সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের দেওয়া আজ রোববারের করোনা বার্তা ও দেশের পরিস্থিতি !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় আজ রবিবার কোভিড -১৯ করোনভাইরাসে আক্রান্ত ২২৫ টি নতুন মামলার পাশাপাশি ৩২৩ জন
পুনরুদ্ধারের খবর পেয়েছে। একটি নতুন মৃ’ত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ৬১,০০০ এরও বেশি নতুন কোভিড -১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রনালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,আবারও করোনভাইরাস মামলার প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পরীক্ষার পরিধি বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্য নিশ্চিত করেছে এবং এখনও অবধি প্রায় সাড়ে ৫ মিলিয়ন পরীক্ষা করা হয়েছে। এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত কোভিড

-১৯ এর ভ্যাকসিনের প্রথম পর্বের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাগুলি একটি বড় মাইলফলকে পৌঁছেছে কারণ এখন ৫ হাজারেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক তাদের প্রথম টিকা পেয়েছেন। আবু ধাবি জাতীয় প্রদর্শনী কেন্দ্র, অ্যাডনেকের সদ্য নির্মিত ওয়াক-ইন রেজিস্ট্রেশন, স্ক্রিনিং এবং টেস্টিং সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি ড. জামাল আল কাবীর উপস্থিতিতে 5000 তম টিকা দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন…

সৌদিতে জো’র করে কাউকে কাজ অথবা ভি’ক্ষাবৃত্তি করালে যে কঠিন শাস্তির ঘোষনা দিলেন সৌদি সরকার-

মানবপাচারের বিরুদ্ধে অনেক কঠোর অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশ সৌদি আরব। সেখানে মানব’পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে নতুন আইন আরও কঠোর করা হচ্ছে।

সৌদিতে জোর করে কাউকে দিয়ে কাজ করালে অথবা ভিক্ষাবৃত্তি করালে ১০ বছরের হাজত অথবা ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে।

এদিকে এই ল’ক্ষ্যেই নতুন শ্র’ম আ’ইন কঠোর করছে দেশটির সরকার। নতুন আ’ইনে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করালে কঠোর শা’স্তি হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন জানিয়েছে, জোরপূর্বক কাউকে দিয়ে কাজ করালে বা ভিক্ষাবৃত্তি করতে বাধ্য করলে কিংবা মানবপাচারের অভিযোগ থাকলে ক’ঠোর শা’স্তি হবে।

নতুন আ’ইনে স’র্বোচ্চ ১০ বছরের কা’রাদণ্ড বা সর্বাধিক ১ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বা উভয়ই দ’ণ্ডে দ’ন্ডিত করা হবে।

সৌদি আরবের পাবলিক প্র’সিকিউশন নিশ্চিত করেছে যে, শা’স্তি শরিয়াহ আ’ইনের মূল নীতিমালা অনুসারে হবে। এতে বলা হয়েছে, এই আইনগুলি মানবাধিকার র’ক্ষার জন্য করা হয়েছে।ঐ বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “সৌদি আরব মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সৌদির উদ্দেশ্য মহৎ, তারা মানবাধিকার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর”।সৌদি আরবের এই আইন কর্তৃক গৃহীত ব্য’বস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে- প্রবাসী ও শ্রমিকদের অধিকার ও ক’র্তব্য নিশ্চিত করা।

প্রবাসী শ্রমিকদের দিয়ে জো’রপূর্বক কাজ করানো কিংবা শ্রম আইন ল’ঙ্খন করা যাবে না। এছাড়াও মানব পাচারের সাথে সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তা ক’ঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক আইনের মতোই সৌদির আইনও কঠোর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *