সৌদির সালমানের উত্থান ও দেশে-বিদেশে গোপন মিশন

কয়েকশ কোটি ডলারের অর্থ কেলে’ঙ্কারিতে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বারো বছরের কা’রাদণ্ড হয়েছে।মি. রাজাকের বি’রুদ্ধে এ পর্যন্ত আনা দুর্নীতির সাতটি অভিযোগেই তিনি দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। এই দুর্নীতি বলা

হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলে’ঙ্কারিগু’লোর অন্যতম, যার জাল জড়িয়ে পড়েছিল এশিয়া থেকে হলিউড পর্যন্ত ।

ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেল’পমেন্ট বেরহাদ বা ওয়ানএমডিবি একটি রাষ্ট্রীয় তহবিল, যা গঠন করা হয় ২০০৯ সালে যখন নাজিব রাজাক

দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তহবিল সংগ্র’হের লক্ষ্যে এই প্রকল্প নেয়া হয়েছিল।মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার

জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে ক’য়েকশ কোটি ডলার অর্থ হাওয়া হয়ে যায়, বিশ্ব অর্থ’নীতির কালো গহ্বরে কোথায় হারিয়ে যায় সেই বিপুল পরিমাণ অর্থ।

আমেরিকান এবং মালয়েশীয় কৌঁসু’লিরা বলেছেন, এই অর্থ কিছু ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে।

এছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয়েছে বিলাসবহুল ভবন, ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ এবং মনে-র মত বিখ্যাত চিত্র’শিল্পীদের চিত্রকর্ম এবং নির্মাণ করা হয়েছে হলিউডের ব্লক’বাস্টার হিট ছবি।

কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, তহবিল থেকে সরানো হয়েছে সাড়ে চারশো কোটি ডলার, যা গেছে বিভিন্ন ব্যক্তির পকেটে।

এই ওয়ানএমডিবি কেলে’ঙ্কা’রির সঙ্গে জড়িয়ে আছে অন্ত’ত ছয়টি দেশ। বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেনের সন্ধা’নে তদন্ত চালানো

হয়েছে সুই’স ব্যাংক থেকে শুরু করে যেসব বিভিন্ন দ্বীপ রাষ্ট্র কর মও’কুফের স্বর্গরাজ্য সেসব দ্বী’পের ব্যাং’কগুলো’তে এবং দক্ষি’ণপূর্ব এশিয়ার মূল কেন্দ্রে।

এই কেলে’ঙ্কা’রিতে জ’ড়িয়ে থাকা চরিত্র এবং গল্পে’র প্লট ধারা’বাহিক রোম’হর্ষক কাহিনির মত মুখরো’চক।

আন্তর্জাতিক পরিসরে যেসব ক্ষ’মতা’শালী এই অর্থে লাভ’বান হয়েছেন বলে অভিযোগ, তাদের কাছে কীভাবে

এই অ’র্থ পৌঁছল তার ওপর ধৈ’র্য্য ধরে নজর রেখেছিলেন যেসব সাংবাদিক – তাদের রিপো’র্টে উঠে এসেছে এই রোমাঞ্চকর গল্প।

কম টাকায় সৌদিতে কৃষিকাজে ইকামা নবায়ন করছে বাংলাদেশী প্রবাসীরা

কৃষিপ্রধান অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ ছেড়ে সৌদি এসেও শত প্র’তিকূলতার মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশী প্রবাসীরা।

প্রায় জনশূন্য বিশাল ধু-ধু মরুর বুকে কৃষকরা মনের আনন্দে চাষাবাদ করছেন মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি ও আবাদি ফসল।

বাংলাদেশি শ্রমিকেরা জানান, আমরা এখানে বাংলাদেশের মতো সবকিছুই চাষবাদ করি। মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন ফলফলালিও চাষ করি।

সৌদি আরবে কৃষিখামার একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এর জন্য পরিশ্রমও করতে হয় অনেক। লাভ যেমন ঝুঁকিও রয়েছে তেমন।

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৮ থেকে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকে। এসময় জমিনের ফসল গরমে ন’ষ্ট হয়ে যায়।

সৌদি নাগরিকরা শহরের পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক সময় প্রশান্তির খোঁজে ছুটে আসেন এই গ্রামাঞ্চলে।কৃষিখাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করে সৌদি সরকার।

কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিকের ইকামা অর্থাৎ রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন করতে নামমাত্র মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফসলের উৎপাদন খরচ কমে আসে, লাভের পরিমাণও থাকে বেশি।

আমেরিকাকে কাতারে হা’মলার আহবান জানায় সৌদি !

আমেরিকার প’ররাষ্ট্রনী’তি সম্পর্কিত একটি ম্যাগাজিনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের দিকে কাতার উপর অ’বরোধের সময় সৌদি আরবের বাদশা সালমান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কাতারে হা’ম;লার আহবান জানায়। কিন্তু সৌদির সেই আহবান সা’ড়া দে’ননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এখবর প্রকাশিত হওয়ার পর তী’ব্র প্র’তিক্রিয়া জানিয়েছে কাতার। দোহা বলছে, রিয়াদের পক্ষ থেকে কোনো প্র’তিক্রিয়া না জানানোই প্রমাণ করে কাতারে হা;মলার আহ্বানের খবর সত্য। ২০১৭ সালের জুন থেকে সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যে উ’ত্তেজনা চলে আসছে। সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত,

ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হচ্ছে পারস্য উপসাগরীয় স’হযোগিতা প’রিষদ বা পিজিসিসি’র সদস্য।সৌদি আরব নিজেকে এ পরিষদের মো’ড়ল মনে করে এবং আশা করে এ পরিষদের সদস্য সব দেশ প’ররাষ্ট্র নী’তির ক্ষেত্রে রিয়াদের সঙ্গে শ’লাপরামর্শ বা স’মন্বয় করে চলবে।

কিন্তু কাতার সৌদি আরবের এ মনোভাবের সরাসরি বি’রোধিতা করেছে এবং কুয়েত ও ওমানও কাতারের সঙ্গে যু’ক্ত হয়।
সৌদি আরবের ইরান বি’রোধী ক’র্মকাণ্ড ও পশ্চিম এশিয়ায় হ’স্তক্ষেপে কাতার স’হযোগীতা না করায় সম্পর্কের অ;বনতি ঘ’টা শুরু হয়।

বি’শেষ করে ২০১৭ সালের মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে আরব ও বেশ কিছু মুসলিম দেশের স’ম্মেলনের পর ইরান বি’রোধিতার মা’ত্রা অতীতের সকল রে’কর্ড ছাড়িয়ে যায়।

এর কিছুদিন পর ইরান বি’রোধী একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে সৌদি সরকার। এর প্র’তিক্রিয়ায় কাতারের আ’মির শেইখ তামিম বিন হামদ আলে সানি ইরানকে আঞ্চলিক বৃহৎ শ’ক্তি হিসেবে অভিহিত করে বলেন ইরানের সঙ্গে তাদের ঘ’নিষ্ঠ ও ভালো সম্পর্ক ব’জায় রয়েছে।

খ্যাতনামা বি’শ্লেষক সাইমন হ্যান্ডারসন এক নিবন্ধে বলেছেন, সৌদি ও কাতারের ম’ধ্যকার উ’ত্তেজনার একটি বড় কারণ হচ্ছে ইরানের সঙ্গে কাতারের ঘ’নিষ্ঠতা এবং এ দু’দেশই সৌদি নী’তির তী’ব্র বি’রোধী। তিনি বলেন, ইরানের ব্যাপারে কাতারের ই’তিবাচক দৃ’ষ্টিভঙ্গির কারণে আরব দেশগুলোর জো’টের মাধ্যমে ইরানভী’তি ছ’ড়ানোর সৌদি চেষ্টা কার্যত ব্য’র্থ হয়ে গেছে।

প’র্যবেক্ষকরা বলছেন, কাতারের সৌদি বি’রোধী অবস্থান রিয়াদের কাছে এতোটাই অ’স’হ্যকর হয়ে দাঁড়ায় যে তারা কাতারে হা’মলা চা’লানোর জন্য আমেরিকাকে অ’নুরোধ করেছিল। গত ৬ আগস্ট মার্কিন সাময়িকী ফরেন প’লিসির নি’বন্ধে এ কথা ফাঁ’স করে দেয়া হয় যে রিয়াদ, মানামা,

কায়রো ও আবুধাবি ২০১৭ সালে কাতারের বি’রুদ্ধে অ’বরোধ আ’রোপ করার পর সৌদি রাজা সেসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টেলিফোন করে কাতারের ওপর সা’মরিক হা’মলা চালানোর অ’নুরোধ করেছিলেন। কিন্তু ট্রাম্প সে প্র’স্তাবে রাজি হ’ননি।

ইরানভী’তি ছ’ড়িয়ে দেয়া এবং কাতারকে নি’য়ন্ত্রণে আনতে ব্য’র্থ হওয়ার পর যু’দ্ধবাজ সৌদি যুবরাজ সালমান কেন সা’মরিক প’ন্থায় অ’গ্রসর হওয়ার চি’ন্তা করেছিলেন সেটাই এখন প্রশ্ন।

প্রকৃতপক্ষে যু’বরাজ সালমান রা’জার পদে অ’ধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য অ’স্থির হয়ে পড়েছেন। এ কারণে যু’দ্ধের মাধ্যমে তিনি সৌদি জনগণ ও প্র’শাসনে নিজের ক্ষ’মতা প্রদর্শন এবং সৌদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রে’ষ্ঠ সা’মরিক শ’ক্তি হিসেবে পরিচিত করার চে’ষ্টা করেছেন।

ঠিক একই উদ্দেশ্যে তিনি ২০১৫ সালে ইয়েমেনের বি’রুদ্ধে যু’দ্ধ শুরু করেন। এরপর ২০১৭ সালে কাতারের বি’রুদ্ধে অ’বরোধ আ’রোপের পর যু’দ্ধ বা’ধাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেননি। সূত্রঃ সময় টিভি

সৌদিতে জো’র করে কাউকে কাজ অথবা ভি’ক্ষাবৃত্তি করালে যে কঠিন শাস্তির ঘোষনা দিলেন সৌদি সরকার

মানবপাচারের বিরুদ্ধে অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব। সেখানে মানব’পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে নতুন আইন আরও কঠোর করা হচ্ছে।

সৌদিতে জোর করে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অথবা ভিক্ষাবৃত্তি করালে ১০ বছরের হাজত অথবা ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।

এদিকে এই ল’ক্ষ্যেই নতুন শ্র’ম আ’ইন কঠোর করছে দেশটির সরকার। নতুন আ’ইনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করালে কঠোর শা’স্তি হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন জানিয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য করলে কিংবা মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে ক’ঠোর শা’স্তি হবে।

নতুন আ’ইনে স’র্বোচ্চ ১০ বছরের কা’রাদণ্ড বা সর্বাধিক ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা উভয়ই দ’ণ্ডে দ’ন্ডিত করা হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, শা’স্তি শরিয়াহ আ’ইনের মূল নীতিমালা অনুসারে হবে। এতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলি মানবাধিকার র’ক্ষার জন্য করা হয়েছে।ঐ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “সৌদি আরব মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সৌদির উদ্দেশ্য মহৎ, তারা মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর”।

সৌদি আরবের এই আইন কর্তৃক গৃহীত ব্য’বস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার ও ক’র্তব্য নিশ্চিত করা।

প্রবাসী শ্রমিকদের দিয়ে জো’রপূর্বক কাজ করানো কিংবা শ্রম আইন ল’ঙ্খন করা যাবে না। এছাড়াও মানব পাচারের সাথে সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা ক’ঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইনের মতোই সৌদির আইনও কঠোর।

সৌদি জোটের বিমান হা’মলায় ইয়েমেনে নি’হত ৯ শিশু

সৌদি আরব জো’টে’র বিমান হা’ম’লায় ইয়েমেনে নি’হ’ত ৯ শি’শুঃ ইয়েমেনের উত্তরোঞ্চলে ভ;য়া’বহ বিমান হা;ম’লায় অন্তত ৯ শি;শু নি;হ’ত হয়েছে। এ নিয়ে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বলেছেন,

চলতি মাসে ইয়েমেনের বি;দ্রো’হী নি;য়ন্ত্রিত অঞ্চলটিতে শি;শুদের ল;ক্ষ্য করে চা;লানো ২য় ভ;য়াবহ হা;মলা এটি।

গত ০৬ আগস্ট জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক মা;নবাধিকার সমন্বয়ক লিসে গ্র্যান্ডে এক সংবাদ বিবৃত্তিতে বলেছেন,হ;তাহ’তদের মধ্যে বেশিরভাগই শি;শু ও নারী। তারা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলো। বৃহস্পতিবার হা;ম’লার ঘ;ট’না ঘ’টে বলেও জানান তিনি। হা;ম’লায় বি;স্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের হা;ম’লা চূ;ড়ান্তভাবে অ;গ্র’হণযোগ্য।

ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের জাওফ প্রদেশ হা;উথি বি;দ্রো’হীরা নি;য়ন্ত্রণ করে। বি;দ্রো’হীদের স্বা;স্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়,বৃহস্পতিবার সৌদি নে;তৃত্বাধীন সা;মরিক জো;টের স;মর্থপুষ্ট ইয়েমেন সরকার উত্তরাঞ্চীয় এলাকায় অন্তত ৬ দফা বিমান হা;ম’লা চা;লায়। প্রাথমিকভাবে তারা জানায়, অন্তত ২০ জন নি;হ’ত হয়েছে। যাদের অধিকাংশ নারী ও শি;শু।হা;উথি নি;য়ন্ত্রিত এলাকায় গণমাধ্যম এবং স্বেচ্ছাসেবীদের প্র;বেশাধিকার ;সী’মিত। তাই ওইসব এলাকায় কী ঘ’টে তার বিস্তারিত জানা খু;বই ক;ঠিন।

সৌদি আরব জো;টের মুখ’পাত্র, তুর্কি আল মালিকি সৌদি গণমাধ্যম আশরাক আল আওসাতকে বলেন, বে;সা;মরকি নাগরিক হ;তাহ’তের অ;ভিযোগের বিষয়টি গ;ভীর’ভাবে প;র্যবেক্ষণ করছি আমরা।

বিগত কয়েক বছর ধরে ইয়েমেনে হা;উথি বি;দ্রো’হীদের বি;রু’দ্ধে অ;ভিযান চা;লিয়ে যাচ্ছে সৌদি জো;ট।তাদের অ’ব্যাহত বিমান হা;মলায় হাজার হাজার মানুষ নি;হত হয়েছে। হা;মলার ল;ক্ষ্যবস্তু হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,

হাসপাতাল, বিয়ের অনুষ্ঠান। জো’টের এমন নি;ষ্ঠুরতা আন্তর্জাতিক অঙ্গণে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তাদের মি;ত্রদের ভা;বমূর্তিকে চ’রম সং;কটে মধ্যে ফে;লেছে।গত ১৪ জুলাই জাতিসংঘ জানায়, হাজ্জাহ প্রদেশে বিমান হা;মলায় ৭ শি;শু নি;হ’ত হয়েছে। যাদের কয়েকজনের বয়স দু’বছরেরও কম।হা;উথি বি;দ্রো’হী এবং স্বেচ্ছাসেবীদের বরাতে গণমাধ্যম জানায়, নতুন জন্ম নেয়া শিশুর নাম রাখার অনুষ্ঠানে পরদিনই হা;মলা চা’লায় সৌদি জো;ট। নি;হত হয় ৬ শি;শুসহ ১০ জন।

ইরান স;মর্থিত হা;উথিরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দ’খল করে দেশটির জাতিসংঘ স্বী’কৃত সর’কার প্রধান আবদ রাব্বু মানসুর হাদিকে নি;র্বাসনে যেতে বা;ধ্য করে।

পরের বছরই সৌদি আরব সা;মরিক জো;ট গঠন করে। বলা হয় ইয়েমেনে ইরানের প্র;ভাব প্র;তিহত করাই তাদের ল’ক্ষ্য।
ইয়েমেন সং;ঘাতে এক লক্ষের বেশি মানুষ মা;রা গেছে। বা;স্তুচ্যুত হয়েছে ৩০ লাখের বেশি।

দুই তৃতীয়াংশ মানুষ নি;র্ভর করে খাদ্য স’হায়তার উপর। ইয়েমেনের এ প;রিস্থিতিকে পৃথিবীর ভ;য়াবহতম মা;নবিক সং;কট আ;খ্যা দেয়া হয়েছে। সূত্রঃ সময় টিভি

সৌদি জোটের বিমান হামলায় ইয়েমেনে নিহত ৯ শিশু

সৌদি আরব জো’টে’র বিমান হা’ম’লায় ইয়েমেনে নি’হ’ত ৯ শি’শুঃ ইয়েমেনের উত্তরোঞ্চলে ভ;য়া’বহ বিমান হা;ম’লায় অন্তত ৯ শি;শু নি;হ’ত হয়েছে। এ নিয়ে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা বলেছেন,চলতি মাসে ইয়েমেনের বি;দ্রো’হী নি;য়ন্ত্রিত অঞ্চলটিতে শি;শুদের ল;ক্ষ্য করে চা;লানো ২য় ভ;য়াবহ হা;মলা এটি।গত ০৬ আগস্ট জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক মা;নবাধিকার সমন্বয়ক লিসে গ্র্যান্ডে এক সংবাদ বিবৃত্তিতে বলেছেন,

হ;তাহ’তদের মধ্যে বেশিরভাগই শি;শু ও নারী। তারা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলো। বৃহস্পতিবার হা;ম’লার ঘ;ট’না ঘ’টে বলেও জানান তিনি। হা;ম’লায় বি;স্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের হা;ম’লা চূ;ড়ান্তভাবে অ;গ্র’হণযোগ্য।ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলের জাওফ প্রদেশ হা;উথি বি;দ্রো’হীরা নি;য়ন্ত্রণ করে। বি;দ্রো’হীদের স্বা;স্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়,বৃহস্পতিবার সৌদি নে;তৃত্বাধীন সা;মরিক জো;টের স;মর্থপুষ্ট ইয়েমেন সরকার উত্তরাঞ্চীয় এলাকায় অন্তত ৬ দফা বিমান হা;ম’লা চা;লায়। প্রাথমিকভাবে তারা জানায়, অন্তত ২০ জন নি;হ’ত হয়েছে। যাদের অধিকাংশ নারী ও শি;শু।হা;উথি নি;য়ন্ত্রিত এলাকায়

গণমাধ্যম এবং স্বেচ্ছাসেবীদের প্র;বেশাধিকার ;সী’মিত। তাই ওইসব এলাকায় কী ঘ’টে তার বিস্তারিত জানা খু;বই ক;ঠিন।সৌদি আরব জো;টের মুখ’পাত্র, তুর্কি আল মালিকি সৌদি গণমাধ্যম আশরাক আল আওসাতকে বলেন, বে;সা;মরকি নাগরিক হ;তাহ’তের অ;ভিযোগের বিষয়টি গ;ভীর’ভাবে প;র্যবেক্ষণ করছি আমরা।বিগত কয়েক বছর ধরে ইয়েমেনে হা;উথি বি;দ্রো’হীদের বি;রু’দ্ধে অ;ভিযান চা;লিয়ে যাচ্ছে সৌদি জো;ট।তাদের অ’ব্যাহত বিমান হা;মলায় হাজার হাজার মানুষ নি;হত হয়েছে। হা;মলার ল;ক্ষ্যবস্তু হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,হাসপাতাল, বিয়ের অনুষ্ঠান। জো’টের এমন নি;ষ্ঠুরতা আন্তর্জাতিক অঙ্গণে

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং তাদের মি;ত্রদের ভা;বমূর্তিকে চ’রম সং;কটে মধ্যে ফে;লেছে।গত ১৪ জুলাই জাতিসংঘ জানায়, হাজ্জাহ প্রদেশে বিমান হা;মলায় ৭ শি;শু নি;হ’ত হয়েছে। যাদের কয়েকজনের বয়স দু’বছরেরও কম।হা;উথি বি;দ্রো’হী এবং স্বেচ্ছাসেবীদের বরাতে গণমাধ্যম জানায়, নতুন জন্ম নেয়া শিশুর নাম রাখার অনুষ্ঠানে পরদিনই হা;মলা চা’লায় সৌদি জো;ট। নি;হত হয় ৬ শি;শুসহ ১০ জন।ইরান স;মর্থিত হা;উথিরা ২০১৪ সালে রাজধানী সানা দ’খল করে দেশটির জাতিসংঘ স্বী’কৃত সর’কার প্রধান আবদ রাব্বু মানসুর হাদিকে নি;র্বাসনে যেতে বা;ধ্য করে।পরের বছরই

সৌদি আরব সা;মরিক জো;ট গঠন করে। বলা হয় ইয়েমেনে ইরানের প্র;ভাব প্র;তিহত করাই তাদের ল’ক্ষ্য।ইয়েমেন সং;ঘাতে এক লক্ষের বেশি মানুষ মা;রা গেছে। বা;স্তুচ্যুত হয়েছে ৩০ লাখের বেশি।দুই তৃতীয়াংশ মানুষ নি;র্ভর করে খাদ্য স’হায়তার উপর। ইয়েমেনের এ প;রিস্থিতিকে পৃথিবীর ভ;য়াবহতম মা;নবিক সং;কট আ;খ্যা দেয়া হয়েছে। সূত্রঃ সময় টিভি

সৌদি আরবে প্রবাসীদের জন্য দারুন সুখবর, ইকামা নবায়ন শুরু

সৌদি আরবে এসেও শত প্রতিকূলতার মধ্যে কৃষিপ্রধান অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশ ছেড়ে কৃষিক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বাংলাদেশী প্রবাসীরা।

প্রায় জনশূন্য বিশাল ধু-ধু মরুর বুকে কৃষকরা মনের আনন্দে চাষাবাদ করছেন মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন সবজি ও আবাদি ফসল।

বাংলাদেশি শ্রমিকেরা জানান, আমরা এখানে বাংলাদেশের মতো সবকিছুই চাষবাদ করি। মাসকলাই, আলু, ফুলকপি-বাঁধাকপি, পালংশাক, লালশাকসহ বিভিন্ন ফলফলালিও চাষ করি।

সৌদি আরবে কৃষিখামার একটি লাভজনক ব্যবসা, তবে এর জন্য পরিশ্রমও করতে হয় অনেক। লাভ যেমন ঝুঁকিও রয়েছে তেমন। মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবে ৪৮ থেকে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকে। এসময় জমিনের ফসল গরমে নষ্ট হয়ে যায়।

সৌদি নাগরিকরা শহরের পরিবেশে অতিষ্ঠ হয়ে অনেক সময় প্রশান্তির খোঁজে ছুটে আসেন এই গ্রামাঞ্চলে।

কৃষিখাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করে সৌদি সরকার। কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিকের ইকামা অর্থাৎ রেসিডেন্স পারমিট নবায়ন করতে নামমাত্র

মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই ফসলের উৎপাদন খরচ কমে আসে, লাভের পরিমাণও থাকে বেশি।

সৌদি থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের তারিখ ঘোষণা

সৌদি আরবে আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে আগামীকাল রোববার (৯ আগস্ট) রিয়াদে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

বিজি-৪১৪০ ফ্লাইটটি রিয়াদ থেকে যাত্রী নিয়ে রোববার ঢাকায় ফিরবে। শনিবার (৮ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

তথ্য মতে, রিয়াদ থেকে ঢাকায় বিজনেস শ্রেণির ভাড়া দুই হাজার ৯৫০ সৌদি রিয়াল। শিশুদের ক্ষেত্রে ১২ বছরের নিচে মূল ভাড়ার ৭৫ শতাংশ ও ট্যাক্স। দুই বছরের নিচে শিশুদের মূল ভাড়ার ২৫ শতাংশ ও ট্যাক্স।

ফ্রি ব্যাগেজ মোট ৫৫ কেজি ও হাতব্যাগ সাত কেজি আনতে পারবেন যাত্রীরা। ইকোনমি শ্রেণিতে ভাড়া দুই হাজার ৫০ সৌদি রিয়াল।

১২ বছরের নিচে শিশুদের ক্ষেত্রে মূল ভাড়ার ৭৫ শতাংশ ও ট্যাক্স। দুই বছরের নিচে শিশুদের মূল ভাড়ার ২৫ শতাংশ ও ট্যাক্স।

ফ্রি ব্যাগেজ দুই পিস ৪৫ কেজি ও হাতব্যাগ এক পিস সাত কেজি বহন করতে পারবেন যাত্রীরা। বিশেষ এক্সেস ব্যাগেজ এক পিস ২৩ কেজি আনতে ৪০০ সৌদি রিয়াল পরিশোধ করতে হবে।

সৌদি আরবে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র, বাংলাদেশী নাগরিকের তথ্য অনিরাপদ হাতে

বিদেশে বাংলাদেশী নাগরিকদের পাসপোর্ট নবায়ন, জন্মসনদ নিবন্ধন, সত্যায়িতকরণ, প্রবাসী কল্যাণ কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কনস্যুলার সেবা সরাসরি দিয়ে থাকে দূতাবাসগুলো।

তবে সৌদি আরবে এ সেবা কার্যক্রমে আল মা’মল জেনারেল সার্ভিসেস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এতে সেবা পেতে প্রবাসীদের অতিরিক্ত অর্থ যেমন গুনতে হচ্ছে, তেমনি নাগরিকদের তথ্য অনিরাপদ হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কাও করছেন বিশ্লেষকরা।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র বা এক্সপ্যাট্রিয়েট ডিজিটাল সেন্টার (ইডিসি) স্থাপনের পরিকল্পনা নেয় সরকার।

ইডিসির মাধ্যমে দূতাবাসগুলোর কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম আরো হাতের নাগালে আনা এবং সেবা সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের বিভিন্ন সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া নিশ্চিত করতে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা সই করা হয়।

এতে দূতাবাস প্রথম পক্ষ, আল মামল জেনারেল সার্ভিসেস দ্বিতীয় পক্ষ এবং এটুআই প্রোগ্রাম ছিল তৃতীয় পক্ষ।ইডিসি নিয়ে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা অনুযায়ী, ইডিসির উদ্যোক্তা দূতাবাস নির্বাচিত করবে। আর উদ্যোক্তা পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগকৃত হবে।

উদ্যোক্তা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দূতাবাসের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। নতুন উদ্যোক্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে বিকল্প উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মরত উদ্যোক্তা অগ্রাধিকার পাবেন। কোনো কারণে উদ্যোক্তা পরিবর্তনজনিত হলেও এ সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখা যাবে না।

উদ্যোক্তাদের কোনো ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হলে বা অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে দূতাবাস সহায়তা প্রদান করবে।

এছাড়া উদ্যোক্তারা দূতাবাসের নির্ধারিত সেবার বাইরে কোনো সেবা দিতে পারবে না। সেই সঙ্গে দূতাবাসের ঠিক করে দেয়া নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত কোনো ফি নিতে পারবে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আল মামল জেনারেল সার্ভিসেস বর্তমানে সাত ধরনের সেবা দিয়ে আসছে। এজন্য সরকারি ফির বাইরে সর্বোচ্চ দ্বিগুণ অর্থ নিচ্ছে তারা। সৌদি আরবের রিয়াদ,

জেদ্দা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য ফি কিছুটা কম হলেও অন্যান্য শহরে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের বেশি ফি গুনতে হচ্ছে। বর্তমান সেবাগুলোর মধ্যে পাঁচ বছরের জন্য পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে সরকারি ফির বাইরে ৪০ থেকে ৬০ সৌদি রিয়াল অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের।

এছাড়া পাসপোর্ট নবায়নে ১০ থেকে ১৫ রিয়াল, ট্রাভেল পারমিটের জন্য ২০ থেকে ৩০ রিয়াল, নথি সত্যায়িতকরণে ১০ রিয়াল, সৌদি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য দূতাবাসের সুপারিশপত্র পেতে ১০ রিয়াল,

নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ সরবরাহে ১০ রিয়াল এবং প্রবাসী কল্যাণ কার্ডের জন্য অতিরিক্ত ৪৫ থেকে ৬০ রিয়াল গুনতে হচ্ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের।কূটনীতিকরা বলছেন, এ ধরনের সেবা অনেক দেশ দিয়ে থাকে, তবে তা দেয়া হয় একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, কোনো দেশে যদি দূতাবাস না থাকে, তবে সে দেশে অনারারি কনসাল জেনারেল এ ধরনের কিছু সেবা দিয়ে থাকেন।

তবে তা খুবই সীমিত। মূলত সত্যায়ন বা সুপারিশপত্র দিয়ে থাকেন তারা। কিন্তু দূতাবাস থাকলে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এ ধরনের কনস্যুলার

সেবা দেয়ার ঘটনা দেখা যায় না। আর সৌদি আরবে তো বাংলাদেশের পূর্ণ দূতাবাসসহ একটি কনস্যুলেটই রয়েছে।

সূত্র জানায়, ইডিসি পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে কিছু শর্ত দিয়েছিল দূতাবাস। শর্তগুলো হলো পাসপোর্ট ও অন্যান্য সরকারি কাগজপত্র পরিবহনের জন্য সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স থাকতে হবে।

কমিউনিটিতে গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম থাকতে হবে। এনএসআই নিরাপত্তা ছাড়পত্র ও সৌদি সরকারের অনুমতিপত্র ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র উতরাতে হবে। ইডিসি পরিচালনাকারীর বৈধ ইকামা থাকতে হবে।

উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার জন্য শহরের উপযোগী স্থানে কার্যালয় নিতে হবে। স্থানীয় আইন অনুযায়ী কাগজপত্র থাকতে হবে এবং কারিগরি আইটি ও আরবি ভাষা জানা সম্পন্ন দক্ষ ব্যক্তি হতে হবে। তবে শর্তের কোথাও এ কাজে পূর্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

আল মামল জেনারেল সার্ভিসেসের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। রিয়াদে প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে এর শাখা কার্যালয় রয়েছে।

২৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ সেবা, তৈরি পোশাকের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, বিভিন্ন অফিসের সাপ্লাই এবং রান্নাঘরের সরঞ্জামাদি সরবরাহ করে আসছে।সেই সঙ্গে এটুআইয়ের প্রকল্প ইডিসি সৌদি আরবের রিয়াদে বাস্তবায়ন হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির মোট ১১টি কার্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে রিয়াদেই তিনটি রয়েছে।

সৌদি আরবের কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, এর আগে কনস্যুলার সেবা দেয়ার কোনো অভিজ্ঞতা আল মা’মল জেনারেল সার্ভিসেসের নেই। আর এ ধরনের সেবার সঙ্গে নাগরিকের গোপনীয় তথ্য জড়িত।ফলে তাদের এ ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আগে কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবেও এ ধরনের সেবা তারা দেয়নি। ফলে তথ্যে গোপনীয়তা বোঝার অভিজ্ঞতা তাদের নেই।

আল মামল জেনারেল সার্ভিসেসের কাছে বাংলাদেশী নাগরিকদের তথ্য কতটা সুরক্ষিত এ বিষয়টি জানতে চাইলে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ২২ লাখ প্রবাসী সৌদিতে বসবাস করেন। আর সেখানে মিশনে আমাদের কর্মকর্তা রয়েছেন মাত্র ১০-১২ জন। ফলে প্রবাসীদের সেবা আরো সহজতর করতে ইডিসি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সৌদি আরবে বাংলাদেশের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহর সঙ্গে যোগাযোগ করা বণিক বার্তাকে বলেন, আল মামল জেনারেল সার্ভিসেসের দুই বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এখানে তারা দুই বছর ধরে এ সেবা দিয়ে আসছে।

এ সেবার ক্ষেত্রে নাগরিকের তথ্য বেহাত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ।

তিনি বলেন, তারা মূলত এক্সপ্রেস পোস্ট অফিস হিসেবে কাজ করছে। তারা মূলত যে আবেদনগুলো পাবে তা আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেবে। যেটি আগে আমরা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে নিতাম।

সৌদি সরকার থেকে আমাদের ভিএফএসের মাধ্যমে সেবাটি দেয়ার কথা বলেছিল। তবে ভিএফএসে সেবা পেতে আমার মতো রাষ্ট্রদূতকে লাইনে দাঁড়াতে হয়। সেখানে আমাদের শ্রমিকরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না।

সৌদি আরবে বিভিন্ন হাসপাতালে ক’রোনা রোগিদের পাশে কুরআন তেলাওয়াত করছেন স্বাস্থ কর্মীরা

সৌদি আরব বিভিন্ন হাসপাতালে করো’না রোগিদের পাশে বসে কুরআন তেলাওয়াত করছেন স্বাস্থ কর্মীরা,এমন কিছু দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়,

ছবিতেই দেখা যাচ্ছে রুগিদের পাশে বসে ডাক্তার এবং নার্সরা পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করছে। বি’ষয়টি প্রথম রহস্যময় মনে হলেও এটাই বাস্তব, আল্লাহর কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আছে সেফা, আল্লাহ চাইলে সবাই সুস্থ করে দিতে পারেন, তিনিই একমাত্র

সকল ক্ষমতার মালিক, সামন্য একটি ভাইরাসের কাছে গোটা পৃথিবী আজ অসহায়, আল্লাহ আমা’দের সবাই কে ক্ষ’মা করুক।সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ববোধ থেকে হারামাইন প্রেসিডেন্সির প্রধান প্রফেসর

ড. শায়েখ আবদুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আস সুদাইস করো’নাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্তদের জন্য জমজমের পানি সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন।

শায়েখ সুদাইসের ঘোষণার পর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে করো’নায় আ’ক্রা’ন্তরোগীদেরকে জমজমের পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। এছাড়া মক্কা ও ম’দিনা অধিদ’প্ত রও তাদের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে করো’নায় আ’ক্রা’ন্ত রোগীদের জন্য জমজমের পানি বিতরণ করছেন। সম্প্রতি ম’দিনা সফরকালে সেখানে ক’র্তব্যরত নিরাপ’ত্তারক্ষীদের মাঝে জমজমের পানি বিতরণ করেন হারামাইনের প্রেসিডেন্ট শায়েখ সুদাইস। উল্লেখ্য, জমজম মসজিদে হারামের

কাছে অবস্থিত একটি প্রসি’দ্ধ কূপ।পবিত্র কাবা ও এই কূপের মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৩৮ গজের। হজ ও উমর’া আ’দায়কারীর জন্য বিশেষভাবে এবং পৃথিবীর সব মুসলমানের জন্য সাধারণভাবে জমজমের পানি পান করা মুস্তাহাব। সহিহ হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি

ওয়াসাল্লাম নিজেজমজম থেকে পানি পান করেছেন। -সহিহ বোখারি: ১৫৫৬ সাহাবি হজরত আবু জর (রা.) বর্ণনা করেন,নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি বরকতময়, স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য।’ -সহিহ মুসলিম: ২৪৭৩ কোনো কোনো হাদিসে জমজমের পানিকে ‘রোগীর ঔষধ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন,

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের স’ঙ্গে পাত্রে ও মশকে করে জমজমের পানি বহন করতেন। তা অসুস্থদের ওপর ছিটিয়ে দিতেন এবং তাদের পান
করাতেন।-সুনানে তিরমিজি এ বর্ণনা থেকে এ কথাও জানা যায় যে, জমজমের পানি বহন করা জায়েজ। আর যারা জমজম কূপের কাছে নয়, তাদের পানকরানো নববী সুন্নত। জমজমের পানি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো- দোয়া করা।

হজরত জাবির (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে।’

-সুনানে ইবনে মাজাহ: ৩০৬২ বিখ্যাত বুজুর্গ ও মনীষীরা জমজমের পানি পানের সময় বিভিন্ন দোয়া করতেন।

একদিকে নভেল করো’নাভাইরাসের হানায় মৃ’ত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে গোটা যুক্তরাষ্ট্র, তার মধ্যেই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়েছে শক্তিশালী টর্নেডো।এতে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৩৩ জন, বিদ্যুৎবিচ্ছিন’্ন হয়ে পড়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। গত রোববার দিনের শুরু থেকেই মধ্য টেক্সাসে আঘা’ত হানতে শুরু করে টর্নেডো।

সেখানে ব্যাপক ধ্বং’সযজ্ঞ চালিয়ে এটি একে একে লুইজিয়ানা, আরাকানসাস, মিসিসিপি, টেনেসি, আলাবামা, জর্জিয়া ও ক্যারোলিনার ওপর দিয়ে যায়। এর আঘা’তে শুধু মিসিসিপি অ’ঙ্গরাজ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন।এছাড়া দক্ষিণ ক্যারোলিনায় মা’রা গেছেন নয়জন। সেখানে ঝড়ের আঘা’তে উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। মিসিসিপি, লুইজিয়ানা, আলাবামা’র গভর্নরেরা অ’ঙ্গরাজ্যগু’লোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় এ অঞ্চলে অন্তত ৪১বার টর্নেডো আঘা’ত হে’নেছে বলে জানা গেছে।

সোমবার সকালেও উত্তর ফ্লোরিডা, ভার্জিনিয়া ও ক্যারোলিনায় বেশ কয়েকবার ঝড়-বজ্রঝড় আঘা’ত হে’নেছে।নিউ জার্সি থেকে ফ্লোরিডায় ব্যাপক ঝড় ও নিউ ইংল্যান্ডে ভারী বর্ষণ অব্যা’হত থাকায় মা’রাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন এ অঞ্চলের অন্তত চার কোটি মানুষ। এছাড়া মিসিসিপি নদীর তীরবর্তী ১৬ কোটি বাসিন্দাকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। করো’নার হানায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র।

এ পর্যন্ত দেশটিতে করো’নায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৮১ হাজার ৯১৮ জন, মৃ’তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৬০৮। এই মহা’মা’রির কারণে ইতিহাসে প্রথমবার একস’ঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অ’ঙ্গরাজ্যেই বিপর্যয় ঘোষণা করা হয়েছে।