চুয়াডাঙ্গায় আবাসিক হোটেল থেকে যুবতীসহ বিজিবি সদস্য আ’টক

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় হিমেল আ;;বা‌সিক হোটেল থেকে এক যুবতীসহ সো‌হেল রানা (৩৮) নামে এক বিজিবি সদস্যকে আ;ট;ক করেছে থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২০ অ‌ক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

সো‌হেল রানা সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানা সদরের বদিউজ্জামানের ছেলে ও যুবতী নড়াইল জেলা শহ‌রের জ‌;নৈক ব্যাক্তির মে‌য়ে।

দর্শনা থানার উপ-প‌রিদর্শক (এস আই জাকির) হোসেন জানান, আজ মঙ্গলবার দুপু‌রের পর জ‌নৈক সো‌হেল রানা স্ত্রী প‌রিচ‌য়ে এক যুবতী‌কে নি‌য়ে হি‌মেল আ;বা‌;সিক হো‌;টে;‌লে রুম ভাড়া নেয়।

স্বামী-স্ত্রী প‌রিচয় দি‌য়ে রুম ভাড়া নি‌লেও এতে হো‌টেল কতৃপক্ষের স‌ন্দেহ হয়। এই স‌ন্দেহ থে‌কে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানা পু‌লিশ‌কে বিষয়টা জানায়।

হো‌টেল কর্তৃপক্ষের খবরের ভিত্তিতে দর্শনা থানা পু‌লিশ জনৈক সো‌হেল রানার ভাড়া নেওয়া হো‌টে‌লের রু‌মে গি‌য়ে পু‌লিশ নক কর‌লে তারা রু‌মের দরজা খুল‌তে বেশ খা‌নিকটা সময় পর তার রু‌মের দরজা খুল‌লে তা‌দের দু`জন‌নের চেহারায় অ;নৈ;তি;ক কা;জে লি;প্ত থা;কা;র স্পষ্ট ছাপ ছিল।

প‌রে তা‌দের‌কে‌ জিজ্ঞাসাবা‌দে জানা যায় তারা স্বামী-স্ত্রী না। স্বামী-স্ত্রীর মি‌থ্যে প‌রিচয় দি‌য়ে অ;;সা;মা‌জি;ক কা;র্যক;লা‌পের

উ‌দ্দে‌শ্যে তারা এই আ;বা‌সি;ক হো‌সে;‌লের রুম ভা;ড়া নি‌য়ে‌ছে। জিজ্ঞাসাবা‌দে এক পর্যা‌;য়ে পু‌লি‌শের কাছ থে‌কে নি‌জে‌কে রক্ষা কর‌তে সো‌হেল রানা নি‌জে‌কে কু‌ষ্টিয়া মিরপুরস্থ ৪৭ বি‌জি‌বি ব্যাটি‌লিয়‌নের সদস্য ব‌লে নি‌জের প‌রিচয় দেন।

দর্শনা থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো মাহবুবুর রহমান কাজল জানান, আ‌মি খোঁজ নি‌য়ে নি‌শ্চিত হ‌য়ে‌ছি আ;বা;‌সি;ক হো‌টেল থে‌কে অসা;মা‌জিক কা‌;জে লি;প্তর অ‌;ভি‌যো;‌গে এক যুবতী;সহ আ;টক;কৃত সো‌;ল রানা কুষ্টিয়া মিরপুর ৪৭ বিজিবির সদস্য। সূত্রঃ সময়েরকন্ঠস্বর

জামিন নিতে এসে আদালতে সেই ডিসিকে নিয়ে যা বললেন নিক্সন চৌধুরী

নির্বাচনী আ’চরণবিধি ল’ঙ্ঘ’নের অভি’যোগে নির্বাচন কমিশনের করা মাম’লায় আগাম জা’মিন নিতে হাইকোর্টে এসেছেন এমপি নিক্সন চৌধুরী। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি আগা’ম জা’মিন নিতে আদালতে যান।

এ সময় নিক্সন চৌধুরী বলেন, যেটা অসত্য এডিট করে বানানো হয়েছে। এখন আমার বি’রু’দ্ধে যে আইনি মা’মলা হলো, আমি তো বারবার বলে আসছি, আমার এই রেকর্ডিংটা যতটুকু কথাই আছে, সেটা তো জেলা প্রসাশকের কাছে

আছে, সেটা কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এল এই দাবি আমি তুলে আসছি। এটারও বিচার হওয়া উচিত। আমার অডিও ক্লিপ ফাঁ’স করায় জেলা প্রশাসকের বি’রু’দ্ধে মা’মলা হওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আ’চরণবিধি ল’ঙ্ঘ’ন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ভ’য়ভী’তি প্রদর্শন, গা’লিগা’লাজ ও হু’ম’কির অভি’যোগে গত ১৫ অক্টোবর নিক্সন চৌধুরীর বি’রু’দ্ধে

মা’মলা করে ইসি। জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার নওয়াবুল ইসলাম চরভদ্রাসন থানায় এ মা’মলা করেন।

১০ অক্টোবর চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হু’মকি এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের গা’লাগা’ল করেন নিক্সন চৌধুরী।

এ ঘটনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অ’শো’ভন আচরণের বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে নির্বাচন কমিশনেও চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠি পর্যালোচনা করে কমিশন সচিবালয় উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী মা’মলার সিদ্ধান্ত নেয়।

পানির দামে নতুন পালসার আনলো বাজাজ

গত প্রায় এক দশক ধরে বাজাজ পালসারের যে কয়টি মডেল বাজারে এনেছে প্রায় সব কয়টিই হইহই করে বিক্রি হয়েছে। পালসার ১২৫-এর নতুন মডেল বাজারে আনল বাজাজ। যুক্ত হল নতুন অনেক ফিচার। তার মধ্যে অন্যতম স্প্লিট সিট। সঙ্গে স্পোর্টি মোটরসাইকেলের একাধিক ফিচার।

২০০১ সাল থেকে মোটরসাইকেলপ্রেমীদের মন জয় করে আসছে পালসার। এর অসাধারণ বিল্ড কোয়ালিটি, শক্তিশালী

ইঞ্জিন এবং ভালো মাইলেজের জন্য পালসার সব বয়সীদের পছন্দ। এই ডিজাইনে বৈচিত্য না থাকলে সবাইকেই এই বাইকে মানায়। বাজাজের নতুন পালসার ১২৫ ড্রাম ব্রেক যার দাম শুরু ভারতে ৭৩ হাজার ২৭৪ রুপি।

বাজাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পালসার ১২৫-এর নতুন মডেলের দাম পড়বে ভারতে ৭৯ হাজার ৯১ রুপি। আগের ১২৫ মডেলের ডিস্ক ব্রেকের সঙ্গে এই মডেলের ফারাক বিস্তর। আগের ক্ষেত্রে ছিল ফ্রন্ট সিট ডিস্ক ব্রেক। এবারে তার বদলে থাকছে সিঙ্গেল সিট ডিস্ক ব্রেক।

অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্গল সিট ডিস্ক ব্রেকের সুবিধা হচ্ছে বালি-কাঁকড় বা ভিজে রাস্তায় ডিস্ক ব্রেক চাপলেও

স্কিট করার সম্ভাবনা কম। তাদের ভাষায় সিঙ্গল সিট ডিস্ক ব্রেক চাকাকে মাটির সঙ্গে কামড়ে ধরে রাখতে সাহায্য করে।

পালসার ১২৫ সিসির ড্রাম ব্রেকের পাশাপাশি সামনে রয়েছে ডিস্ক ব্রেক। স্পিল্ট সিটের পালসার ১২৫-এর দাম পড়ছে ৯২ হাজার৭৯৬ রুপি। উৎসব উপলক্ষে এই বাইক বাজারে নিয়ে এসেছে। নিয়ন গ্রিন, কালো-রূপালী ও কালো লালে পাওয়া যাবে পালসার ১২৫।

অবশ্যই বিএস৬ বাইক। ১১.৬ বিএইচপি-এর সঙ্গে ৮,৫০০ আরপিএম ও পিক টর্কে ১০.৮ এনএম-এর সঙ্গে ৬,৫০০ আরপিএম-এর শক্তি উৎপাদন করে ছুটে যাবে বাইক।

৫- স্পিড গিয়ারবক্স রয়েছে। বাইকের ওজন প্রায় ১২৪ কেজি। যা পালসারের যে কোনও মডেলের মধ্যে সর্বোচ্চ। অনেকেই বলেন, লম্বা রাস্তায় যেখানে বেশি গতিতে বাইক চালানো যায় সেখানে বেশি ওজন হলে সুবিধা।

করোনা আবহে অটোমোবাইলস শিল্প মন্দার মুখে পড়েছে। তবে আনলকের প্রথম পর্ব থেকেই ফের গাড়ি বিক্রি শুরু হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সংক্রমণের কারণে এখন অনেকেই ট্রেন, বাস মেট্রোর মতো গণপরিবহন এড়িয়ে চলবেন।

মধ্যবিত্তরা মোটর সাইকেলকেই আগামী দিনে কর্মস্থলে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাহন করে নেবেন। সেদিক থেকে দু’চাকা যানের বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঠিক সেই সময়েই পালসার ১২৫-এর নতুন ফিচার যুক্ত মডেল আনল বাজাজ।

এসআই আকবর বিদেশে পালালেও ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমার বিশ্বাস এসআই আকবর এখনও দেশের বাইরে যায়নি। কারণ সীমান্তগুলোকে আমরা সঙ্গে সঙ্গে সত’র্ক করে দিয়েছি। তবে আকবর বিদেশে পা’লিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে নি’হত রায়হানের পরিবারকে সমবে’দনা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।এ সময় রায়হান হ-ত্যায় ন্যা’য় বি’চারের আ’শ্বাস দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসআই আকবর পুলিশের জন্য ল’জ্জা। এরকম দু-একজন কু’লাঙ্গারের কারণে পুলিশ বাহিনীও ল’জ্জিত।

তিনি বলেন, রায়হান হ-ত্যার ঘটনায় প্রধান অ’ভিযুক্ত পুলিশের এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া (সাময়িক বরখাস্ত)

বিদেশে পা’লিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে। এর আগে সিলেটের রাজন হ-ত্যার আসা’মিকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনা বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় জ’ড়িত সদস্যদের বাঁচাতে কোনো ধরণের অ’পচেষ্টা করেনি পুলিশ। আমাদের পুলিশ খুবই দ’ক্ষ। অনেক বড় বড় অপরা’ধীদের গ্রে’ফতারে তারা সক্ষ’ম হয়েছে। এই ঘটনায় একজন ছাড়া বাকী সবাই নজরদারিতে আছে।

এসময় এমসি কলেজে গণধ-র্ষ-ণ ও পুলিশ ফাঁড়িতে নি-র্যা-তনে এবং আকবরকে পা-লাতে সহায়তার অভি’যোগে এসএমপি কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে স’মালোচনা করেন সাংবাদিকরা।এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ কমিশনারের কোনো অদ’ক্ষতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। সব ঘটনাতেই সিলেটের পুলিশ খুব তৎপর ছিল।

উল্লেখ্য, গত মাসে এমসি কলেজ হোস্টেলে এক নারীকে গণধ-র্ষ-ণের ঘটনায় ৮ আসা’মির কাউকেই গ্রে’ফতার করতে পারেনি এসএমপি পুলিশ। সবাইকে গ্রে’ফতার করেছে র্যাব ও জেলা পুলিশ।

অন্যদিকে রায়হান হ-ত্যার ঘটনায় এসএমপির তদ’ন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদের পরই পা’লিয়ে যায় আকবর। পুলিশের হাতে থাকা অবস্থায় কিভাবে পালিয়ে গেল তা নিয়ে নি’হ’তের পরিবার এবং সচেতন নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়ে এসএমপি।

আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মূল্য ৭০,০০০ টাকা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপনার একটি অ্যাকাউন্ট আছে। আপনার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ, ডিএ্যাকটিভ বা রাখতে হবে। বিনিময়ে আপনাকে কিছু অর্থ দেয়া হবে। এজন্য কত টাকা আসা করেন আপনি?

গবেষণা বলছে, কম-বেশি যাই দাবি করুন না কেন, একটি অ্যাকাউন্টের মূল্য গড়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। অর্থাৎ একজন ব্যবহারকারীকে ৭০ হাজার টাকা দিলে তিনি তার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ, হস্তান্তর বা ডিঅ্যাকটিভ করতে রাজি হন।

ব্যবহারকারীদের কাছে এই সামাজিক মাধ্যমটি কতটা মূল্যবান তা নিয়ে এক জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। ‘প্লাস ওয়ান’ নামর একটি জার্নালে ওই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ওই জরিপে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিলামের ব্যবস্থা করে। এজন্য অ্যাকাউন্টধারীরা কত টাকা প্রত্যাশা করেন তা জানতে চাওয়া হয়। এর উত্তরে এমন গড়ে ৭০ হাজার টাকা প্রত্যাশা করে ব্যবহারকারীরা।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

বাবা-মা ও ভাই-বোনকে খুঁজছে মারিয়া !

প্রিয় বাবা-মা, ভাই-বোন হারিয়ে চিরতরে এতিম হয়েছে পাঁচ মাসের শি’শু মা’রিয়া। প্রতিদিন অগনিত মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করে। মায়াভরা চোখে সবার দিকে শুধু তাকিয়ে থাকে। দেখে যেন মনে হয় উৎসুক দৃষ্টিতে তাদের মাঝে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের খুঁজছে।

যারা তাকে বড় সাধ করে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছিলো প্রিয় সেই বাবা মা’ও আজ চিরদিনের অন্ধকারে। খেলনা ঘুরিয়ে আনন্দময় সময় পার করা সেই ১১ বছরের বড় ভাই মাহি ও তাসলিম নামের ১০ বছরের বোনটিও সারাজীবনের মায়াকাটিয়ে পরপারে।

নরপিশাচ ঘা’তকের ধারালো আ’স্ত্রের আ’ঘাতে শি’শু মা’রিয়ার প্রিয় মানুষদের আদুরে সান্নিধ্য আজ অ’তীত। মায়ের কোল, ঘরের বারান্দা বাড়ির উঠানও যেন অ’পরিচিত।

মা’রিয়ার শি’শু মনের অসহ্য যন্ত্র’নায় সে কুঁকড়ে গেছে। চারিদিকে শত মানুষের সান্নিধ্যেও মমতাময়ী মায়ের পরম স্নেহের হাতের স্প’র্শ না পেয়ে মাঝে মাঝে কেঁদে উঠছে সে।

সাতক্ষীরা জে’লা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের নির্দেশে মা’রিয়াকে স্থানীয় মাহিলা ইউপি মেম্বার নাছিমা বেগমের হেফাজতে রাখা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে এমনই দৃশ্য দেখা যায়।গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে শি’শু মা’রিয়ার বাবা মো: শাহীনুর রহমান (৩৯) তার মা সাবিনা খাতুন(৩৩),

বড়ভাই সিয়াম হোসেন মাহী (১১) ও বোন তাসলিম সুলতানা (১০) কে দৃর্বত্তরা গলা কে’টে হ ’ত্যা করে। হ’ত্যাকারীদের থেকে অলৌকিকভাবে প্রা’ণে বেঁচে যায় সে (মা’রিয়া)।

হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, শি’শু মা’রিয়ার দাদি শাহিদা বেগমের সম্প্রতি তার দুই চোখ অ’পারেশন হয়েছে। এরই মধ্যে ছে’লে বউমা ও পোতা পুতনিকে খু’নিরা হ’ত্যা করেছে।

তার স্বামী অনেক আগেই মা ’রা গেছেন। একসাথে পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়ে তিনি পাগলপ্রায়। এ অবস্থায় শি’শুটিকে কার কাছে রাখা হবে এ চিন্তা থেকেই জে’লা প্রশাসক এমন সিদ্ধান্ত দেন।

মা’রিয়ার ফুফু জানান, শি’শুটির নানী ময়না খাতুন জামাই মে’য়েসহ নাতী নাতনীর মৃ’ত্যুর খবর শুনে তিনি সজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। রাতে মা’মলা দায়েরের জন্য তাকে থা ’নায় যেতে হয়। মেঝ ভাই আশরাফুল মালয়েশিয়া প্রবাসী, ছোট ভাইকে স’ন্দেভাজন আসামী হিসাবে ইতোমধ্যে পু’লিশ রি’মান্ডে নিয়েছে।

এ অবস্থায় শি’শুটিকে দেখার কেউ ছিলো না। ভাই, ভাইপো সহ চার জনকে হারিয়ে আমা’রও মা’থা ঠিক নেই, তাই মাহিলা মেম্বারের কাছে মা’রিয়াকে রাখার কথা বলি।এখন দিনের বেশীরভাগ সময় আমাদের কাছে থাকছে মা ’রিয়া। ওকে সান্তনা দেয়ার কেউ নেই। লোকজনের ভিড়ে সে হঠাৎ কেঁদে উঠছে। থামানো যাচ্ছে না। চারিপাশে তাকিয়ে কি যেন খুঁজছে। আবার কাঁদছে।

হেলাতলা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন জানান, ঘটনা শোনার পর শি’শুটিকে তিনি উ’দ্ধার করে তার র’ক্তেভেজা শরীর মুছে দেন। ঘনাস্থল পরিদর্শনে এসে জে’লা প্রশাসক পরিবারের আপন কাউকে না পেয়ে শি’শুটিকে আমা’র হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

প্রথম দিন শি’শু মা’রিয়া ভলোই ছিলো। রাত বাড়ার সাথে সে প্রচুর কা’ন্না করে। জেগে থাকে প্রায় সারা রাত। মা’রিয়া মায়ের দুধ পান করত। এখন থেকে তাকে গরুর দুধ ও সুজি খাওয়ানো হচ্ছে। সদা চঞ্চল এ শি’শুটি মাঝে মধ্যে কাঁদছে।

তবেযত দিন মা ’রিয়া আমা’র কাছে থাকবে আমি তাকে সর্বদাই মাতৃস্নেহে লালন-পালন করবো। তাকে সব সময় আনন্দ বিনোদনের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। মা ’রিয়ার স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা হচ্ছে, আদর যত্নে কোন ত্রুটি করা হচ্ছে না।

কলারোয়া উপজলো নির্বাহী র্কম’র্কতা মৌসুমী জেরিন কান্তা জানান, তিনি ডিসি স্যারের নির্দেশে শি’শুটিকে দেখার জন্য ঘটনাস্থলে যান। তার নতুন পোশাক, খেলনা ও শি’শুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিয়মিত খোজ খবর নেয়া হচ্ছে।

সৌভাগ্যক্রমে খু’নিদের হাত থেেক বেঁচে যাওয়া পাঁচ মাসের শি’শু মা’রিয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন সাতক্ষীরার জে’লা প্রশাসক (ডিসি) এস.এম মোস্তফা কামাল। বৃহস্পতবিার দুপুরে ঘটনাস্থল কলারোয়ার খলশী প্রামের নি ’হতের বাড়ি পরর্দিশন করেন। এসময় তিনি শি’শু মা’রিয়ার সকল দায়িত্বভা’র গ্রহণ করেন।

সাতক্ষীরা জে’লা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলনে, নি’র্মম ও নৃ’শংসভাবে হ’ত্যার শি; কার হয়েছেন এক পরিবারের চারজন। তবে খু’নিরা পাঁচ মাসের শি’শুকে হ ’ত্যা করেনি।

সৌভাগ্যক্রমে সে বেঁচে যায়। মায়ের গলাকা’টা লা’শের পাশে কাঁদছিলো শি’শু মা’রিয়া। আত্মীয়-স্বজনও শোকে মুহ্যমান।
এ অবস্থায় আমি শি’শুটির দায়িত্ব নিয়েছি। আপাতত দেখভাল করার জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যকে দায়ত্বি দিয়েছি। শি’শুটির কোনো স্বজন দাবি করলে আইনগতভাবে সমাধান করা হবে।

আলাদা হয়ে পড়বেন দেখে বিয়েই করেননি সাতক্ষীরার দুই ভাই

ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের এমন মমত্ববোধ হার মানিয়েছে নাটক-সিনেমার গল্পকেও।…..

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মৃণাল কান্তি বসু ও দিপক কান্তি বসু যেন রাম-লক্ষণ। ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের এমন মমত্ববোধ হার মানিয়েছে নাটক-সিনেমার গল্পকেও। দুই ভাই আলাদা হয়ে পড়বেন এমন আশঙ্কায় জীবনে বিয়েও করেননি। অবশ্য

বিয়ে নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র আক্ষেপও নেই। অর্ধশতাব্দী ধরে একসঙ্গে পথ চলছেন তারা, যা অব্যাহত রয়েছে এখনো।

ছোটবেলা থেকেই দুই ভাই একসঙ্গে চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া করেন। সাদা মনের এই দুই ভাইকে এলাকাবাসী রাম-লক্ষণ, মানিক-জোড়সহ বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দুই ভাই ঘুরে বেড়ান একেক এলাকায়। বিশ্রামাগার বলতে বিভিন্ন মন্দির বা আশ্রম।

মৃণাল কান্তি বসু ও দিপক কান্তি বসুর আদি নিবাস খুলনার পাইকগাছার হরিঢালী গ্রামে হলেও তালা উপজেলার কানাইদিয়া গ্রামে প্রায় ৩০ বছর ধরে তাদের

বসবাস। প্রয়োজনের বাইরে কারো সাথে কথা বলেন না এ সহোদর। নিজেদের পৈত্রিক জমি উদ্ধারের জন্য তারা মামলা চালাতে নিয়মিত পায়ে হেঁটে খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

পাইকগাছা উপজেলা সেনেটারী কর্মকর্তা উদয় মণ্ডল বলেন, ছোটবেলা থেকে মৃণাল কান্তি বসুকে আমরা সাহেব দা’

নামেই জানতাম। এমনকি জন্মের পর থেকে তাকে আমাদের ফ্যামিলি মেম্বার বলেই জেনেছি। তবে বড় হওয়ার পর জানতে পারি সাহেব দা’রা আমাদের বাড়ির কেউ নন।

জানা গেছে, মৃণাল কান্তি বসু ও দিপক কান্তি বসুর পূর্বপুরুষরা জমিদার ছিলেন। আদি নিবাস পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী গ্রামের হলেও প্রায় ৩০ বছর তালার কানাইদিয়া গ্রামে তাদের বসবাস। পোশাক-পরিচ্ছদ, আচরণ-চলনে রয়েছে

সেই আভিজাত্য। ছোটবেলা থেকেই দুই ভাই সংসার বিবাগী। নিজের বলতে হাতের দুটি ব্যাগ ও পরিধেয় বস্ত্র। সর্বহারা

হলেও কারো কাছ থেকে সাহায্য নেন না তারা। শোনা যায়, গোপনে একটি বুনিয়াদী পরিবারের সামান্য সহযোগিতায় চলে তাদের জীবন। পরিচিত বুনিয়াদী ছাড়া বিশেষ কারো সঙ্গে কথাও বলেন না তারা। তবে বাহ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের পরিপাটি বলে মনে হয়। কখনো কখনো সান্ত্বনা পেতে ছুটে যান পৈত্রিক নিবাস হরিঢালীতে।

স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় ফিরলেও পুরাতন বাড়িতে প্রবেশ করেন না মৃণাল-দিপক। শুধু চেয়ে চেয়ে দেখে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার ফিরে আসেন পথে।

আসলে পথই যেন তাদের আসল ঠিকানা। নির্লোভী দুই ভাই সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই বেরিয়ে পড়েন, চিরচেনা সেই রাজহংসীর রাজকীয় দুলকিতে সামনে-পিছে করে ছুটে চলেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

স্থানীয় শিক্ষক সমীরণ বলেন, এক সময় সাহেব (মৃণাল) ভারতে রেলওয়েতে চাকুরি করতেন। প্রায় ৫ বছর পর চাকুরি

ছেড়ে গ্রামে এসে আর ফিরে যায়নি। হরিঢালী পুলিশ ক্যাম্পের পাশে তাদের জায়গা-জমি ছিল। পরবর্তীতে সেটা স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে নিয়েছে। এ নিয়ে এখনো মৃণাল-দিপকরা খুলনা জজ কোর্টে মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন।

হরিঢালী ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর সিদ্দিকী রাজু বলেন, আমার আব্বা যখন চেয়ারম্যান ছিল তখন থেকে শুনছি দুই

ভাইয়ের পৈত্রিক জমি নিয়ে ঝামেলা চলছে। এ নিয়ে ঐ সময় অনেক দেন-দরবারও হয়েছে। তবে দীর্ঘ কালক্ষেপণে জমির কাগজপত্র তৈরি হয়ে এরইমধ্যে তা বেচাকেনাও হয়ে গেছে।

শেষে জীবনে দুই ভাইকে পথে পথে ঘুরতে দেখে কৌতুহলী অনেকেই তাদের মৌলিক চাহিদার প্রয়োজনীয়তা অনুভব

করেছেন। অনেকেই বলেন, পয়সার অভাবে মাম;লার কাজে জেলা শহরে যেতে দুই ভাই এখনো পায়ে হেঁটে পৌঁছান গন্তব্যে। এখন আর আগের মতো চোখে ভাল দেখেন না। কানেও কম শোনেন। শেষ সময়ে তাদের অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই প্রয়োজন।

বাবা-মা ও ভাই-বোনকে খুঁজছে মারিয়া

প্রিয় বাবা-মা, ভাই-বোন হারিয়ে চিরতরে এতিম হয়েছে পাঁচ মাসের শি’শু মা’রিয়া। প্রতিদিন অগনিত মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করে। মায়াভরা চোখে সবার দিকে শুধু তাকিয়ে থাকে। দেখে যেন মনে হয় উৎসুক দৃষ্টিতে তাদের মাঝে হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের খুঁজছে।

যারা তাকে বড় সাধ করে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছিলো প্রিয় সেই বাবা মা’ও আজ চিরদিনের অন্ধকারে। খেলনা ঘুরিয়ে আনন্দময় সময় পার করা সেই ১১ বছরের বড় ভাই মাহি ও তাসলিম নামের ১০ বছরের বোনটিও সারাজীবনের মায়াকাটিয়ে পরপারে।

নরপিশাচ ঘা’তকের ধারালো আ’স্ত্রের আ’ঘাতে শি’শু মা’রিয়ার প্রিয় মানুষদের আদুরে সান্নিধ্য আজ অ’তীত। মায়ের কোল, ঘরের বারান্দা বাড়ির উঠানও যেন অ’পরিচিত।

মা’রিয়ার শি’শু মনের অসহ্য যন্ত্র’নায় সে কুঁকড়ে গেছে। চারিদিকে শত মানুষের সান্নিধ্যেও মমতাময়ী মায়ের পরম স্নেহের হাতের স্প’র্শ না পেয়ে মাঝে মাঝে কেঁদে উঠছে সে।

সাতক্ষীরা জে’লা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের নির্দেশে মা’রিয়াকে স্থানীয় মাহিলা ইউপি মেম্বার নাছিমা বেগমের হেফাজতে রাখা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে এমনই দৃশ্য দেখা যায়।গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে শি’শু মা’রিয়ার বাবা মো: শাহীনুর রহমান (৩৯) তার মা সাবিনা খাতুন(৩৩),

বড়ভাই সিয়াম হোসেন মাহী (১১) ও বোন তাসলিম সুলতানা (১০) কে দৃর্বত্তরা গলা কে’টে হ’ত্যা করে। হ’ত্যাকারীদের থেকে অলৌকিকভাবে প্রা’ণে বেঁচে যায় সে (মা’রিয়া)।

হেলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, শি’শু মা’রিয়ার দাদি শাহিদা বেগমের সম্প্রতি তার দুই চোখ অ’পারেশন হয়েছে। এরই মধ্যে ছে’লে বউমা ও পোতা পুতনিকে খু’নিরা হ’ত্যা করেছে।

তার স্বামী অনেক আগেই মা’রা গেছেন। একসাথে পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়ে তিনি পাগলপ্রায়। এ অবস্থায় শি’শুটিকে কার কাছে রাখা হবে এ চিন্তা থেকেই জে’লা প্রশাসক এমন সিদ্ধান্ত দেন।

মা’রিয়ার ফুফু জানান, শি’শুটির নানী ময়না খাতুন জামাই মে’য়েসহ নাতী নাতনীর মৃ’ত্যুর খবর শুনে তিনি সজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন।

রাতে মা’মলা দায়েরের জন্য তাকে থা’নায় যেতে হয়। মেঝ ভাই আশরাফুল মালয়েশিয়া প্রবাসী, ছোট ভাইকে স’ন্দেভাজন আসামী হিসাবে ইতোমধ্যে পু’লিশ রি’মান্ডে নিয়েছে।

এ অবস্থায় শি’শুটিকে দেখার কেউ ছিলো না। ভাই, ভাইপো সহ চার জনকে হারিয়ে আমা’রও মা’থা ঠিক নেই, তাই মাহিলা মেম্বারের কাছে মা’রিয়াকে রাখার কথা বলি।

এখন দিনের বেশীরভাগ সময় আমাদের কাছে থাকছে মা’রিয়া। ওকে সান্তনা দেয়ার কেউ নেই। লোকজনের ভিড়ে সে হঠাৎ কেঁদে উঠছে। থামানো যাচ্ছে না। চারিপাশে তাকিয়ে কি যেন খুঁজছে। আবার কাঁদছে।

হেলাতলা ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুন জানান, ঘটনা শোনার পর শি’শুটিকে তিনি উ’দ্ধার করে তার র’ক্তেভেজা শরীর মুছে দেন। ঘনাস্থল পরিদর্শনে এসে জে’লা প্রশাসক পরিবারের আপন কাউকে না পেয়ে শি’শুটিকে আমা’র হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।

প্রথম দিন শি’শু মা’রিয়া ভলোই ছিলো। রাত বাড়ার সাথে সে প্রচুর কা’ন্না করে। জেগে থাকে প্রায় সারা রাত। মা’রিয়া মায়ের দুধ পান করত। এখন থেকে তাকে গরুর দুধ ও সুজি খাওয়ানো হচ্ছে। সদা চঞ্চল এ শি’শুটি মাঝে মধ্যে কাঁদছে।

তবেযত দিন মা’রিয়া আমা’র কাছে থাকবে আমি তাকে সর্বদাই মাতৃস্নেহে লালন-পালন করবো। তাকে সব সময় আনন্দ বিনোদনের মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। মা’রিয়ার স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা হচ্ছে, আদর যত্নে কোন ত্রুটি করা হচ্ছে না।

কলারোয়া উপজলো নির্বাহী র্কম’র্কতা মৌসুমী জেরিন কান্তা জানান, তিনি ডিসি স্যারের নির্দেশে শি’শুটিকে দেখার জন্য ঘটনাস্থলে যান। তার নতুন পোশাক, খেলনা ও শি’শুখাদ্যসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিয়মিত খোজ খবর নেয়া হচ্ছে।

সৌভাগ্যক্রমে খু’নিদের হাত থেেক বেঁচে যাওয়া পাঁচ মাসের শি’শু মা’রিয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন সাতক্ষীরার জে’লা প্রশাসক (ডিসি) এস.এম মোস্তফা কামাল।

বৃহস্পতবিার দুপুরে ঘটনাস্থল কলারোয়ার খলশী প্রামের নি’হতের বাড়ি পরর্দিশন করেন। এসময় তিনি শি’শু মা’রিয়ার সকল দায়িত্বভা’র গ্রহণ করেন।

সাতক্ষীরা জে’লা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলনে, নি’র্মম ও নৃ’শংসভাবে হ’ত্যার শিকার হয়েছেন এক পরিবারের চারজন। তবে খু’নিরা পাঁচ মাসের শি’শুকে হ’ত্যা করেনি।

সৌভাগ্যক্রমে সে বেঁচে যায়। মায়ের গলাকা’টা লা’শের পাশে কাঁদছিলো শি’শু মা’রিয়া। আত্মীয়-স্বজনও শোকে মুহ্যমান।

এ অবস্থায় আমি শি’শুটির দায়িত্ব নিয়েছি। আপাতত দেখভাল করার জন্য স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যকে দায়ত্বি দিয়েছি। শি’শুটির কোনো স্বজন দাবি করলে আইনগতভাবে সমাধান করা হবে।

অভি’যান, আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা

পাইকারি বাজারে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার ভয়ে আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি আলু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নানা অজুহাতে হঠাৎ করেই দ্বিগুণ বেড়েছে আলুর দাম। এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

পাইকারি ও খুচরা বাজারে বাড়তি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি। দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও প্রশাসনের একাধিক টিম। তাই অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের আলু বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলুর দাম পুনর্নির্ধারণের জন্য কোল্ড স্টোরেজের মালিকরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে বৈঠক করবে। এ জন্য তারা আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। আজ বিকেল ৩টায় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

কারওরান বাজারের পাইকারি আলু ব্যবসায়ী মো. হাফিজ বলেন, প্রতিদিন প্রশাসনের লোকজন অভিযানে এসে আমাদের বিরুদ্ধে জরিমানা করছে। অযথা জরিমানা দিয়ে ব্যবসা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তাই এখন থেকে কত পর্যন্ত এইভাবে অভিযান চলবে আমরা ব্যবসা করব না।

আজ পাইকারি বাজারে আলুর দাম ছিল ৪২ থেকে ৪৩ টাকা বলে জানান পাইকারি এ ব্যবসায়ী।এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, সরকারের নির্দেশনা

বিভিন্ন জেলার আলুর গুদামের মালিক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের কার সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ব্যবসা বন্ধ রাখার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বরং দাম স্থিতিশীল রাখতে তাদের বিভিন্ন নির্দেশনাসহ পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আর যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা মূলত ক্রয় রশিদসহ আইন অনুযায়ী কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

যুবকের স’ঙ্গে অ’ন্ত’রঙ্গ মুহূর্ত, ৪ ঘণ্টায় ১২শ’ টাকা নিয়েছিলেন সোনিয়া

রাজধানীতে মহাখালীতে প্রেস লেখা একটি স্কুটারে সড়ক দু’র্ঘটনায় গভীর রাতে নি’হত হয়েছিলেন দুই বান্ধবী কচি ও সোনিয়া। তবে এই দুই না’রীকে নিয়ে রহস্যের জাল যেন বেড়েই চলেছে। ত’দন্ত করতে গিয়ে দুজন না’রীকে দেখা গেছে অ;নৈ;তিক কাজে শামিল হতে।

তাদের মোবাইল নাম্বারের সূত্রে জানা যায়, তারা টাকার বিনিময়ে অ’নৈতিক কাজে লিপ্ত ছিল। তবে ট্রাফিক থেকে মু’ক্তি পেতেই তারা স্কুটারে প্রেস লেখা ঝু’লিয়ে ছিল। বনানী থা’না পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, কচি ও সোনিয়া একইসঙ্গে থাকতেন এবং একইসঙ্গে ঘুরে বেড়াতেন।

বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা ছিল তাদের। তাদের মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে কিছু নাম্বারে কল করলে এ তথ্য

মেলে। সোনিয়ার নম্বর থেকে একটি নম্বর নিয়ে কল করলে, ওপাশ থেকে আনিস নামে এক যুবক বলেন, ওইদিন সোনিয়া সকাল ১১টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত তার সঙ্গে ছিলেন।

তারা মোটরসাইকেলে ঘুরেছেন, খাওয়া দাওয়া করেছেন। একটি বাসায় অ’ন্তরঙ্গ মুহূর্ত কা’টিয়েছেন বলে জানান ওই যুবক। কতদিনের পরিচয় জানতে চাইলে ওই যুবক জানিয়েছেন, এক বন্ধুর মাধ্যমে তিনি নম্বর পান, ওইদিনই তাকে ফোন করেছেন এবং একদিনই ঘুরেছেন।

বিনিময়ে তিনি এক হাজার ২০০ টাকা দিয়েছেন। আর কচির বিষয়টি জানতেন না বলেও জানান ওই যুবক। কচির মামা নুরুল আমিন জানান, কচি কী করতেন তা আমি জানতাম না। মাঝে মধ্যে ফোনে কথা হতো।

টেলিভিশনে ম’রদেহের ছবি দেখে কচিকে চিনতে পারি, এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ম’র্গে গিয়ে ম’রদেহ শ’নাক্ত করি। শুনেছিলাম, মিরপুর শাহ আলী এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে দুই বান্ধবী থাকত। তারা দুজন একইসঙ্গে চলাফেরা করত একইসঙ্গে থাকত।

সোনিয়ার বড়ভাই রুবেল বলেন, সোনিয়া ঢাকায় চাকরি করার কথা বলেছিল আমাকে। এরপর বিউটি পার্লারে কাজের কথাও একসময় জানিয়েছিল। বিয়ে হয়েছিল তিন মাসের মাথায় তালাক হয়ে যায়। এরপর আর বিয়ে করেননি সোনিয়া।

পু’লিশ জানায়, সৈয়দা কচির (৩৮) বাড়ি কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচর পৌরসভার পাচুলিয়া বাজিতপুর এলাকার সৈয়দ ফজলুল হকের মেয়ে। নি’হত আরেকজন সোনিয়া আক্তারের (৩২) বাড়ি ভোলা সদর উপজে’লায়।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১টার দিকে মহাখালী সেতু ভবনের সামনের সড়কে দুই না’রীকে পড়ে থাকতে দেখে পু’লিশে খবর দেয় পথচারীরা। পরে তাদের উ’দ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিলে দুজনকেই মৃ’ত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক।

বনানী থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা নুরে আজম জানান , ‘দিনরাত তারা স্কুটিতে ঘুরে বেড়াতেন। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যাওয়ারও প্র’মাণ মিলেছে।’ তাদের মৃ’ত্যুর বিষয়ে ওসি বলেন, ‘মা’মলা হয়েছে, ত’দন্ত চলছে। কীভাবে তাদের মৃ’ত্যু হয়েছে তা জানার চে’ষ্টা চলছে।’