বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৬ জামাতের সময়সূচি জেনে নিন

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ছয়টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নিম্নে এই জামাতগুলো সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাত সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।তৃতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা এহসানুল হক।

চতুর্থ জামাত সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম, মুকাব্বির থাকবেন মো. শহীদুল্লাহ।

পঞ্চম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ১০টায়। ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান, মুকাব্বির থাকবেন খাদেম হাফেজ মো. আবদুল মান্নান।

ষষ্ঠ ও সর্বশেষ জামাত বেলা ১১টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক উপ-পরিচালক মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রব মিয়া, মুকাব্বির থাকবেন খাদেম হাফেজ মো. আবদুর রাজ্জাক।

অবশেষে পরীক্ষা ছাড়াই একাদশ থেকে দ্বাদশে উঠানো যাবে !

অবশেষে সব শঙ্কা কাটিয়ে ৯ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম। অনলাইনে এই কার্যক্রম চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এবার ৫ কলেজের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা ১০টি কলেজ নির্ধারণ করতে পারবেন।

এক মাস উনিশ দিন পর অবশেষে কলেজে ভর্তির খবর পেলো ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। ৯ আগস্ট অনলাইনে ভর্তির মাধ্যমে শুরু হবে কার্যক্রম, চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। একজন সর্বোচ্চ ১০টি পছন্দের কলেজে আবেদন করতে পারবেন।

এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমানে যারা উচ্চমাধ্যমিকে অধ্যয়নরত ছিলো ঝুলে পড়েছে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম। প্রায় কলেজগুলোতেই হয়নি পরীক্ষা। আবার কিছু কিছু কলেজে পরীক্ষা শুরু হলেও শেষ করা যায়নি করোনার কারণে। এমতাবস্থায় বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কি হবে বা কোন পদ্ধতিতে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হবে সে বিষয়ে চলছে নানা আলোচনা।

করোনার কারণে কলেজ কার্যক্রম বন্ধ না হলে এখন যারা উচ্চমাধ্যমিকে পড়ছে তাদের সকলের দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠার কথা ছিল। বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি কলেজ গত মার্চে পরীক্ষা শুরু করা বা শেষ করলেও বেশির ভাগ কলেজেই তা পারেনি। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠানো যায়নি।

যদিও কোনো কোনো কলেজ পরীক্ষা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেশির ভাগ কলেজই আনুষ্ঠানিকভাবে পদোন্নতি না দিলেও ওই সব শিক্ষার্থীদের এখন দ্বাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি গণমাধ্যমকে বলেন, এখানে বোর্ডের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। কাজেই কলেজগুলো তাদের নিয়মেই যা করার করবে। কীভাবে করবে এটি কলেজগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়।

ক’রো’না গবেষণায় বাংলাদেশ আরও এগিয়ে

এসএআরএস-কোভ-২ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসরকারি অনলাইন নিউজ পোর্টালে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।

২২২টির মধ্যে ১৭৩টির নমুনা সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা

কাউন্সিল-বিসিএসআইআর। বাকিগুলো বিভিন্ন গবেষণা সংস্থা করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

নির্দিষ্ট রোগের জন্য কার্যকর ভ্যাকসিন বা ওষুধ উদ্ভাবনের জন্য জিনোম সিকোয়েন্সিংকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াসেফ ওসমান। বিসিএসআইআর এর তথ্য অনুসারে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন বয়সীদের কাছ থেকে ১৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোভিড ঊনিশের ভ্যাকসিন আবিষ্কারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অক্সফোর্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থা। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে করোনার প্রতিষেধক উদ্ভাবনে জিনোম সিকোয়েন্সির বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে বলেও জানা গেছে।

বাংলাদেশের করোনাভাইরাস ৯৯.৯৯ শতাংশই ইউরোপের ভাইরাসের মতো বলে বিশ্লেষণে জানা গেছে। গেল ৩০ মে, তিনজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর এর মাধ্যমেই অনেকটা স্পষ্ট হওয়া যায় কোভিড উনিশ ইউরোপ থেকেই বাংলাদেশে আসে।

বিসিএসআইআর এর তথ্যমতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন বয়সী মানুষের কাছ থেকে ১৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। ১৭ জুলাই পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকের রিপোট অনুসারে, এ পর্যন্ত ৬৬ হাজার ৮’শ ৭৫টি জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ২২২ এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবদান ১৫৭৮।

SARS-CoV-2 এর জেনেটিক উপাদান হচ্ছে RNA বা Ribonucleic Acid। যার মধ্যে ভাইরাসের প্রয়োজনীয় সব জিন থাকে। মানুষের শরীরে প্রবেশের পর এই জিনগুলো থেকে প্রোটিন তৈরি হয়।

ভাইরাস দ্রুত বংশবিস্তার করে, তাই এর জিনোম সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হতে থাকে। জিনোম সিকোয়েন্স থেকে ভাইরাসের আদি উৎস সম্পর্কে জানা যায়। এক্ষেত্রে ভাইরাস যদি দ্রুত জেনেটিক উপাদান পরিবর্তন করে তাহলে ঔষধ কিংবা টিকা কার্যকর নাও হতে পারে। তাই কোভিড-১৯ এর বিরু;দ্ধে স্থায়ী এবং কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরি এখন মূল চ্যালেঞ্জ। ভবিষ্যতে কোন অঞ্চলে ভাইরাসের প্রতিষেধক কাজ না করলে জিনোম থেকে এর কারণ বোঝার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

বিনামূল্যে ফেসবুক,ইমো,হোয়াটসঅ্যাপ,টুইটারের মতো সাইটগুলো ব্যবহারে বিটিআরসি’র নিষেধাজ্ঞা !

বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করছে এমন অজুহাত তুলে বিনামূল্যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে ইন্টারনেট প্যাকেজের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইন্টারনেট সরবরাহকারীদের কাছে বিটিআরসি এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে বুধবার থেকে কার্যকরের নির্দেশ দেয়।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক পত্রের প্রেক্ষিতে দেয়া বিটিআরসির উপ-পরিচালক সাবিনা ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী অপারেটরসমূহ তাদের গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে সোশ্যাল মিডিয়া–সম্পর্কিত সেবা আংশিক বা কোনো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করতে

বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করছে। এসব ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া–সম্পর্কিত সেবা গ্রহণ করে কিছু অসাধু ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের অপ্রয়োজনীয় অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন মুহাম্মদ হাসান বলেন, ফেসবুক সংক্রান্ত ফ্রি অফার বন্ধে বিটিআরসি’র নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারের মতো সাইটগুলো ব্যবহারে বিনা কিংবা অল্প মূল্যে ব্যবহারের প্যাকেজ দেয় অপারেটরগুলো। বিটিআরসি’র এ নির্দেশনার পর তাদের আর সেই সুযোগ আর থাকছে না।

ইউএস-বাংলার ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে টিকেট করলেই ১২% মূল্যছাড়

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিমান সংস্থা।করোনা প্রাদুর্ভাবকালীন সময়ে সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইউএস-বাংলা ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

সারাবিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে কিংবা মোবাইল অ্যাপ স্ব্যবহার করে টিকেট ক্রয় করলেই গ্রাহকগণ উপভোগ করতে পারবেন সকল অভ্যন্তরীণ রুটে ভাড়ার উপর ১২% মূল্যছাড়।

এই সুযোগ থাকছে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এর স্কাইস্টার গ্রাহকগণ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত যেকোনো অভ্যন্তরীণ রুটে উপভোগ করতে পারবেন ভাড়ার উপর ১২% মূলছাড়।

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর ও সৈয়দপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক রুট ঢাকা থেকে গুয়াংজু সপ্তাহে একটি মাত্র ফ্লাইট পরিচালনা করছে

ইউএস-বাংলা।বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে ১৩টি এয়ারক্রাফট রয়েছে। যার মধ্যে ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ৬টি ব্র্যান্ডনিউ এটিআর ৭২-৬০০ এবং তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট রয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া বিভিন্ন গন্তব্যে কার্গো ফ্লাইটও পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

করোনায় ব;;ন্ধ থাকা দেশের তিন বিমানবন্দর চালু হচ্ছে

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বন্ধ থাকার পর অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে মাসখানেক ধরে। কিন্তু যাত্রী সংখ্যা খুবই কম। আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে তা বাড়তে পারে- এমন আশায় বন্ধ থাকা আরও
তিনটি বিমানবন্দর চালুর প্রস্তুতি চলছে।

এর মধ্যে বরিশাল বিমানবন্দর চালু হচ্ছে রবিবার। রাজশাহী ও কক্সবাজার বিমানবন্দরও ঈদের আগে চালু হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

এ বিষয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, ‘আসন্ন কোরবানির ঈদে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীদের যাতায়াত বাড়বে।তাই বন্ধ থাকা আরও তিনটি বিমানবন্দর- বরিশাল, রাজশাহী ও কক্সবাজারকে চালুর প্রস্তুতি চলছে।

এর মধ্যে রবিবার থেকে বিমান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বরিশাল বিমানবন্দর।’ করোনাভাইরাস ঠেকাতে গত ২১ মার্চ থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল বেবিচক।

তবে গত ১ জুন ঢাকা থেকে সৈয়দপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট রুটে সীমিত পরিসরে ৭৫ শতাংশ যাত্রী নেওয়ার শর্তে ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিয়মানুযায়ী অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী ৭৪ আসনের উড়োজাহাজে ৫০ জনের মতো যাত্রী বহনের কথা।

কিন্তু প্রতি ফ্লাইটে গড়ে যাত্রী মিলেছে ২৭ থেকে ৩০ জন। এ সময়ে ভাড়া বাড়ানো হয়নি।প্রথম দিকে টিকিটের মূল্যে ছাড় দিয়ে যাত্রী পাওয়ার চেষ্টা করেছিল বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলো। কিন্তু যাত্রীদের ভীতি দূর হয়নি। পরে সব রুটেই

সর্বনিম্ন ভাড়া ২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু যাত্রী না পাওয়ায় লোকসানের বোঝা ভারী হচ্ছে।বর্তমানে ঢাকা থেকে চারটি রুটে বেসরকারি ইউএস বাংলা ও নভোএয়ারের প্রতিদিন ৪৮টি ফ্লাইট পরিচালনার কথা।

কিন্তু যাত্রী সংকটে প্রতিদিনই একাধিক ফ্লাইট বাতিল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম রুটে খুব একটা যাত্রী মিলছে না। কারণ বন্দরনগরীর করোনা পরিস্থিতি দিন দিনই অবনতি হচ্ছে। এ ছাড়া যশোরে শুরুতে যাত্রী পাওয়া গেলেও খুলনা বিভাগের করোনা পরিস্থিতির বেশ অবনতি হওয়ায় তা কমে এসেছে

তবে সৈয়দপুর রুট তুলনামূলক কিছুটা ভালো। কারণ অভ্যন্তরীণ রুটগুলোর মধ্যে ঢাকা-সৈয়দপুরের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি। দ্রুত নিরাপদে যাওয়ার কারণে এ রুটে যাত্রী কিছুটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে।এ ব্যপারে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম আমাদের সময়কে বলেন,

‘করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের ভয় বাড়ছে। বিদেশ থেকে দেশে আসছেন কম যাত্রী। তা ছাড়া দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়নি। খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া কেউ ভ্রমণ করছেন না। তবে কোরবানির ঈদে দেশের অভ্যন্তরীণ আকাশে বাড়বে বিভিন্ন যাত্রীদের যাতায়াত। বরিশাল, রাজশাহী ও কক্সবাজার বিমানবন্দরগুলো চালু হলে কিছুটা লাভের মুখ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে

সম্রাট শাহ’জাহানও পাপুলের কাছে হার মেনে গেছে স্ত্রী’কে ভালোবাসার ক্ষেত্রে

বাংলাদেশে এখন শুধু দুটি নামই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। আর এই নাম দুটো হলো সদ্য আ’লোচিত রিজেন্ট হাসপাতা’লের পরিচালক সাহেদ এবং আরেক জন যিনি বেশ কিছু দিন ধরেই আ’লোচিত তিনি হলেন সাংসদ পাপুল।

বাংলাদেশে এখন চলছে তাদের দুর্নিতীর জয়জয়কার। অনেকেই অনেক ভাবে তাদের ধীক্কার দিচ্ছেন। দিন যত পার হচ্ছে তাদের নামের পাশে ততই যোগ হচ্ছে নানা ধরনের নতুন নতুন সব অ’পকর্ম। এবার তাদের নিয়ে একটি কল্পনার লেখা লিখলেন শামীমুল হক। পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার সেই মজার লেখনিটি তুলে ধ’রা হলো হুবহু:-

সত্যিই এমন সাহসী বীর কমই আছে। তাদের এ দুই বীরের সাহসীকতার জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পুরস্কারের কি নাম হবে তার জন্য গঠন করা যেতে পারে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। তারপর দিনক্ষণ ঠিক করে দেশ বিদেশের

অ’তিথি এনে তাদের জন্য আয়োজন করা যেতে পারে গণসংবর্ধনার। যেখানে রাতব্যাপী হবে গান বাজনা। ওয়াকা ওয়াকা খ্যাত কলম্বিয়ার শিল্পী শাকিরা সেখানে গাইবেন। নাচবেন। দেশের ১৬ কোটি মানুষের ৩২ কোটি চোখ থাকবে অনুষ্ঠানস্থলে।

এজন্য বঙ্গোপসাগরের উপরে করা হবে সাজসজ্জা। যেখানে কোটি মানুষের স্থান সংকুলানের ব্যবস্থা থাকবে। অন্যরা ঘরে বসে দেখবেন দুই সাহসী বীরের কী’র্তিগাথা। স্ক্রীনে দেখানো হবে তাদের কী’র্তি। কিভাবে হবে এ অনষ্ঠান কল্পনায় দেখা যাক।

প্রথমেই স্ক্রীনে ভেসে উঠবে হাস্যজ্জল বাংলাদেশের মাননীয় সংসদ সদস্য শহিদ ইস’লাম পাপুলের মুখ। একে একে উনার কী’র্তিগাথা ভেসে উঠবে। ব্যাকগ্রাউন্ডে নেপথ্যে কণ্ঠে ভেসে আসছে শব্দমালা। ইনিই শহিদ ইস’লাম পাপুল। জীবনে কোনদিন রাজনীতি না করেও এখন এমপি। তিনি আবার কুয়েতেরও নাগরিক

। সংবিধানে দ্বৈত নাগরিকের এমপি হতে বাধাও তার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারেনি। উনার আরেক কী’র্তি নিজে এমপি হয়েও সুখী হতে পারেননি। স্ত্রী’কেও এমপি বানালেন। কারণ তিনি তার স্ত্রী’কে ভালোবাসেন জীবনের চেয়েও বেশি।

সংসদে থাকাকালে ভালোবাসার মানুষটিকে না দেখে থাকবেন কি করে? তাই স্ত্রী’কেও সংরক্ষিত আসনে এমপি বানিয়ে আনলেন। তার এ ভালোবাসার কাছে হার মেনেছে সম্রাট শাহ’জাহানও। কারণ শাহ’জাহান যার জন্য তাজমহল বানিয়েছেন তার স্ত্রী’ মমতাজ তা দেখে যেতে পারেননি।

তাজমহল বানানো হয়েছে তার মৃ’ত্যুর পর। এরপরের কী’র্তি হলো- দেশের অগণিত মানুষের র’ক্ত চুষে কামিয়েছেন হাজার কোটি টাকা। অসহায় এসব বাংলাদশির কা’ন্না দেখে পাপুল হেসেছেন অট্রহাসি। হাজারো মানুষকে পথে বসিয়ে তুলেছেন তৃপ্তির ঢেকুর। পাপুলের আরক সাহসীর চিত্র হলো-

ছয় মাস আগে কুয়েতের পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট হয়। সে সময় কৌশল করে কুয়েত থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এখানে এসেও দেখেন কুয়েতের পত্রিকার বরাতে বাংলাদেশের মিডিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এবার পাপুলের দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়। এ এমপি তিনি নন বলে দাবি করেন।

তার স্ত্রী’ সংসদের প্যাডে বিবৃতি দেন স্বামীর পক্ষে। বলেন, এসব মি’থ্যে। তিনিও দাবি করেন কুয়েতের পত্রিকায় পাপুলের কথা বলা হয়নি। তাছাড়া পাপুল এমন কাজে জ’ড়িত নয়। পাপুল বিদেশে লোক পাঠান না। তার সাহসের আরেক কী’র্তি হলো- এতকিছুর পরও তিনি ফের কুয়েত যান। এবার গ্রে’প্তার হন কুয়েতের সিআইডির হাতে।

অ’ভিযোগ মানবপাচার ও মানিলন্ডারিং। গ্রে’প্তার হলেও এবারও তার স্ত্রী’ দাবি করেন তিনি গ্রে’প্তার হননি। নেয়া হয় রি’মান্ডে। এবার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। কুয়েতের উর্ধতন অনেকের নাম জড়িয়ে পড়ে। সে দেশের সরকার ইতোমধ্যে কয়েক জনকে গ্রে’প্তার করেছে। বিচার চলছে।

নেপথ্যে কণ্ঠে এবার ভেসে এলো, আম’রা তার এসব সাহসীকতার জন্য গণসংবর্ধণার আয়োজন করেছি। ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে দোলা দিতে পেরেছেন বলেই আজকের এই আয়োজন। এর পরই স্ক্রীনে ভেসে উঠে রিজেন্ট হাসপাতা’লের মালিক শাহেদের ছবি। নেপথ্যে বর্ণনা- ইনি সেই সাহসী বীর শাহেদ। যিনি ট’কশোতে মুখে

ফেনা তুলতেন সরকারের পক্ষে। তার সাহসের কী’র্তি বলতে গেলে অনেক। সাতক্ষীরা থেকে এসে অল্প কয়েক বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। গড়েছেন অনেক প্রতিষ্ঠান। করো’নাকালের কী’র্তির কথা শুনলে আপনারা হাত তালি দেবেন। মিস্টার শাহেদের রিজেন্ট হাসপাতালটি করো’না টেস্টের স্যাম্পল সংগ্রহ করতো। কিন্তু কোনও টেস্ট করতো না। মনগড়া রিপোর্ট দিতো।

হাসপাতা’লের আইসিইউ অ’ত্যন্ত নিম্নমানের। হাসপাতা’লের ল্যাবের ফ্রীজে মাছ রাখা হতো। হাসপাতালটির লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৪ সালে। আরও রয়েছে তার কী’র্তির কথা। তার বি’রুদ্ধে রয়েছে ৩২ টি মা’মলা। প্রতারণা মা’মলায় জে’ল খাটা একজন দাগী অ’প’রাধী।

গোটা বিশ্ব তথা দেশ যখন করো’নার থাবায় বিপর্যস্থ তখন মানুষের জীবন নিয়ে উনার কী’র্তি মনে রাখার মত। শাহেদ সুস্থ মস্তিস্কে, সুষ্ঠু জ্ঞানে এমন কী’র্তি করেছেন। তাই আম’রা এই সাহসী বীরকে সংবর্ধনা দিচ্ছি।

বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউ আজকের আয়োজনকে এনে দিয়েছে অন্যরকম আবহ। পরস্কার তুলে দেয়ার আগে আপনাদের জন্য বিশেষ আয়োজন বিশ্বখ্যাত গায়িকা শাকিরার গান। এবার মঞ্চে এলেন শাকিরা। গান ধরলেন- ও পাপুল ও পাপুল
ও শাহেদ ও শাহেদ/ তোমাদের কী’র্তি যেন রয় বহমান। চারদিকে কোটি মানুষের হাত তালি আর ওয়াও ওয়াও চি’ৎকার!

এ দিকে এখন সব থেকে বেশি আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে রিজেন্ট হাসপতা’লের পরিচালক সাহেদকে নিয়ে। যিনি রাজনিতী না করেও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সাথে গড়ে তুলেছিলেন সখ্যতা। তার হাত ছিল দলটির সর্বোচ্চ পর্যন্ত। আর এ সব নিয়েই এখন সব থেকে বেশি সমালোচনা হচ্ছে। এ ছাড়াও এত অ’ভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে এখনো পর্যন্ত করা হয়নি গ্রে\’/ফ\’/তা\’/র যার কারনে সমালোচনা আরো বেশি তুঙ্গে।

হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হচ্ছে টাঙ্গাইলের এমপি আতাউর রহমান খানকে

গুরুতর অসুস্থ এমপি আতাউর, হেলিকপ্টারে আনাহচ্ছে ঢাকায়…টাঙ্গাইলের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানকে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আনা হচ্ছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছেতবে কোন রোগে তিনি আক্রান্ত এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছুই জানানো হয়নি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসন থেকেবিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান খান।

শাহেদের বউ রিম্মির মিথ্যা’চারের আড়ালে যে ভোগ-বিলাসী জীবন

করোনা ডেডিকে’টেড রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্ম’দ শাহেদ অ’প’রাধ করলে বিচার হওয়া উচিত বলে মনে করেন তার স্ত্রী’ সাদিয়া আরবি রিম্মি।র‌্যা’­বের অ’ভিযানের পর ৭ জুলাই দুপুরে সর্বশেষ মোবাইল ফোনে শাহেদের সঙ্গে কথা হয় তার।

সাহেদ নিরাপদে আছে বলে তাকে জানিয়েছেন। এরপর থেকে শাহেদের মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাচ্ছেন স্ত্রী’ রিম্মি।স্বামীর অ’পকর্ম জেনেও তা আড়াল করে এখন নানারকম কথাবার্তা বলছেন তার স্ত্রী’। নিজেকে বাঁ’চাতে নাট’ক সাজাচ্ছেন শাহেদের লোভী স্ত্রী’। মিথ্যাচারের আড়ালে ভোগ-বিলাসী জীবনযাপন করতেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের ৪ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাসার নিচতলায় স্ত্রী’সাদিয়া আরাবি রিম্মি ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন প্রতারক শাহেদ। ৩ হাজার ৬০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাটের মাসিক ভাড়া ৯০ হাজার টাকা। রিম্মির মা বিটিভির সাবেক প্রযোজক শাহিদা আরবী।

পেশায় ফিজিওথেরাপিস্ট রিম্মি লোভে পড়ে বিয়ে করেছিলেন শাহেদকে। পরিবারও বিয়ে দিয়েছিলেন অ’বৈধ সম্পদের লো’ভে।
সাইরেন বাজানোর হুটার লাগানো গাড়িতে দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন শাহেদের স্ত্রী’। শাহেদের পাপের টাকায় তিনি ভোগ-বিলাসী দাম্ভিক জীবনযাপন করতেন। রিম্মিও যেতেন সবখানে ভিআইপিদের সাথে তুলতেন ছবি।

অনেকে বলছেন, প্রতারণা দু’র্নীতি অ’বৈধ অর্থ সম্পদ উপার্জনে নয় তাদের দাম্পত্য কলহ হতো শাহেদের নারী কেলেঙ্কারী নিয়ে।তবে স্বামীর কর্মকা’ণ্ড ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রিম্মি সাংবাদিকদের জানান, সর্বশেষ ৭ জুলাই বেলা ২টার দিকে তার স্বামী ফোন করে বলেন যে, তিনি একটি জায়গায় রয়েছেন।

ভালো আছেন। পরিবারের সদস্যদের সাবধানে থাকতে বলেন তিনি। এরপর আর কথা হয়নি।রিম্মি বলেন, অনেক দিন ধরেই তার কিছু কর্মকা’ণ্ড নিয়ে পরিবারের লোকজন নাখোশ ছিল। এ নিয়ে ২০০৮ সালের দিকে ঝামেলা হয়।

এরপর ২ বছর বাপের বাড়ি ছিলেন রিম্মি। ২০১০ সালে আবার স্বামীর সংসারে ফেরেন। রিম্মি আরো বলেন, পরিবারের সবার বিশ্বা’স ছিল শাহেদ বদলে গেছে। সর্বশেষ ৩-৪ বছর ধরে বাইরে থেকে দেখে সবাই সেটাই ধারণা করেন

তবে রিজেন্টে চিকিৎসার নামে যা সামনে এলো তাতে স্পষ্ট সে বদলায়নি। শত চেষ্টা করেও তাকে বদলানো গেল না। স্বামীর এমন অ’পকর্মের জন্য ‘লজ্জিত ও দুঃখিত’ বলে জানান রিম্মি। তিনি বলেন, করো’নার চিকিৎসার নামে শাহেদ যা করেছে তা পীড়াদায়ক। আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। এসব প্রতারণা তার নে’শায় পরিণত হয়ে গেছে।

রিম্মি আরো বলেন, বাইরের বিষয় শাহেদ বাসায় আলাপ করত না। তার বিশ্বস্ত কর্মচারীদের এ ব্যাপারে ট্রেনিং দেওয়া ছিল। শাহেদের যেসব প্রতিষ্ঠান ছিল তার উদ্বোধনে হয়তো কখনও কখনও গিয়েছি।রিজেন্টে আমা’র কোনো পদ নেই। তবে সবাই সবসময় মুখে মুখে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিত।

রিম্মি স্বীকার করেন যে, সুবিধা নেওয়ার জন্যই হয়তো নানা সময় নানা পরিচয় দিত তার স্বামী। মানুষকে দ্রুত প্রভাবিত করতে পারত তার স্বামী। মা’র্কেন্টাইল কো-অ’পারেটিভ, রিজেন্ট হাসপাতাল, সেন্ট্রাল স্কুলসহ তার স্বামীর বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

রিম্মি আরো বলেন, তিনি তাকে বদলে ‘বদলে যাও’। যে জায়গায় এসেছ এটা ধরে রাখ। শেষ পর্যন্ত তার অ’পকর্ম আবার সামনে আসায় পরিবারের সবাই অ’প্রস্তুত। ভালো পরিবারের ছে’লে হলেও বিপথগামী ছিল তার স্বামী।

মোহাম্ম’দ শাহেদ কোথাও শাহেদ করিম নামে পরিচিত। সাতক্ষীরা শহরের কামালনগরের বাসিন্দা। তার বাবা সিরাজুল করিমের একমাত্র ছে’লে। তবে শাহেদের মা মা’রা যাওয়ার পর তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

দ্বিতীয় সংসারে তার এক মে’য়ে রয়েছে। ১৯৯৯ সালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে থেকে এসএসসি পাস করেন সাহেদ। এরপর থেকে ঢাকায়।পরে সাতক্ষীরায় তেমন যাতায়াত ছিল না। মাঝে মাঝে এসে দু-একদিন থেকেই ফিরতেন। তার বাবা সিরাজুল করিম ও মা শাফিয়া করিম এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন।

সাতক্ষীরাতেই কোটি টাকা সম্পদের মালিক ছিলেন তারা। করিম সুপার মা’র্কেট নামে তাদের একটা মা’র্কেট ছিল শহরেই
২০০৮ সালের দিকে এই সুপার মা’র্কেট, বাড়িসহ সব সম্পদ বিক্রি করে স্থায়ীভাবে তারা ঢাকা শিফট হয়েছেন বলে জানান সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা।

গত ৬ জুলাই সাহেদের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতা’লের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অ’ভিযান চালায় র‌্যা’­ব। এই হাসপাতা’লের বি’রুদ্ধে নমুনা টেস্ট না করেই রোগীদের করো’নার রিপোর্ট দেওয়ার অ’ভিযোগ পায় র‌্যা’­ব।

এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থা’নায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্ম’দ শাহেদ, এমডি মাসুদ পারভেজসহ ১৭ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা হয়।এ ঘটনায় ৯ জন গ্রে’প্তার হয়। তবে শাহেদ এখনও পলাতক। হাসপাতাল দুটি ও রিজেন্ট গ্রুপের অফিস সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যা’­ব।

এদিকে শাহেদের বি’রুদ্ধে মানুষের সঙ্গে অসংখ্য প্রতারণার অ’ভিযোগ পাচ্ছে র‌্যা’­ব। র‌্যা’­বের গণমাধ্যম ও আইন শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, শাহেদকে গ্রে’প্তারের জন্য র‌্যা’­বের অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দেশে করোনা নিয়ে দারুন সুখবর, বাংলাদেশে কেটে গেছে করোনার বিপদ

সংক্রমণের পিক বা সর্বোচ্চ মাত্রা রাজধানী ঢাকায় ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে করোনা ভাইরাসের। এমনটাই মন্তব্য করছে গণস্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞানী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের র‌্যাপিড টেস্ট কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীল।

তিনি বলেছেন, আর ভুল না করলে রাজধানীতে খুব বেশি মানুষ সংক্রমিত হবে না। ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেসরকারি সংবাদভিত্তিক চ্যানেল যমুনাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিজন কুমার শীল জানান, একই মানুষের দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্তের ঝুঁকি নেই। তার মতে,

পরিবারের কেউ কোভিডে আক্রান্ত হলে বাকিদের শরীরেও অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। তার পরামর্শ, প্রকৃত অবস্থা জানতে অ্যান্টিবডি টেস্ট করতে হবে দ্রুত।বিজন কুমার শীল বলেন, কী পরিমাণ মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে সেটি জানতে একটি স্টাডি করা প্রয়োজন। এর ভিত্তিতে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। এজন্য, অ্যান্টিবডি টেস্ট করা জরুরি।

গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটের অনুমোদন নিয়েও দারুণ আশাবাদী তিনি। জানান, আরও আপগ্রেড করে ল্যাবে ৯৭ শতাংশ নির্ভুল ফলাফল দিয়েছে কিট।

দেশে চলমান ভ্যাকসিন গবেষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এই গবেষক। তবে, তার মতে দ্রুতই ভ্যাকসিন বাজারে আসবে না। এজন্য বেশ কয়েক দফা হিউম্যান ট্রায়াল ও এটি কতটুকু অ্যান্টিবডি তৈরি করছে, তা কতটুকু কাজ করছে সেটি পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এজন্য সময় লাগবে।

ড. বিজন বলেন, এই মহামারিতে কাজে না লাগলেও পরবর্তী মহামারি ঠেকাতে ভ্যাকসিন কাজে লাগবে। ভ্যাকসিন থাকলে এমন মহামারি পরিস্থিতি আমরা ঠেকাতে পারতাম। তবে, এই মহামারিতে ভ্যাকসিন কাজে আসবে বলে আমি মনে করি না।

সম্প্রতি, করোনা চিকিৎসায় ফ্যাভিপিরাভির ওষুধে সাফল্য পাওয়ার দাবি উঠলেও ড. বিজনের মতে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো এত সহজ নয়। এ ধরনের গবেষণাকে সাধুবাদ জানালেও তিনি বলেন, আমার মতে প্লাজমা থেরাপি এর চেয়ে বেশি কার্যকর।

রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সে অনুযায়ী তাকে বিভিন্ন ধরনের থেরাপি দেয়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা করোনা প্রতিরোধে অধিক কার্যকর।আসন্ন ঈদে যেন করোনা সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এই গবেষক।