সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সর্বোচ্চ রে’কর্ড

ম;হামারি ক;রোনা শুরু হওয়ার পর উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবারই প্রথম একদিনে স;র্বোচ্চ ক;রোনা আ;ক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আমিরাতে রে;কর্ড এক হাজার ৫ শত এর বেশি মানুষ এই ভা;ইরাসে আ;ক্রান্ত হয়েছেন। বিশ্বখ্যাত পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ড মিটার থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ 1,538 ক;রোনা সং;ক্রমিত হয়েছেন। প্রা;দুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে এটিই এখন পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় স;র্বোচ্চ সং;ক্রমণের রে;কর্ড।

দেশটিতে আজ করোনায় মৃ;ত্যু হয়েছে ৪ জনের ও সুস্থ হয়েছেন 1411 জন।

এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একদিনে রেকর্ড ১৪৩১ জনের ক;রোনা শ;নাক্ত হয় গত ১৪ অক্টোবর ।

গত দুই মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে সং;ক্রমণ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। করোনার শুরুর দিকে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৯৪ জনের ক;রোনা শ;নাক্ত হয়েছিল ২২ মে।

তবে সপ্তাহে প্রতিদিনই রেকর্ড হারে আক্রান্ত হচ্ছে। যা মানুষের মাঝে নতুন শঙ্কা তৈরি করছে।

ক;রোনা আ;ক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য লোকজনের সামাজিক দূরত্ব মে;নে না চলাকে দা;য়ী করছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। কো;ভিড-১৯ ম;হামারিতে এখন পর্যন্ত মাথাপিছু পরীক্ষার হারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান অন্যান্য অনেক দেশের ওপরে।

আমিরাতের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, আমিরাতের মোট বাসিন্দা প্রায় ৯৯ লাখ। তবে এখন পর্যন্ত ক;রোনা পরী;ক্ষা করা হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ১৭১ জনের। অর্থাৎ জনসংখ্যার চেয়ে বেশি টেস্ট করা হয়েছে। এমন হওয়ার কারণ হলো একই মানুষকে বারবার টেস্ট করানো হয়েছে।

উপসাগরীয় এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ক;রোনা সং;ক্রমণ শ;নাক্ত হয়েছে 114,387 জনের এবং প্রা;;ণ হা;রিয়েছেন 459 জন। তবে সাতটি প্রদেশের কোনটিতে কতসংখ্যক মানুষ আ;ক্রান্ত এবং মা;;রা গেছেন সেই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার।

এদিকে এক সংবাদে জানা যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে করোনায় মৃ;ত্যু;দে;র মধ্যে প্রায় অর্ধেকেই প্রবাসী বাংলাদেশি।

এ বিষয়ে শারজা প্রিমিয়ার মেডিক্যাল সেন্টারের ডাক্তার ইলমি রহমান জানান, বাংলাদেশিদের চিকিৎসা নিতে অনাগ্রহ মৃত্যুর একটি বড় কারণ। আমিরাত সরকার বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত যত্ন সহকারে সেবা প্রদান করছে। তা সত্বেও বাংলাদেশিরা চিকিৎসা নিতে অবহেলা করেন।

এ ছাড়া ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের করোনা অধিক ঘায়েল করছে। দুশ্চিন্তা এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে ৩৫ থেকে ৬০ বছর বয়সীরাই বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

এদিকে করোনায় আ;ক্রান্ত মৃ;ত প্রবাসীদের ক্ষ;তিপূরণ প্রদান করতে মৃত্যু সনদের পাশাপাশি দূতাবাস এনওসি সনদ প্রদান করছে স্ব স্ব পরিবারের কাছে। ইস্যুকৃত এই সনদ দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষ;তিগ্রস্ত পরিবারগুলো তিন লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে জানান দূতাবাসের এক কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *