বিয়ের সাধ মিটে গেছে, মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছেন শ্রাবন্তী

বাইরে কেবলই অ্যাম্বুলেন্সের চিৎকার। মৃ’ত্যুভ’য় ছাড়া যেন আর কোনো অনুভূতি নেই শ্রাবন্তীর। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশের এই টেলিভিশন তারকার দিনরাত এক হয়ে গেছে।
দুই শতাধিক বাঙালি মা’রা গেছেন সেখানে। ব্রুকল্যান্ডের চেয়ে কুইন্সের অবস্থা বেশি ভ’য়াব’হ। নিউইয়র্কে মৃ;;ত্যুহার কমেছে বটে, কিন্তু সং’ক্র’মণের হার প্রতিদিনই বাড়ছে। এ অবস্থায় মানুষ কেমন থাকে?শ্রাবন্তীর মনে হচ্ছিল, মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছেন। এপ্রিলের শুরুতে বড় বোনের মেরিল্যান্ডের বাড়িতে পার হন তিনি। একসময়কার জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। প্রায় পাঁচ বছর হলো তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ২০১০ সালে স্যাটেলাইট

চ্যানেলের কর্মকর্তা খোরশেদ আলমকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১৮ সালে তাদের বিচ্ছে’দ হয়ে যায়। সেই সংসারে তাদের আছে দুটি মেয়ে। মায়ের সঙ্গে তারা থাকে নিউইয়র্কে। করোনা মহামা’রিতে এখন তাদের নিয়ে অনি’শ্চয়তার দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের এই প্রিয়মুখ।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে শ্রাবন্তী বললেন, ”যুক্তরাষ্ট্রের সরকার শুরুতে তেমন পা’ত্তা দেয়নি। এখন বুঝতে পারছে যে কী ভ’য়াব’হ বিপ’র্যয়ের মধ্যে পড়েছে তারা।”বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের অনেকেই সেখানে থাকেন। তাদের সঙ্গে কি যোগাযোগ হয়েছিল শ্রাবন্তীর? পরস্পরের খবর কি জানেন তারা? শ্রাবন্তী বলেন, ”খাইরুল আলম পাখি, টনি ডায়েস, প্রিয়া ডায়েস, তমালিকা কর্মকার, তানিয়া আহমেদ, রিচি, মিলা, মোনালিসা, নওশিন, হিল্লোল—সবার সঙ্গেই যোগাযোগ হয়। সবাই মিলে মেসেঞ্জারে একটা গ্রুপ খুলেছি। সব সময়ই তাদের

সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। এতে মানসিক শক্তি পাচ্ছি। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকেও অনেক সহকর্মী খোঁ’জ নিচ্ছেন।”ওয়ালমার্টে চাকরি নিয়েছিলেন শ্রাবন্তী। এক বছর পর সেটা আর ভালো লাগেনি তার। তিনি বলেন, ”যদিও আমেরিকায় কোনো কাজই ছোট না, তারপরও ওয়ালমার্টে কাজ করতে আমার কেমন যেন লাগত। তাই ছেড়ে দিলাম। মেডিকেল সহকারীর নয় মাসের একটা কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলে সেটা শেষ করে এত দিন ইন্টার্নশিপ করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে আ’টকে গেছে।”এত বিষয় থাকতে মেডিকেল সহকারীর কোর্স কেন? জানতে চাইলে শ্রাবন্তী বলেন, ”আমার যে বয়স, তাতে

অন্য কোনো কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। বাচ্চা দুটোকে দেখাশোনা করতে হয়। এ ছাড়া মেডিকেল সহকারীর কাজটা সেবামূলক, কোর্সটা তাই আমার পছন্দ হয়েছিল। তা ছাড়া এখানে মেডিকেল সহকারী কোর্সের সনদ ও লাইসেন্স থাকলে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ভালো সুযোগ আছে।”গত পাঁচ বছরে দুবার বাংলাদেশে এসেছিলেন শ্রাবন্তী। শেষবার এসেছিলেন ২০১৮ সালে, বিচ্ছে’দের সময়। বিচ্ছে’দের পর অনেক দিন হয়ে গেল। নতুন করে সংসার শুরু করার ইচ্ছে আছে তার? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ”বিয়ের আর বিন্দুমাত্র সাধ নেই, বিয়ের সাধ মিটে গেছে আমার। মেয়ে দুটোকে পড়াশোনা করাব, এটাই আমার জীবন।” সূত্র : প্রথম আলো

বিমান চলাচলে নিষে’ধাজ্ঞা ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ল

করোনাভাইরাসের সংক্র’মণ ঠেকাতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচলে নতুন করে নিষে’ধাজ্ঞার মেয়াদ বৃ’দ্ধি করে ১৬ মে পর্যন্ত করেছে।মঙ্গলবার (০৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষে’ধাজ্ঞা ১৬ মে পর্যন্ত ব’র্ধিত করা হলো।’এ নিষে’ধাজ্ঞা আগের মতোই

বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইউএই, ইউকে -এর সাথে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।একই সঙ্গে কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জ’রুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থা’কবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রবাসে থাকলেও ভালোবাসার ঘাটতি ছিল না কাজলের সংসারে

গাজীপুরের শ্রীপুরে গত ২৩ এপ্রিল নিজ বাড়ি থেকে প্রবাসী কাজলের স্ত্রী ও তিন সন্তানের গলাকাটা মর;দেহ উ’দ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনার পরপরই দেশে আলোচনা-
সমালোচনার জন্ম দেয়। পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআইসহ দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নামে। অবশেষে পিবিআই ঘটনার সম্পৃক্ততায় স্থানীয়পারভেজ নামের একজনকে আটক করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পরে অধিকতর তদন্তে ঘটনার সাথে পারভেজসহ আরও পাঁচজন জড়িত ছিল বলে জানায় র‌্যাব।ঘটনা যাই হোক নিজ স্ত্রী ও সন্তান হ;;ত্যাকারীদের খুঁজে বের করে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানান মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজোয়ান হোসেন কাজল।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মালয়েশিয়া থেকে স্ত্রী ও সন্তানদের অনলাইন প্রযুক্তির

কল্যাণে সবসময় খোঁজ রাখতেন। খাবার খেয়েছে কিনা, স্কুলে যাওয়া হলো কিনা, গোসলসহ প্রতিটি মুুহূর্তে কী করছে, এসব নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের সাথে নি;য়মিত যোগাযোগ রাখতেন। তার ছেলে ফাদিল ছিল বাকপ্রতিবন্ধী। সে এ হ;ত্যা কাণ্ডের আগের দিনও নিজ হাতে কাগজ দিয়ে ঘুড়ি বানিয়ে বাবাকে ভিডিও পাঠিয়েছিল। প্রতিমুহূর্তের আপডেট সন্তানরা তার বাবাকে দিত। আজ কতদিন হয়ে গেল পরম মমতা নিয়ে কেউ আর তার সাথে কথা বলে না। স্ত্রী-সন্তান হারানোর ব্যথা তো ভুলে যাওয়ার নয়, এ এক অমানুষিক যন্ত্রণা যা তাকে দূর প্রবাসেও কুঁকড়ে কুঁকড়ে খাচ্ছে। যাদের নিয়ে তার ভালোবাসার সংসার সেজেছিল তাদের শেষ মুখটাও না দেখারও আক্ষেপটাও বেড়েছে তার।ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার গোলাবাড়ি গ্রামের রেজোয়ান হোসেন কাজল। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে বাবা-মায়ের বড় সন্তান তিনি। ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাসের পর সংসারের সচ্ছলতা আনতে ছুটে যান মালয়েশিয়ায়। একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কনস্ট্রাকশনের কাজে যোগ দেন। সেখানে প্রকৌশল বিভাগে অধ্যয়নরত স্মৃতি ফাতেমার সাথে প্রথমে তার হয় পরিচয়। পরবর্তীতে সেই পরিচয় ভালোবাসার

সম্পর্ক থেকে বাস্তবে ২০০৪ সাল, মালয়েশিয়ায় কাজল-ফাতেমা দম্পতির ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় প্রথম কন্যাসন্তান সাবরিনা সুলতানা নুরা। ওই বছরই নিজ দেশ ইন্দোনেশিয়ার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে ভালোবাসার টানে স্বামীর দেশ বাংলাদেশে ফিরে আসেন ফাতেমা।কাজল স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ওঠেন বাবার বাড়িতে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই স্ত্রী ফাতেমা ও সন্তান নুরাকে রেখে ফের জীবিকার সন্ধানে প্রবাসে ছুটে যান কাজল।
প্রবাসে কাজ করলেও প্রতিমুহূর্তে দেশেই স্ত্রী-সন্তানদের কাছে পড়ে থাকত তার মন। বছর
বছর তাই ছুটি নিয়ে ছুটে আসতেন ভালোবাসার প্রিয় স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে। এরই মাঝে জন্ম নেয় হাওয়ারিন ও ফাদিল। সন্তানদের লেখাপড়ার মাধ্যমে মানুষ করে গড়ে তুলতে সুন্দর একটি সংসারের স্বপ্ন দেখতেন কাজল ও তার স্ত্রী।তাই প্রবাসের কষ্টার্জিত আয়ের টাকায়

গাজীপুরের শ্রীপুরের আবদার এলাকায় এক টুকরা জমি কিনে বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কাজল প্রবাস থেকে টাকা পাঠাতেন, আর তার স্ত্রী ফাতেমা নিজ ব্যবস্থাপনায় সব কাজ করতেন। তারা গড়ে তুলেছিলেন দোতলা পাকাভবন। সন্তানদের লেখাপড়া ও তার বাবা-মায়ের খোঁজ রাখা, সবই ফাতেমা নিপুণ হাতে করতেন। এসব নিয়ে সবসময় গর্ব করতেন কাজল। স্ত্রী ও সন্তানরা প্রিয় মানুষটিকে বারবার দেশে আসার জন্য আকুতি জানাত। স্ত্রী-সন্তানদের ভালোবাসার কাছে হেরে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, আগামী বছরেই স্থায়ীভাবে ফিরে আসবেন দেশে। দেশে ফিরে নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এর আগেই সবাই কাজলকে ছেড়ে চলে গেছে। তাই দূর প্রবাসে নিজ ভালোবাসার স্বজনদের হারিয়ে লকডাউনে ঘরবন্দি কাজলের বুকচাপা কান্নায় প্রকৃতির পরিবেশও মাঝে মধ্যে ভারী হয়ে আসে।প্রবাসে অবস্থানরত কাজলের সাথে অনলাইন প্রযুক্তির

মাধ্যমে কথা বলে জানা যায়, মেধাবী স্মৃতি ফাতেমা ভালোবাসার টানেই সবাইকে ছেড়ে আমার সাথে চলে এসেছিল। সে জলাঞ্জলি দিয়েছিল নিজের সকল স্বপ্ন। বিয়ের পর সে আমাকে ও আমার সন্তানদের নিয়েই ভেবে দিন কাটাত। সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিল সে। যেমন মেধাবী তেমনি ছিল ধার্মিক। সন্তানদের সেভাবেই গড়ে তুলছিল। সে রমজানে কিন্তু দান সদকা করার আগেই সে টাকাই কাল হয়ে উঠল। দূর প্রবাসে থাকলেও সংসারে প্রেম ভালোবাসার কোনো ঘাটতি ছিল না। শান্তির সুবাতাসে মুগ্ধ এই পরিবারে একদিনের জন্যও কোনো অশান্তি হানা দিতে পারেনি।কাজল জানান, এমন স্বজন হারানোর পরও প্রবাসে করোনার প্রভাবে লকডাউনেও ঘরবন্দিত্ব জীবন যে কত কষ্টের তা

বলার নয়। এখন পর্যন্ত যে তিনি বেঁচে আছেন মাঝে মধ্যে তা বিশ্বাসই হচ্ছে না। তার নিজের কোনো স্বপ্ন আর অবশিষ্ট নেই, তবে একটি আশা নিয়ে এখনও বেঁচে আছেন যারা তার ভালোবাসার সারথিগুলোর ওপর বর্বরতা চালিয়ে অঙ্কুরে নিমেষ করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবে সরকার প্রসঙ্গত, গত ২৩ এপ্রিল বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে প্রবাসী কাজলের স্ত্রী ও তিন সন্তানের গলাকাটা মর;দেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে পিবিআই এ ঘটনার মূলহোতা পারভেজ নামের এক কিশোরকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মা-

সন্তানদেরখু;;নের কথা স্বীকার করলে আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি নেয়া হয়।
যদিও র‌্যাবের ব্যাপক অনুসন্ধানে এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রে’ফতার করা হয়। অভিযুক্ত পারভেজ বর্তমানে টঙ্গীর কিশোর অপরাধ সংশোধনী কেন্দ্রে থাকলেও অন্য পাঁচ অভিযুক্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

কাতারে আ’কস্মিক মৃ’ত্যু হয়েছে ৩ প্রবাসী বাংলাদেশির

কাতারে আ’কস্মিক মৃ’ত্যু হয়েছে ৩ প্রবাসী বাংলাদেশির। কাতারে ক্যা’ন্সারে আক্রা’ন্ত হয়ে ইমান হোসেন (২৮) এক প্রবাসীর মৃ’ত্যু হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫ টায় কাতারের হামাদ হাসপাতালে মৃ’ত্যুবরণ করেন ইমন। জানা গেছে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার কালিডাঙা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা তিনি।এদিকে, মৌলভীবাজার বড়লেখা দক্ষিণভাগ কামিলপুরের বাসিন্দা তুতিউর রহমান (৫০) নামে প্রবাসী ডায়াবেটিকস ও দু’রারো’গ্যে আক্রা’ন্ত

হয়ে সোমবার স্থানীয় সোমবার নিজ রুমে মৃ’ত্যুব’রণ করেছেন।অন্যদিকে স্থানীয় সময় রবিবার বিল্লাল হোসেন (৩০) নামে আরেক প্রবাসী হৃ’দরো’গে আক্রা’ন্ত হয়ে নিজ রুমে মৃ’ত্যুব’রণ করেন। জানা গেছে তিনি মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা।প্রবাসীদের অনেকের ধারণা দুই মাস যাবত করোনা ভাইরাসের কারণে কাজ হারিয়ে ক’র্মহীন হয়ে অর্থ সংক’টে পাশাপাশি মা’নসি’কভাবে বি’পর্যস্ত হওয়া এসব আ’কস্মিক মৃ’ত্যুতে

ভূমিকা রয়েছে। তিনজনের লা’শ স্থানীয় দোহা হামাদ হাসপাতালের ম’র্গে রাখা আছে বলে জানা গেছে।তিন প্রবাসী বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যো’দ্ধার মৃ’ত্যুতে চ’লমান করোনা সংক’টে বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শো’ক বা’ড়িয়েছে অনেক বেশি।সেই সাথে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বা’স্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি সর্বো’চ্চ সত’র্কতায় চলা’র আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আকন।

শিশু রাহাত ২১ দিনে করোনাভাইরাসকে জয় করে বাড়ি ফিরল

২১ দিন চিকিৎসার পর করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরল ৯ বছরের শিশু রাহাত ফরাজী। সোমবার (৫ মে) দুপুরে রাহাতকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপর বাবার হাত ধরে বড়ি ফিরে যায় সে।রাহাত বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মধ্য রাকুদিয়া গ্রামের শিমুল ফরাজীর ছেলে। গত ২১ দিন ধরে সে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিল।উজিরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শওকত হোসেন জানান, গত ১৩ এপ্রিল বাবা শিমুল ফরাজী ও দাদি রিজিয়া বেগমের সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসে রাহাত।এ সময় রাহাত জ্বর, সর্দি-কাশি, গ’লা ব্যা’থা ও শ্বা’সকষ্টে আক্রা’ন্ত ছিল। তাৎক্ষণিক তাকে ভর্তি করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়। ১৪

এপ্রিল রাহাতের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছিল। ঢাকা থেকে ১৬ এপ্রিল তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর হাসপাতালেই তার চিকিৎসা চলে। বয়স কম হওয়ায় বাবা শিমুল ফরাজী ও দাদি রিজিয়া বেগম তার সঙ্গে ছিলেন।ডা. শওকত হোসেন জানান, প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-হিস্টামিন, ভিটামিন সি ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন জাতীয় ওষুধ দেয়া হয়েছিল রাহাতকে। এছাড়া প্রতিদিন গরম পানির বাষ্প এবং আদা ও লবণ দিয়ে গরম পানির গড়গড়া করানো হয়েছে তাকে। ধীরে ধীরে তার
স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। ২৪ এপ্রিল রাহাতের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালে ২৬ এপ্রিল রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপরও নিশ্চিত হতে ২ মে পুনরায় নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ৩ মে তার নেগেটিভ রিপার্ট আসে। এর প্রেক্ষিতে দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয় রাহাতকে।তিনি জানান, আইসোলেশন ওয়ার্ডে তার বাবা

শিমুল ফরাজী ও দাদি রিজিয়া বেগম ২১ দিন রাহাতের সঙ্গে ছিলেন। বাড়ি ফেরার আগে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তবে তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া রাহাতকে চিকিৎসা সেবা দেয়া চিকিৎসক ও নার্সদেরও নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদেরও নেগেটিভ এসেছে।রাহাতের বাবা শিমুল ফরাজী বলেন, আমার ছেলে এখন সুস্থ। এই কয়দিন ডাক্তার স্যাররা অনেক কষ্ট করেছেন। তাদের জন্য দোয়া করি। তারা যেন সুস্থ থাকেন।
এদিকে শিশু রাহাতকে বিদায় জানাতে হাসপাতালে এসেছিলেন উপজেলা পরিষদর চেয়ারম্যান

আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণতী বিশ্বাস, পৌর মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন বেপারী, উজিরপুর থানা পুলিশের ওসি জিয়াউল আহসান, উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা অয়ন শাহা, সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম প্রমুখ। এ সময় রাহাতের পরিবারের জন্য এক মাসের চাল, ডাল দেয়া হয়। রাহাতের হাতে উপহার সামগ্রীসহ দেয়া হয় এক ঝুড়ি ফল।

করোনা থেকে সেরে উঠেও পর্তুগালে এক বাংলাদেশির মৃ;ত্যু

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়ার পর জহিরুল ইসলাম বাপ্পি (৩০) নামে পর্তুগাল প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর মৃ;ত্যু হয়েছে। (ইন্নালিল্লাহি… রাজিউন)।করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর সোমবার ( ৪ মে) পর্তুগালের স্থানীয় সময় সকালে লিসবনের কারি কাবরাল হাসপাতালে ব্রেন ড্যামেজ হয়ে পর্তুগাল প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বাপ্পি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নি;হতের পরিবার তার মৃ;ত্যুর খবর

নিশ্চিত করেন।নিহত জহিরুল ইসলাম বাপ্পি বাংলাদেশি অধ্যুষিত মার্তৃম-মনিজ এলাকায় মাসালাহ রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, লিসবন সেন্টার রুয়া কোষ্টা ও আলামেদা এলাকায় লিসবন নক নামক হোটেল ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। নিহতের বাড়ি বাংলাদেশের ফেনী জেলার সোনাগাজী থানায়।পর্তুগালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ব্রেন ড্যামেজে প্রথম প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বাপ্পির মৃ;ত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বাংলাদেশি অধ্যুষিত মার্তৃম-মনিজ এলাকায় সহ পুরো কমিউনিটিতে।

প্রথমবারের মত এবার অস্ট্রেলিয়ার মসজিদে উচ্চস্বরে আজান

পবিত্র মাহে রমজান মাসে অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমরা সুখবর পেলো। দেশটির অন্যতম শহর সিডনির লাকেম্বার মসজিদে উচ্চস্বরে আজান প্রচারের অনুমতি দিয়েছে প্রাশসন। পুরো রমজান মাস উচ্চস্বরে মাগরিবের আজান দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মসজিদটির পরিচালনাকারী অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমএ) নির্বাহী পরিচালক আহমদ মালাস।প্রথমবারের মতো সিডনির কোনো মসজিদে মাগরিবের নামাজের আজান নিয়ে বাংলাদেশিসহ পুরো

মুসলিম কমিউনিটিতে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কমিউনিটি থাকে সিডনির এই লাকেম্বা শহরে।অস্ট্রেলিয়ায় সাধারণত মসজিদের ভেতরে ছোট করে আজান দেওয়া হতো। বড় কোনো মসজিদ এবং ঈদের নামাজের সময় কখনো ছোট মাইক্রোফোনে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এই প্রথম উচ্চ স্বরে এই আজান অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমদের জন্য এক বিরল ঘটনা হয়ে থাকবে ইতিহাসের পাতায়।অস্ট্রেলিয়ার লেবানীয়

মুসলিম কমিউনিটির প্রচেষ্টায় এই বিরল কাজ সাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আহমদ মালাস। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের এই বৈশ্বিক মহামারিতে আজান প্রচার করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বুধবার সন্ধ্যায় যখন প্রথমবার আজান দেওয়া হলো, পুরো মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ।

আরব আমিরাত ও সৌদি সহ দেখে নিন আজকের সকল দেশের মুদ্রার রেট০৫ মে ২০২০,

আজ ০৫ মে ২০২০ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের সকল দেশের রেট এ বাংলাদেশি টাকায় কত টাকা। প্রবাসী ভাইরা, হু’ন্ডি এটা অবৈ’ধ পন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.17 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.64 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 19.74 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 60.15 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.17 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 275.23 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 85.09 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 221.04 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 23.37 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.41 ৳

EUR (ইউরো) = 92.76 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.51 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.071 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 4.61 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 105.02 ৳

INR (ভারতীয় রুপি) = 1.13 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন। যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন। সবাই সবসময় মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার রেট উঠা-নামা করতে পারে। নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় সঙ্গে থাকুন।

আরব আমিরাত সহ মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে লকডাউন শিথিল হলো

বিশ্বজুড়ে এক’চ্ছত্র প্র’ভাব বিস্তা’রকারী করোনার প্রকো’প কিছুটা হলেও ক’মেছে। আর তাই বিশ্বের অনেক দেশই জা’রিকৃত কা’রফিউ, ল’কডাউন বা ছুটির ক’ড়াকড়ি শি’থিল করা শুরু হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশেও নেয়া হয়েছে একই ধরনের ব্য’বস্থা। অনেক জা’য়গাতেই খু’লে দেয়া হয়েছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, শিল্পকারখানা। তবে সব খুলে দেয়া হলেও স্বাস্থ্য স’তর্কতা ও সামাজিক দূ’রত্ব নি’শ্চিত করারও চেষ্টা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যেসকল দেশে লকডাউন শিথিল হচ্ছে-

সংযুক্ত আরব আমিরাত: আমিরাতে সীমিত সংখ্যক ক্রে’তা রাখার শ’র্তে কিছু শ’পিংমল খু’লে দেয়া হচ্ছে। গত শনিবার আবুধাবির তিনটি শপিংমলে শা’রীরিক তাপমাত্রা মে’পে ৩০ শতাংশ ক্রেতা প্র’বেশ করতে দেয়া হয়।দেশটিতে বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো খো’লা থাকবে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে খাবারের দোকান ও ফার্মেসিগুলো খো’লা থাকবে ২৪ ঘণ্টাই।

ইরান: করোনা আক্রা’ন্ত দেশের তা’লিকায় অন্যতম দেশ ইরান। ইতোমধ্যেই সেখানে ছয় হাজারের বেশি মানুষ মা’রা গে’ছেন, আক্রা’ন্ত প্রায় এক লাখ। তবে গত কয়েকদিনে সংক্র’মণের হার কিছুটা ক’মে আসায় বেশ কিছু এলাকায় ল’কডাউন শি’থিল করে ব্যব’সাপ্র’তিষ্ঠান চা’লু ও মসজিদ খু’লে দেয়ার ঘো’ষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।

সৌদি আরব: সৌদি আরবে ২৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত সবধরনের পাইকারি ও খুচরা পণ্য বিক্রয়কেন্দ্রগুলো খোলা থাকবে। বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

বাহরাইন: রমজানের শুরু থেকেই কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে বাহরাইন। তবে বাইরে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দেশটিতে। তবে গত ৯ এপ্রিল থেকেই কিছু দোকানপাট ও শপিংমল খুলে দিয়েছে বাহরাইন সরকার।

লেবানন: সোমবার থেকে রেস্টুরেন্টগুলো ৩০ শতাংশ ক্রেতা প্রবেশের শর্তে খুলে দিয়েছে লেবানন। তবে ক্যাফে, ক্লাব ও বারগুলো অন্তত জুন মাস পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

ইসরায়েল: গত রোববার থেকে ইসরায়েলের কিছু এলাকায় স্কুলগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশটির ৮০ ভাগ স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

শিগগিরইএসএসসির ফল প্রকাশ

শিগগিরিই এসএসসি’র ফল প্রকাশের লক্ষে পরীক্ষার্থী;রে খাতার ওএমআর শিট ডাকযোগে পাটানোর জন্য ঢাকা ব্যাতীত অন্য সব এলাকার প্রধান পরীক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।আগামী ১০ মের মধ্যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বোর্ডে ওএমআর শিট পাঠাতে হবে। আর ওএমআর পাঠানোর ঠিকানা, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, ১৩-১৪ জয়নাগ রোড বকশিবাজার ঢাকা।রোববার ঢাকা

বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।জানা গেছে, কমলা রঙের প্যাকেটে জরুরি উল্লেখ করে সিলমোহরকৃত অবস্থায় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এসএসসির খাতার ওএমআর শীট পাঠাতে হবে প্রধান পরীক্ষকদের। আগামী ১০ মের মধ্যে পাঠাতে হবে ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য এলাকার প্রধান পরীক্ষকদের।দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। অঘোষিত লকডাউনের কারণে গত ১৮ মার্চ এসএসসি পরীক্ষার খাতার ওএমআর শিট স্ক্যানিং কার্যক্রম স্থগিত করেছিল ঢাকা বোর্ড।