আরব আমিরাতে টিকিটের দাম ও করোনা সনদ নিয়ে দিশেহারা বিদেশগামী যাত্রীরা !

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। আর ক’রোনার কারনে সেই বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের ওয়ানওয়ে টিকিট কিনতেই বিদেশগামীদের গুনতে হচ্ছে দ্বি’গুণেরও বেশি টাকা।চাকরি বাঁচাতে নির্ধারিত দিনের টিকিট কেনার জন্য তারা বিমানের বলাকা ভবনে গেলে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট দেশে

প্রবেশের অনুমোদন নেয়ার সার্টিফিকেটের পাশাপাশি ক’রোনা ভা’ইরাস নে’গেটিভ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার জন্য পাঠানো হচ্ছে পৃথক দুটি ল্যা’বে।

অবশ্য দুবাইগামী ফ্লা’ইট যাত্রীদের ক্ষেত্রে অ্যাপ্রুভাল বাধ্যতামূলক থাকার পাশাপাশি ক’রোনা ভা’ইরাস পরীক্ষার সার্টিফিকেট শুধু লাগছে একবারই।

হ’তাশাগ্রস্ত এসব বিদেশগামী যা’ত্রীরা বলছেন, এমনিতেই তারা দীর্ঘদিন দেশে থেকেই বেকার হয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটে রয়েছেন। তার ওপর বিদেশে যেতে অ’তিরিক্ত টাকা খরচ করে তাদের টিকিট ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিষয়টি সরকারকে বিবেচনা করার অনুরোধ জানান তারা। মতিঝিলের বিমানের বলাকা ভবন কার্যালয়ে খোঁজ নিতে গেলে গতকাল শনিবার দুপুরে হ’তাশাগ্রস্ত বিদেশগামীদের সাথে কথা বলে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা, একই ফ্লাইটে ফিরল ২৩ কর্মীর লা; ‘ শ !

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়। আর ক’রোনার কারনে সেই বিড়ম্বনা বেড়ে গেছে কয়েক গুণ।

ক’রোনা ভা’ইরাসের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চাকরি হা’রিয়ে দেশে ফিরে আসছে প্রবাসী কর্মীরা। এদের মাঝে অনেকে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চড়া সু’দে ঋণ নিয়ে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে গিয়েও অভিবাসনের টাকা তুলে আনতে পারেননি অনেকে।

প্রবাস ফেরৎ এসব কর্মীর অভিভাবকদের কেউ-কেউ ঋ’ণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পা’লিয়ে বেড়াচ্ছেন। এদের মাঝে অনেকে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এবং ভিটেমাটি বিক্রি করে বিদেশে গিয়েও অভিবাসনের টাকা তুলে আনতে পারেননি অনেকে।

এসকল তথ্য জানিয়েছেন গতকাল দুবাই থেকে ফিরে আসা একাধিক কর্মী। এছাড়া আরো ৯৬ জন কর্মী গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে মালয়েশিয়া থেকে (এম এইচ-১৯৬) ফ্লাইট যোগে কাজ না থাকায় দেশে ফিরেছেন।

এদিকে দেশটি থেকে বিভিন্ন কারণে মৃ’ত ২৩ জন প্রবাসী কর্মীর লা’শ ওই একই ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল (রহ.) বিমান বন্দরে পৌঁছেছে। যথাযথ উদ্যোগের অভাবে সাত থেকে আট মাস বিলম্বিত হয়েছে এসব লা’শ দেশে পাঠাতে।

বিমানবন্দরের এসব লা’শের কফিন দেখে অপেক্ষমান স্বজনদের মাঝে কা’ন্নার রোল পড়ে যায়। এছাড়াও এখনো বিপুল সংখ্যক প্র’বাসী কর্মীর লা’শ পড়ে রয়েছে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন হা’সপাতালের ম’র্গে।

অপরদিকে অভিযোগ উঠেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যথাযথ সহযোগিতার অভাবে প্রবাসী নেতাকর্মীদের লা’শ দেশে পাঠাতে অহেতুক বিলম্ব হচ্ছে বলে। এছাড়াও জর্ডান থেকে আজ সকালে মহিলা গৃহকর্মী নওগাঁ জেলার রোকেয়ার লা’শ দেশে পৌঁছেছে।

এসব লা’শ দাফনের জন্য বিমানবন্দর কল্যাণ ব্যাংক ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে জনপ্রতি ৩৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান করেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কল্যাণ ডেস্কের এডি ফখরুল আলম।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দেওয়া আজ রোববারের করোনা বার্তা ও দেশের পরিস্থিতি !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় আজ রবিবার কোভিড -১৯ করোনভাইরাসে আক্রান্ত ২২৫ টি নতুন মামলার পাশাপাশি ৩২৩ জন
পুনরুদ্ধারের খবর পেয়েছে। একটি নতুন মৃ’ত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ৬১,০০০ এরও বেশি নতুন কোভিড -১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,আবারও করোনভাইরাস মামলার প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পরীক্ষার পরিধি বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্য নিশ্চিত করেছে এবং এখনও অবধি প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত কোভিড

-১৯ এর ভ্যাকসিনের প্রথম পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাগুলি একটি বড় মাইলফলকে পৌঁছেছে কারণ এখন ৫ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক তাদের প্রথম টিকা পেয়েছেন। আবু ধাবি জাতীয় প্রদর্শনী কেন্দ্র, অ্যাডনেকের সদ্য নির্মিত ওয়াক-ইন রেজিস্ট্রেশন, স্ক্রিনিং এবং টেস্টিং সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি ড. জামাল আল কাবীর উপস্থিতিতে 5000 তম টিকা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন…

সৌদিতে জো’র করে কাউকে কাজ অথবা ভি’ক্ষাবৃত্তি করালে যে কঠিন শাস্তির ঘোষনা দিলেন সৌদি সরকার-

মানবপাচারের বিরুদ্ধে অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব। সেখানে মানব’পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে নতুন আইন আরও কঠোর করা হচ্ছে।

সৌদিতে জোর করে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অথবা ভিক্ষাবৃত্তি করালে ১০ বছরের হাজত অথবা ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।

এদিকে এই ল’ক্ষ্যেই নতুন শ্র’ম আ’ইন কঠোর করছে দেশটির সরকার। নতুন আ’ইনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করালে কঠোর শা’স্তি হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন জানিয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য করলে কিংবা মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে ক’ঠোর শা’স্তি হবে।

নতুন আ’ইনে স’র্বোচ্চ ১০ বছরের কা’রাদণ্ড বা সর্বাধিক ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা উভয়ই দ’ণ্ডে দ’ন্ডিত করা হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, শা’স্তি শরিয়াহ আ’ইনের মূল নীতিমালা অনুসারে হবে। এতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলি মানবাধিকার র’ক্ষার জন্য করা হয়েছে।ঐ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “সৌদি আরব মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সৌদির উদ্দেশ্য মহৎ, তারা মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর”।সৌদি আরবের এই আইন কর্তৃক গৃহীত ব্য’বস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার ও ক’র্তব্য নিশ্চিত করা।

প্রবাসী শ্রমিকদের দিয়ে জো’রপূর্বক কাজ করানো কিংবা শ্রম আইন ল’ঙ্খন করা যাবে না। এছাড়াও মানব পাচারের সাথে সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা ক’ঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইনের মতোই সৌদির আইনও কঠোর।

দুবাই থেকে ফেরার পথে ভারতের কেরালা বিমান দু’র্ঘটনায় অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেল ৫জনের এক মুসলিম পরিবার !

প্রতিনিয়ত আমাদের আশে পাশে নানান রকমের ঘ’টনা ঘ’টে চলেছে। তার কিছু কিছু ঘ’টনা আসলেই খুবই ম’র্মান্তিক এবং বে’দনা দা’য়ক।

দুবাই থেকে কেরালা ফেরার পথে বিমান দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়েছেন দুবাই এর একজন ব্যবসায়ী ও তার পরিবার।

তবে অবিশ্বাস্য হলেও তাদের সবাই বেঁচে আছেন এবং আ’হত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

৪০ বছর ব’য়সী সাইফুদ্দিন দুবাইয়ের একজন ব্যবসায়ী। ছেলেমে’য়েদের স্কুল বন্ধ খাকায় তার স্ত্রী স’ন্তানদের নিয়ে স্বা’মীর সাথে দেখা করতে দুবাই গিয়েছিলেন।পরে লকডাউনে দীর্ঘ সময় আ’টকা পড়েন।

শুক্রবার তারা সকলেই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে কেরালার কোজিকোড়ে ফিরে আসছিলেন।পরিবারের পাঁচজনের সবাই আ’হত হয়েছেন। মে’য়ে সানা ছাড়া সবাই ভর্তি হয়েছেন বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে।

সানা ভর্তি আছেন আল শিফা হাসপাতালে। সাইফুদ্দিনের ভাইয়ের ছেলে মুহাম্ম’দ সালিহ জানান, সাইফুদ্দিন আমার চাচা, তিনি এবং তার পরিবার দুবাই থেকে দেশে ফিরছিলেন তখনই দু’র্ঘ’টনার শি’কার হয়। আমরা রাত ৮ টা নাগাদ জানতে পারি।

এয়ার ইন্ডিয়ার সহযোগী প্রতিষ্ঠান এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আইএক্স ১৩৪৪ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ক’রোনা ম’হামা’রিতে আ’টকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে ফিরছিল। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কোঝিকোড় বিমানবন্দরে অবতরণের সময় চাকা

পিছলে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে সেটি। এখন পর্যন্ত বিমান দু’র্ঘ’টনায় ১৮ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

আমিরাত,সৌদি,কাতার কুয়েতে,ওমান,বাহরাইনে কাজ হা’রানোর বেশি ঝুঁ’কিতে ‘ফ্রি ভিসায়’ যাওয়া প্রবাসীরা

আমিরাত,সৌদি,কাতার কুয়েতে,ওমান,বাহরাইনে কাজ হা’রানোর বেশি ঝুঁ’কিতে ‘ফ্রি ভিসায়’ যাওয়া প্রবাসীরাঃপ্রবাসে কাজ না থাকা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশ আমিরাত,সৌদি,কাতার, কুয়েতে, ওমান,বাহরাইনে যান বাংলাদেশিরা আর সেই ভিসার নাম হলো ‘ফ্রি ভিসা’।

এই ভিসায় প্রবাসে গিয়ে শুধু স্থানীয় নাগরিকের অ’নাপত্তিপত্র নিয়েই শুরু করা যেত ব্যবসা কিংবা অন্য কোনো কাজ।

কিন্তু কো’ভিড-১৯ সেই পথ সম্পুর্ন ব’ন্ধ হয়ে গেছে। সৌদিতে এই ফ্রি ভিসায় অবস্থান করছেন কমপক্ষে ২ থেকে আড়াই লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি

কো’ভিড-১৯ এর প্র’ভাবে তারাই সবচেয়ে বেশি কাজ হা’রানোর আ’শঙ্কায় আছেন বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।কো’ভিড-১৯ প’রিস্থিতিতে কী পরিমাণ শ্রমিক শ্রমবাজারের দেশগুলোতে কাজ হা’রাবেন কিংবা ফে’রত আসবেন তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় লাখ খানেক কর্মী বিদেশ যেতে

পা’রেননি বলে জানিয়েছে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা। তারা এও আ’শঙ্কা করছে, যারা কাজ ছাড়া শুধু অন্য ভিসায় গেছেন তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি কর্মী যায় সৌদি আরবে। মোট অভিবাসনের প্রায় ৭৫ ভাগই এই দেশটিতে। ফে’রত আসলে এই দেশ থেকেই আসার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা।

তবে যারা নির্দিষ্ট কোম্পানির কাজ করেন তাদের ফে’রত পাঠানোর সম্ভাবনা কমই দেখছেন তারা।

সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ঢাকায় পাঠানো এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ৩ ক্যাটাগরির কর্মী ফে’রত পাঠানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

যাদের আকামার মেয়াদ শে’ষ, যারা তথাকথিত ফ্রি ভিসায় বিভিন্ন পেশায় জড়িত এবং যাদের আকামার মেয়াদ আছে। তবে আকামার মেয়াদ যাদের আছে তাদের সংখ্যা খুব অ’ল্প বলে মনে করছে দূতাবাস।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সূত্রে জানা যায়, এককভাবে শুধু সৌদি আরবেই আছেন ২০ লাখ বাংলাদেশি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছেন অন্তত ১৫ লাখ। এছাড়া কাতার,

কুয়েত, ওমান, বাহরাইনে গড়ে তিন থেকে চার লাখ বাংলাদেশি আছেন। ক’রোনা স’মস্যার পাশাপাশি জ্বা’লানি তেলের দাম একেবারেই ক’মে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নানা সং’কট তৈরি হয়েছে। এছাড়া ক’রোনার কারণে সং’কটে আছেন মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে থাকা কর্মীরাও।

করোনা পরবর্তী আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত আসা কর্মীদের পুনরায় বিদেশ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

তিনি বলেন, ‘বি’রূপ প’রিস্থিতিতে ঝুঁ’কি ক’মানোর জন্য ভবিষ্যতে দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ এছাড়াও তিনি মনে করেন, বি’দেশফেরত কর্মীরা অভিজ্ঞতার বিবেচনায় দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।

এই প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সৌদি আরবের অর্থনীতি আগের মতো নাও থাকতে পারে।আমরা কর্মীদের বিকল্প বাজারে কর্মসংস্থানের কথা ভাবছি। এ নিয়ে কাজ করছি। এছাড়া যেসব দেশে কর্মীরা কাজ হা’রানোর আ’শঙ্কায় আছেন সেসব দেশের সঙ্গে কূ’টনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অ’ব্যাহত আছে।’

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, তথাকথিত ফ্রি ভিসায় যারা এসেছেন তাদের বেশির ভাগেরই কাজ নেই।ক’রোনা আসার আগে তারা মু’ক্তভাবে এখানে-সেখানে কাজ করতেন। এসব কাজের মধ্যে আছে গাড়ি ধোঁ’য়াসহ অন্যান্য ‘অড জব’। কিন্তু তারা কোনও কোম্পানি, কফিল বা নি’য়োগকর্তার অধীনে ছিলেন না। যেমনটি নিয়মিত শ্রমিকদের বেলায় রয়েছে।

বৈ’ধ শ্রমিকরা যে কোম্পানিতে বা ক’ফিলের অধীনে কাজ করেন তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানেই।

অনিয়মিতদের সেই সুবিধা নে’ই। ফলে তারা এখন অর্থ এবং খা’দ্যকষ্টে রয়েছেন। করোনা উত্তরণের পরপরই অ’নিয়মিত বা অবৈধ বাংলাদেশিদের বড় অংশকে নিজে থেকেই হয়তো দেশে ফি’রতে হবে।

বায়রার মহাসচিব শামিম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, ‘কী পরিমাণ লোক ফে’রত আসবে বা কাজ হা’রাবে এটার পরিসংখ্যান কারও কাছে নেই। লাখ লাখ কর্মী ফেরত আসবে, এটা সময় নির্ভর করে বলা হচ্ছে।

বিদেশে কর্মরত অসংখ্য কর্মী আছেন, তারা কতজন ফেরত আসবেন এটা তো অনুমান করা যায় না। আমাদের দেশে যারা কাজে যেতে পা’রেনি সেটার পরিসংখ্যান আছে।

ছুটিতে যারা এসেছেন কিন্তু ফেরত যেতে পারেনি তাদের সংখ্যা জানতে মন্ত্রণালয় একটি রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে।এটা হলে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। আমাদের এক লাখ কর্মী বিদেশ যেতে পা’রেনি, তাদের ভিসা আমরা প্রক্রিয়াধীন করছি। কতজন লোক ফেরত আসবে সেটা বলা বেশ কঠিন।’

নোমান বলেন, ‘যারা ভা’সমান কাজ করতেন, আকামা হয়নি, কাগজপত্র কিছুই হয়নি, এ ধরনের ভাসমান কাজ এখন ব’ন্ধ হয়ে যাবে ক’রোনার কারণে। সেখানে বড় সংখ্যক একটি অংশের কাজ হা’রানোর একটা শ’ঙ্কা আছে।সেই সংখ্যাটা দুই থেকে আড়াই লাখ লোকের। যারা কর্মরত আছেন, যাদের বৈ’ধ কাগজপত্র সবই আছে,

তাদের সংখ্যা খুব একটা বেশি হবে না। কারণ আমাদের গন্তব্য দেশগুলোতে যতদ্রুত সময়ে ক’রোনা সং’কট কেটে যাবে, তত কর্মীদের ফেরত আসার সংখ্যা এবং শ’ঙ্কা দুই-ই কমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু হলে আমাদের কর্মীরা যেসব সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে ছাঁ’টাই করার আ’শঙ্কা একেবারেই কম। কারণ প্রতিদিনের জীবনে যা যা প্রয়োজন ওইসব সেক্টরে তারা কর্মরত। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলে ওই কর্মী ছাড়া দেশ চলবে না।

সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি, যে পরিমাণ কর্মী বাইরে কর্মরত আছেন ওই পরিমাণে ফেরত আসার সম্ভাবনা কম।অনেকেই বলে লাখ লাখ লোক ফেরত আসবে– এগুলো সবই ধারণার কথা। তবে এটা নির্ভর করে আমাদের গন্তব্য দেশগুলো কত দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যাচ্ছে। যদি এই সময়টা আরও বাড়ে তাহলে অর্থনীতির ওপর আ’ঘাত আরও বেড়ে যাবে।

সেখানে আমাদের আরও বেশি কর্মীর চাকরি হা’রানোর সম্ভাবনা দেখা দেবে। এজন্য যত তাড়াতাড়ি গন্তব্য দেশগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে পারে ততই আমাদের মঙ্গল।’বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি রিসার্চ মুভমেন্ট ইউনিটের (রামরু) প্রোগ্রাম পরিচালক মেরিনা সুলতানা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে কোম্পানিতে যারা কর্মরত আছেন তাদের কাজ হা’রানোর ঝুঁ’কি কম।

তবে যারা ফ্রি ভিসায় গিয়ে কাজ করছিলেন কিন্তু ভিসার মেয়াদ ক’মে আসছে, এরকম কেস আমরা পাচ্ছি যাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সেই জায়গা থেকে একটা ঝুঁ’কি থাকে যে, যারা এতদিন ফ্রি ভিসা কিংবা নানাভাবে অ’নিয়মিত হয়ে কাজ করছেন,

এই করোনা প’রিস্থিতিতে তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি কাজ আছে কিন্তু ভিসার মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে এরকম কর্মীদেরও কিন্তু পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ক’রোনার মধ্যে। সুতরাং সেই রি’স্কও থাকছে।এছাড়া কোনও কোনও দেশ ক্ষ’মা ঘো’ষণা করছে, যাতে কর্মীরা একটি সিস্টেমে আবারও কাজে ফিরতে পারে। যাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে তারা কিন্তু শূ’ন্য হাতে ফেরত আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক কিংবা অন্য কোনও দু’র্যোগ অথবা রা’জনৈতিক প’রিস্থিতির কারণে হোক, যেকোনও প’রিস্থিতিতে প্রথম ভি’ক্টিম হয় অভিবাসী কর্মী। মূল কাজ না থাকায় অন্য একটি কাজ পেয়ে সে কিন্তু কাজটি করছে।এ‌ক্ষেত্রে আমাদের কর্মীদের ব্যবহার করে মজুরি চু’রির ক্ষেত্রে লাভবান হচ্ছে গন্তব্য দেশগুলো। এভাবে ক’রোনার প্রথম প্র’ভাব এসে পড়েছে আমাদের অভিবাসী কর্মীর উপর। আমরা কয়েক বছর ধরে জানি যে, মধ্যপ্রাচ্যে জাতীয়করণ করবে, ছাঁ’টাই করবে।

কিন্তু যখন খাওয়া-পরা নিয়ে অ’নিশ্চয়তায় শ্রমিকরা, এই রকম দু’র্বল প’রিস্থিতিতে কীভাবে অভিবাসীদের ভি’ক্টিম হিসেবে ধরে নেয়।দেশে ফেরত পাঠানোর তো একটি নি’য়ম আছে। তারা কাজ নিয়ে গেছে, তারা কিন্তু পা’চারের শি’কার না। তারা যে কাজ করছিল সেটাই একটা সিস্টেমে করুক, সবাইকে ধরে যাতে দেশে না পাঠায়।এর সঙ্গে আমাদের দ’রকষাকষিটাও সেভাবে থাকা দরকার। এখানে মানবিক একটা দৃষ্টিকোণ রাখতেই হবে।’ সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

সংযুক্ত আরব আমিরাত বিদ্ধস্ত বিমান যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে !

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় গোষ্ঠীর কাছে ভারতীয় মিশন এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমান ix ১৩৪৪ বিদ্ধস্ত বিমানের পরিবার ও যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে।

দুবাইতে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল যাত্রীদের জন্য সাহায্যের নম্বর খুলেছে। কনস্যুলেট টুইট করেছে, “দুবাই থেকে ইন্ডিয়াগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেস ফ্লাইট নং ix1344 রানওয়ে দুর্ঘটনা হয় । আমরা যাত্রীদের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করি । ”

দুবাইতে ভারতের কনসাল জেনারেল ডাঃ আমান পুরি বলেছিলেন, “আমি নিশ্চিত করতে পারি যে আমরা দুর্দশাগ্রস্থ লোকদের কাছে উপস্থিত রয়েছি। যাত্রীদের সম্পর্কে আমরা যত তাড়াতাড়ি তথ্য পেয়েছি, আমরা পরিবারের সাথে যোগাযোগ করব। প্রয়োজনে আমরা যাব 24/7 হেল্প ডেস্কে কনস্যুলেটকে সক্রিয় করুন !

আমরা তাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রক্রিয়ায় থাকবে “”তিনি এও নিশ্চিত করেছেন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষটি নয়াদিল্লিতে সক্রিয় হয়েছে, এবং কেরালার সরকার এবং ডিজিসিএ পুরোপুরি উদ্ধার কাজে জড়িত ছিল।

একইভাবে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্প্রদায় গোষ্ঠীগুলি 24/7 হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছে। শারজায় ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইপি জনসন বলেছেন, “যাদের প্রয়োজন তারা আমাদের কল করতে পারে 24 আমরা আছি ।” কেরালা মুসলিম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (কেএমসিসি) অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল বলেছেন,

“কেরালায় আমাদের স্বেচ্ছাসেবক এবং নেতারা তত্সহীন এবং উদ্ধার কাজে পুরোপুরি জড়িত রয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে, আমরা তালিকাভুক্ত সমস্ত যাত্রী এবং তাদের পরিবারকে পৌঁছে দিচ্ছি তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সমর্থন। ”
কেরালায় যাতায়াত করতে বা বিমান দুর্ঘটনার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যে কোনও তথ্য চাইলে,

তাদের সকলের পক্ষে শনিবার 8 আগস্ট কনস্যুলেট খোলা । আমরা আহত ও নি ;’ হত সকল পরিবারের সাথে রয়েছি এবং তাদের সহায়তা করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব। এখানে 24/7 হেল্পলাইন নম্বর রয়েছে:

দুবাইতে ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল মো : + 971-565463903 , + 971-543090575 , + 971-543090571 , + 971-543090572

এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, আবুধাবি : +97126313789
কোজিকোড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিয়ন্ত্রণ কক্ষ : +918330052468
, +914832719493

এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, দুবাই +9714207 9444।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় : +911800 118 797 , +91 11 23012113 , +91 11 23014104 , +91 11 23017905
এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, শারজাহ : +971 6 5970303

ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন, শারজাহ : +971503675770 ,
+971504828472 , +971506266546

KMCC : +971558703836 , +971558591080 , +971506502115
, +971 504548359 , +971504550967
সমস্ত কেরালা কলেজ প্রাক্তন ছাত্র ফেডারেশন টাস্কফোর্স দল : +971503568606 , +971504941923 , +971507591967 , +971565457661

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দেওয়া আজ শনিবারের করোনা পরিস্থিতি !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় আজ শনিবার কোভিড -১৯ করোনাভাইরাস আক্রান্ত আরো ২৩৯নতুন রোগী সনাক্তের পাশাপাশি ২৩০ টি নতুন পুনরুদ্ধারের খবর দিয়েছে। আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় জানিয়েছে গত 24 ঘন্টার মধ্যে কোনও মৃ’ত্যুর রেকর্ড ঘটনা ঘটে নি।

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত মোট মামলার সংখ্যা ৬২,৩০০ এবং মোট পুনরুদ্ধার ৫৬,২৪৫ জন।মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ,করোনভাইরাস মামলার প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো অব্যাহত রাখার লক্ষ্য নিশ্চিত করেছে। এর তীব্র পরীক্ষামূলক প্রচারণার অংশ হিসাবে,বিনাখরচে বাসিন্দাদের স্ক্রিন করার জন্য শারজাতে একটি নতুন কোভিড -১৯ পরীক্ষামূলক অঞ্চল স্থাপন করা হয়েছে।

কেন্দ্রটি প্রতিদিন দুপুর ১ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত শনিবার পর্যন্ত বিনাখরচে পরীক্ষা প্রদান অব্যাহত রাখবে। দলটি বিনাখরচে স্ক্রিনিংয়ের অফার দেওয়ার জন্য আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি আবাসিক এলাকার জন্য, প্রক্রিয়াটি 10 ​​দিনের জন্য চালানো হয়েছিল, প্রতিদিন 200 জনকে পরীক্ষা করে। তফসিলের দুই দিন আগে, বাসিন্দারা পুলিশের কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়েছিল, যেখানে তারা কখন স্ক্রিনিং করতে যেতে পারে তা ব্যাখ্যা করে।

আবুধাবি, আজমান, ফুজাইরাহ এবং রস আল খাইমাহ-এর মতো অন্যান্য আমিরাতও একই ধরনের গণ পরীক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। এদিকে, সারজায় বাসিন্দারা এখন চলমান কোভিড -১৯ টি ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য স্বেচ্ছাসেবক হতে পারেন, কারণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয় শারজায় দ্বিতীয় স্ক্রিনিং এবং ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্র স্থাপন করেছে। প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি চলার জন্য প্রস্তুত আল কারায়েন স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দিনে ৫০০ এরও বেশি

স্বেচ্ছাসেবীর থাকার ব্যবস্থা করতে পারে এবং এটি শারজাহ, দুবাই এবং উত্তর আমিরাতের বাসিন্দাদের জন্য উন্মুক্ত।আরব আমিরাতে কোভিড -১৯ এর মৃ ;’ ত্যুর হার ০.৬ শতাংশ যেখানে বিশ্বব্যাপী গড় ৩.৭ শতাংশ এর তুলনায় যথেষ্ট কম । বিশ্বব্যাপী পুনরুদ্ধারের হার ৫৮ শতাংশের বিপরীতে আরব আমিরাতে 90% রোগী পুনরুদ্ধার হয়েছে ।মঙ্গলবার চতুর্থ দিনের জন্য কোভিড -১৯ এর কোনও হতাহতের খবর না পাওয়ায় চিকিত্সকরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণ টেস্টিং ড্রাইভের প্রশংসা করেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চলে ব্যাপক স্ক্রিনিং টেস্ট করায় ভাইরাসটির বিস্তার রোধ করতে সহায়তা করেছে। ডাক্তার আরও বলেছিলেন যে প্রতিদিন 40,000 থেকে 50,000 টি পরীক্ষা করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত গত সপ্তাহে রিপোর্ট হওয়া মামলার সংখ্যা অবিচ্ছিন্নভাবে কমতে দেখেছে। আবু ধাবি পরিচালিত পরীক্ষায় প্রতি রাজধানী জুড়ে নিশ্চিত মামলায় প্রশংসনীয় হ্রাস ও নিশ্চিত করেছেন। ফলাফলগুলি কোভিড -১৯ এর বিস্তার রোধে সহায়তার জন্য প্রতিষ্ঠিত সতর্কতামূলক

পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করার জন্য সম্প্রদায়ের সহযোগিতা এবং প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। 27 শে জুলাই পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ তার হোম স্ক্রিনিং উদ্যোগের প্রথম মাসে ১৫ টি আবাসিক অঞ্চলে 200,000 এরও বেশি পরীক্ষা করেছে।

এদিকে, আবুধাবির সাতটি হাসপাতালের শতাধিক ফ্রন্টলাইন চিকিত্সা পেশাদাররা কোভিড -১৯ টি ভ্যাকসিনের চলমান ধাপ ৩ য় পরীক্ষার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছেন।

মাল্টি-ফেজের উদ্যোগে, ভিপিএস হেলথ কেয়ারের এলএলএইচ, লাইফেকার, বুর্জিল এবং আবু ধাবি, মুসফাহা ও আল আইন-এর মেডিওর হাসপাতালের ফ্রন্টলাইনাররা 4 হিউম্যানিটি ভ্যাকসিন ট্রায়াল প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছিল।

আরব আমিরাতে পা,লিয়েছেন স্পেনের সাবেক রাজা হুয়ান কার্লোস!

দু,র্নী,তির একটি অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর দেশ ছেড়েছেন স্পেনের সাবেক রাজা হুয়ান কার্লোস। ছয় বছর আগে ছেলের কাছে ক্ষমতা হ,স্তান্তর করেন কার্লোস। গত জুনে

সৌদি আরবের একটি দ্রুতগতির রেল প্রকল্পের চুক্তিতে কার্লোসের বি,রু,দ্ধে দুর্নী,তি অভিযোগ তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট।

দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক স্প্যানিশ রাজা হুয়ান কার্লোস এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতে আছেন। আবুধাবির এমিরেটস প্যালেস হোটেলে অবস্থান করছেন তিনি। শুক্রবার (৭ আগস্ট) স্পেনের দৈনিক সংবাদপত্র এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালে স্পেনের স্বৈরশাসক জেনারেল ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর পর দেশটিকে গণতন্ত্রের পথে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে হুয়ান কার্লোস বেশ দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

রাজসিংহাসনে ৪০ বছর থাকার পর ২০১৪ সালে তিনি ছেলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। সৌদি আরবের মক্কা-মদিনা রেল প্রকল্পের জন্য ৬০০ কোটি ডলারের কাজ পেয়েছিল স্পেনের একটি কোম্পানি।

২০১৪ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর সৌদি প্রকল্পের সঙ্গে হুয়ান কার্লোসের দুনীতির সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের উদ্যোগ নেয় দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। তিনি যতক্ষণ পর্যন্ত রাজা ছিলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তার দায়মুক্তি ছিল।

গত জুনে তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। এরপর হঠাৎই দেশ ছাড়েন সাবেক এ রাজা। তবে তিনি কোথায় আছেন সে ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে প্যারিস থেকে আবুধাবিগামী একটি ব্যক্তিগত বিমান স্পেনের ভিগো শহরে অবতরণ করে। সেখান থেকে হুয়ান কার্লোস, চার নিরাপত্তারক্ষী ও আরেক ব্যক্তিকে বিমানে তুলে নেয়া হয়। আবুধাবির আল বাতিন বিমানবন্দরে পৌঁছার পর কার্লোস ও তার সঙ্গীদের একটি হেলিকপ্টারে করে হোটেল এমিরেটস প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্পেনের রাজপ্রাসাদের মুখপাত্র দাবি করেছেন, কার্লোস কোথায় আছেন তা তার জানা নেই। তার আইনজীবীর কাছ থেকেও এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে সাড়া পাওয়া যায়নি। স্পেন

সরকারও এ ব্যাপারে কিছু বলছে না। কিছু কিছু মিডিয়ার খবরে দাবি করা হয়েছে, কার্লোস ডমিনিকান রিপাবলিক ও পর্তুগালের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। তবে দুই দেশের কেউই কার্লোসের ব্যাপারে কিছু জানা নেই বলে দাবি করেছে।

স্পেনের রাজপ্রাসাদ থেকে জানানো হয়, কয়েক সপ্তাহ আগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। সাবেক রাজা হুয়ান কার্লোস তার দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত চিঠির মাধ্যমে ছেলে ফিলিপকে জানিয়েছেন। সাবেক এই রাজা জানিয়েছেন, তদন্তের জন্য যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

আরব আমিরাতে ভয়াবহ আ’গুনে পু’ড়ে যাওয়া ৮০ ভাগ দোকানের মালিক বাংলাদেশি

প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে কত রকমের ঘটনা ঘটে চলেছে। বর্তমানে অনেক প্রবাসীদেরও হর হামেশাতেই পড়তে হচ্ছে নানা বিড়ম্বনায়

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশের নতুন সানাইয়া সবজি মার্কেটের পাশে

পাবলিক মার্কেট বা ইরানি মার্কেটে বুধবার সন্ধ্যায় ভ’য়াবহ অ’গ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে প্রায় ১০০ দোকান পু’ড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব দোকানের মধ্যে ৮০ ভাগ দোকানের মালিকই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

মার্কেটে কার্পেট, কম্বল, বোরকা, কেন্দুরা, কোকারিজ, জুতা, জুয়েলারিসহ বিভিন্ন রকমের পণ্যের দোকান ছিল। এক একটি দোকানের পজিশন ব্যয় ছিল ৩-৪ লাখ দিরহাম করে।

এই অ’গ্নিকাণ্ডে ব্যা’পক ক্ষ’তি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে মার্কেট ব’ন্ধ থাকার কারণে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।আজমান সি’ভিল ডি’ফেন্সের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন ঘণ্টার চে’ষ্টায় আ’গুন নি’য়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে অ’গ্নিকাণ্ড পুরোপুরি নে’ভাতে এখনও চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এদিকে দুবাই, শারজাহ এবং উম্মে আল কোয়াইন সিভিল ডিফেন্স স্টেশনগুলো আ’গুন নেভানো কাজে আজমান বা’হিনীকে সাহায্য করে। আ’গুন নেভাতে দমকলের বেশ কয়েকটি ই’ঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

অন্যদিকে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী গাড়িগুলোকে বি’কল্প রাস্তা ব্যবহার করার আহ্বান জানায় আজমান সিভিল ডিফেন্স।

আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে আ,গুন, বে,ড়িয়ে আসছে নতুন র,হস্য!

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় হাফ্‌র আল-বাতিন শহরের একটি পশুখাদ্য মার্কেটে ভয়াবহ

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো প্রাণহানি ঘটে নি, শুধু পশুখাদ্য ভর্তি ২০টি ট্রাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের আল ইয়াউম পত্রিকা এ খবর দিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সফলভাবে ভয়াবহ এ আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সক্ষম হন। এ ঘটনার পর সৌদি আরবের পরিবেশ, পানি সম্পদ ও কৃষি মন্ত্রণালয় অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের পরিচালক আমের আল-মুতারি জানান, অগ্নিকাণ্ডে মার্কেটের ছোট একটি অংশ এবং কয়েকটি ট্রাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বিক্রেতা ও গুদাম মালিকদেরকে নিরাপত্তার মান বাড়াতে ও নিরাপত্তার সরঞ্জামাদির ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

গত সপ্তাহেও এই মার্কেটে আগুন লেগেছিল। ক্রেতারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে ওই মার্কেটে।

এদিকে, গতকাল (বুধবার) সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির আজমান এলাকার একটি ফল ও সবজি মার্কেটে বড় রকমের অ,,গ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজমান পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এতে কোনো হতা,হতের ঘটনা ঘটে নি এবং দ্রুতই আগুন নিয়ন্ত্রেণ আনা হয়। তবে মার্কেটের কিছু অংশ পুড়ে গেছে।

এদিকে, লেবাননের বৈরুত বন্দরে মঙ্গলবার এক বি,স্ফোর,ণে ১৪৫ জনের বেশি মানুষ মা,রা গেছেন৷ একটি গুদা,মে মজুদ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের কারণে এই ,দুর্ঘ,,টনা ঘটেছে বলে কর্তৃপক্ষ বলছে৷ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের কারণে অতীতেও দুর্ঘটনা ঘটেছে৷ পৃথিবীজুড়ে এমন ধারাবাহিক অগ্নিকা,ণ্ড ও বি,,স্ফো,,রণ কেবল দুশ্চিন্তাই নয় রহস্যও বাড়াচ্ছে।