যুক্তরাষ্ট্রে আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষ, সব আরোহী নি; ‘হত ! (ভিডিও সহ )

মাঝ আকাশে দুটি বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটল। চোখের পলকেই বিস্ফোরণ। বিমান দুটি টুকরো টুকরো হয়ে পড়ল সড়কে। নি;’হত হলেন দুই বিমানের আরোহীদের সবাই।

মর্মা;’ন্তিক এই বিমান দুর্ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সর্ববৃহৎ শহর অ্যানচোরেজের আকাশে।
আলাস্কার সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্স জানায়,শুক্রবার বিমান দুটি সোলদোতনা নামক বিমানবন্দরের পাশে বিধ্বস্ত হয়ে একটি মহাসড়কে পড়ে। পরে নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে কিছু সময়ের জন্য ওই সড়ক বন্ধ করে দেয়া হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বিমান দুটির একটি একাই চালাচ্ছিলেন আলাস্কা রাজ্য সরকারের স্থানীয় আইনপ্রণেতা (স্টেট রিপ্রেজেন্টেটিভ) গ্যারি নপ।

অপরটিতে একজন পাইলট ও একজন গাইডসহ ছিলেন সাউথ ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্য থেকে চারজন পর্যটক।
আলাস্কা স্ট্রেট ট্রুপারস এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই বিমানের সাত আরোহীর মধ্যে ছয়জন মা;’রা যান ঘটনাস্থলেই। অপরজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ হারান।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড যৌথভাবে ওই বিমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

ট্রাম্পের অভিবাসন বিষয়ক নির্দেশ- প্রভাব পড়বে ভিসা ও গ্রিনকার্ডের ওপর !

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গত এপ্রিলে এক টুইটে জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সকল অভিবাসন সাময়িকভাবে স্থগিত করতে যাচ্ছেন। তার এই ঘোষণায় ব্যাপক বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক ছড়ায়। আচমকা এমন নির্দেশ কার ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে তা তাৎক্ষণিকভাবে বুঝে ওঠা কঠিন।

তাছাড়া, টুইটে নতুন নিয়মগুলো সম্পর্কে ধারণাও পাওয়া যায় না। তাই অস্পষ্ট নির্দেশনাগুলো সঠিকভাবে বুঝে উঠতে ও কার আওতায় পড়বেন তা জানতে একটি ব্যাখ্যাধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য লস এঞ্জেলস টাইমস।

লস এঞ্জেলস টাইমস জানায়, ট্রাম্পের এপ্রিলের ওই টুইটের কিছুক্ষণ পরই সরকারি এক নির্দেশনায় বলা হয়,আমেরিকানদের স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান রক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ওই ঘোষণা অনুসারে, গ্রিনকার্ড ও কয়েক ধরনের ভ্রমণ ভিসা প্রদান স্থগিত করা হয়।

অর্থাৎ, নির্দেশনাটি জারির আগে সেসব ভিসা ও গ্রিনকার্ড হাতে না পাওয়া ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষিদ্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে জুন মাসে নির্দেশনাটির সময়সীমা বাড়ানো হয়।

যোগ করা হয়, নতুন কিছু নিয়ম। সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুসারে, বেশকিছু কর্মভিসা প্রদান এ বছরের শেষ পর্যন্ত বন্ধ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, দক্ষ কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসা। একই সময়জুড়ে জারি থাকবে নতুন গ্রিনকার্ড ইস্যু করার ওপর নিষেধাজ্ঞাও।

সরকারি নির্দেশনাটি কার্যকর হয় ২৪শে জুন থেকে। এর মেয়াদ আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত।এই নির্দেশনা কেবল সেসব বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য যারা, বিদেশ থেকে নতুন ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদন করেছেন। তবে ইতিমধ্যে যারা ভিসা পেয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে ভ্রমণে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত অনভিবাসী কর্মীদের ওপর নির্দেশনাটির কোনো প্রভাব নেই। মেয়াদ শেষ হলে প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট ফের নির্দেশনাটির মেয়াদ বাড়াতে পারেন।

এদিকে, নির্দেশনাটির আওতায় নিষিদ্ধ কর্মভিসাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১) এইচ-১বি; যেকোনো পেশাদার কাজ যার জন্য স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন পড়ে, তা এই ভিসার আওতায় পড়বে। ২) এইচ-২বি (খাদ্যকর্মী ব্যতীত): স্বল্পমেয়াদি বা মৌসুমী কর্মচারী যারা কৃষি খাতের বাইরে কাজ করেন। যেমন, হোটেল, রিসোর্ট ইত্যাদি।

৩) জে-১ (শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থী ব্যতীত): শিক্ষানবিশ, শিক্ষক, ইন্টার্ন, শিবির কাউন্সেলর, স্থানীয় পরিবারের সঙ্গে বসবাসকারী বা তাদের বিদেশি সাহায্যকারী এবং গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা এই ভিসার আওতায় পড়বেন।

৪) এল-১(এল-১ নির্বাহী ও এল-১বি কর্মীসহ) : বিদেশি কোম্পানি থেকে বদলি হওয়া কর্মী।
যারা এই নির্দেশনার থেকে অব্যাহতি পাবেন: প্রতিরক্ষা, আইনপ্রয়োগ, কূটনীতি বা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত ব্যক্তিরা। ২) হাসপাতালে ভর্তি হওয়া করোনা আক্রান্তদের সেবাদানকারীরা। ৩) করোনা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ ধরনের মেডিকেল গবেষণার সঙ্গে জড়িতরা। ৪) যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উত্তরণের ব্যবস্থাকারীরা।

নির্দেশনাটি যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় :১) বৈধভাবে স্থায়ী বাসিন্দারা (গ্রিনকার্ডধারীসহ)। ১) মার্কিন নাগরিকদের সন্তান বা স্বামী/স্ত্রী। ৩) যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী শ্রমিকরা। ৪) এমন যেকোনো ব্যক্তি, যাকে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতীয় স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে।

এছাড়া, বিশ্বজুড়ে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোও করোনা মহামারির কারণে আপাতত বন্ধ রয়েছে। ফলে সেগুলো থেকে ভিসা প্রদানও বন্ধ রয়েছে।

এক্ষেত্রে কেউ নির্দেশনার বাইরে পড়লেও দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসা পাবেন না। তবে কিছু জরুরি ও মিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিসা সেবা চালু রয়েছে।

অবশেষে পাঠাও-এর ফাহিম-রহস্য উদঘাটন! দেখুন সিসিটিভি ফুটেজ

বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ হ’ত্যার ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রে’ফতার করেছে নিউইয়র্ক পু’লিশ। গ্রে’ফতারকৃত ব্যক্তির নাম- টাইরেস ডেভন হাসপিল। বয়স ২১ বছর।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম স্থানীয় পু’লিশের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।পু’লিশের ধারণা- বাংলাদেশের এ তরুণ উদ্যোক্তাকে হ’ত্যার পেছনে ডেভনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এবং অর্থ আত্মসাৎ করার জন্যই সালেহকে খু’ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে গোয়েন্দাদের বরাতে উল্লেখ করা হয়, হাসপিল সালেহের ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবে কাজ করেছেন। সালেহ-এর তার কাছ থেকে কয়েক হাজার ডলার আত্মসাৎ করার পরে তাকে হ’ত্যা করে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সালেহ একটা সময় জানতে পারেন, হাসপিল তার কাছে থেকে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।পরে বিষয়টি জানাজানি হলেও হাসপিলকে সেটা ফেরত দিতে বলেন সালেহ। এরপরই এ হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিউইয়র্কের ম্যানহাটন এলাকার নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর

ক্ষত-বিক্ষত ম’রদেহ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। তবে এখনও হ’ত্যার র’হস্য জানা যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অ’প’রাধীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে পু’লিশ।

স্থানীয় পু’লিশের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, নজরদারি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজে ফাহিমকে সর্বশেষ অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে উঠতে দেখা গেছে। ওই লিফটে তার সঙ্গে সম্পূর্ণ কালো

পোশাক পরা একজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। লিফটটি সোজা তার অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিটে গিয়ে থেমেছে।ওই ব্যক্তিকেই সম্ভাব্য খু’নি হিসেবে ধারণা করছে পু’লিশ। তারা বলছে, ‘অ’প’রাধীর কাছে একটা স্যুট’কেস ছিল। সে ছিল খুবই পেশাদার’। ওই ব্যক্তির পরনে ছিল স্যুট, হাতে গ্লাভস ও মা’থায় হ্যাট।

নিউইয়র্ক পু’লিশের কর্মক’র্তা সার্জেন্ট কার্লোস নিভস জানান, ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই ফাহিমের খণ্ডবিখণ্ড ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে। ‘ঘটনাস্থলে আম’রা খণ্ড দেহ, বিচ্ছিন্ন করা মা’থা ও হাত-পা পেয়েছি’, বলেন তিনি।

পু’লিশকে উদ্ধৃত করে ডেইলি নিউজ জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন ফাহিম। দীর্ঘ সময় ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাননি
বলে মঙ্গলবার ৯১১ নম্বরে ফোন করেন তার বোন। এরপর পু’লিশ এসে অ্যাপার্টমেন্টের ৭ম তলা থেকে তার ম’রদেহ উ’দ্ধার করে।

ম’রদেহের পাশেই একটি ইলেকট্রিক করাত মেশিনের সন্ধান পায় পু’লিশ। খণ্ডবিচ্ছিন্ন অঙ্গগুলো পাওয়া যায় পাশেই রাখা একটি প্লাস্টিক ব্যাগে। ফাহিম সালেহর জন্ম ১৯৮৬ সালে। তার বাবা সালেহ উদ্দিন চট্টগ্রামের,

আর মা নোয়াখালীর মানুষ। যু’ক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম পড়াশোনা করতেন ফাহিম।
২০১৪ সালে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফিরে যৌথভাবে ‘পাঠাও অ্যাপ’ চালু করে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। নি’হত ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়ায়

‘গোকা’ন্ডা’ নামে আরেকটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম চালু করেন। পেশায় ওয়েবসাইট ডেভেলপারফাহিম অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটাল গ্লোবাল নামক একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানেরও উদ্যোক্তা ছিলেন।

ফাহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে যে অ’প’রাধের কথা উঠে আসছেতা আম’রা এখনও মেনে নিতে পারছি না। হ’ত্যাকারীকে গ্রে’ফতার করা ছাড়া কোনও কথা বা পদক্ষেপ আমাদের মনকে শান্ত করতে পারবে না’।

এতে আরও বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক পু’লিশ বিভাগ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর কাছে আমাদের আহ্বান তারা এই নৃ’শংস অ’প’রাধেরসবকিছু উন্মোচন করবেন এবং ফাহিমের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। ফাহিমের হ’ত্যাকা’ণ্ডকে তার পরিবার অ’পূরণীয় ক্ষতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

ফাহিমের বো’ন যখন ফ্ল্যাটে ঢুক’ছিল, তখন লা’শ টুক’রো করছিল হ’ত্যা’কারী

পাঠাওয়ের সহপ্র’তিষ্ঠাতা তরু’ণ উদ্যো’ক্তা ফাহিম সালেহ (৩৩) হ’ত্যা’কা’ণ্ডের ঘটনায় তাঁর ব্যক্তি’গত সহ’কারী’কে গ্রে’ফ’তার করেছে নিউ ই’য়র্কের পু’লি’শ।

স্থা’নীয় সময় শুক্রবার ভোরে তাঁ’কে গ্রে’ফ’তার করা হয়। তাঁর বি’রু’দ্ধে ফাহি’ম হ’ত্যা’কা’ণ্ডের অ’ভি’যোগ আনা হচ্ছে।

গোয়েন্দারা ধারণা করছেন, ফা’হিম সালে’হর বোন যখন ওই অ্যা’পার্ট’মেন্টে ঢুকছিলেন, হ’ত্যা’কা’রী তখন ম’রদে’হ টু’ক’রা করছিলেন।মা’র্কিন দৈ’নিক দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস দু’জন কর্মক’র্তার বরা’ত দিয়ে এ কথা জানিয়ে’ছে।

গ্রে’ফতা’র হওয়া ব্যক্তির নাম টে’রেস ডে’ভোন হাস’পিল। ২১ বছর ব’য়সী এই ত’রু’ণের বি’রু’দ্ধে হ’ত্যা’কা’ণ্ড ও অ’ন্যান্য অ’প’রা’ধের অ’ভিযো’গ আ’না হচ্ছে। গ্রে’ফ’তার হওয়া ব্যক্তির বিষয়ে

বি’স্তারিত কিছু জানা’নো হয়নি। পু’লি’শ সংবাদ স’ম্মেলন করে এই গ্রে’ফতা’রের বিষয়’টি গণমা’ধ্যমকে জা’নানোর কথা রয়েছে।

ম্যা’নহাটা’নে নিজের কেনা অ্যা’পার্ট’মেন্ট থেকে স্থানী’য় সময় মঙ্গ’লবার ফা’হিম সালেহর লা’শ উ’দ্ধা’র করা হয়। ই’লেক’ট্রিক করা’ত দিয়ে তাঁর ম’রদে’হ টু’করা টু’করা করে প্লা’স্টিকে ব্যা’গে ভ’রা’নো ছিল।গো’য়ে’ন্দারা ধা’রণা করছেন, ফাহিম সা’লেহর ব্য’ক্তি’গত সহ’কারী টে”রেস তাঁর কয়েক লা’খ

ড’লার চু’রি ক’রে’ছেন। তারপ’রও সালে’হ বিষ’য়টি নিয়ে কিছু ব’লে’ননি। ডলার ফে’রত দিলে তিনি কিছু ড’লার তাঁকে (টেরেস) দিয়ে দেও’য়ার পরি’কল্প’নাও করেছিলেন।গো’য়ে’ন্দারা ধা’রণা করছেন, ফাহিম সালেহকে স্থা’নীয় সময় সো’মবার কোনো এক সম’য়ে হ’ত্যা করা হ’য়েছে।

হ’ত্যা’কা’রী ওই দিন চলে যা’ওয়ার পর’দিন ম’ঙ্গল’বার আবার ওই অ্যাপা’র্টমে’ন্টে ফিরে আ’সেন। এরপর ই’লেকট্রি’ক ক’রাত দিয়ে ম’রদে’হ টুক’রা করে বড় আ’কা’রের ব্যা’গে ভ’রে ফেলে’ন। হ’ত্যা’র আ’লা’মত মু’ছে ফে’লারও চে’ষ্টা করেন।

একজন পু’লিশ কর্ম’ক’র্তা বলেন, ফাহি’ম সা’লেহকে ধা’রা’লো অ’স্ত্র দিয়ে কু‌‌’পি’য়ে হ’ত্যা করা হয়েছে।কো’পা’নোর আগে কো’নো কিছু দি’য়ে আ’ঘাত করে তাঁকে অ’চেত’ন করা হয়েছিল। হ’ত্যা’কারী কা’লো র’ঙের স্যু’ট, সা’দা শার্ট ও টাই এবং কা’লো মাস্ক পরে ফাহিম সা’লেহর পে’ছন পেছন ওই অ্যা’পার্ট’মেন্টে ঢু’কেছি’লেন।

এ সময় হ’ত্যা’কা’রীর হাতে একটি ব্যা’গও ছিল।লি’ফ’টের ভেতর থে’কে সংগৃহী’ত সি’কিউরি’টি ক্যা’মেরা থেকে সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হ’ত্যা’কারী নি’জের উপ’স্থিতি এ’ড়ানো’র জন্য বিশেষ কৌ’শলে ভ্যা’কুয়া’ম ক্লি’নার ব্যব’হার করেন।

এর আগে নিউ ইয়র্ক সি’টির সংশ্লি’ষ্ট চিকিৎসকে’রা জা’নান, ফাহিম সালে’হর গ’লা ও ঘা’ড়ে ধা’রা’লো অ’স্ত্র দিয়ে কো’পা’নোর চি’হ্ন রয়েছে।

এতে তাঁর মৃ’ত্যু হয়েছে। আইন’শৃঙ্খ’লা র’ক্ষাকা’রী বা’হিনী’র এক’জন কর্মক’র্তা এই হ’ত্যা’কা’ণ্ডকে ‘পে’শা’দার খু’নি’র ম’তো কাজ’ বলে উ’ল্লেখ করেছেন।

ত’দন্ত’কারী কর্মক’র্তারা বলছেন, হ’ত্যা’কারী য’খন ফাহিম সা’লেহর শ’রী’র টু’করা টু’করা করে ব্যা’গে ভর’ছিলেন, তখন তাঁর বোন ওইঅ্যা’পার্ট’মেন্টে ঢু’কছি’লেন। অ্যা’পার্ট’মেন্টের লবিতে পৌঁ’ছা’লে হ’ত্যা’কারী বি’ষয়’টি টের পা’ন, তখন অ্যা’পার্টমে’ন্টের পে’ছনের দরজা ও সিঁ’ড়ি দি’য়ে হ’ত্যা’কা’রী বে’রি’য়ে যান।ফাহিম সালে’হর জন্ম ১৯৮৬ সালে।

তাঁর বাবা সা’লেহ উদ্দিন চট্টগ্রামের, আর মা নোয়া’খা’লীর মানুষ। ফাহিম প’ড়াশো’না করেছেন আ’মেরি’কার বে’ন্টলি ইউনি’ভা’র্সিটিতে ইনফ”রমে’শন সি’স্টেম নিয়ে।তিনি রা’ইড শে’য়ারিং অ্যাপ পাঠাও’য়ের অন্যত’ম উদ্যোক্তা। ২০১৪ সালে নিউ ই’য়র্ক থেকে ঢাকা’য় গিয়ে পা’ঠাও চালু করে নতুন

প্র’জন্মে’র উ’দ্যোক্তা হিসে’বে খ্যাতি লা’ভ করেন তিনি। ফাহিম নাই’জে’রিয়া ও কল’ম্বিয়ায় এমন আ’রও দুটি রা’ইড
শেয়ারিং অ্যাপ কোম্পা’নির মা’লিক।ইন্দো’নেশি’য়াসহ আরও কয়ে’কটি দেশেও তিনি ব্যবসা বিস্তৃ’ত করেছি’লেন।

এই সেই ফাহি’মের খু’নি,,,, জেনে নিন তার পরিচয়

নিউ’ইয়র্কের ম্যান’হাটন এলাকার নি’জ অ্যা’পার্ট’মেন্টে খু’ন হন বাংলা’দেশের রাইড শেয়া’রিং অ্যাপ পাঠা’ওয়ে’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফা’হিম সা’লেহ। পুলি’শ বাসা থেকে ফাহি’মের ক্ষ’ত-বি’ক্ষত মর’দেহ উ’দ্ধার করে।

জানা গেছে, পাওনা টাকা ফে’রত চাও’য়ায় ফা’হিম সা’লেহ’কে হ’ত্যা করে তার সা’বেক ব্যক্তি’গত

সহ’কারী টাই’রেস ডে’ভন হাস’পিল। পু’লিশ সূ’ত্রের বরাতে এনও’য়াই ডেইলি নিউজ এ খব’র জা’নিয়েছে।প্রতি’বেদনে উল্লে’খ করা হয়, হাস’পিল ফা’হি’মের ব্য’ক্তি’গত সহ’কারী হিসেবে কাজ করে’ছেন।

ফা’হিমের কাছ থেকে কয়েক হাজার ড’লার আ’ত্ম’সাৎ করেন হা’সপিল। যা ফা’হিম একটা সময় জা’নতে পারেন, হাস’পিল তার কাছে থেকে বড় অ’ঙ্কে’র

অর্থ হা’তিয়ে নেন। কি’ন্তু তিনি পু’লিশ’কে না জা’নিয়ে বরং সহ’কা’রী হাস’পিলকে অ’র্থ ফে’রত দে’য়ার জন্য চা’প দেন। এর’পরই এ হ’ত্যা’কা’ণ্ড ঘটে।

তদ’ন্তকা’রীরা জানান, ফা’হিম’কে খু’ন করা হয়েছে সোম’বার। আর ম্যা’নহা’টনে ২২ লাখ ডলা’রে কেনা তার বি’লাসব’হুল অ্যা’পার্ট’মেন্টে

মর’দেহ পাও’য়া যা’য় পরদিন ম’ঙ্গল’বার। তা’রা আ’রো বলছেন, ফাহি’মের ক্রে’ডিট কার্ড ব্যব’হার ক’রেই হ’ত্যা’কারী হাসপিল

হ’ত্যা’র স্থান পরি’ষ্কার ক’রার জন্য উপ’করণ কেনেন। পরের দিন তিনি আ’বার অ্যা’পার্ট’মেন্টে ফি’রে মর’দেহ ইলে’ক’ট্রিক করা’ত দিয়ে খ’ণ্ড-বি’খ’ণ্ডে করেন এবং স্থানটি পরি’ষ্কা’র করেন।

লিফ’টের ভে’তরে থাকা ক্যা’মে’রায় দেখা গেছে, হ’ত্যা’কা’রী তার অব’স্থানের চিহ্ন মুছ’তে ব্যা’টা’রিচালিত এ’কটি পো’র্টেবল ভ্যা’কুয়াম ক্লি’নার ব্যব’হার করেছেন।

ফাহিম সালেহ হ’ত্যা রহ”স্যে চমক দেওয়া তথ্য জান গেলো

বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ হ’ত্যার ঘটনায় তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রে’ফতার করেছে নিউইয়র্ক পু’লিশ। গ্রে’ফতারকৃত ব্যক্তির নাম- টাইরেস ডেভন হাসপিল। বয়স ২১ বছর।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম স্থানীয় পু’লিশের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।পু’লিশের ধারণা- বাংলাদেশের এ তরুণ উদ্যোক্তাকে হ’ত্যার পেছনে ডেভনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এবং অর্থ আত্মসাৎ করার জন্যই সালেহকে খু’ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে গোয়েন্দাদের বরাতে উল্লেখ করা হয়, হাসপিল সালেহের ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবে কাজ করেছেন। সালেহ-এর তার কাছ থেকে কয়েক হাজার ডলার আত্মসাৎ করার পরে তাকে হ’ত্যা করে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, সালেহ একটা সময় জানতে পারেন, হাসপিল তার কাছে থেকে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।পরে বিষয়টি জানাজানি হলেও হাসপিলকে সেটা ফেরত দিতে বলেন সালেহ। এরপরই এ হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিউইয়র্কের ম্যানহাটন এলাকার নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহর

ক্ষত-বিক্ষত ম’রদেহ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। তবে এখনও হ’ত্যার র’হস্য জানা যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অ’প’রাধীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে পু’লিশ।

স্থানীয় পু’লিশের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, নজরদারি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজে ফাহিমকে সর্বশেষ অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে উঠতে দেখা গেছে। ওই লিফটে তার সঙ্গে সম্পূর্ণ কালো

পোশাক পরা একজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। লিফটটি সোজা তার অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিটে গিয়ে থেমেছে।ওই ব্যক্তিকেই সম্ভাব্য খু’নি হিসেবে ধারণা করছে পু’লিশ। তারা বলছে, ‘অ’প’রাধীর কাছে একটা স্যুট’কেস ছিল। সে ছিল খুবই পেশাদার’। ওই ব্যক্তির পরনে ছিল স্যুট, হাতে গ্লাভস ও মা’থায় হ্যাট।

নিউইয়র্ক পু’লিশের কর্মক’র্তা সার্জেন্ট কার্লোস নিভস জানান, ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই ফাহিমের খণ্ডবিখণ্ড ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে। ‘ঘটনাস্থলে আম’রা খণ্ড দেহ, বিচ্ছিন্ন করা মা’থা ও হাত-পা পেয়েছি’, বলেন তিনি।

পু’লিশকে উদ্ধৃত করে ডেইলি নিউজ জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন ফাহিম। দীর্ঘ সময় ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাননি
বলে মঙ্গলবার ৯১১ নম্বরে ফোন করেন তার বোন। এরপর পু’লিশ এসে অ্যাপার্টমেন্টের ৭ম তলা থেকে তার ম’রদেহ উ’দ্ধার করে।

ম’রদেহের পাশেই একটি ইলেকট্রিক করাত মেশিনের সন্ধান পায় পু’লিশ। খণ্ডবিচ্ছিন্ন অঙ্গগুলো পাওয়া যায় পাশেই রাখা একটি প্লাস্টিক ব্যাগে। ফাহিম সালেহর জন্ম ১৯৮৬ সালে। তার বাবা সালেহ উদ্দিন চট্টগ্রামের,

আর মা নোয়াখালীর মানুষ। যু’ক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম পড়াশোনা করতেন ফাহিম।
২০১৪ সালে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফিরে যৌথভাবে ‘পাঠাও অ্যাপ’ চালু করে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। নি’হত ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়ায়

‘গোকা’ন্ডা’ নামে আরেকটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম চালু করেন। পেশায় ওয়েবসাইট ডেভেলপারফাহিম অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটাল গ্লোবাল নামক একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানেরও উদ্যোক্তা ছিলেন।

ফাহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে যে অ’প’রাধের কথা উঠে আসছেতা আম’রা এখনও মেনে নিতে পারছি না। হ’ত্যাকারীকে গ্রে’ফতার করা ছাড়া কোনও কথা বা পদক্ষেপ আমাদের মনকে শান্ত করতে পারবে না’।

এতে আরও বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক পু’লিশ বিভাগ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর কাছে আমাদের আহ্বান তারা এই নৃ’শংস অ’প’রাধেরসবকিছু উন্মোচন করবেন এবং ফাহিমের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। ফাহিমের হ’ত্যাকা’ণ্ডকে তার পরিবার অ’পূরণীয় ক্ষতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বু’কের মা’ঝেও ক’রাত চা’লিয়ে দ্বি’খণ্ড ক’রা হ’য় ফা’হিমকে !

বৈদ্যুতিক ক’রাত দিয়ে কয়েক টু’ করো করে নৃ’ শংসভাবে হ; ’ত্যা করা হয়েছে মোবাইল অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবাদাতা পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফা’হিম সালেহকে।

নিউইয়র্ক সিটির সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা এবং বিত্ত’শালীদের আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত ম্যানহাটানের লোয়্যার ইস্ট সাইডের এপার্টমেন্ট তিনি খু; ’ন হন। চা’ঞ্চল্যকর এ ঘটনায় মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন ঐ বহুতলা ভবনের সিসিটিভিতে ধারণকৃত মাথায় টুপি, হাতে গ্লোভস এবং মু’খোশ (মাস্ক) পরিহিত এক ব্যক্তিকে ফা’হিমের সাথে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

ফাহিমের পেশাদার ঘা ;’তক সোমবার বিকেলে ইলেভেটর দিয়ে ফাহিমের সাথেই সপ্তম তলায় উঠে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, লোকটি কালো পোশাক পরিহিত ছিল।

মাথায় টুপি, মা’স্ক-সবকিছু ছিল কালো। হাতে ছিল বড় একটি স্যুটকেস। পুলিশের ধারনা অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় ফাহিমকে হয়তো মাথায় আ; ’ঘাত করে দু’র্বল করা হতে পারে। এরপরই বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে নি; ষ্ঠুরভাবে গ ’লাকা; ’টা হয়। পাশাপাশি দু’হাত ও দু’পা কা’টা হয়।

বু;’কের মধ্যেখানেও করাত চা’লিয়ে দ্বিখণ্ড করা হয়। এরপর খণ্ড খণ্ড অংশ আলাদা প’লিথিন ব্যাগে ভরা হয়। ফ্লোরের র; ’ক্ত মুছে ফেলা হয় কৌ’শলে। করাতেও ছিল না র’ক্তের দাগ। ত’দন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা, ফাহিমকে হ; ’ত্যার পর হয়তো টুকরো টুকরো লা; ’শ ঐ স্যু’টকেসে ভরে কোথাও নেয়া হতো-যাতে ফাহিম নি’খোঁজ র’হস্য উদঘাটনেও অনেক সময় পেড়িয়ে যায়।

ত’দন্ত কর্মকর্তা এবং এমন হ; ’ত্যাকা’ণ্ডের ও’পর গভীর পর্যবেক্ষণকারীরা আরও মনে করছেন, খণ্ড খণ্ড লা; ’শ স্যু’টকেসে ভরার আগেই হয়তো ঐ এপার্টমেন্টে আসতে আগ্রহী কেউ নীচে থেকে কলিং বেল টি’পেছিলেন। সে শব্দেই ঘা; ’তক সবকিছু ফে’লে পা’লিয়েছে।

এর আগে সোমবার বিকেলে ১০ তলার ঐ এপার্টমেন্ট ভবনের সপ্তম তলায় নিজ এপার্টমেন্টে ফিরেন ফাহিম। এরপর সারারাত এবং পরদিন মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত চেষ্টা করেও ফাহিমকে ফোনে না পেয়ে তার খালাতো বোন ছুটে আসেন ঐ ভবনে।

এরপর এপার্টমেন্টে গিয়ে আৎকে উঠেন ফা’হিমের খণ্ড-বি’খণ্ড লা; ’শ পলিথিন ব্যাগে দেখে। সাথে সাথে ফোন করেন ফাহিমের ছোটবোন রিফ-সালেহ। দ্রুত চলে আসেন তিনি এবং এরইমধ্যে ৯১১ এ কল করা হয়।

নিউইয়র্কে ফাহিম সালেহর হ; ‘ত্যা; ‘কারী চি;;হ্নি;ত

১৫ জুলাই নৃশংসভাবে খু;’ন হওয়া তরুণ উদ্যোক্তা পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের ফাহিম সালেহ ও দুই সপ্তাহ আগে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক উমাইর সালেহর হ;’ত্যাকাণ্ডে আতঙ্কিত প্রবাসীরা।

দু’জনের হত্যাকারীকে পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করতে না পারলেও নিউইয়র্ক পুলিশ ফাহিমের হ ;’ত্যাকারীকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। বড় ধরনের কোনো ব্যবসায়িক লেনদেনের জেরে ফাহিম সালেহকে হ ;’ত্যা করা হয়েছে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং হ;’ত্যাকারী গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাবে না।

করোনা মহামারির বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসা নিউইয়র্কের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির সঙ্গে নানা উৎকণ্ঠা তাড়া করছে লোকজনকে। বাংলাদেশি মা-বাবারা সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। নিজেরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।১৫ জুলাই ম্যানহাটনে নিজের অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে খু ;’ন হয়েছেন ফাহিম সালেহ (৩৩)।

নিজের সৃষ্টিশীলতা দিয়ে অল্প বয়সে সারা বিশ্বের নজরে এসেছিলেন তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও তার এগিয়ে যাওয়া অনুসরণ করতেন। ম্যানহাটনের সোয়া দুই মিলিয়ন ডলারের অ্যাপার্টমেন্টে একাই থাকতেন তিনি।ফাহিম সালেহর পরিবারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকসহ সব মহলের প্রতি তাদের এ কঠিন সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি শ্রদ্ধা রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

১৬ জুলাই পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে বা ফাহিমের বন্ধুর সঙ্গেও যোগাযোগ না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। পারিবারিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফাহিমের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আসা সংবাদ শিরোনাম এখনও আমাদের অনুধাবনের বাইরে।

ফাহিম সম্পর্কে যা বলা হচ্ছে, তিনি তার চেয়েও বেশি ছিলেন। ফাহিমকে মেধাবী এবং সৃষ্টিশীল উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ফাহিম খুব অল্প বয়সেই সাফল্য পেয়েছিলেন এবং অন্যের মঙ্গলের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি যাই করুন না কেন, বৃহত্তর ভালো এবং তার পরিবারের কথা ভেবে তিনি তা করতেন। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি বিষয় নিয়ে মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। ফাহিম সালেহকে খু ;’ন করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।

পেশাদার খুনি শুরু থেকে বলা হলেও পেশাদার খুনি কাজটি পেশাদারের মতো শেষ করতে পারেননি। ফাহিম সালেহর সঙ্গে লিফটে ওঠা ব্যক্তিকে ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টেই ঢুকতে দেখা গেছে। অ্যাপার্টমেন্টের দরজা দিয়ে লিফটে করে নেমে আসার কোনো ভিডিও চিত্র পাওয়া যায়নি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ফাহিমের ওপর হা;’ মলা চালানো হয়েছে।

এ সময় তার এক প্রতিবেশী অস্বাভাবিক শব্দ শুনেছেন এবং ফাহিমের বোনকে তা ফোনে জানিয়েছেন বলে এখন জানা গেছে। হত্যার পর ইলেকট্রিক করাত দিয়ে ফাহিমের দেহ টুকরো টুকরো করা হয়েছে। ব্লিচ দিয়ে রক্ত পরিষ্কার করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশ নির্মাণকাজে ব্যবহার করা ভারী প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরানোর সময় লবি থেকে বা বাইরে থেকে কেউ ফাহিমের খোঁজ করতে আসেন। এ সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী হ ;’ত্যাকারী তার কাজ শেষ করতে পারেননি।

ইলেকট্রিক করাতে ও অন্যত্র আঙুলের ছাপ পেয়েছে পুলিশ। পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নামলেও নিউইয়র্ক নগরী সর্বত্র এখন সিসি ক্যামেরার আওতায়। এসব ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও চিত্র দেখে হত্যাকারীকে চিহ্নিত করা গেছে।

অনেকটা করোনাভাইরাসের কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মতো হ;’ত্যাকারীকে ধরে ফেলতে পারবে বলে নিউইয়র্ক পুলিশের পক্ষ থেকে আভাস দেওয়া হয়েছে। ফাহিম সালেহর অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু খোয়া যায়নি। ঘরের মালামাল পরিপাটি ছিল। কোনো তছনছের চিহ্নও পায়নি পুলিশ। তাই শুরু থেকেই এ ঘটনা যে নিছক ডা;’কাতি, তা মনে করা হচ্ছে না

ট্রাম্প পৃথিবীর জন্য বিপ’জ্জনক, তার পদত্যাগ করা উচিৎ: ট্রাম্পের ভাতিজি !

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক উল্লেখ করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন তারই ভাইয়ের মেয়ে মেরি ট্রা ;ম্প।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মার্কিন প্রভাবশালি দৈনিক এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশ করে গণমাধ্যমটি।

মেরি ট্রাম্প বলেন, ‘ওভাল হাউজে যদি আমার সঙ্গে ‍আমার চাচা ট্রা;’ম্পের দেখা হয় তবে আমি তাকে পদ;’ত্যাগ করতে বলব।’

মেরি ট্রাম্প তার বই TOO MUCH AND NEVER ENOUGH: HOW MY FAMILY CREATED THE WORLD’S MOST DANGEROUS MAN (এটা খুবই বাড়াবাড়ি এবং

এমার পরিবার কিভাবে বিশ্বের জন্য একজন বিপ;’জ্জনক ব্যক্তিকে তৈরি করেছে।) শীর্ষক বই সম্পর্কে দেয়া এই সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

‘এই দেশ (যুক্তরাষ্ট্র) বড় ধরণের বিপর্যয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। এখনই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমাদের আগামী দিনের নেতৃত কে দেবে এবং দেশ হিসেবে আমরা কোথায় যেতে চাই।

এটা আমার একার পক্ষে করা অসম্ভব। তবে, একটা সময় এই দেশ খুবই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।’ যোগ করেন মেরি।

আমি এটা বলছি না যে ‘আপনি (ট্রা;’ম্প) কি করছেন বা কি করবেন। কিন্তু আপনি যা করে যাচ্ছেন তা মোটিও ভালো কিছু নয়।’

সে আরো বলে, ‘আমি জানি তিনি (ট্রাম্প) আমার বক্তব্য আমলে নেবে না।

ট্রাম্পের সর্বশেষ পদক্ষেপে আরও ১৫০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র !

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ পদক্ষেপেরও ধাক্কা লেগেছে দেশটির বাঙালি কমিউনিটিতে।গত ২৫ জুন ৮৩ বাংলাদেশিকে বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়ার পর আরও দেড় শতাধিক প্রবাসীকে আরিজোনায় জড়ো করার খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, দালালকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে তারা যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তরক্ষীর
হাতে গ্রেফতারের সময়েই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন।

এলডিপির কয়েকজন বাদে সবাই নিজেকে বিএনপি, যুবদল কিংবা ছাত্রদলের সংগঠক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী অ্যাসাইলাম কর্মকর্তার কাছে ইন্টারভিউ শেষে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে সবাইকে।এর মধ্যে বেশ কয়েকজন প্যারলে মুক্তি পেলেও বাকিরা ইমিগ্রেশনের ডিটেনশন সেন্টারেই রয়েছেন।মোটা টাকায় অ্যাটর্নি নিয়োগের পর ইমিগ্রেশন কোর্টের শর্ত অনুযায়ী জামিনের বন্ড দিতে সক্ষম হননি তারা।

এমনি অবস্থায় করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর ডিটেনশন সেন্টারের আরও অনেক অবৈধ অভিবাসীর সঙ্গে বাংলাদেশিরাও পড়েছেন মহা সংকটে।যারা অ্যাটর্নি নিয়োগে সক্ষম হয়েছিলেন তারা এই করোনার মধ্যেই প্যারলে মুক্তি লাভ করেছেন।

করোনার প্রকোপ চরমে উঠলে এপ্রিলের শুরুতেই আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটন স্টেটের সিয়াটল এবং ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল কোর্টে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকশত অবৈধ ইমিগ্র্যান্টকে ডিটেনশন সেন্টার থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।

তাদেরকে কোর্টে হাজিরার তারিখসহ নোটিশ ধরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়।এর মধ্যে কোনো বাংলাদেশি ছিলেন না। কারণ, বাংলাদেশির অধিকাংশকেই টেক্সাস অথবা আরিজোনা কিংবা আলাবামা স্টেটে রাখা হয়েছে।
খুব কমসংখ্যক রয়েছে নিউজার্সি এবং ফ্লোরিডা ডিটেনশন সেন্টারে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মেক্সিকো সীমান্ত পথে বে-আইনিভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের অ্যাসাইলামের আবেদন প্রথম ইন্টারভিউতে বিবেচিত না হলেই দ্রুত নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার একটি রুলিং ২৫ জুন ইউএস নবম সার্কিট আপিলেট কোর্ট দিয়েছেন।

এতে সেন্ট্রাল আমেরিকার লোকজনের সাথে কিছু বাংলাদেশিও বহিষ্কারের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের একটি অংশ অর্থাৎ ৮৩ জনকে ইতোমধ্যেই বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন আরও ১৫০ জনকে যে কোনো সময় বিমানে উঠিয়ে দেয়া হবে।

তবে এর আগে সংশ্লিষ্ট সকলের জাতীয়তা নিশ্চিত হতে হবে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে।দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার শামীম আহমদ গত ৩ জুলাই এ প্রসঙ্গে জানান, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি থেকে প্রায় সময়েই আটক বাংলাদেশিদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়।

তারা বাংলাদেশের নাগরিক কিনা সেটিও নিশ্চিত হতে চায়। ইতোপূর্বে ৮৩ জনকে বহিষ্কারের পর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে আর কোনো চিঠি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, আগের সপ্তাহে বহিষ্কৃতদের মতো তারাও নোয়াখালী, সিলেট, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ঢাকা এবং রাজশাহী অঞ্চলের সন্তান। একেকজন ২৫ থেকে ২৮ লাখ টাকা করে দালালকে দিয়ে স্বপ্নের দেশ আমেরিকার পথে পাড়ি জমিয়েছেন।

পথিমধ্যে অতিরিক্ত খরচও হয়েছে খাবার অথবা অন্য কোনো বিশেষ প্রয়োজনে। তাদের প্রায় সকলেই উচ্চ মাধ্যমিক থেকে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী। রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার কথা বলে অ্যাসাইলাম প্রার্থনা করলেও অধিকাংশই ছিলেন বেকার
এবং পৈত্রিক সহায়-সম্পদ বিক্রি করে যুক্তরাষ্ট্রে রওয়ানা দেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না

অ্যাটর্নি নিয়োগসহ মামলা পরিচালনার অন্যান্য খরচের অর্থ সংগ্রহ করতে না পারায়। যাদের তেমন সামর্থ্য ছিল তারা অনেক আগেই প্যারলে মুক্তি পেয়ে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে কাজে যোগদান করেছেন।

নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী এসব বাংলাদেশি প্রসঙ্গে বলেন, ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী কঠোর নীতির কারণে অ্যাসাইলাম পাবার সম্ভাবনা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে।

বিশেষ করে যারা মেক্সিকো হয়ে বেআইনি পথে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছেন তাদেরকে প্রথম ইন্টারভিউতেই অ্যাসাইলাম অফিসারকে কনভিন্স করতে হয়।

ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা এই অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী আরও বলেন, এজন্য অনেকের মামলা ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছে নভেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত। ওই নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জয়ী হলেই সকল জট অপসারিত হবে বলে আশা করছি।