যদি আমরা বলি আরব আমিরাতে হিন্দুদের ঢু’কতে দেয়া হবে না, কেমন লাগবে?

কয়েক ‌দিন ধরেই তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যকা;উন্টে ইসলাম বি;;রোধী মন্তব্যের ঝড় বইছে। এবার সেই নিয়েই তীব্র ক্ষো;ভ উগড়ে দিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রিন্সেস হেন্দ আল
কাসিমি। নিউজ ১৮-কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ভারত আর সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এমন মন্তব্য এর আগে তিনি কখনো শোনননি। ভারতীয়দের ইতিহাসের সঙ্গে এই অভ্যাস কখনো মেলে না। তিনি একথা মনে করেন যে কয়েকজনের
কথা সমগ্র ভারতের মতামত নয়, কিন্তু পাশাপাশি তিনি এই বুঝিয়ে দিয়েছেন যে এই অংশের

ভারতীয়রা কী চান?‌ সংযুক্ত আরব আমিরাতে কে আসবেন, যে যাবেন, সেটা পছন্দ করে
নিতে?‌‘‌শুধু মুসলিম আর খ্রিস্টানদের এখানে আসার অনুমতি দেয়া হবে?‌ কিন্তু আমরা তো এভাবে বড় হইনি। আমাদের তারা সকলেই ভারতীয়। তাদের মধ্যে কোনো বিভাজন আমরা করি না, যেমন শুধু মুসলিমদের সঙ্গে কাজ করব, এমন ভাবনাও আমাদের নেই’, মন্তব্য
করেছেন তিনি।‌ সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ৩৫ লাখ ভারতীয় কাজ করে থাকে। দূতাবাসের দেয়া তথ্য অনুসারে, মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ।তিনি বলেছেন ‘‌ভারতীয়দের কেমন

লাগবে, যদি আমাদের দেশ বলে যে আমিরাতে হিন্দুদের ঢুকতে দেয়া হবে না?‌ এই দেশ থেকে বছরে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার উপার্জন করে নিয়ে যান ভারতীয়রা। যদি সেটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কী হবে বুঝতে পারছেন?‌ এই দেশে ভারতীয়রা কঠোর পরিশ্রম করেন।
আমার মনে হয়, তাদের ভুল ভাবমূর্তি তুলে ধরে যারা, তাদের সঙ্গে এদের এক সারিতে রাখা যায়।’‌ ভারতে চলমান মুসলিমবিরোধী প্রচারণার প্রেক্ষাপটে তিনি এই কঠিন মন্তব্য করলেন।

কানাডার তিন শহরে উচ্চস্বরে আজানের অনুমতি

পবিত্র রমজান মাসে কানাডার তিন শহরে উচ্চস্বরে মাগরিবের আজান প্রচারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে টরন্টো, অটোয়া এবং মিসিসাওগা সিটি কাউন্সিল পৃথকভাবে এই অনুমোদন দেয়। আগামী ২৩ মে পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।তবে সংক্ষিপ্ত আকারে আজান প্রচার করার অনুমতি দিলেও মসজিদে সমবেত হওয়ার ব্যাপারে স’তর্ক করে দেয়া হয়েছে।মিসিসাওগার মেয়র বনি ক্রমবি ফেসবুক পোস্টে আজান প্রচারের অনুমতি দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মিসিসাওগার মসজিদ এবং যে কোনো ভবনে সূর্যাস্তের সময় সংক্ষিপ্তভাবে উচ্চস্বরে আযান প্রচার করা যাবে।অন্য দুটি শহরে কেবল মসজিদে আজানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।অন্যদিকে

কানাডার অন্টারিও প্রদেশে বাংলাদেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের ফিউনারেল প্রক্রিয়া বা দাফন কার্য সহজ করতে ‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ নামে একটি অলাভজনক সেবামূলক সংগঠন অন্টারিওতে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়ে সংগঠনটির পরিচালক মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন মো. হানিফ বলেন, অন্টারিওতে বাংলাদেশি কানাডিয়ান মুসলিমদের পরামর্শ ও চাহিদার ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ তার সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত হবে।এটি একটি কানাডিয়ান ফেডারেলি ইনকর্পোরেটেড সংগঠন। সংগঠনটির কোনো সদস্য মা;;রা গেলে তার দাফনের খরচসহ অন্যান্য সব বিষয়গুলো দেখবে। এছাড়া মসজিদের সঙ্গে সমন্বয়

করে মৃ’তের পরিবারের জন্যে কাজটি বিধিসম্মত ও সহজভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েই এই সংগঠনের জন্ম হয়েছে।সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি সদস্যই স্বেচ্ছাশ্রমের বিনিময়ে কমিউনিটির জন্যে এই অত্যাবশকীয় সেবা প্রদান করবেন। কানাডায় ফিউনারেল খরচ বেশ ব্যয়বহুল এবং দিন দিন তা বাড়ছে।বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সারভিসের সদস্য হয়ে যে কেউ তার বা তার পরিবারের প্রয়োজনের সময় এই সংগঠনটি থেকে আর্থিক এবং অন্যান্য লজিস্টিক সহযোগিতা পেয়ে থাকবেন।‘বাংলাদেশ মুসলিম ফিউনারেল সার্ভিসেস’ ধীরে ধীরে সব প্রদেশগুলোতে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করার আশা ব্যক্ত করেছে।

যারা এতিমদের ভালোবাসে, তাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছেন প্রিয়নবী(সা.)

এতিম শব্দের অর্থ নিঃস্ব ও নিঃসঙ্গ। বাংলা অভিধান অনুযায়ী, মাতা-পিতাহীন বালক-বালিকাকে এতিম বলা হয়। ইসলামী পরিভাষায়, যে শিশুর পিতা ইন্তেকাল করেছেন, শুধু তাকে এতিম বলা হয়।প্রিয়নবী (সা.) এতিম অবস্থায় পৃথিবীতে আগমন করেছেন। পিতৃছায়াহীন বিষাদময় জীবনের কী যে যন্ত্রণা, তা তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছেন। তাই তিনি সর্বদা এতিমদের ভালোবাসতেন, তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতেন, তাদের মাথায় স্নেহের পরশ বুলিয়ে দিতেন এবং এতিমের সম্পদ গ্রাস করাকে ধ্বং’সা’ত্ম’ক কাজ বলে ঘোষণা করেছেন।এতিমকে ভালোবাসতে হবে হৃদয়ের গভীর থেকে। আল্লাহ তায়ালা এতিমের সম্পদ বুঝিয়ে দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। যারা এতিমের সম্পদ লু’ণ্ঠ’ন করে, তাদের

প্রাপ্য অধিকার আদায় করে না, এমন পা’পি’ষ্ঠদের ব্যাপারে ক’ঠো’র প’রিণ’তির কথা বর্ণনা করেছেন।এ সম্পর্কে কোরআন মজিদে এরশাদ হয়েছে ‘তোমরা এতিমের সম্পদ বুঝিয়ে দাও এবং অপবিত্র সম্পদকে পবিত্র সম্পদ দ্বারা বদল করো না। আর তাদের সম্পদকে তোমাদের সম্পদের সঙ্গে মিশিয়ে গ্রা’স করো না। নিশ্চয়ই এটা ম’হাপা’প।’ (সূরা নিসা : ২)।মহান রাব্বুল আলামিন কোরআনের অন্যত্র এরশাদ করেন ‘যারা এতিমের ধনসম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে, তারা মূলত তাদের পেট আগুন দ্বারা পূর্ণ করছে, আর অচিরেই
তারা জাহান্নামের প্রজ্বলিত আ’গু’নে নি’ক্ষি’প্ত হবে।’ (সূরা নিসা : ১০)। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেন ‘এতিমের প্রতি কঠোরতা প্রদর্শন করো না। ভিক্ষুককে ধমক দিয়ো না। অধিকন্তু তোমার রবের অনুগ্রহ বর্ণনা করো।’ (সূরা দোহা : ৯-১১)।ইসলাম সমাজের ধনবান, সামর্থ্যবান ও বিত্তশালীদের সম্পদে নিঃস্ব, এতিম, বিধবা ও দু’র্দ’শা’গ্র’স্তদের অধিকার নিশ্চিত করেছে। যারা এতিমকে ভালোবাসে, তাদের সঙ্গে সদয়

ব্যবহার করে, তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে এবং তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করে। প্রিয়নবী (সা.) তাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছেন।আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন ‘মুসলমানদের ওই বাড়ি সর্বোত্তম, যে বাড়িতে এতিম আছে এবং তার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা হয়। আর ওই বাড়ি সবচেয়ে নি’কৃ’ষ্ট, যে বাড়িতে এতিম আছে অথচ তার সঙ্গে অ’ন্যা’য় আচরণ করা হয়। অতঃপর তিনি তার দুই আঙুলের দিকে ইশারা করে বলেন, আমি এবং এতিম প্রতিপালনকারী জান্নাতে এরূপ কাছাকাছি অবস্থান করব।’ (ইবনে মাজাহ)।আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন ‘যে ব্যক্তি কোনো এতিম ছেলে বা মেয়ের মাথায় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে

স্নেহের হাত বুলিয়ে দেয়, মাথার যতগুলো চুলের ওপর দিয়ে তার হাতটি অতিক্রম করবে, সে পরিমাণ সওয়াব তার আমলনামায় জমা হবে। আর সে যদি এতিমের সঙ্গে সদয় ব্যবহার করে, তাহলে এই দুই আঙুলের মতো আমি এবং সে জান্নাতে অবস্থান করব। অতঃপর তিনি তার দুই আঙুল মোবারক মিলিয়ে দেখালেন।’ (মুসনাদে আহমদ)।আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন ‘তোমরা সাতটি ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বিরত থাক। সাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! সেগুলো কী? তিনি বললেন ১. আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা; ২. জাদু করা; ৩.অ’ন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা; ৪. সুদ খাওয়া; ৫. এতিমের মাল গ্রাস করা; ৬. যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা; ৭. সরল প্রকৃতির মোমিনা নারীদের প্রতি অপবাদ দেয়া।’ (বোখারি)।

রোজা অবস্থায় তিলাওয়াত করতে করতে কোরআনের ওপরই হাফেজের মৃ’ত্যু

পবিত্র রমজানে তিলাওয়াতরত অবস্থায় কোরআনের ওপরই মৃ’ত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন
তুরস্কের এক বৃদ্ধ হাফেজ। রোজা অবস্থায় কোরআন তিলাওয়াত করতে করতে এমন মৃ’ত্যুর ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।আলজাজিরা আরবি জানিয়েছে, হাজি আলি সুলফিক নামের ওই বৃদ্ধ হাফেজ তুরস্কের আইদান প্রদেশে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দিনে মৃ’ত্যুবরণ করেন।

তিনি পবিত্র কোরআনের হাফেজ ছিলেন। তার হাতে শত শত শিক্ষার্থী কোরআন মুখস্ত করার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। কোরআনের পাখি এই তুর্কি বৃদ্ধের মৃ’ত্যুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা সৌভাগ্যের বিদায় আখ্যায়িত করে তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করছেন।একজন লিখেছেন, কোরআনের সঙ্গে বসবাস করে কোরআনের ওপর মৃ’ত্যু- সত্যি তিনি প্রকৃত সৌভাগ্যবান। আরেকজন লিখেছেন, তিলাওয়াত করতে করতে মহিমান্বিত রমজান মাসে তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছেন।

আরব আমিরাত ও সৌদি সহ আজকে ০২ মে ২০২০ সকল দেশের মুদ্রার রেট!!

আজ ০২ মে ২০২০ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের সকল দেশের রেট এ বাংলাদেশি টাকায় কত টাকা। প্রবাসী ভাইরা, হু’ন্ডি এটা অবৈ’ধ পন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

AED (দুবাই দেরহাম) = 22.98 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.45 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 19.64 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 59.62 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 22.98 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 272.77 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 84.39 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 219.11 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 23.18 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 223.21 ৳

EUR (ইউরো) = 92.38 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.46 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.071 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 4.51 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 106.03 ৳

INR (ভারতীয় রুপি) = 1.11 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন। সবাই সবসময় মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার রেট উঠা-নামা করতে পারে। নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় সঙ্গে থাকুন।

পূর্ণিমা’র চাঁদের চেয়েও সুন্দর ছিলেন আমা’র নবীজি হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা:)

বালাগাল উলা বি কামা–লি হি, কাশাফাদ দুজা বি জামা-লি হি; হাছুনাত জামিউ খিছ-লিহি, সাল্লু আলাইহি ওয়া আ-লি হি। ‘সবার ওপরে আসন যাঁর, তাঁর রূপের ঝলকে কে’টেছে আঁধার; সকল কিছুই সুন্দর তাঁর; দরুদ তাঁকে ও তাঁর পরিবার।’বিশ্বের বিস্ময়, নবী ও রাসুলগণের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ, বিশ্বনবী হ’জরত আহমাদ মুজতবা মুহাম্ম’দ মু’স্তাফা (সা.)। যাঁর গুণকী’র্তনে ভিন্ন ধ’র্মের মানুষেরা পর্যন্ত পঞ্চ’মুখ;কাফির–মুশরিক, জানের দুশমনরাও যাঁকে ‘আল আমিন’ তথা মহাসত্যবাদী বা পরম বিশ্বা’সী আখ্যায় আখ্যায়িত করতে কুণ্ঠাবোধ করেনি; যাঁর আবির্ভাবে কিসরা ও কাইজারের গগনচুম্বী রাজপ্রাসাদ ভূমিতে লুটিয়ে পড়ে; পারস্যের অনির্বাণ অ’গ্নিকুল চিরনির্বাপিত হয়; তাঁর সেই শুভাগমনকে

বিশ্ববিবেক ক্ষণিকের তরেও ভুলতে পারে না।বছরের ৩৬৫ দিনও যদি তাঁর পবিত্র মহামিলাদ বা জন্ম স্ম’রণ করা হয়, তথাপি রোজ কিয়ামত পর্যন্ত এর প্রয়োজন ও গুরুত্ব বিন্দুমাত্র হ্রাস পাবে না। তাই তো সারা দুনিয়া প্রতিমুহূর্তে গাইছে: ‘সাল্লু আলাইহি ওয়া সাল্লিমু তাসলিমা’।
মুহাম্ম’দ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (সা:) সংক্ষেপে মুহাম্ম’দ (সা:) ইস’লাম ধ’র্মের প্রচারক। ইস’লাম ধ’র্ম অনুযায়ী তিনি আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ
নবী ও রাসূল এবং তার উপরই কুরআন প্রেরিত হয়েছিল।মহানবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা:) এর জন্ম ৫৭০ খ্রীস্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল মাসে ম’ক্কার সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে। জন্মের পূর্বেই মহানবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা:) এর পিতা আব্দুল্লাহ মা’রা যান। মহানবী হ’জরত মুহাম্ম’দ (সা:) এর মায়ের নাম আমিনা। তিনি শৈশবে আল-আমিন (বিশ্বস্ত) উপাধি লাভ

করেন।৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ বছর বয়সে মুহাম্ম’দ (সা.) হেরা গুহায় নবুয়ত লাভ করেন। আল্লাহর নির্দেশে হযরত জিবরাঈল (আ.) মুহাম্ম’দ (সা.) এর কাছে আল কুরআনের ৫ টি
আয়াত নিয়ে আসেন। আয়াতগুলো ছিল কুরআনের ৯৬তম সূরা আল-আলাক- এর।প্রায় দেড় হাজার বছর আগে পৃথিবী এমন সভ্য, সুন্দর ছিল না। ছিল জাহি’লিয়াতে ঢাকা। কারণ মানুষ তখন ভুলে গিয়েছিল নিজেদের পরিচয়। ভুলে গিয়েছিল তারা মানুষ। ফলে প’শুত্বের চেয়েও নিকৃ’ষ্ট হয়ে উঠেছিল তাদের মন। তারা এতটাই অমা’নবিক ছিল, নিজের ঔর’সজাত সন্তানকেও জী’বন্ত মাটিতে পুঁ’তে ফেলত। হা’নাহা’নি, মা’রামা’রি,র’ক্তার’ক্তি, কাফেলা লু’ট, নারী নির্যা’তনসহ এমন কোনো মন্দ কাজ নেই, যা তারা করত না।এমনই এক অন্ধকারাচ্ছ’ন্ন সময়ে সমাজব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তনের জন্য সে ছিলেন এক মহামানব যাঁর

নাম মুহাম্ম’দ (সা.)। তিনি এক আশ্চর্যময় পরিবর্তন আনেন সমাজে। ঐশী আলোয় আলোকিত। নূরের চেরাগ জ্বলে। তিনি ম’ক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন আবদুল্লাহ। আর মাতা আমিনা। বাবা-মাহারা শি’শু মুহাম্ম’দ বড় হতে থাকেন দাদা আবদুল মুত্তালিব এবং চাচা আবু তালিবের আদরে। শৈশবেই তিনি সত্যবাদিতা আর সদাচরণে সবার প্রিয় হয়ে ওঠেন।আমানতদারির বিশ্বস্ততায় উপাধি পান ‘আল-আমিন’ তথা বিশ্বা’সী। সেই যুগে মানুষ যখন কারণে অকারণে হ’ত্যা, লু’টতরা’জ, ম’দ্যপান, জো’য়া, নারী নি’র্যাতন হী’ন কর্মকা’ণ্ডে উন্মাদ হয়ে থাকত, তখন যুবক মুহাম্ম’দ (সা.) চিন্তামগ্ন থাকতেন মানবতার মুক্তির। কী’ভাবে এ বর্বরো’চিত সমাজের পরিবর্তন হবে, মানুষ

সত্যিকারের মানুষে পরিণত হবে এ ধ্যানেই মগ্ন থাকতেন দিন-রাত। চল্লিশ বছর বয়সে হলেন নবী ও রাসূল। প্রভুর ঐশী বাণীকে মানুষের কাছে তুলে ধরলেন। দয়ার সাগর নবীজি অবিশ্বা’সীদের বিদ্রুপ, অমানুষিক নি’র্যাতনে ক্ষু’ব্ধ’ না হয়ে তাদের প্রতি দয়া দেখিয়ে করুণাময় রবের কাছে তাদেরই জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তাদের ভালোবাসা দিয়ে সত্যের পথে ডেকেছেন। কারণ তিনি যে দয়ার নবী আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে এসেছে তোমাদের মধ্যকার এমন একজন রাসূল, তোমাদের দুঃখ যার কাছে দুঃসহ। তিনি তোমাদের হিতাকাক্সক্ষী, বিশ্বা’সীদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়।’ (সূরা তাওবা : ১২৮)।নবীজির এ দয়া নারী, পুরুষ, শি’শু, যুবক, বৃদ্ধ সব মানুষের জন্যই সমানভাবে ছিল। হোক সে ভিন্ন মতের

বা পথের। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পাশ দিয়ে একবার এক লা’শ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি তখন তা দেখে দাঁড়ালেন, উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম তখন বললেন, এ তো ইহুদির লা;’শ। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের জিজ্ঞেস করলেন, আলাইসাত নাফসা? অর্থাৎ সে কি মানুষ নয়? (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৩১২)।নবীজির দয়ামায়া শুধু মানব জাতিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বাকহীন পশু-পাখির জন্যও ছিল তার দয়ামায়া। তাদের জন্যও নবীজির মমতা ছিল মানুষের মতোই। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, আম’রা এক সফরে রাসূল (সা.)-এর সঙ্গে ছিলাম। এক সময় একটু প্রয়োজনে দূরে গেলাম। দেখলাম একটি লাল পাখি, সঙ্গে দুটি বাচ্চা। আম’রা বাচ্চা দুটি ধরে নিয়ে এলাম।কিন্তু মা-পাখিটিও চলে এলো। বাচ্চা দুটির কাছে

আসার জন্য পাখিটি মাটির কাছে অবিরাম উড়ছিল। তখন রাসূল (সা.) এসে পড়লেন। তিনি এটি দেখে বললেন, কে এ বাচ্চা ধরে এনে এদের মাকে ক’ষ্ট দিচ্ছে? যাও, বাচ্চা দুটি মায়ের কাছে রেখে এসো। (আবু দাউদ ১৪৬/২)।এ জন্যই তো নবীজি লক্ষ কোটি হৃদয়ে সুবাসিত ফুল হয়ে আছেন। ইংরেজ কবি জন কিটস বলেন, ‘পৃথিবীর যা কিছু মঙ্গলময়, যা কিছু মহৎ ও সুন্দর সবই নবী মুহাম্ম’দ।তাঁর তুলনা তিনি নিজেই।’ নবীজির মূল্যায়নে এ রকম উৎকৃষ্ট উক্তি অসংখ্য মনীষীগণই করে গেছেন। মনীষীরাও নবীজির শানে অনেক উক্তি-উপমা করে গেছেন। কারণ নবীজি এমনই এক ফুল, যে ফুল যুগ যুগ খশবু ছড়ায়। পূর্ণিমা’র চাঁদের চেয়েও সুন্দর ছিলেন আমা’র নবীজি (সা:)। এমনভাবেই নবীজি পৃথিবীর ইথারে ইথারে মহাসত্যের আলো ছড়িয়ে গেছেন।রোপণ করেছেন মানবতার বীজ। দিয়েছেন আল্লাহ প্রদত্ত সুন্দর একটি জীবন ব্যবস্থা।

একদিনে ইতালিতে রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী সুস্থ

মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ইতালি যেন মৃ;;তনগরীতে পরিণত হয়েছিল বিগত দুই মাসে। তবে এবার সেখানে কমতে শুরু করেছে করোনা আক্রান্ত ও মৃ’;তের সংখ্যা।বাড়ছে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরার সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।ইতালিতে করোনা রোগী সনাক্তের পর থেকে সুস্থ হয়ে একদিন বাড়ি ফেরার সংখ্যা এটাই সর্বোচ্চ।গত একদিনে ৪ হাজার ৬৯৩ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে

করোনায় আক্রান্ত ৭৫ হাজার ৯৪৫ ব্যক্তি এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাগরিক সুরক্ষা সংস্থার প্রধান অ্যাঞ্জেলো বোরেল্লি।তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘন্টায় প্রা;;ণ হারিয়েছেন ২৮৫ জন। আর নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৭২ জন। এনিয়ে ইতালিতে মোট মৃ;;তে;;র সংখ্যা ২৭ হাজার ৯৬৭। আক্রান্ত ২ লাখ ৫ হাজার ৪৬৩ জন।এদিকে ইতালিতে করোনা থেকে সেরে উঠার সংখ্যা বাড়তে থাকায় আশার আলো দেখছেন দেশটির ৬ কোটি মানুষ। দেশটির বিভিন্ন

এলাকায় খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট।বই, স্টেশনারি, বাচ্চাদের জামা কাপড়ের দোকান খুলছে। এছাড়া কম্পিউটার ও কাগজপত্র তৈরির কাজ শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।আগামী ৪ মে ইতালির কিছু কিছু এলাকায় লকডাউন শিথিল করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

সুরা ফাতিহা সব রোগের ওষুধবিশেষ জেনে নিন ফযিলত ও বৈশিষ্ট্য

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। (১) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তায়ালার যিনি গোটা সৃষ্টিজগতের পালনকর্তা। (২) যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। (৩)
যিনি বিচার দিনের মালিক। (৪) আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই
সাহায্য প্রার্থনা করি। ৫) আমাদের সরল পথ দেখাও, (৬) সে সমস্ত লোকের পথ যাদের তুমি নেয়ামত দান করেছো। (৭) তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

ফযিলত ও বৈশিষ্ট্য: সুরা আল-ফাতিহা কোরআনের একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সুরা। প্রথমত, এ সুরা দিয়েই পবিত্র কোরআন আরম্ভ হয়েছে এবং এ সুরা দিয়েই সর্বশ্রেষ্ঠ এবাদত নামায আরম্ভ হয়। অবতরণের দিক দিয়েও পূর্ণাঙ্গ সুরারূপে এটিই প্রথম নাযিল হয়। সুরা‘ইকরা’, ‘মুয্যাম্মিল’ ও সূরা ‘মুদ্দাসসিরে’র ক’টি আয়াত অবশ্য সুরা আল-ফাতিহার পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ সুরারূপে এর অবতরণই সর্বপ্রথম। যেসব সাহাবি (রা.) সূরা আল-ফাতিহা সর্বপ্রথম নাযিল হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন, তাদের সে বক্তব্যের অর্থ বোধহয় এই যে, পরিপূর্ণ সুরারূপে এর আগে আর কোনও সুরা নাযিল হয়নি। এজন্যই এ সুরার নাম ‘ফাতিহাতুল-কিতাব বা কোরআনের উপক্রমণিকা’।সুরা-ফাতিহা এদিক দিয়ে সমগ্র কোরআনের সার-সংক্ষেপ। এ সুরায় সমগ্র কোরআনের সারমর্ম সংক্ষিপ্তাকারে বলে দেওয়া

হয়েছে। কোরআনের অবশিষ্ট সুরাগুলো প্রকারান্তরে সুরা ফাতিহারই বিস্তৃত ব্যাখ্যা। কারণ, সমগ্র কোরআন প্রধানতঃ ঈমান এবং নেক আমলের আলোচনাতেই কেন্দ্রীভূত। আর এ দু’টি মূলনীতিই এ সুরায় সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করা হয়েছে। তাফসিরে রূহুল মা’আনি ও রূহুল বয়ানে এর বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। তাই এ সুরাকে সহিহ হাদিসে ‘উম্মুল কোরআন’, ‘উম্মুল কিতাব’, ‘কোরানে আযিম’ বলেও অভিহিত করা হয়েছে। (কুরতুবি)যে ব্যক্তি কোরআন তেলাওয়াত বা অধ্যয়ন করবে তার জন্য এ মর্মে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সে যেন প্রথমে পূর্বঘোষিত যাবতীয় ধ্যান-ধারণা অন্তর থেকে দূরীভূত করে একমাত্র সত্য ও সঠিক পথের সন্ধানের উদ্দেশে এ কিতাব তেলাওয়াত আরম্ভ করে এবং আল্লাহর কাছে এ

প্রার্থনাও করে যে, তিনি যেন তাকে সিরাতুল মুস্তাকিমের হেদায়েত দান করেন।হযরত রাসুলে করিম (সা.) এরশাদ করেছেন, যার হাতে আমার জীবন-ম;রণ, আমি তার শপথ করে বলছি, সুরা আল-ফাতিহার দৃষ্টান্ত তওরাত, ইনজিল, যাবুর প্রভৃতি অন্য কোনও আসমানি কিতাবে তো নেই-ই, এমনকি পবিত্র কোরআনেও এর দ্বিতীয় নেই। ইমাম তিরমিযি আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন যে, সুরায়ে ফাতিহা প্রত্যেক রোগের ওষুধবিশেষ।হাদিস শরিফে সূরা আল-ফাতিহাকে

সূরায়ে শেফাও বলা হয়েছে। (কুরতুবি) বোখারি শরিফে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, সমগ্র কোরআনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুরা হচ্ছে আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন (কুরতুবি)।তাফসিরে মাআরেফুল কোরআন হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শাফী’ (রহ.)

আরব আমিরাত ওসৌদি সহ আজকের সকল দেশের মুদ্রার রেট০১ মে ২০২০ইং

আজ ০১ মে ২০২০ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের সকল দেশের রেট এ বাংলাদেশি টাকায় কত টাকা। প্রবাসী ভাইরা, হু’ন্ডি এটা অবৈ’ধ প’ন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারান্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.13 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.46 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 19.64 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 59.68 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 23.13 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 272.77 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 84.39 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 219.11 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 23.18 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 223.21 ৳

EUR (ইউরো) = 92.38 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.46 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.071 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 4.51 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 106.03 ৳

INR (ভারতীয় রুপি) = 1.11 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন। সবাই সবসময় মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার রেট উঠা-নামা করতে পারে। নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় সঙ্গে থাকুন।

দিল্লি প্রশাসন ঋষিকন্যা ঋদ্ধিমার যে অনুরোধ রাখলেন, বাবাকে শেষবার দেখতে চাই

অভিনেতা ঋষি কা’পুরের কাছে বড়ই আদরের ছিলে’ন মেয়ে ঋদ্ধি’মা কাপুর। মেয়ে’কে
নাকি ঋষি কা’পুর চো’ হারা’তে’ন। একসময় নীতু কাপুর নি’জেই একথা জানি’য়েছিলেন। এদিকে বাবা ঋষি কাপুর যখ’ন আর নেই, ঋদ্ধিমা তখন ছিলেন শ্বশুরবাড়ি দিল্লিতে। বাবাকে শেষবার দেখার জন্য ছট’ফট করছিলেন তিনি।The Qunt-এর প্রতি’বেদন অনুসারে, ঋষি কাপু’রের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই ঋদ্ধিমা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেছেন, তাঁকে যেন দিল্লি থেকে মুম্বই যেতে দেওয়া হয়। প্রশাস’নকে ঋ’দ্ধিমা অনুরোধ

করেন, ”শে’ষবা’রের মতো বাবাকে দেখতে চাই, দয়া করে মুম্ব’ই যেতে অনু’মতি দিন।” ANI-সূত্রে খবর, পরিবারের এই পরিস্থিতিতে ঋদ্ধিমাকে ইতিম’ধ্যেই দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার অনু’মতি দেওয়া হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। তবে শুধু ঋ’দ্ধিমা নন, তাঁর সঙ্গে পরিবা’রের ৫জ’নকেও দিল্লি থেকে মুম্বই যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।বৃহস্পতি’বার নিজের ইন’স্টাগ্রামে ঋদ্ধি’মা কাপুর সা’হানি লেখেন, ”বাবা আমি তোমায় খুব ভালোবাসি, তুমি এক’জন যোদ্ধা, যু’দ্ধ করেছো। তোমার অভাব বোধ কর’বো প্রতিদিন। রোজ তো’মার সঙ্গে ভিডিয়ো কলে কথা বলা মিস করবো। যতক্ষণ না আমাদের আবার দেখা হয়। ইতি তো’রব মুস্ক। ”

এদিকে ঋদ্ধিমা’র পক্ষে দিল্লি থেকে মুম্বই ১৪শ কি’লেমিটার গাড়িতে আসা সম্ভব নয়। সেক্ষে’ত্রে সময় লেগে যাবে ১৮ ঘণ্টা। তাই ঋদ্ধি’মা কাপুর স্পেশাল চ্যাটার্ড বিমানে দিল্লি
থেকে মুম্বই যাওয়ার অনুমতি চান, তবে সেই অনুমতি শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় স্বরা’ষ্ট্রম’ন্ত্রীই দিতে পারেন, তাই ঋদ্ধি’মাকে গাড়িতেই আস’তে হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।প্রসঙ্গত, কাপুর পরিবারের মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও কারিশ্মা ও কারিনার মতো অভিনয়কে নিজের পে’শা করেননি ঋষি কাপুর কন্যা ঋদ্ধি’মা কাপুর সাহানি। তিনি একজ’ন জু’য়েলারি ডিজাইনার। দিল্লির ব্যবসা’য়ী ভারত সাহানিকে বিয়ে করে বর্তমানে দিল্লি’তেই থাকেন তিনি।