আরব আমিরাতে জন্মের পরেই ডাক্তারের মাস্ক ধরে টান দিলো শিশু, ছবি ভাইরাল

কোভিড-১৯ ম;হামারি পরিস্থিতির কারণে সবাইকে বা;ধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বি;শেষজ্ঞরা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাস্ক পরা বা;ধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই কোভিড-১৯ ম;হামারি

পরিস্থিতির মধ্যেই সম্প্রতি ফেসবুকেসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি রীতিমত ভা;ইরাল হয়েছে। ঐ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সদ্যজাত একটি শিশু ডাক্তারের মুখের মাস্ক টেনে ধরে আছে।

মাত্র মায়ের পেট থেকে বেরিয়েই শিশুটির এমন কা;ণ্ডে হাসি ধরে রাখতে পারছেন না কেউ। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।

কোভিড-১৯ ম;হামারি থেকে বাঁচতে যখন বাড়ির বাইরে পা রাখলেই মাস্ক পরা বা;ধ্যতামূলক, তখন শিশুটির এমন মাস্ক ধরে টান মা;রার ছবিতে অনেকেই আশার আভাস দেখতে পাচ্ছেন। কেউ কেউ বলছেন, তবে কি মাস্ক থেকে মুক্ত থাকার আর বেশি দেরি নেই?

ছবিটি শেয়ার করেছেন উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্ত্রী রোগের বিশেষজ্ঞ ডা. সামির ছিয়াইব। তিনি শিশুটিকে কোলে তুলে ধরে রেখেছেন আর শিশুটি তার মুখের মাস্কে টান মারছে।

তিনি ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, আমরা সবাই শিগগিরই মাস্ক খুলে রাখার মতো পরিস্থিতির লক্ষণ দেখতে চাই। ছবিটি শেয়ার করার পর ভাইরাল হতে দেরি হয়নি। ইন্সটাগ্রামে ১৩ হাজার ৯শ’র বেশি লাইক পড়েছে।

নে;টিজেনদের অনেকেই বলছেন, এটাই এ বছরের সবচেয়ে সেরা ছবি। একজন লিখেছেন, কী চমৎকার, সুন্দর, অর্থবহ ছবি। বাচ্চাটা জেনে গিয়েছে এরই মধ্যে কোনটা ঠিক। আমাদের শ্বাস নিতে হবে তো!

আরেকজনের প্রতিক্রিয়া, আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর আবেগ। কেউ লিখেছেন, এ ছবি সবার আশা-ভরসার প্রতীক। আরেকজন লিখেছেন, আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য। আশা রাখি, শিগগিরই মাস্ক থেকে মু;ক্তি পাব সবাই। যিনি এই ছবিটি শেয়ার করেছেন তাকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনেকেই।

এর আগে ইতালি থেকে প্রকাশিত এক সদ্যোজাত শিশুর ছবি শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। ডায়াপার পরা সেই বাচ্চাকে নিয়েও কম চর্চা হয়নি।

শিশটির ডায়াপারে লেখা ছিল, সবকিছু ঠিকঠাক হতে যাচ্ছে। গত ১৬ মার্চ ছবিটি শেয়ার করেছিল মিলানের একটি হা;সপাতাল। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, জী;বনের চেয়ে শ;ক্তিশালী আর কিছুই নয়। এই কঠিন সময়ে যত বাচ্চা ভূ;মিষ্ঠ হচ্ছে, তাদের সবাইকে স্বাগত। জীবন কখনও থেমে থাকে না, তোমরাই তার উদাহরণ। টিটিএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *