আমিরাত বৃহস্পতিবার হতে এক সপ্তাহে ১০ টি ফ্লাইটের মাধ্যমে নাগরিকদের ভারত ফেরত পাঠাবে ।

মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতীয় দূতাবাস ১৭৭ জন যাত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যারা বৃহস্পতিবার আবুধাবি থেকে কোচির উদ্দেশ্যে প্রথম যাত্রাপথে যাত্রা করবে। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহে ১০ টি বিশেষ বিমানের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দুই হাজার আটকে পড়া নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে ভারত।

প্রত্যাবাসিত ভারতীয়দের জন্য 14 দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক, দূতাবাসের কর্মকর্তারা যাত্রীদের একটি অগ্রাধিকারের তালিকা তৈরি করে এবং তাদের ফোনে জানিয়ে দেন। সরকারী পোর্টালে তৈরি নিবন্ধগুলি তৈরি করে ডাটাবেস থেকে খালি করার প্রথম তালিকা নির্বাচন করা হয়।

সমস্ত 177 জন যাত্রীর একটি স্ব-ঘোষণাপত্র ফর্ম পূরণ করতে হবে , এতে তাদের ব্যক্তিগত এবং স্বাস্থ্যের বিশদ বিবরণী থাকবে। এ জাতীয় ফর্মগুলি এয়ারলাইন অফিসগুলিতে সরবরাহ করা হয়, যেখানে টিকিট বুকিং করা হবে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, টিকিটের ভাড়া 800 দিরহামের এর কম নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, আরও একটি ফ্লাইট রয়েছে, যা দুবাই থেকে কোজিকোডে ফ্লাইট করবে। বুধবার পর্যন্ত পরের দিনগুলিতে, চেন্নাই, লখডাউন , হায়দরাবাদ, নয়াদিল্লি এবং অমৃতসরে (প্রত্যাবাসন বিমানের বিশদ) এর জন্য বিশেষ বিমান চলবে।

সৌদিতে করোনায় আক্রা’ন্ত ৩৭১৭ বাংলাদেশি, মৃ,ত ৫৫

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসে আ’ক্রা,ন্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃ,ত্যু,র সংখ্যা।রিয়াদ দূতাবাস ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট-এর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশটিতে ৩ হাজার ৭১৭ জন বাংলাদেশি করোনায় আ,ক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় এই পর্যন্ত ৫৫ জন বাংলাদেশির মৃ,ত্যু হয়েছে।গত ২ মার্চ থেকে সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা শনাক্ত হবার পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩ জনের করোনা ভাইরাস টেস্ট করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ (৫ মে) নতুন করে আ,ক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৫ জন এবং মা,রা গেছেন ৯ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট করোনায়

আক্রা’ন্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫১ জন এবং মারা গেছেন ২০০ জন। আক্রা,ন্তের মধ্যে ৮৫ শতাংশ বিদেশি এবং ১৫ শতাংশ সৌদি নাগরিক বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৫ হাজার ৪৩১ জন।উল্লেখ্য, রমজান উপলক্ষে সৌদি সরকার আগামী ১৩ মে পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল এবং শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছে। শুরুর দিকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম হলেও গত কিছুদিন ধরে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘরে ঘরে গিয়ে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা চালাচ্ছে। এতে আ,ক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী। প্রতিদিনই এক থেকে দেড় হাজার মানুষ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাও কম নয়।এদিকে, দেশটিতে আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে মক্কা। শহরটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৮৪৮ জন। এরপরেই আছে রাজধানী রিয়াদ। সেখানে আক্রান্ত ৫ হাজার ১৫২ জন, জেদ্দায় ৫ হাজার ৩৩ জন, মদিনায় ৪

হাজার ৬৪৬৮ জন, দাম্মামে ২ হাজার ৪৫ জন, হুফুফে ১ হাজার ৪২০ জন। এছাড়া অন্যান্য শহরেও কম-বেশি আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবত বিমান চলাচল বন্ধ, স্থানীয় অফিস-আদালত বন্ধ, লাশ সংরক্ষণে হিমঘরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় এবং অন্যন্য নানা কারণে বেশ অসুবিধা দেখা দিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশি কর্মীদের লাশ বাংলাদেশে প্রেরণ করা সম্ভব হবে না। তাই সব মরদেহ স্থানীয়ভাবে সৌদি আরবে দাফনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।জুবাইল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে নতুন নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি এলাকার পুলিশ/ট্রাফিক, হাসপাতাল এবং গভর্নর

অফিসের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা ৩-৭ দিনের মধ্যে পুরোনো যে কোনো লা,শ দাফন করতে পারবে।মৃ,তের পরিবার দাফনের অনুমতি না দিলে দূতাবাস এনওসি (অনাপত্তি পত্র) ইস্যু করে না। আর এনওসি ইস্যু না হলে মৃত্যু সনদসহ অন্যন্য কাগজপত্র ইস্যু হবে না। এনওসি ও অন্যন্য কাগজপত্র ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডে জমা দিতে না পারলে পূর্বঘোষিত এককালীন সাহায্য ৩ লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে- এমন নিশ্চয়তাও পাওয়া যায় না।এমতাবস্থায় বিভিন্ন কারণে সৌদিতে মারা যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের লাশ স্থানীয়ভাবে দাফন করার অনুমতি দিতে মৃতদের পরিবারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দা কনস্যুলেট।

কাবা শরিফ ও মদিনা জীবাণুমু’ক্ত করতে যা করছে হারামাইন

করোনাভাইরাসের কারণে কাবা শরিফ ও মদিনার মসজিদে নববিসহ বিশ্বের সব মসজিদেই
জামাআত উপস্থিতি সীমিত ও স্থগিত করা হয়েছে। মক্কা-মদিনার দুই পবিত্র মসজিদে স্বল্প সময়ে বিধি-নিষেধের মাধ্যমে চালু রয়েছে জামাআত।ওমরা ও জেয়ারত স্থগিত রয়েছে। জনসমাগন না হলেও এ দুই স্থানের জীবাণুমুক্ত কার্যক্রম সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে চালু রেখেছে হারামইন কর্তৃপক্ষ।এখনও প্রতিদিন সাতবার জীবাণুমুক্ত করার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে হারাাইন কর্তৃপক্ষ। শুধু রাতেই পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুমুক্ত কার্যক্রম চলে তিনবার।কাবা শরিফ ও মদিনায় রমজানে সীমিত আকারে তারাবিহ হচ্ছে। করোনা সতর্কতায় এ বছর ১০ রাকাআত তারাবিহ নামাজ পড়া হয়। দেশটিতে সীমিত আকারে লকডাউন শিথিল

করা হলেও পবিত্র নগরী মক্কায় লকডাউন শিথিল করা হয়নি।করোনার সংক্রমণ রোধে হারামাইন কর্তৃপক্ষ নিয়েছে নানা পদক্ষেপ। প্রতিদিন সাতবার বিশেষ জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পরিচ্ছন্ন করা হয় কাবা শরিফের চত্বর, পুরো মসজিদে হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববি। প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পরই উঠিয়ে ফেলা হয় কার্পেট। তা জীবাণুমুক্ত করে পুনরায় তা বিছানো হয়।শুধু মসজিদে হারাম ও কাবা শরিফ চত্বরেই নয় বরং মসজিদে হারাম চত্বরেও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। তারপর পরিচ্ছন্ন করা হয় হারাম চত্বর।এ দুই পবিত্র মসজিদের তদারকি করেন শায়খ আব্দুর রহামন আস-সুদাইসি। পবিত্র নগরী মক্কায় নিজে উপস্থিত থেকে

আর অনলাইনের মাধ্যমে মদিনার মসজিদে নববির কার্যক্রমও তিনি তত্ত্বাবধান করেন।উল্লেখ্য, মহামারি করোনা আক্রমণের প্রথম দিকে রাতের বেলা ইশা থেকে ফজরের আগ পর্যন্ত পবিত্র কাবা শরিফের তাওয়াফ বন্ধ ছিল। সে সময় রাতের বেলা পুরো হারাম ও কাবা শরিফ তিন বার পরিচ্ছন্ন করা হতো। সে সময় এ কাজে নিয়োজিত ছিল এ ব্যবস্থাপনা-

৩৩০ জন দক্ষ সেবক।

১০টি ফ্লোর পরিচ্ছন্ন মেশিন।

অত্যাধুনিক ৮৬টি জীবাণুনাশক স্প্রে মেশিন।

১ হাজার ৮০০ লিটার জীবাণুনাশক লিকুইড ব্যবহার।

ফজর থেকে ইশা পর্যন্ত ৩ বার পরিচ্ছন্ন করা হয়।

নামাজের জন্য বিছানো কার্পেটগুলো মুসল্লিদের জন্য জীবাণুমু’ক্ত করা হয়।

মক্কা-মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের জীবাণুনাশক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে আরো সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। প্রতিদিন সাতবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কুয়েতে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে দুর্ভোগে সাড়ে চার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি

কারও কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে, কেউ কাজ পরিবর্তন করেছেন— এমন নানা কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক অবৈধ হয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ
সংশ্লিষ্ট দেশের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ পেলেও বড় অংশই অবৈধ রয়ে গেছেন। এবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বেশ কিছু দেশ ওইসব শ্রমিকদের সাধারণ ক্ষমা করার উদ্যোগ

নিয়েছে। এরইমধ্যে কুয়েতে অবৈধ থেকে সাধারণ ক্ষমা পাওয়া কয়েক হাজার শ্রমিক রয়েছেন।
ইতিমধ্যে কুয়েত থেকে ২৪৭ জন প্রবাসীকে দুটি ফ্লাইটে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। কিন্তু অন্যারা দেশের ফেরার জন্য দাবী জানিয়ে রবিবার সিভদী ও আবদালী ক্যাম্পে কোয়ারাইন্টেনে থাকা প্রবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। বিষয়টি জানতে পেরে কুয়েতের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলিও চালায় বলে প্রবাসীরা অভিযোগ করেন।

প্রবাসীদের অভিযোগ- কুয়েত সরকার গত ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। এরপর বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার বৈধ কাগজপত্রবিহীন প্রবাসীরা সাধারণ ক্ষমার জন্য সুযোগ নিতে আবেদন করেন। যারা আবেদন করবে তাদের দেশে ফেরানোর বিমানভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে কুয়েত সরকার। কিন্তু প্রায় এক মাসের মধ্যে পরপর তিনজন প্রবাসী স্ট্রোক করে মারা যায় ডিপোর্টেশন ক্যাম্পে। চাঁদপুরের হাজিগঞ্জের কাজিগাঁও গ্রামের আমরান (৪৩) এবং কুমিল্লার রবিউল ইসলামসহ তিন জন মারা যায়।

ওই ক্যাম্পে থাকা প্রবাসীরা বলেন, একেকটি ক্যাম্পে ৬০০ থেকে ৭০০ প্রবাসী শ্রমিক গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। তিন বেলা খাবার পানিসহ নানা ধরনের সমস্যায় দিন পার করছেন। দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলা হলেও দুটি ফ্লাইটে আড়াইশত কর্মী নেয়া হলেও বাকীদের কবে নাগাদ নেয়া হবে সেটাও বলা হচ্ছে না। খুবই কষ্টে দিন যাপন করছেন বলে প্রবাসীরা অভিযোগ করেন। ক্যাম্পে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীরা বলছেন, সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে যারা দেশে ফেরার জন্য নিবন্ধন করবেন তারা কোনো জেল-জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে না। উল্টো দেশে ফেরত আসার জন্য বিনামূল্যে টিকিট দিবে কুয়েত সরকার। কিন্তু এমন ঘোষনার সুযোগ

নিয়ে দেশে ফেরার জন্য নিবন্ধন করার এক মাস পেরিয়ে গেলেও ক্যাম্পে কাটছে কষ্টের জীবন। বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রবাসীদেও দাবী যেন দ্রুত বেশ কয়েকটি বিশেষ বিমানে তাদেও দেশে ফেরত আনান ব্যবস্থা করা হয়।বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, কুয়েত প্রবাসীরা আমাদেও সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রনালয় বিষয়টি দেখবাল করছেন।করোনা উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়তো কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা মারা গেছেন

ঢাকা ৫ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আলহাজ হাবিবুর রহমান মোল্লা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। মঙ্গলবার (সন্ধ্যায়) রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহউদ্দিন নাসিম সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।১৯৪২ সালের ২৭ জানুয়ারি হাবিবুর রহমান মোল্লা জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদের তিন মেয়াদের সংসদ সদস্য। হাবিবুর রহমানর মোল্লা ১৯৯১ সালে প্রথম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। তিনি ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে একই আসন থেকে তিনি জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদের কাছে হেরে যান।২০০৮ সাধারণ নির্বাচনে মোল্লা ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান এবং নির্বাচনে জয়ী হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সৌদি মক্কায় করো’নায় আক্রা’ন্ত বাংলাদেশির মৃ’ত্যু, পাওয়া গেছে পরিচয়

মৃ’ত বাংলাদেশি হলেন তারেক সিকদার (৪৩)। তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী করিম সিকদারপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম হাজি রমজান আলী সিকদার।আজ সোমবার মৃ’ত তারেকের চাচা মক্কা প্রবাসী শহিদ সিকদার এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খোঁ’জ নিয়ে জানা যায়, তারেক সিকদার ১৯ দিন আগে করো’নাভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে মক্কার কিং আবদুল আজিজ হা’সপাতালে ভ’র্তি হন। সেখানে তাঁকে লাইফ সাপো’র্টে রাখা হয়। অবশে’ষে মৃ’ত্যুর সঙ্গে ল’ড়ে আজ সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় হা’সপাতালে চিকিৎসা’ধীন অবস্থায় তারেকের মৃ’ত্যু হয়।

তারেক সিকদার মক্কার নোউজায় একটি মুদির দোকানে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অকাল মৃ’ত্যুতে মক্কায় ও নিজ এলাকায় শো’কের ছা’য়া নে’মে এসেছে।

সৌদি আরবের সরকারী বিমান সংস্থা সৌদিয়ার অভ্যন্তরীন ফ্লাইট চালু যে মাসে

সৌদি আরবের সরকারী বিমান সংস্থা সৌদিয়া জুন মাসে তাদের অ’ভ্যন্তরীন ফ্লাইট চা’লু করবে না বলে নি’শ্চিত করেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সৌদি গণমাধ্যম জুন মাসে সৌদিয়া অভ্য’ন্তরীন ফ্লাইট চা’লু করবে বলে জানিয়ে ছিল যা সৌদিয়া নিশ্চি’ত করেছে সঠিক নয় বলে। সূত্র : সৌদি গেজেট।

জুনে অভ্য’ন্তরীন ফ্লাইট চা’লু নিয়ে যা বললো সৌদিয়া এ ব্যাপারে তাদের অফিশিয়াল টুইটার প্রোফাইল থেকে একটি টুইট করে সৌদিয়া। সেখানে লেখা ছিল –অভ্যন্তরীন ফ্লাইট এখনি চালু করছে না সৌদিয়া। আমরা এ ব্যাপারে সকলকে নিশ্চিত করছি যে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সৌদি গণমাধ্যমে জুন মাসে সৌদিয়ার ফ্লাইট চালু করা নিয়ে যে সকল সংবাদ ছা’পা হয়েছে সে সকল সংবাদ সত্য নয়। সৌদিয়ার ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে যথাযথ সিদ্ধান্ত যথাসময়ে নিবে সৌদিয়া কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত সোমবার বিভিন্ন গণমাধ্যমে সৌদিয়ার ওয়েবসাইটে ১ জুন থেকে অভ্য’ন্তরীন ফ্লাইট বু’কিং দেওয়া যাচ্ছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।গত রবিবার সৌদি আরব সরকার দেশের সকল অভ্যন্ত’রীন ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরবর্তি ঘো’ষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়।কো’ভিড-১৯ মহামা’রী রো’ধে এই পদক্ষে’প নিয়েছে সৌদি সরকার।

সুত্র – ডাকঘর

সালমান খান নিজের কাঁধে করে অসহায়দের খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন

বান্ধবীদের প্রতি তার বিশেষ টান। লকডাউনের এই অসময়েও বান্ধবীহীন নন বলিউডের প্রেমিক পুরুষ সালমান খান। নিজের ব্যক্তিগত ফার্ম হাউজে সময় কাটাচ্ছেন দুই প্রিয় বান্ধবীদের সঙ্গে।তাদের একজন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। আরেকজন রোমানিয়ান মডেল লুলিয়া ভান্তুর।বলিউডের দাবাং খান সেই দুই সুন্দরীকে নিয়ে রবিনহুড স্টাইলে ধরা দিলেন। সালমানের ভক্তরা এরকমটাই বলছেন ৷ করোনা মোকাবিলায়, এই

লকডাউনে সালমান যা করছেন, তা সত্যিই ভাবা যায় না। নানাভাবে তিনি ইন্ডাস্ট্রির অসহায় মানুষদের সাহায্য করছেন।এবার লকডাউনে যাতে গরিব মানুষদের কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য নিজের ফার্ম হাউজ থেকে খাদ্য সামগ্রী বস্তায় বস্তায় বিলিয়ে দিচ্ছেন সালমান৷ নিজে হাতেই বস্তা তুলে রাখছেন গ্রামবাসীর গরুর গাড়িতে।এই মহান কাজে নায়কের পাশে ছিলেন লুলিয়া ভান্তুর ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেজও ৷ সেই ভিডিও এখন ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

বিয়ের সাধ মিটে গেছে, মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছেন শ্রাবন্তী

বাইরে কেবলই অ্যাম্বুলেন্সের চিৎকার। মৃ’ত্যুভ’য় ছাড়া যেন আর কোনো অনুভূতি নেই শ্রাবন্তীর। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশের এই টেলিভিশন তারকার দিনরাত এক হয়ে গেছে।
দুই শতাধিক বাঙালি মা’রা গেছেন সেখানে। ব্রুকল্যান্ডের চেয়ে কুইন্সের অবস্থা বেশি ভ’য়াব’হ। নিউইয়র্কে মৃ;;ত্যুহার কমেছে বটে, কিন্তু সং’ক্র’মণের হার প্রতিদিনই বাড়ছে। এ অবস্থায় মানুষ কেমন থাকে?শ্রাবন্তীর মনে হচ্ছিল, মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছেন। এপ্রিলের শুরুতে বড় বোনের মেরিল্যান্ডের বাড়িতে পার হন তিনি। একসময়কার জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। প্রায় পাঁচ বছর হলো তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। ২০১০ সালে স্যাটেলাইট

চ্যানেলের কর্মকর্তা খোরশেদ আলমকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১৮ সালে তাদের বিচ্ছে’দ হয়ে যায়। সেই সংসারে তাদের আছে দুটি মেয়ে। মায়ের সঙ্গে তারা থাকে নিউইয়র্কে। করোনা মহামা’রিতে এখন তাদের নিয়ে অনি’শ্চয়তার দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের এই প্রিয়মুখ।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে শ্রাবন্তী বললেন, ”যুক্তরাষ্ট্রের সরকার শুরুতে তেমন পা’ত্তা দেয়নি। এখন বুঝতে পারছে যে কী ভ’য়াব’হ বিপ’র্যয়ের মধ্যে পড়েছে তারা।”বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের অনেকেই সেখানে থাকেন। তাদের সঙ্গে কি যোগাযোগ হয়েছিল শ্রাবন্তীর? পরস্পরের খবর কি জানেন তারা? শ্রাবন্তী বলেন, ”খাইরুল আলম পাখি, টনি ডায়েস, প্রিয়া ডায়েস, তমালিকা কর্মকার, তানিয়া আহমেদ, রিচি, মিলা, মোনালিসা, নওশিন, হিল্লোল—সবার সঙ্গেই যোগাযোগ হয়। সবাই মিলে মেসেঞ্জারে একটা গ্রুপ খুলেছি। সব সময়ই তাদের

সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে। এতে মানসিক শক্তি পাচ্ছি। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকেও অনেক সহকর্মী খোঁ’জ নিচ্ছেন।”ওয়ালমার্টে চাকরি নিয়েছিলেন শ্রাবন্তী। এক বছর পর সেটা আর ভালো লাগেনি তার। তিনি বলেন, ”যদিও আমেরিকায় কোনো কাজই ছোট না, তারপরও ওয়ালমার্টে কাজ করতে আমার কেমন যেন লাগত। তাই ছেড়ে দিলাম। মেডিকেল সহকারীর নয় মাসের একটা কোর্সে ভর্তি হয়েছিলাম। সবকিছু ঠিক থাকলে সেটা শেষ করে এত দিন ইন্টার্নশিপ করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে আ’টকে গেছে।”এত বিষয় থাকতে মেডিকেল সহকারীর কোর্স কেন? জানতে চাইলে শ্রাবন্তী বলেন, ”আমার যে বয়স, তাতে

অন্য কোনো কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। বাচ্চা দুটোকে দেখাশোনা করতে হয়। এ ছাড়া মেডিকেল সহকারীর কাজটা সেবামূলক, কোর্সটা তাই আমার পছন্দ হয়েছিল। তা ছাড়া এখানে মেডিকেল সহকারী কোর্সের সনদ ও লাইসেন্স থাকলে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ভালো সুযোগ আছে।”গত পাঁচ বছরে দুবার বাংলাদেশে এসেছিলেন শ্রাবন্তী। শেষবার এসেছিলেন ২০১৮ সালে, বিচ্ছে’দের সময়। বিচ্ছে’দের পর অনেক দিন হয়ে গেল। নতুন করে সংসার শুরু করার ইচ্ছে আছে তার? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ”বিয়ের আর বিন্দুমাত্র সাধ নেই, বিয়ের সাধ মিটে গেছে আমার। মেয়ে দুটোকে পড়াশোনা করাব, এটাই আমার জীবন।” সূত্র : প্রথম আলো

বিমান চলাচলে নিষে’ধাজ্ঞা ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ল

করোনাভাইরাসের সংক্র’মণ ঠেকাতে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচলে নতুন করে নিষে’ধাজ্ঞার মেয়াদ বৃ’দ্ধি করে ১৬ মে পর্যন্ত করেছে।মঙ্গলবার (০৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের (সিডিউল প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট) ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিষে’ধাজ্ঞা ১৬ মে পর্যন্ত ব’র্ধিত করা হলো।’এ নিষে’ধাজ্ঞা আগের মতোই

বাহরাইন, ভুটান, হংকং, ভারত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইউএই, ইউকে -এর সাথে বিদ্যমান বিমান চলাচল রুটের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।একই সঙ্গে কার্গো, ত্রাণ-সাহায্য, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, জ’রুরি অবতরণ ও স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনার কার্যক্রম চালু থা’কবে বলে জানানো হয়েছে।