংলাদেশে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এর সঙ্গে ২ শতাংশ প্রণোদনা সুবিধা তো আছেই।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ

এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত অর্থ দেশে আসেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়।

ওই সময়ে প্রবাসীরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। সেই হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।