জাস্টিন ট্রুডোকে করোনায় কাশ্মীরিদের কষ্টের কথা জানালেন ইমরান খান

মহামারী করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ সময় ট্রুডোকে ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে মুসলিমদের কষ্টের কথা জানান তিনি। এ ছাড়া দুই নেতার মধ্যে দেশ দুটির অন্যান্য পারস্পরিক স্বার্থ নিয়েও আলোচনা হয়।রোববার রাতে টেলিফোনে এ দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানায় পাক সংবাদ মাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।আলোচানার সময়

মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ইমরান খান। তিনি বলেন, মহামারীটি একটি বড় ধরনের বিপর্যয়, ফলে আরও ঘনিষ্ঠভাবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।জি-২০ ত্রাণ তালিকায় পাকিস্তানের নাম অন্তর্ভুক্তিতে সমর্থনের জন্য কানাডাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে ভারতে মুমলিমদের নিয়ে

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইমরান খান। এ সময় তিনি কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর কাছে করোনা পরিস্থিতে ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি তুলে ধরেন।যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, চিকিৎসার অভাব ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাবে সেখানে কঠিন সময় পার করছেন কাশ্মীরিরা।

তুরস্কের সেই নীল মসজিদ ৪০০ বছর পরও সৌন্দর্যের আলো ছড়াচ্ছে

তুরস্ক এবং ব্লু মসজিদ এক ও অভিন্ন। ব্লু বা নীল মসজিদের নাম উচ্চারণের সাথে সাথেই আসে তুরস্ক আর তার ঐতিহাসিক ইস্তাম্বুুল শহরের কথা।ব্লু মসজিদ যেন ইস্তাম্বুল তথা গোটা তুরস্কেরই প্রতীক। এর নাম আসলে সুলতান আহমেদ মসজিদ। মসজিদের ভেতরে হাতে আঁকা টাইলসের মোহনীয় নীল কারুকাজের জন্য ব্লু মসজিদ বা নীল মসজিদ নামে পরিচিত।এ ছাড়া দিনের বেলায় শত শত রঙিন কাচের জানালা আর রাতে মসজিদের প্রধান পাঁচটি গম্বুজসহ মোট ১৩টি গম্বুজ ও ছয়টি মিনার থেকে নীল আলোর বিচ্ছুরণে তৈরি হয় মোহময় পরিবেশ।মসজিদটির নির্মাণ কাল ১৬০৯ থেকে ১৬১৬ সালের মধ্যে প্রথম আহমেদের শাসনামলে। এর পাশেই অবস্থিত তুরস্কের আরেক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হাজিয়া সোফিয়া জাদুঘর যা প্রথমে গির্জা, পরে মসজিদ ছিল। ৪০০ বছর পরও তুরস্কের ব্লু মসজিদ আজো

পৃথিবীর সুন্দর মসজিদের স্থানে গৌরবের সাথে তালিকাভুক্ত হয় নানা কারণে।এর ঐহিহাসিক গুরুত্ব, ধাপে ধাপে (কাসকেডিং) সাজানো গম্বুজ, ছয়টি মিনার, বিশাল সাহান, উচ্চ মূল্যবান সিলিং, অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান হওয়া, গাছাগাছালি ঘেরা এর চারপাশের বিশাল খোলামেলা পরিবেশ, পার্র্ক সাজানো রাস্তা, বাড়িঘর, নীল জলাধাররের ফোয়ারা, মসজিদের অভ্যন্তরীণ হাতের কাজ সব মিলিয়ে ইংরেজিতে প্লেস অব ম্যাজিক অ্যান্ড ওয়ান্ডার হিসেবে পরিচিত এ মসজিদ।বাইজানটাইন শাসকদের প্রাসাদের পাশে হাজিয়া সোফিয়া মসজিদের সামনে অবস্থিত ব্লু মসজিদ। এ মসজিদের আশপাশে রয়েছে আরো অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা। এক সময় এলাকাটি বাইজানটাইন শাসকদের রাজপ্রাসাদ ছিল এবং এর বিশাল খোলা পরিবেশ দীর্ঘকাল পরও বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে তুুরস্ক কর্তৃপক্ষ।দেয়াল, গম্বুজ, সিলিং, খুঁটির বাহারি কারুকাজ, মোহনীয় রঙের ব্যবহার, মসজিদের বিশালত্ব, পুরনো দিনের

বিশালকায় দেয়াল, সাহানের মাঝে ঝর্ণা, রঙিন কাচের ২০০ জানালা, মসজিদের উপরিভাগে হাতে করা কারুকাজের ২০ হাজার সিরামিক টাইলস,কুরআনের আয়াতের ক্যালিগ্রাফি, স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য, প্রভৃতি যেমন এ মসজিদের সৌন্দর্যের উৎস তেমনি একে বিশেষত্ব দান করেছে এর বাইরের পরিবেশ। মারমারা সাগরের নীল জলরাশির পাশে এর অবস্থানও মসজিদটির ব্লু বা নীল নামের সার্থকতা বহন করছে।এটিকে শুধু মসজিদ বললে ভুল হবে। দীর্ঘকাল ধরে তুরস্কের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে এ মসজিদ। মুসলমান ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মের হাজার হাজার লোকজন প্রতিদিন এ মসজিদ দেখতে আসেন। মসজিদের ভেতরে ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে পর্যটকদের জন্য। তুরস্কে সফরে গিয়ে এ মসজিদ না দেখে ফিরেছেন এমন লোক সম্ভবত খুব কম।মসজিদের মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা ১০ হাজার। দৈর্ঘ ২৪০ ফুট, প্রস্থ ২১৩ ফুট, প্রধান গম্বুজের উচ্চতা ১৪১ ফুট। মিনারের উচ্চত ২১০ ফুট।

মার্কিন গায়িকা মেরি ইসলাম গ্রহণের পর প্রথম রোজা পালনের অভিজ্ঞতা জানালেন

একজন মুসলিমকে বিয়ে করার বিশ বছর পরে গত গ্রীষ্মে ইসলাম গ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন মার্কিন গায়িকা মেরি ক্যাথরিন ফোর্ড।করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও নিয়মিত রোজা পালন করছেন তিনি।আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মার্কিন গায়িকা নিজের প্রথম রোজা রাখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পরে আমার প্রাত্যহিক জীবনে ব্যপক পরিবর্তন এসেছে। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আমাকে শৃঙ্খলিত করে। চলতি রমজান আমার জীবনে প্রথম রোজা পালনের সুযোগ করে দিয়েছে। যদিও করোনার কারণে এ বছরের রোজা প্রতিটি মুসলমানের কাছেই হাজির হয়েছে একটু ভিন্নরূপে। তারপরও পরিবারের সঙ্গে অত্যন্ত প্রশান্তি ও নিরাপদেই পবিত্র রমজান মাস অতিবাহিত

করছি।তিনি বলেন, আমি বিশ বছর আগে আলজেরীয় এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। সেই থেকে স্বামী এবং পরবর্তীতে আমার মুসলমান সন্তানদের সঙ্গে রমজান মাস কাটিয়েছি। তারা রোজা রাখলেও আমি রাখতাম না। তবে এখন মুসলিম হওয়ার পরে রমজান ও রোজাকে ভিন্নভাবে অনুভব করছি। এককথায়, ইসলাম গ্রহণের পরে সবকিছুই আমার নিকট অন্যরকম লাগছে।মেরি বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করি। আর যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃ’ত্যুবরণ করেছে এই নিউইয়র্কে। এজন্য শহরটিতে এ বছরের রমজানের অভিজ্ঞতা যেকোনও সময়ের তুলনায় ভিন্ন, ঘর ছেড়ে বাইরে বের হতে পারছি না মোটেও।তিনি আরও বলেন, আমি বলব, বস্তুত ইসলাম আমার সত্ত্বায় আস্তে আস্তে ঢুকে পড়েছে। গত গ্রীষ্মে যখন স্বামীর সঙ্গে আলজেরিয়ায়

ছিলাম, একদিন ফজরের আজানের ধ্বনি আমার কানে বেজে ওঠে। আমি অনুভব করি, স্বতন্ত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে আমাকে নামাজের জন্য আহবান করা হচ্ছে। এবং বুঝতে পারি, আসলে ইসলামই শান্তির ধর্ম।অতঃপর আমি সম্পূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করি। অনেকে বলছেন আমি করোনার ভ’য়ে ইসলামে দীক্ষিত হয়েছি- ব্যাপারটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমি মুসলিম হয়েছি গত গ্রীষ্মে। করোনা মহামা’রির সঙ্গে আমার ইসলাম গ্রহণের কোন যোগসূত্র নেই।এই গায়িকা আরও বলেন, এটা ঠিক যে, করোনা যখন গোটা বিশ্বকে ভী’ত সন্ত্রস্ত করে তুলেছে তখন প্রতি মুহূর্তে ইসলামিক বিধান নামাজ-রোজা আমার হৃদয়ে প্রশান্তি ও স্থীরতার দুর্দান্ত উৎস।একইসঙ্গে ইসলাম আমার অগোছালো জীবনে ভারসাম্য ফিরিয়ে এনেছে।

আরব আমিরাতে চাল-মৌসুমি ফলপাঠাল বাংলাদেশ, করোনা সংকট মোকাবেলায় পাশে থাকবে আমিরাত !

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এসব খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, মৌসুমী ফল ও শাকসবজি। আজ শুক্রবার (১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে বাংলামতি চাল, মৌসুমি ফল ও শাকসবজি পাঠানো হয়েছে।

মৌসুমি ফলের মধ্যে রয়েছে- তরমুজ ও আনারস। এ ছাড়া সবজির মধ্যে রয়েছে- ঢেঁড়স, আলু, শসা ইত্যাদি। ইতিহাদ এয়ারের একটি কার্গো ফ্লাইটে এসব খাদ্যসামগ্রী সেদেশে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশের করোনাময় সংকটকালে অধিকাংশ করোনা চিকিৎসা সামগ্রীসহ ৭ টন সহায়তা সামগ্রী পাঠিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ালেন সংযুক্ত আরব আমিরাত। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশকে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইত্তেহাদের একটি ফ্লাইট যোগে এই ৭ টন মেডিক্যাল এইড আবুধাবী এয়ারপোর্ট হতে উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে দেশটি।

এসব মেডিক্যাল এইড ও ইক্যুইপমেন্ট দিয়ে দেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত প্রায় ৭ হাজার চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারবে।বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আল মুহাইরি বলেছেন বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে আমিরাত বাংলাদেশকে এই সহায়তা প্রেরণ করেছে।

এদিকে আমিরাতে এ সংবাদ প্রচার হবার সঙ্গে সঙ্গেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে এ সংবাদটি টক অব দি কান্ট্রিতে পরিণত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধিকাংশ দেশীয় প্রবাসী আমিরাতের প্রশংসা করেন এবং দেশটিকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আরব আমিরাত ৩৩টি দেশকে ৩৪১ মেট্রিক টন মেডিক্যাল এইড দিচ্ছে যা দিয়ে ৩৪১ হাজার মেডিক্যাল প্রপেশনাল করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে পারবেন।

ওজিল ৮৫ লাখ টাকা দান করলেন রমজান উপলক্ষে তিন মুসলিম দেশে

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে অসহায়-দুস্থদের খাদ্য ও ইফতারের জন্য আর্থিক সহায়তা দিলেন জার্মানি ও ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের দল আর্সেনালের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মেসুত ওজিল।তিন দেশকে ১ লাখ ১ হাজার ডলার দান করেছেন ওজিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটা ৮৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা। মূলত তিন দেশের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য ও ইফতারের জন্য এই টাকা দিয়েছেন তিনি। দেশ তিনটি হলো সোমালিয়া, সিরিয়া ও তুরস্ক।
তুরস্কের রেড ক্রিসেন্টের মাধ্যমে এই টাকা দিয়ে তিনটি দেশে খাদ্য ও ইফতার বন্টন করে

দেওয়া হবে। এতে সিরিয়া ও তুরস্কে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ ইফতার, সন্ধ্যার খাবার ও সেহরি করতে পারবেন। রমজানের পুরো মাস জুড়েই খাবারের ব্যবস্থা করেছেন ওজিল। এছাড়া সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে ৯০ হাজার ইফতার প্যাকেজ বন্টন করা হবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের মধ্য।এমন মহান উদ্যোগের জন্য ওজিলকে ধন্যবাদ দিয়েছেন তুরস্কের রেড ক্রিসেন্টের সভাপতি কেরেম কিনিক। তিনি বলেন, ‘পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে অসহায়-দুস্থ মুসলমানদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ওজিলকে ধন্যবাদ। অতি শিগগিরই আমরা খাদ্য সামগ্রী ও ইফতার বণ্টনের ব্যবস্থা করব।’

অবশেষে আটার প্যাকেটে ১৫ হাজার টাকা বিতরণ নিয়ে মুখ খুললেন আমির

করোনাভাইরাসের জেরে লকডাউনে বিপর্যস্ত ভারত। দেশের দরিদ্র শ্রেণির বহু মানুষকে সাহায্যের জন্য রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ ও সালমান খানসহ অনেক তারকারাও দুই হাত খুলে সহায়তা দিচ্ছেন।শোনা যাচ্ছিলো বলিউডের পারফেকশনিস্ট আমির খান নাকি আটার প্যাকেটে করে দুঃস্থদের মাঝে টাকা দান করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় আসে একটি টিকটক ভিডিও। এখানে দেখা যায়,

দিল্লির এক বস্তি এলাকায় আসে আটার প্যাকেট ভর্তি একটি লরি ৷ প্রত্যেকটি আটার প্যাকেটে ছিলো ১৫ হাজার টাকা৷ টিকটক ভিডিওর কথায়, এই ব্যবস্থা করেছেন আমির খান ৷সেই সময় এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করদে দেখা যায়নি আমির খানকে। এবার তিনি বললেন, ‘বন্ধুরা, আটার প্যাকেটে টাকা রাখা ব্যক্তি আমি নই। এটা পুরোপুরি ভুয়া খবর বা এটা রবিন হুড টাইপের কেউ হবেন। যিনি নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চান না।’আমিরের টুইটের পর তার প্রশংসা করছেন অনেকেই।

তাদের বক্তব্য, টাকা না দিয়েও প্রচারের সুযোগ অনেকেই হাতছাড়া করতেন না। কিন্তু আমির সেই পথে হাঁটেনি।’করোনা ভাইরাসের প্রকোপে দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলিউডের আরও অনেক তারকা ৷ অক্ষয় কুমার, সালমান খান, শাহরুখ খান, অভিষেক বচ্চন, আনুষ্কা শর্মা, বরুণ ধাওয়ানরাও নিজের মতো করে অর্থ সাহায্য করেছেন ৷

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি !

আরব আমিরাতের রেস্তোঁরাগুলিকে তাদের প্রাঙ্গনের বাইরে ইফতারের স্ন্যাক বিক্রি না করা এবং খাবারের মানের উপর নজর রাখা সতর্ক করা হয়েছে । শারজাহ, আল ধইদ ও আজমান পৌরসভা আবাসিক এলাকায় সস্তা দামে শ্রমিকদের থাকার জায়গায় খাবার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ক্র্যাকডাউন শুরু করেছে।

শারজাহ পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেছেন , “রাস্তার কোণে দুর্বল মানের খাবার বিক্রি সাধারণত রমজান মাসে বেড়ে যায় । চলতি বছর কোভিড -১৯ এর নিষেধাজ্ঞার পরেও তা অব্যাহত রয়েছে,” । “রমজান বিশেষ বিক্রয়কারী বিক্রেতারা – হুমমাস, সামোসা, পাই, প্যানকেকস, ফালাফেল, পাকোডাস এবং অন্যান্য এশিয়ান স্ন্যাকস – তাদের প্রাঙ্গণের বাইরে রাখে এবং তাপ এবং ধুলাবালির সংস্পর্শে আসে। শ্রমিকরা রেস্তোঁরাগুলিতে কেনার চেয়ে সস্তা বলে প্রায়ই এই বিক্রেতাদের উপর নির্ভর করে।

“এ জাতীয় বিক্রেতারা এবং পৌরসভা থেকে লাইসেন্স না নিয়েই কাজ করে। ছোট খাবারের দোকানগুলি পর্যবেক্ষণ করার জন্য পরিদর্শন আরও তীব্র করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই স্নাকস তৈরির জন্য মানুষের ব্যবহারের অযোগ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান ব্যবহার করে , যা খাদ্য বিষক্রিয়ার দিকে পরিচালিত করে।” নাসের সাইদ মুহাম্মদ আল আল ধইদ পৌরসভার জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান তুনাইজি বলেছেন, পবিত্র মাসে খাদ্য পণ্য পর্যবেক্ষণের জন্য একটি বিস্তৃত স্বাস্থ্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। “ইফতারের স্ন্যাক বিক্রয়কারীদের টার্গেট করার জন্য পরিদর্শকদের একটি বিশেষ দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তারা অ’বৈধ মোবাইল খাবার বিক্রেতাদেরও নজরদারি করেন যারা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহার করে তাদের বাসায় খাবার রান্না করেন এবং শ্রমিক ও দরিদ্রদের কাছে বিক্রি করেন। এ জাতীয় লঙ্ঘনকারীদের উপর কঠোর জরিমানা করা হবে। নগরীর খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পৌরসভা তার বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার জন্য আগ্রহী। ”

আজমান পৌরসভার স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগের পরিচালক খালিদ আল হোসানী বলেছেন, ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এর অনুশীলন নাগরিক সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত স্বাস্থ্য বিধি লঙ্ঘন।

তিনি বলেন, “খাদ্য মোবাইল ইউনিট, রেস্তোঁরা, ক্যাফে এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানগুলিকে লক্ষ্য করে পরিদর্শন অভিযানগুলি তীব্র করা হয়েছে, যা নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি বিধিমালার কঠোরভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য প্রাঙ্গণের বাইরে স্ন্যাক বিক্রি করতে দেয়া হয় না ।”

জান্নাতের রাইয়্যান দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন রোজাদাররা

রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি। মহান আল্লাহ এ মাসে আমাদের ওপর রোজা ফরজ করেছেন। মুসলিম উম্মাহ ক্ষমা ও নাজাতের মাস রমজান অতিবাহিত করছে। এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বসন্তকাল হিসেবে পরিচিত।এ মাসের ইবাদাত বন্দেগির সাওয়াব ও ফজিলত অন্য মাসের তুলনায় অনেক বেশি। রমজানের রোজা পালনকারীর মর্যাদা আলাদা করতেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতের রাইয়্যান নামক আলাদা দরজার ঘোষণা দিয়েছেন।

হাদিসে এসেছে-
হজরত সাহল রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জান্নাতের মধ্যে রাইয়্যান নামক একটি দরজা রয়েছে। কেয়ামতের দিন এ দরজা দিয়ে শুধুমাত্র রোজাদাররাই প্রবেশ করবে। তাদের ব্যতিত এ দরজা দিয়ে অন্য কাউকে(জান্নাতে) প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। ঘোষণা দেয়া হবে- রোজাদাররা কোথায়? তখন তারা (সব রোজাদার) দাঁড়াবে। তাদের ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। রোজাদাদের প্রবেশের পরপরই (রাইয়্যান নামক) দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। যাতে এ

দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করনে না পারে।’ (বুখারি)এ বিশেষ মর্যাদা লাভে রোজাদারকে রমজানের যথাযথ হক আদায় করতে হবে। প্রথম দশকে রোজার হকগুলো আদায় করতে ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দশকও ব্যর্থতায় পরিণত হবে। তাই প্রথম দশক থেকেই রমজানের যথাযথ হক আদায় করে আল্লাহর ভয় অর্জন করা জরুরি। তবেই রোজাদার পাবে হাদিসে ঘোষিত সব মর্যাদা ও ফজিলত।সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত রমজানের রোজা পালন এবং তার হক আদায় করা। সে আলোকে রোজাদারের জন্য বিশেষ কিছু করণীয় তুলে ধরা হলো-

– দিনের বেলায় পানাহার ও স্ত্রী-সম্ভোগ ত্যাগের নামই রোজা নয়, বরং প্রতিদিন অন্যায় কাজ, মিথ্যা, গিবত, হারাম উপার্জনসহ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা। রোজা রেখে এ কাজগুলো করলে সারাদিন উপবাস করার কোনো ফায়েদা নেই। সুতরাং রোজা পালন করে সব অন্যায় থেকে বিরত থাকাজরুরি।

– রমজান মাসের আমল-ইবাদাতে কুরআনের বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। কেননা এ মাসেই নাজিল হয়ে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন। ঈমানের দাবি হচ্ছে- ‘বান্দার
প্রতিটি আমল হবে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক।

মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম সব রোজাদারকে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের তাওফিক দান করুন। আমিন।

‘জাহরা হোসাইন’ মাত্র তিন বছর বয়সেই কোরআনে হাফেজ

মাত্র তিন বছর বয়সেই কোরআনে হাফেজ ‘জাহরা হোসাইন’! আজারবাইজানের তিন বছর বয়সী ফুটফুটে মেয়ে ‘জাহরা হোসাইন’ কোরআন মুখস্থ করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। সে ওই দেশের কনিষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।আমরা সবাই জানি, আল কোরআন সর্বশেষ আসমানি কিতাব। অতএব, কিয়ামত পর্যন্ত একে অবিকৃত ও সুসংরক্ষিত রাখা হবে। এতে কোনো ধরনের বিকৃতি ঘটবে না, এখানে পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এটা এ কারণে নিশ্চিত হয়েছে যে কোরআন শরিফ সংরক্ষণের দায়িত্ব খোদ আল্লাহতায়ালা নিজের দায়িত্বে রেখে দিয়েছেন। তিনি আমাদের মতো মানুষের মাধ্যমেই এর সংরক্ষণ করবেন এবং তা করছেনও।প্রতিদিন হাজার হাজার মাসুম বাচ্চা কোরআন শরিফের

হাফেজ হচ্ছে। গোটা দুনিয়ার মুদ্রিত সব কোরআন একসঙ্গে আগুনে পুড়িয়ে দিলেও লাখো হাফেজের কণ্ঠ থেকে অবিকৃত কোরআন শরিফের সুরেলা আওয়াজে মুখরিত হবে তামাম দুনিয়া। সত্যিই এটা এক বিরল বিষয়। এ ধরনের নজির অন্য কোনো গ্রন্থের ক্ষেত্রে কল্পনাও করা যায় না।আল্লাহতায়ালা কর্তৃক কোরআন সংরক্ষণের এ ব্যবস্থাপনার নজির বিশ্ববাসী প্রায়ই দেখে। তেমনি এক অনন্য উদাহরণ আজারবাইজানের তিন বছর বয়সী ফুটফুটে মেয়ে ‘জাহরা হোসাইন’। এই বয়সেই সে পবিত্র কোরআনে কারিমের ৩৭টি সূরা মুখস্থ করে সেদেশের কনিষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বসবাসরত কনিষ্ঠ এই কোরআনের হাফেজ সম্পর্কে তার মা বলেছেন, ‘গর্ভকালীন সময়ে আমি প্রতিনিয়ত পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতাম এবং উচ্চস্বরে কোরআন তেলাওয়াত

মনোযোগ সহকারে শুনতাম।’ জাহরার মা আরও বলেন, ‘জাহরার জন্মের পর তার ঘুমের সময়ে ঘুমপাড়ানি ছড়ার জায়গায় আমি পবিত্র কোরআনের ছোট ছোট সূরাগুলো পড়তাম।
এভাবেই দিন কাটছিল। কিন্তু এক সময় আমি বুঝতে পারলাম, জাহরা মাত্র এক বছর বয়সেই আমার সাথে কোরআনের আয়াতগুলো পুনরাবৃত্তি করছে। আর এর ফলে তার জন্য কোরআনের অন্যান্য আয়াত ও সূরাগুলো আমি পড়তে আমি আগ্রহী হই। এভাবেই তিন বছরের ফুটফুটে মেয়ে জাহরা কোনো শিক্ষকের নিকট প্রশিক্ষণ ছাড়া ৩৭টি সূলা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে।’জাহরার দাদা হাজী হোসেন এ ব্যাপারে বলেন, ‘জাহরার কোরআন মুখস্থ করার জন্য তার মা’র ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। কেননা, জাহরার জন্মের পূর্বে থেকেই তার মা

সবসময় কোরআন তেলাওয়াত করত এবং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে দানকৃত জাহরার এ প্রতিভার জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত।তিনি আরও বলেন, জাহরার জন্মের পর থেকে তার ঘুম পাড়ানোর জন্য কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করা হয়েছে এবং সে খুব মনোযোগ সহকারে শুনতো। এক বছর বয়সে জাহরা একা একাই সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক এবং সূরা নাস বলত।জাহরার দাদা এ সাফল্যকে মহান আল্লাহর দান হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এটা আল্লাহর করুণা যে, এক বছরের শিশু কোরআনের সূরা মুখস্থ করেছে। অথচ তার বয়সের অন্যান্য বাচ্চারা শুধুমাত্র ‘বাবা’ এবং ‘মা’ বলা শেখে। জাহরার বয়স যখন দু’বছর পূর্ণ হয় তখন সে কোরআনের ৮টি সূরা মুখস্থ করে এবং বর্তমানে তার তিন বছর পূর্ণ হয়েছে এবং সে তাজবিদ সহকারে পবিত্র কোরআনের ৩৭টি সূরা মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছে।

আরব আমিরাত ও সৌদি সহ দেখে নিন সকল দেশের মুদ্রার রেট ০৪ মে ২০২০

আজ ০৪ মে ২০২০ ইং, প্রবাসী ভাইরা দেখে নিন আজকের সকল দেশের রেট এ বাংলাদেশি টাকায় কত টাকা। প্রবাসী ভাইরা, হু’ন্ডি এটা অবৈ’ধ পন্থা এই পথে টাকা পাঠাবেন না। আপনারা ব্যাংকের মধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠান এতে আপনার টাকার গ্যারা’ন্টি আছে, বাংলাদেশের রেমিটেন্স বাড়বে দেশের উপকার হবে।

AED (দুবাই দেরহাম) = 22.97 ৳

SAR (সৌদি রিয়াল) = 22.46 ৳

MYR (মালয়েশিয়ান রিংগিত) = 19.47 ৳

SGD (সিঙ্গাপুর ডলার) = 59.53 ৳

AED (দুবাই দেরহাম) = 22.97 ৳

KWD (কুয়েতি দিনার) = 275.06 ৳

USD (ইউএস ডলার) = 84.38 ৳

OMR (ওমানি রিয়াল) = 219.11 ৳

QAR (কাতারি রিয়াল) = 23.17 ৳

BHD (বাহরাইন দিনার) = 225.17 ৳

EUR (ইউরো) = 92.31 ৳

MVR (মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া) = 5.44 ৳

IQD (ইরাকি দিনার) = 0.071 ৳

ZAR (সাউথ আফ্রিকান রেন্ড) = 4.47 ৳

GBP (ব্রিটিশ পাউনড) = 105.02 ৳

INR (ভারতীয় রুপি) = 1.12 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন। সবাই সবসময় মনে রাখবেন, যেকোন সময় মুদ্রার রেট উঠা-নামা করতে পারে। নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় সঙ্গে থাকুন।